Blog

  • রাজশাহীতে ৯ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

    রাজশাহীতে ৯ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহীর পবা উপজেলায় এক শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার বিকেলে উপজেলার পাকারমাথা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতের নাম ওমর ফারুক। তিনি বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের রোকন এবং পেশায় গ্রাম্য চিকিৎসক।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওমর ফারুক নিজ বাড়িতে স্ত্রীর সঙ্গে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। অভিযোগ উঠেছে, প্রায় ২২ দিন আগে এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে তিনি অশালীন আচরণ করেন। পরে শিশুটি বাসায় গিয়ে পরিবারকে জানায়। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলেও বিষয়টির কোনো সমাধান হয়নি বলে দাবি করা হচ্ছে।

    এ বিষয়ে পবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মতিন বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    অভিযুক্ত ওমর ফারুক তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তার বাবা মজিবুর রহমান ও এটিকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন।

    এ প্রসঙ্গে বড়গাছী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুর রহমান মিলন বলেন, ওমর ফারুক তাদের ওয়ার্ডের রোকন। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসা উচিত। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।# মহ/

  • কৃষকের স্বার্থে দুর্গাপুরে সাঁড়াশি অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমান

    কৃষকের স্বার্থে দুর্গাপুরে সাঁড়াশি অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমান

    নিজস্ব প্রতিবেদক : কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং অনুমোদনহীন কৃষি উপকরণের বিক্রি ও ব্যবহার ঠেকাতে রাজশাহীর দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে অবৈধ সার ও অনুমোদনহীন বালাইনাশক বিক্রির দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নুর তানজুর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা পারভীন লাবনীসহ কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিনে কৃষি উপকরণের মজুদ, বিক্রি ও অনুমোদনের বিষয়গুলো তদারকি করেন। এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তহিদুর রহমান, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা বজলুর রহমান এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করে দুর্গাপুর থানা পুলিশের একটি দল।
    অভিযানকালে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথকভাবে দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে মো. সোহেল রানার প্রতিষ্ঠানকে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ৮(১) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপরদিকে রেণু বেগমের প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীন বালাইনাশক বিক্রির অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযানে কৃষি বিভাগের সক্রিয় ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা পারভীন লাবনী বলেন, সাধারণ কৃষক যাতে নিম্নমানের বা অবৈধ কৃষি উপকরণ কিনে প্রতারিত না হন, সে বিষয়ে কৃষি বিভাগ সতর্ক রয়েছে। অবৈধ সার মজুদ, লাইসেন্সবিহীন বালাইনাশক বিক্রি এবং কৃষি উপকরণ সংক্রান্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।

    কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদনহীন ও নিষিদ্ধ বালাইনাশক এবং অনিবন্ধিত সার ব্যবহারে শুধু ফসলের ক্ষতিই নয়, দীর্ঘমেয়াদে মাটির গুণগত মানও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে নিরাপদ ও অনুমোদিত কৃষি উপকরণ ব্যবহারে কৃষকদের সচেতন করার পাশাপাশি বাজারে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নুর তানজু বলেন, “কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা ও অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
    কৃষি উপকরণের মান নিশ্চিত করা, কৃষকদের প্রতারণা থেকে রক্ষা এবং নিরাপদ কৃষি উৎপাদন বজায় রাখতে প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের সমন্বিত এ ধরনের তদারকি কার্যক্রমকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।#  মহ/

  • গোদাগাড়ীতে ডাক্তার ছাড়া অস্ত্রোপচার: তদন্ত শেষ, তবু ব্যবস্থা নিচ্ছে না স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ

    গোদাগাড়ীতে ডাক্তার ছাড়া অস্ত্রোপচার: তদন্ত শেষ, তবু ব্যবস্থা নিচ্ছে না স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাকনহাট সেবা ক্লিনিক এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুল অস্ত্রোপচারের শিকার হয়ে এক আদিবাসী নারী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

    এ ঘটনায় তদন্ত শেষ হলেও এখনো চূড়ান্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়নি স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ।

    ভুক্তভোগীর নাম নিলুফা হেমরম গোদাগাড়ী উপজেলার ০৩ নং পাকড়ী ইউনিয়নের দেলশাদপুর যৌবন বাসাইল এলাকার বাসিন্দা। নিলুফা হেমরমের লিখিত অভিযোগ ও পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২১ মে ক্লিনিকের কর্মচারী মেহেদী হাসান (সুমন) তার বাড়িতে গিয়ে বলেন, “ভালো চিকিৎসক দিয়ে ডিঅ্যান্ডসি করাতে হবে। এই কথা বলে তিনি নিলুফাকে ক্লিনিকে নিয়ে আসেন।

