Category: অন্যান্য

  • যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে, রাজশাহীতে পুলিশ সুপার

    যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে, রাজশাহীতে পুলিশ সুপার

    বাঘা প্রতিনিধি :

    রাজশাহী পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান বলেছেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি সন্ত্রাসীদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এক্ষেত্রে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব বিজিবিসহ অনন্য সংস্থার সদস্যরা অভিযানে অংশ নিবে।

    মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলার আইনশৃঙ্খলা বিষকয়ক সংবাদ সন্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    রাজশাহী পুলিশ সুপার আরো বলেন, আজই সব বৈধ এবং অবৈধ অস্ত্র জমাদানের শেষ দিন। আগামীকাল (বুধবার) রাত ১২টা থেকে আমাদের যৌথ বাহিনীর অপারেশন শুরু হবে হাতিয়ার কালেকশনের জন্য, আমরা যেন অবৈধ অস্ত্রগুলো সংগ্রহ করতে পারি। আমি এ নিয়ে আপনাদের সহযোগিতা চাচ্ছি।

    জেলার মামলার বিষয়ে পুলিশ সুপার বিভিন্ন মামলা থানায় হচ্ছে সব কয়টি মামলা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোন মামলায় যেন নীরিহ কোন লোক হয়রানির শিকার না হয়। সেটি লক্ষ্য রেখে কাজ করছে পুলিশ। এছাড়াও থানায় সেবা কার্যক্রম বাড়াতে সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসময় রাজশাহীর জেলা পুলিশের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।#মহ /দৈনিক বাংলার

  • দুর্গাপুরে অস্ত্র ও ম্যাগজিন উদ্ধার

    দুর্গাপুরে অস্ত্র ও ম্যাগজিন উদ্ধার

    দুূর্গাপুর প্রতিনিধি :

    আজ ১৫ আগস্ট রোজ বৃহস্পতিবার, সকালের দিকে রাজশাহীর দুর্গাপুরে আগ্নেয় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও দুর্গাপুর থানা পুলিশ।

    রাজশাহীর দুর্গাপুর নওপাড়া পালশা গ্রামে তিনটি পিস্তল, একটি রিভলবার ও শর্টগানের গুলি সহ ২৮ রাইন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার করে সেনাবাহিনী ও দুর্গাপুর থানা পুলিশ।

    জানা যায়, আজ সকাল ৯ ঘটিকা’য় নওপাড়া ইউনিয়ন তোতাপাড়া কালভার্টের পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি শ‌পিং ব‌্যা‌গের ম‌ধ্যে স্থানীয় লোকজন অস্ত্র গু‌লি দেখ‌তে পে‌য়ে থানা পুলিশকে খবর দেয়, পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসে ব্যাগ থেকে ০৩ টি পিস্তল, ০১ টি রিভলবার, ০৪‌টি পিস্তললের ম‌্যাগা‌জিন, ০৭ টি শর্টগা‌নের গু‌লি, ও ২৮ রাইন্ড পিস্ত‌লে‌র গুলি উদ্ধার করে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্গাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ খায়রুল ইসলাম
    এবং তিনি বলেন, পরিত্যক্ত অস্ত্র উদ্ধার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    একালার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুর উপজেলার আইনশৃঙ্খলার ভালো এবং প্রতিটি সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল অব্যাহত রয়েছে।

     

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহীতে আন্দোলনকারীদের না পেয়ে ‘সাংবাদিক’ পেটাল ছাত্রলীগ!

    রাজশাহীতে আন্দোলনকারীদের না পেয়ে ‘সাংবাদিক’ পেটাল ছাত্রলীগ!

    স্টাফ রিপোর্টার :
    কোটা সংস্কার ইস্যুতে রাজশাহীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের না পেয়ে এক সাংবাদিককে বেধড়ক পিটিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বুধবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর কুমারপাড়া এলাকায় আওয়ামী অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
    ভুক্তভোগী সাংবাদিকের নাম মো. সোহানুর রহমান। তিনি অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিবার্তা২৪ ও দৈনিক স্বপ্নের বাংলাদেশ পত্রিকার রিপোর্টার।
    সাংবাদিক মো. সোহানুর রহমান বলেন, বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলাম। সন্ধ্যার দিকে সাহেব বাজার এলাকায় আসি। কুমারপাড়ায় আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে আসতেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাকে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। আমি সাংবাদিক পরিচয় দিলে তারা লাঠিশোটা দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে। এ সময় সেখানে পুলিশ ছিল। আমার মোবাইল ফোনটি একজন পুলিশ সদস্যের হাতে দিই।
    তিনি বলেন, একজন অটোরিকশাচালক আমাকে সেখানে খেকে দ্রুত কাজলার দিকে নিয়ে যান। এরপর সেখান থেকে একজন আম বিক্রেতার সহযোগিতায় আমাকে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
    হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার হাত-পা ও মাথায় আঘাত করা হয়েছে। এতে তার কপালের কাছে কেটে গেছে। ব্যান্ডেজ করে ওষুধপত্র লিখে দেয়া হয়েছে।
    সাহেব বাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, বেলা ৩টায় কোটা সংস্কারের দাবিতে জিরো পয়েন্টে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জড়ো হন। এ সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দেখা যায়নি। বিকেলে ছাত্ররা তালাইমারী ও কাজলার দিকে চলে যান। সন্ধ্যায় তারা জিরো পয়েন্ট এলাকায় ছিলেন না। কয়েকজন সাংবাদিক ও স্থানীয় ফুটপাত দোকানীরা ছিলেন। ‘শিক্ষার্থীরা নেই’- এমন খবর পেয়ে কুমারপাড়ার আশপাশে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা আসেন। এসময় তারা বেশ কয়েকটি দোকানঘর ভাঙচুর করেন। দোকানের লোকজনকেও বেধড়ক পেটান। আতঙ্কিত হয়ে সবাই ছোটাছুটি শুরু করেন। জিরো পয়েন্ট এলাকা মুহূর্তেই জনশূণ্য হয়ে যায়।
    তবে সাংবাদিককে পেটানোর ঘটনায় মহানগরীর শাহ মখদুম থানা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত ছিলেন বলে সংগঠনটির একজন নেতা জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, আমরা রাজশাহী কলেজ, মনিচত্বর ও সোনাদিঘির মোড়ের এদিকে ছিলাম। কুমারপাড়া ও এর আশপাশে শাহ মখদুম থানা ছাত্রলীগ নেতারা ছিল। তারাই সাংবাদিককে পিটিয়েছে।
    এ বিষয়ে আরএমপির বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। পুলিশ না থাকলে অবস্থা আরও খারাপ হতে পারত। আমাদের অফিসাররা তার মোবাইল রেখে তাকে হাসপাতালে পাঠান। পরে তাকে মোবাইল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।#
    মহ/দৈনিক বাংলার তরী
  • উত্তাল শিক্ষানগরী রাজশাহী অগ্নিসংযোগ,খণ্ড খণ্ড বিক্ষোভ মিছি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

    উত্তাল শিক্ষানগরী রাজশাহী অগ্নিসংযোগ,খণ্ড খণ্ড বিক্ষোভ মিছি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

    মুক্তার মাহমুদ রাজশাহী :

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে বিভাগীয় শহর রাজশাহী। এর মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বঙ্গবন্ধু হলে থাকা মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়াসহ শহরের বিভিন্ন অংশে খণ্ড খণ্ড বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের।

    মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল থেকে কর্মসূচি নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে আছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগ,যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস,রাজশাহী কলেজ ও শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ,বিক্ষোভ মিছিল,ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও রাবি বঙ্গবন্ধু হলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজশাহীজুড়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    বর্তমানে রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনরতরা। এর আগে রাজশাহী কলেজে আন্দোলনরতদের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে এবং রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর বিকেল থেকে রেলপথ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

    মঙ্গলবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু হলে আগুন দেয় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের একাংশ। এসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর করা হয় এবং ১৮ থেকে ১৯টি মটরসাইকেল ও সাইকেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন আন্দোলনকারীরা।

    এ ঘটনায় ভেতরে আটকা পড়েন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন,আগুন দেওয়া বেশিরভাগ বাইকগুলো ছিল ছাত্রলীগ নেতাদের। তবে সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও বাইক- বাইসাইকেল ছিল বলে জানা গেছে।

    আগুন নিয়ন্ত্রণের পর বিকেল সোয়া ৪ টার দিকে আটকে পড়া সাধারণ শিক্ষার্থীরা ওই হল থেকে বেরিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যান।