    অভিযোগে বলা হয়, ক্লিনিকে কোনো নিবন্ধিত চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। ক্লিনিকের মালিক স্বপন ও তার স্ত্রী জুঁই মিলে অস্ত্রোপচারটি করেন। অস্ত্রোপচারের পরপরই নিলুফার প্রচুর রক্তক্ষরণ ও তীব্র পেটব্যথা শুরু হয়। অবস্থা খারাপ হলে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে পরিবারের লোকজন তাকে রাজশাহী খ্রিস্টান মিশন হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে জরুরি অস্ত্রোপচার করে তার জীবন বাঁচানো হয়। চিকিৎসা বাবদ পরিবারের প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৩৯১ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

    এ ঘটনায় গত ৩০ জুলাই নিলুফা হেমরম রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগ পেয়ে সিভিল সার্জন ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়ার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কাকনহাট সেবা ক্লিনিক এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোনই ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    সরেজমিনে গিয়ে ক্লিনিকটিতে রোগী ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ সময়ও ক্লিনিকে কোনো নিবন্ধিত চিকিৎসক উপস্থিত থাকেন না।

    রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জন ডা. এস.আই.এম রাজিউল করিম বলেন, তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    রাজশাহী বিভাগীয় (স্বাস্থ্য) পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমান জানান, এই বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক ৫ সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করা হয়। রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটির সদস্যরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন সিভিল সার্জনের কাছে জমা দিয়েছিল। পরে আমরা তদন্ত প্রতিবেদন ঢাকার মহাপরিচালকের দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছি। বিষয়টি মহাপরিচালকের দপ্তর থেকে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে সেই বিষয়ে আমাদের নির্দেশনা দিলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। বিষয়টি মহাপরিচালকের দপ্তর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তাদের নির্দেশনা না পেলে আমরা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি না।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা: মো: নুরুল ইসলাম বলেন, এই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে সকল কাগজ পত্র তৈরি হয়ে গেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্যারের স্বাক্ষর হলেই আমরা কাগজপত্র রাজশাহীতে পাঠিয়ে দিবো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। এদিকে অভিযোগের বিষয়ে কাকনহাট সেবা ক্লিনিক এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক স্বপন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সিভিল সার্জন অফিসে একটি অভিযোগ হয়েছে এবং সে সাপেক্ষে তদন্ত চলছে। আপনারা যা তথ্য পাবেন লিখতে পারেন, আমার কোনো আপত্তি বা অনুরোধ নেই। তদন্ত শেষ হওয়ার পরও ক্লিনিকটি খোলা থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।# মহ/

  • দূর্গাপুরে ৬ বছর ধরে নিখোঁজ সাংবাদিক পিতা, মাওলানা আতাউর রহমান আক্তার

    দূর্গাপুরে ৬ বছর ধরে নিখোঁজ সাংবাদিক পিতা, মাওলানা আতাউর রহমান আক্তার

     

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার ৪নং দেলুয়াবাড়ী ইউনিয়নের ক্ষিদ্র লক্ষ্মীপুর গ্রামের এক সাংবাদিকের জীবনে নেমে এসেছে দীর্ঘ ছায়া। ছয় বছর ধরে নিখোঁজ তাঁর প্রিয় পিতা, অথচ আজও তার প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় চোখে জল ধরে রেখেছেন সেই সাংবাদিক সন্তান।

    দৈনিক উপচার পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার ও অনুসন্ধান মুলক জাতীয় পত্রিকা দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের দূর্গাপুর, রাজশাহী, প্রতিনিধিঃ সাংবাদিক মোঃ মনিরুল ইসলাম-যার বাবার সন্ধান আজও মেলেনি আজও । তোমার পথ চেয়ে আছি বাবা, তুমি ফিরে এসো-একজন সাংবাদিক সন্তানের নিঃশব্দ আর্তনাদ।

    নিখোঁজ মাওলানা আতাউর রহমান আক্তারের, সন্ধান চেয়ে, প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন তার পরিবারের,