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে উপসহকারী পরিচালক আখতার হামিদ খান জানান, ৩টা ৪০ মিনিটে রাবি বঙ্গবন্ধু হলে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের দুইটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে ১৮-১৯টি মোটরসাইকেল,বেশকিছু বাইসাইকেল ও আসবাবপত্র আগুনে পুড়ে যায়। তবে কেউ হতাহত হননি। ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন,ক্যাম্পাসে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তবে বিশৃঙ্খলা রোধে আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। বঙ্গবন্ধু হলে আগুন দেওয়ার বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন,কোটা আন্দোলনকারীরা বঙ্গবন্ধু হলের নিচতলায় আগুন দিয়েছেন। এরই মধ্যে আগুন নেভানো হয়েছে। রাবি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফিরলে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেটে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • কোটা সংস্কারের দাবিতে রাবি শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান

    কোটা সংস্কারের দাবিতে রাবি শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান

    রাজশাহী প্রতিনিধি :

     

    সরকারি চাকরির সকল গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে কোটা পদ্ধতি সংস্কার করার একদফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ গণপদযাত্রা ও স্মারক লিপি প্রদান করেছেন আন্দোলনরত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

    রোববার সকাল ১১ টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে নগরীর তালাইমারি মোড়, সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সমবেত হয়। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পদযাত্রা বেগমান করে তোলেন।

    পায়ে হেটে প্রায় ৮-৯ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে জেলা প্রশাসকের মেইন গেটের সামনে গেলে কর্তব্যরত পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের থামিয়ে কয়েকজনকে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য যাওয়ার অনুরোধ করেন।

    পরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৮ জনের প্রতিনিধি দল রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদের সভাকক্ষে যান। এসময় জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধিদল শিক্ষার্থীদের সুন্দর পরিবেশে বসার জায়গা করে দেন। কিছুক্ষণ পরই জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ সভা কক্ষে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর লিখিত স্মারক লিপি গ্রহণ করে আজকের মধ্যেই তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানোর আশ্বাস প্রদান করেন।

    এসময় শিক্ষার্থীরা দাবি জানান,অনেক শিক্ষার্থী কষ্ট করে পায়ে হেঁটে এসেছেন এই কথাগুলোই আপনি তাদের সামনে গিয়ে বললে আশ্বস্থ হবেন ও তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন আরও সুশৃঙ্খল হবে বলে জানান।

    জেলা প্রশাসক তাদের কথা রাখেন ও মেইন গেটের সামনে গিয়ে কথা বলেন এবং স্মারক লিপি রাষ্ট্রপতির নিকট আজকেই পাঠানোর কথা জানালে তারা উল্লাসিত হয়ে স্লোগান দেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসক আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান, এই আন্দোলন যাতে কোনো বিশৃঙ্খলায় রুপ না নেয় এবং জানমালের ক্ষতি হয় এমন কোনো কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

    রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদর কাছে স্মারকলিপি প্রদান ও তাদের সাথে দেখা করে কথা বলায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

     

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • পুঠিয়ায় পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর মানুষের মাঝে প্রতিমন্ত্রী দারার উন্নয়ন সামগ্রী বিতরণ

    পুঠিয়ায় পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর মানুষের মাঝে প্রতিমন্ত্রী দারার উন্নয়ন সামগ্রী বিতরণ

    মুক্তার মাহমুদ, রাজশাহী প্রতিনিধি:

     

    পিছিয়ে পড়া দরিদ্র ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনগণকে এগিয়ে নিতে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ দারার নানান পদক্ষেপ। ঠিক তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৩-২০২৪ অর্থ বৎসরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা খাতের আওতায় নেয়া হয় নানান রকম পদক্ষেপ। প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ দ্বারার নিজ উপজেলায় বিতরণ করা হয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জন্য উচু ও নিচু বেঞ্চ। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরণ করা হয়। অসচ্ছল পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ করা হয়। অসচ্ছল পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে ফুটবল বিতরণ করা হয়। এছাড়াও উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় মানুষকে কুকুরে কামড় দিলে তার ভ্যাকসিনের জন্য অনেক দরঝাপ করতে হয় তার জন্য মানুষ যেন সহজে চিকিৎসা বেশ সেবা পান সেজন্য কুকুর এর ভ্যাকসিন সরবরাহ করে দেওয়া হয়।

    শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকেই ওই সকল জিনিস পত্র বিতরণ করা হয়েছে। পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে, পুঠিয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় এর আয়োজনে এসব বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনগ্রসর মানুষকে এগিয়ে নেয়া ও জিনিসপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ, এম.পি, প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। প্রধান অতিথির বক্তব্য কালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুয়ে পড়া অনগ্রসর জনগোষ্ঠীতে এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগ সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তার সাথে আমি যুক্ত হতে পেরে গর্ববোধ করছি। পুঠিয়ার মানুষ যদি চায় আমি সারা জীবন সবার সেবা করে যাব।

    এসময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুস সামাদ মোল্লা, চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ, পুঠিয়া, রাজশাহী।

    এসব বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এ, কে, এম, নূর হোসেন নির্ঝর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুঠিয়া, রাজশাহী।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর নজরুল ইসলাম, সভাপতি পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ। গোলাম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক (সাবেক) পুঠিয়া উপজেলা ও সদস্য রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ। খ.ম জাহাঙ্গীর আলম (জুয়েল), চেয়ারম্যান পুঠিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ। মোস্তাফিজুর রহমান নয়ন, সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ রাজশাহী জেলা শাখা। মোঃ আব্দুল মতিন মুকুল, ভাইস চেয়ারম্যান পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ। মৌসুমি রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ। ডাঃ সুধীর কর্মকার, সভাপতি ভালুকগাছি ইউনিয়ন। মাসুম পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক ভালুকগাছি ইউনিয়ন। তাকবীর হাসান, চেয়ারম্যান (সাবেক) ভালুকগাছি ইউনিয়ন পরিষদ। ডাক্তার সাইফুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ। আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক বানেশ্বর ইউনিয়ন। ফজলুর রহমান, সভাপতি (সাবেক) জিউপাড়া ইউনিয়ন। এছাড়াও পুঠিয়া উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মৎস্যজীবী লীগ, কৃষক লীগ, সহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আরো বহু নেতা কর্মী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

     

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • বাঘায় ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠির মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি ক্যাপ ও ছাতা বিতরণ : রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি

    বাঘায় ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠির মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি ক্যাপ ও ছাতা বিতরণ : রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি

    বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

    রাজশাহীর বাঘায় তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠির মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি (বোতল জাত) , ক্যাপ ও ছাতা বিতরণ করা হয়েছে।

    রোববার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাজশাহী জেলা ইউনিটের উদ্যোগে বাঘা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার-মোড় সহ বাঘা মাজার গেট এলাকার পথচারীদের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি (বোতল জাত) , ক্যাপ ও ছাতা বিতরণ করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাজশাহী জেলা ইউনিটের সেক্রেটারি মো: আবু সালেহ, ইউনিট লেভেল অফিসার এস এম তৌকির আহমেদ, যুব প্রধান মোঃ জাকারিয়া ইকবাল ও অন্যান্য যুব স্বেচ্ছাসেবকগণ ।

     

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ রাজশাহীতে

    কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ রাজশাহীতে

    রাজশাহী প্রতিনিধি :

    সরকারি চাকুরীতে কোটা পুনর্বহালের রায় বাতিল এবং কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে রাখেন ।

    মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে কলেজ গেটের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এরপর সড়কে বসে পড়েন তারা। প্রায় আধাঘণ্টা সড়কটি অবরোধ করে রাখেন আন্দোলনকারীরা।

    শিক্ষার্থীরা এসময় কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন ।

    আন্দোলনে অংশ নেওয়া মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সামিউল ইসলাম বলেন, একজন মেধাবী শিক্ষার্থী সারাবছর পড়াশোনা করে চাকুরীর বাজারে কোটার কাছে হেরে যাচ্ছে। ভালো চাকরি পাচ্ছেন না। অথচ একজন অযোগ্য লোক কোটা থাকায় চাকরীর বাজারে টিকে যাচ্ছে। আমরা চাই সবাই মেধার ভিত্তিতেই চাকরী পাক ।তিনি আরও বলেন, স্বাধীন রাষ্ট্রে সরকারি চাকুরীতে ৫৬ শতাংশ কোটা থাকা অযৌক্তিক। কোটা যদি থাকে তাহলে বৈষম্য থেকেই যায়, কোন ধরনের বৈষম্য যাতে এই বাংলায় না হয় এটা আমাদের চাওয়া। তাই আমরা কোটা সংস্কার চাই।