    সাংবাদিক মনিরুল ইসলামের বাবা মাওলানা আতাউর রহমান (আক্তার) ২০২০ সালের ১২ এপ্রিল, করোনাকালীন সময়ে সারাদেশে চলমান লকডাউনের এক সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরিবার ধারণাও করতে পারেনি যে, সেটিই হতে পারে তার শেষ দেখা। সকাল ৮টার দিকে তিনি বাড়ি ছাড়েন—এরপর দীর্ঘ ছয় বছর কেটে গেলেও তার কোনো খোঁজ মেলেনি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাওলানা আতাউর রহমান (আক্তার) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় দুই দশক ধরে ইমামতি করেছেন। তিনি শিবগঞ্জ, কানসাট, রহনপুর, আমনুরা, গোদাগাড়ীসহ নানা এলাকায় মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে বক্তব্য দিতেন। ধর্মীয় আলোচনায় তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল প্রশংসনীয়। জীবনের শেষ দিকে কিছুটা মানসিক উদ্বেগে ভুগছিলেন বলেও পরিবার জানিয়েছে।

    নিখোঁজের সময় তার বয়স ছিল আনুমানিক ৫৫ বছর। গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যামলা, মুখমণ্ডল গোলাকার, উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি, পরনে ছিল চকলেট রঙের পাঞ্জাবি ও চেক লুঙ্গি। ডান গালের ওপরে একটি আঁচিলের দাগ ছিল এবং মুখে হালকা চাপ দাড়ি। তিনি রাজশাহী আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলতেন।

    তাঁর স্ত্রী মোছাঃ মনোয়ারা বেগম দুর্গাপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। মাইকিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, পোস্টার, বিজ্ঞপ্তি—সবই করা হয়েছে। তবুও আজও তিনি নিখোঁজ। দেশের প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তাঁর খোঁজে, কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি।

    সাংবাদিক মনিরুল ইসলামের প্রশ্ন—যদি তাঁর পিতা মারা গিয়ে থাকেন, তবে তাঁর মৃতদেহ কোথায়? আর যদি তিনি জীবিত থাকেন, তাহলে এত বছরেও তিনি কোথায় আছেন? একবার কি তিনি বুঝতে পারেননি যে কেউ তাঁর জন্য আজও পথ চেয়ে বসে আছে? এ প্রশ্নগুলো আজও জ্বালা হয়ে পোড়ায় মনিরুলের পরিবারকে।

    বাবার জন্য সাংবাদিক মনিরুল ইসলামের প্রার্থনা—“আল্লাহর কাছে প্রতিদিন হাত তুলে দোয়া করি, যেনো আমার বাবা আমাদের মাঝে ফিরে আসেন। মহান আল্লাহ তো সবই পারেন, তিনি চাইলে আমার বাবাকেও ফিরিয়ে দিতে পারেন। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ—আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।”

    একজন সন্তানের দীর্ঘ ছয় বছরের অপেক্ষা, বুকের ভেতর জমে থাকা শূন্যতা, আর দিন রাতের প্রার্থনা—সমস্ত কিছুর কেন্দ্রবিন্দু একজন পিতা। সেই পিতা আজ কোথায়? পরিবারটির এখনো একটাই চাওয়া—যদি জীবিত থাকেন, খোঁজ মিলুক; আর যদি না থাকেন, অন্তত তার নিশ্চয়তা মিলুক।

    এদিকে নিখোঁজ মাওলানা আতাউর রহমান আক্তারের সন্ধান চেয়ে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন, এলাকাবাসী এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দগন আরো বলেন তিনি খুব ভালো মনের মানুষ ছিল এবং সহজ সরল ভাবে চলাফেরা করতো পাশাপাশি পেশায় তিনি মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে বক্তব্য দিতেন। ধর্মীয় আলোচনায় তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল প্রশংসনীয়।# মহ/

  • বাগমারায় আদালতের আদেশ অমান্য করে অবৈধভাব ডিলার নিয়োগ

    বাগমারায় আদালতের আদেশ অমান্য করে অবৈধভাব ডিলার নিয়োগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বৈধ লাইসেন্স বহাল থাকা এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা কার্যকর থাকা সত্ত্বেও নতুন ফেয়ার প্রাইস ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে চলমান বিতর্ক আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পুরাতন ডিলাররা আদালতে নতুন করে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    রিট পিটিশন নং ১৪৯৯১/২০২৪ ও ১৬০৪১/২০২৪-এর প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুরাতন ডিলারদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকার কথা থাকলেও অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের একটি অংশ ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে নিয়মবহির্ভূতভাবে নতুন ডিলার নিয়োগ দিয়েছে।