    হাবিবা খাতুন নামে আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমরা নারী হয়েও কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছি। নারীরা এখন আর পিছিয়ে নাই, আমাদের কোটা দিয়ে চাকুরী করার দরকার নাই, মেধা দিয়েই চাকরী করতে চাই। প্রতিবন্ধী কোটা ছাড়া সব ধরনের কোটা বাতিলের দাবিতে আজ অবস্থান নিয়েছি। আমাদের দাবি না মানলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবো।

    এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। জানান, দিন যতই যাবে ততই কঠোর আন্দোলন হবে।#

    মহ/

  • দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ও ভূমি সেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় যেসব ডিজিটাল সেবা দিয়েছে এই লক্ষে অনলাইন ভূমি সেবা ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা জনসাধারণ।

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করে দেখা গেছে, নামজারি সহ বিবিধ মামলা, ভূমি উন্নয়ন কর, অর্পিত সম্পত্তি লীজ, মানি আদায়, সরকারি খাস জমি উদ্ধার ইত্যাদি কাজে পূর্বের তুলনায় দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড অনেক গতিশীল। বছর দু’য়েক আগে দাউদকান্দি উপজেলায় একটি নামজারি মামলা নিষ্পত্তিতে ৪৫-৬০ দিন সময় অতিবাহিত হতো, বর্তমানে মাত্র ১০-১৫ দিনে এ কার্যক্রম সম্পাদন হচ্ছে।

    প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক সেবা প্রার্থী ই-নামজারি সহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে এ ভূমি অফিসে আসেন। হয়রানি ছাড়া সেবা পেয়ে তারা অনেক খুশি ও সন্তুষ্ট। সেবা নিতে আসা দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের সালাউদ্দিন মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ই-নামজারি করতে পেরে আবেগ আপ্লুত হয়ে জানান, অনলাইনে নামজারি আবেদন করেন। এরপর মোবাইলে আসা এসএমএস অনুযায়ী শুনানিতে উপস্থিত হয়ে তার ই-নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে যায়। অতীতের হয়রানির ঘটনা এখন ইতিহাস।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দাউদকান্দি উপজেলায় বিগত ৩০ দিনে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির গড় সময়সীমা ১০ দিন যা কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্ন।

    প্রাপ্ত তথ্যচিত্র অনুযায়ী কুমিল্লা জেলায় গড় নিষ্পত্তি দিনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস। তথ্য অনুযায়ী দাউদকান্দি উপজেলায় গড় নিষ্পত্তি সময় ১০ দিন, যা কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে শীর্ষে । ই-নামজারি সেবা সহজীকরণে ও জনগণকে স্বল্পতম সময়ে এ সেবা দিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জিয়াউর রহমান।

    তিনি জানান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের দিক-নির্দেশনার আলোকে আমরা আইনানুগভাবে নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে মানুষকে দ্রুততম সময়ে ভূমি সেবা ও ভূমি বিষয়ক পরামর্শ প্রদানে বদ্ধপরিকর। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক সরাসরি শুনানি গ্রহণ, ইউনিয়ন ও উপজেলায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট অফিসারদের তৎপরতার ফলে দালাল তথা তৃতীয় পক্ষের দৌরাত্ম্য কমেছে। দাউদকান্দিও মানুষ এখন অনলাইন/স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে।

    এই কর্মকর্তা আরো বলেন, বর্তমান কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক ই-নামজারি সেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। যখন আমি এ উপজেলার দায়িত্ব গ্রহন করি তখন গড় নিষ্পত্তি সময় ছিল ৪৫ থেকে ৬০ দিন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, কানুনগো, অফিস সহকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ সেবা বর্তমানে ১০ দিনে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও স্বল্প সময়ে এ সেবা দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনাকে বাস্তবায়ন করে এখন আমরা স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার দিকে আগাচ্ছি। স্মার্ট ভূমি সেবা বাস্তবায়নের লক্ষে জণগনকে শতভাগ দ্রুততার সাথে এবং সহজে সেবা প্রদানে আমরা বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসংশনীয়।