    অভিযোগে বলা হয়, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক বিধি-বিধান অনুসরণ করা হয়নি। ফলে একই এলাকায় দ্বৈত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে—একদিকে আদালতের আদেশ ও সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী পুরাতন ডিলারদের বৈধ অবস্থান বহাল রয়েছে, অন্যদিকে নতুন ডিলারদের মাধ্যমে চাল উত্তোলন ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মাসে চাল উত্তোলন ও বিতরণ কার্যক্রমে নতুন ডিলারদের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে, যা খাদ্যশস্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে।

    উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ববর্তী ডিলারদের মৌখিকভাবে আশ্বস্ত করা হলেও, সর্বশেষ পর্যায়ে নতুন ডিলারদের গোপনভাবে ডিও (Delivery Order) প্রদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী ডিলাররা জানান, আদালতের আদেশ থাকা সত্ত্বেও তাদের কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা সরাসরি আইনের লঙ্ঘন। তারা বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও বৈধ অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তারা শিগগিরই আদালতের শরণাপন্ন হবেন।

    এদিকে এলাকাবাসীর মধ্যে এ ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল, আদালতের নির্দেশনা পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।# মহ/

  • পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাসিক প্রশাসক

    পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাসিক প্রশাসক

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরবাসী সহ সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

    তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। 

    মহিমান্বিত মাহে রমজানের এক মাস সিয়াম সাধনার পর আনন্দ, সংযম, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক মহিমান্বিত বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এই পবিত্র দিনে আমরা যেন পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও দৃঢ় করি এই হোক আমাদের প্রত্যাশা।

    ঈদের আনন্দ সকলের মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ুক। সকল শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবাই যেন এই আনন্দে শামিল হতে পারে সেজন্য আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসি। সমাজের সকল অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হোক ঈদের প্রকৃত শিক্ষা।

    রাজশাহীকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণে আমাদের এই অগ্রযাত্রায় আপনাদের সহযোগিতা ও ঐকান্তিক অংশগ্রহণ একান্তভাবে কাম্য।

    পরিশেষে, মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের সকলের জীবনকে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে মহিমান্বিত করে দেন এবং আমাদের প্রিয় মহানগরী রাজশাহীকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করে তোলার তৌফিক দান করেন।

    সকলকে জানাই ঈদুল ফিতরের মোবারকবাদ , ঈদ মোবারক।# মহ /

  • রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার মাহফিল ও দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করেছে “দৈনিক রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদ”।

    শনিবার (২৪ রমজান) মহানগরীর বাজে কাজলা এলাকায় এই ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন।

    অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মতিহার থানা জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ রফিকুল ইসলাম মন্ডল, মতিহার থানা যুব বিভাগের সভাপতি আফজাল হোসাইন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ২৮ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আরিফ হোসেন এবং ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি আবু সাইদ।মতিহার থানা (দক্ষিণ) যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বশির উদ্দিন সনি।দৈনিক রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদ পএিকার নিউজ এডিটর হাসানুজ্জামান হাসান,সহ-সম্পাদক মনোয়ার হোসেন,চীপ রিপোর্টার জয়নাল আবেদীন জয়,দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার রাজশাহীর নিজস্ব সংবাদদাতা আল আমিন,দৈনিক গণমুক্তি পত্রিকার রাজশাহী ব্যুরো মাজহারুল ইসলাম চপল, সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ রানা, আবুল বাসার,রেজভি,রেজা, আশিকসহ গণমাধ্যম কর্মী।

    ইফতার পূর্ব আলোচনায় বক্তারা পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য ও ফজিলত তুলে ধরেন এবং “রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদ”–এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। তারা বলেন, গণমাধ্যম একটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ এবং সমাজের দর্পণ। কিন্তু বিগত সময়গুলোতে গণমাধ্যমের একটি অংশকে সরকারের পক্ষপাতমূলক অবস্থানে কাজ করতে দেখা গেছে, যার ফলে জনগণের আস্থায় কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
    বক্তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, সকল প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে “রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদ” ভবিষ্যতে বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করবে এবং সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরবে।
    এ সময় পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক সানোয়ার রহমান আরিফ বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের ধারায় জনগণের পক্ষে কাজ করাই এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য। সত্য উদঘাটনে এই পত্রিকা ভবিষ্যতেও আপসহীন থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
    তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এই সংবাদমাধ্যম অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চায়। এজন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন তিনি।
    অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।# মহ/

  • মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচারের নিন্দা, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের

    মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচারের নিন্দা, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সভাপতিসহ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও বিভিন্ন মাধ্যমে চালানো অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

    সংগঠনের কেন্দ্রীয় ইউনিটের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৭ মার্চ একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে সামান্য বাকবিতণ্ডাকে ইস্যু করে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। পরবর্তীতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সভাপতিসহ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনার জেরে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের কয়েকজন ব্যক্তি সংস্থাটির রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মো. নুরে ইসলাম মিলন,দপ্তর সম্পাদক মো. সুরুজ আলী এবং প্রচার সম্পাদক মো. মিশাল মন্ডলসহ ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে দাবি করা হয়।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়,গত ১১ মার্চ রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক মো. মিশাল মন্ডল আদালতের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে আদালত চত্বরে উপস্থিত হন। কিন্তু বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত না করেই আদালত প্রাঙ্গণ থেকে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ সময় বোয়ালিয়া মডেল থানা ও মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ তাকে আটক করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    এছাড়া তার একটি ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে বিকৃত করে হাতে অস্ত্র সংযুক্ত করে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা একজন ব্যক্তির সম্মানহানি করার পাশাপাশি সাংবাদিক সমাজ ও একটি দায়িত্বশীল সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং নিরপরাধ ব্যক্তিরা ন্যায়বিচার পাবেন বলে সংগঠনটি আশা প্রকাশ করেছে।

    এদিকে বিষয়টি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নজরে আসার পর ইতোমধ্যে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে এবং সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

    বোয়ালিয়া মডেল থানা ও মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, মামলাটি দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং আটক নেতৃবৃন্দের দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তির দাবিও জানানো হয়েছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়,একটি তুচ্ছ ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে একটি সাংবাদিক সংগঠনকে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সাংবাদিক সমাজের ঐক্য, মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষার স্বার্থে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এ ঘটনায় দ্রুত ও ন্যায্য সমাধান না হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সারাদেশে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনসহ গণতান্ত্রিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।# মহ/

  • দুর্গাপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পৌরসভার ৩০৮৫ পরিবার পেল বিনামূল্যে চাল

    দুর্গাপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পৌরসভার ৩০৮৫ পরিবার পেল বিনামূল্যে চাল

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    রাজশাহীর দুর্গাপুর পৌরসভার অসহায় হতদরিদ্র ৩ হাজার ৮৫ পরিবারের মাঝে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধিনে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা হিসেবে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    ১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০ টার দিকে পৌরসভার গুদাম থেকে বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়।

    উক্ত বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাশতুরা আমিনা। আরও উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার ভূমি ও পৌর প্রশাসক লায়লা নূর তানজু, পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ শাহাবুল হক, কার্যসহকারী, রতন কুমার ঘোষ, হিসাব রক্ষক, মোঃ হাবিবুর সহ বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা) সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় দুর্গাপুর উপজেলার জন্য মোট ৭৮.৯৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ অনুযায়ী দুর্গাপুর পৌরসভার ও উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

    দুর্গাপুর পৌরসভার ৩০৮৫ কার্ডের বিপরীতে ৩০.৮৫০ মেঃটন, নওপাড়া ইউপির ৮৪৪ কার্ডের বিপরীতে ৮.৪৪০ মেঃটন, কিসমত গণকৈড় ইউপির ৬৩৪ কার্ডের বিপরীতে ৬.৩৪০ মেঃটন, পানানগর ইউপির ৫৪২ কার্ডের বিপরীতে ৫.৪২০ মেঃটন, দেলুয়াবাড়ি ইউপির ৭৪৫ কার্ডের বিপরীতে,৭.৪৫০ মেঃটন, ঝালুকা ইউপির ৭১৫ কার্ডের বিপরীতে ৭.১৫০ মেঃটন, মাড়িয়া ইউপির ৪৯৯ কার্ডের বিপরীতে ৪.৯৯০ মেঃটন, জয়নগর ইউপির ৮৩৪ কার্ডের বিপরীতে ৮.৩৪০ মেঃটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।# মহ/

  • রাসিকের ২২ নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া, আলোচনায় অমিত ঘোষ বিকি

    রাসিকের ২২ নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া, আলোচনায় অমিত ঘোষ বিকি

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

     

    রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশা দিন দিন জোরদার হচ্ছে। নাগরিক ভোগান্তির দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে আধুনিক, প্রযুক্তি নির্ভর ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করতে আসন্ন কাউন্সিলর নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সম্ভাব্য প্রার্থী অমিত ঘোষ বিকির নাম। এলাকাবাসীর একটি বড় অংশ তাকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    স্থানীয়দের দাবি, ড্রেনেজ ব্যবস্থার অকার্যকারিতা, সড়ক সংস্কারের ধীরগতি, মশার উপদ্রব, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও পরিচ্ছন্নতার ঘাটতিতে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে ২২ নম্বর ওয়ার্ড। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা; নোংরা পরিবেশে চরম দুর্ভোগে পড়েন বাসিন্দারা।

    ওয়ার্ডের এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন কাউন্সিলর চাই, যিনি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সারা বছর মানুষের পাশে থাকবেন। সমস্যা শুনে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।”

    এক তরুণ ভোটার জানান, “ওয়ার্ডকে আধুনিক করতে হলে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। অনলাইন অভিযোগ ব্যবস্থা ও সেবার স্বচ্ছতা এখন সময়ের দাবি। অমিত ঘোষ বিকি এসব বিষয় নিয়ে কথা বলছেন, তাই আমরা আশাবাদী।” ‘ডিজিটাল ওয়ার্ড’ গড়ার প্রতিশ্রুতি
    প্রসঙ্গে অমিত ঘোষ বিকি বলেন, “২২ নম্বর ওয়ার্ড আমার জন্ম-শৈশবের এলাকা। এই এলাকার প্রতিটি রাস্তা ও মানুষের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। নির্বাচিত হলে প্রথম দিন থেকেই সমস্যাগুলোর তালিকা করে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ শুরু করব।”

    তিনি জানান, একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। নাগরিকরা ঘরে বসেই অনলাইনে অভিযোগ জানাতে পারবেন, অভিযোগের অগ্রগতি ট্র্যাক করতে পারবেন এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সমাধান পাবেন। একটি হেল্পলাইন নম্বর ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থাকবে, যেখানে প্রতিটি আবেদন নথিভুক্ত ও উন্মুক্ত থাকবে—যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।

    “উন্নয়নের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ জবাবদিহিতা। উন্নয়ন বাজেট, প্রকল্পের অগ্রগতি—সব তথ্য নাগরিকদের সামনে উন্মুক্ত রাখা হবে। প্রতি তিন মাস অন্তর উন্মুক্ত নাগরিক সভা করব,”—যোগ করেন তিনি।

    তরুণদের সম্পৃক্ততায় স্মার্ট ওয়ার্ড
    অমিত ঘোষ বিকি জানান, তরুণদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হবে, যারা পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ, মশা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা কার্যক্রম ও সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত থাকবে। প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগে তরুণদের সম্পৃক্ত করে একটি স্মার্ট ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্য তার। মাদকবিরোধী সামাজিক উদ্যোগ মাদক প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন,
    “যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হলে সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।”

    ওয়ার্ডে খেলাধুলার মাঠ সংরক্ষণ ও সংস্কার, প্রয়োজনে পরিত্যক্ত জায়গা খেলার উপযোগী করে তোলা, নিয়মিত ফুটবল-ক্রিকেট-ভলিবল টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং স্কুল-কলেজভিত্তিক আন্তঃওয়ার্ড ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি মাদকবিরোধী সেমিনার, লিফলেট বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভার মাধ্যমে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    স্থানীয় তরুণদের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সামাজিক পরিবেশ ইতিবাচক হবে এবং অপরাধ প্রবণতাও কমবে। এনআইডি সংশোধনে সহায়তা উদ্যোগ ওয়ার্ডবাসীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন নিয়ে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগের কথাও জানান অমিত ঘোষ বিকি। অনেক নাগরিকের এনআইডিতে অন্য ওয়ার্ডের ঠিকানা বহাল থাকায় ভোটার তালিকা ও সরকারি সেবা গ্রহণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    তিনি বলেন, “সঠিক ওয়ার্ডে ভোটার নিবন্ধন নিশ্চিত করা নাগরিক অধিকার। যারা এনআইডিতে ওয়ার্ড পরিবর্তন করতে চান, তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা দেওয়া হবে।” নির্বাচনী পরিবেশে ২২ নম্বর ওয়ার্ডে পরিবর্তনের যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা নতুন মাত্রা যোগ করেছে স্থানীয় রাজনীতিতে। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়েই নির্ধারিত হবে আগামী দিনের নেতৃত্ব। তবে বর্তমান বাস্তবতায় অমিত ঘোষ বিকির প্রার্থীতা ঘিরেই সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে রাসিকের ২২ নং ওয়ার্ডে।# মহ /