Category: অর্থনীতি

  • দুর্গাপুরে বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে ছাগল – ভেড়ার পিপিআর রোগের টিকা 

    দুর্গাপুরে বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে ছাগল – ভেড়ার পিপিআর রোগের টিকা 

    দুর্গাপুর প্রতিনিধিঃ 

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরাধীন পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় গৃহপালিত ছাগল ও ভেড়ার পিপিআর রোগ নির্মূলের লক্ষে বিনামূল্যে পিপিআর টিকা প্রদান ক্যাম্পেইন চলছে।   

    ১ অক্টোবর থেকে শুরু ভ্যাকসিন দেওয়ার  কার্যক্রম চলবে আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। ৭ টি ইউনিয়ন ও  পৌরসভায় অভিজ্ঞ ভ্যাক্সিনেটর দ্বারা প্রতিদিন ভোর ৬ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম চলছে।

    দুই মাসের কম বয়সী, অসুস্থ  ও গর্ভবতী গবাদি পশু ব্যতীত সকল ছাগল  ভেড়াকে এই টিকা প্রদান করা হবে। উপজেলায় মোট ১ লক্ষ ত্রিশ হাজার ছাগল  ও ১ হাজার ভেড়া বিপরীতে দ্বিতীয় ডজের  ৮৫ হাজার টিকা প্রস্তুত রয়েছেন। উপজেলায় গড়ে প্রতিদিন ৫ হাজার টিকা প্রদান করা হচ্ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে ১ম ডজের ৯০ হাজার টিকা দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলা জুড়ে উপযুক্ত সকল ছাগল ও ভেড়া বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা  হবে ।

    দাউদকান্দি এলাকার ছাগল খামারি মুস্তাফিজুর রহমান জানান, বর্ষা মৌসুমে ছাগলের পিপিআর রোগ বেশি দেখা দেয়। এই টিকা দিতে গ্রামের ডাক্তার ডাকলে ছাগল প্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা দেওয়া লাগে। তাদের  ডাক্তার ডাকলে নানা তালবাহানা শুরু করে।  আজ গ্রামেই বিনামূল্যে পিপিআর রোগের  জন্য টিকা দিয়ে নিলাম।

    ছাগল খামারি পলাশ  বলেন, অধিকাংশ ছাগল  পিপিআর রোগে আক্রান্ত হয়।  এ রোগের টিকা সময়মতো দিতে না পারলে ছাগল মারা যায়।টিকা দিতে অনেক হয়রানি ও অর্থ ব্যয় করতে হয়। আজ প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে গ্রামের সবাইকে একত্রিত করে বিনামূল্যে  টিকা দিয়ে গেছে।

    এবিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, গবাদি পশু পালনে পিপিআর রোগের প্রকোপে খামারিদের ব্যাপক লোকসানের সম্মুখীন হন।  প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর দেওয়া বিনা মূল্যের ভ্যাকসিন প্রতিটি খামারির কাছে পৌঁছে তাদের গবাদি পশুকে দেওয়া হচ্ছে। এই রোগ প্রতিরোধে মাধ্যমে খামারিরা আরো লাভবান হবেন । এগিয়ে যাবে গ্রামীণ অর্থনীতি।#মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহীতে মাসব্যাপী ক্ষুদ্র পণ্য বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন

    রাজশাহীতে মাসব্যাপী ক্ষুদ্র পণ্য বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজশাহীতে মাসব্যাপী ক্ষুদ্র পণ্য বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরভবনের গ্রিণপ্লাজায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতাকেটে ক্ষুদ্র পণ্য বাণিজ্য মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

    বাণিজ্য মেলায় ৪৭টি স্টলের মধ্যে ক্রোকারিজ সামগ্রী, খাদ্য সামগ্রী,তাত বস্ত্র,গার্মেন্টস,ভ্যারাইটি সামগ্রী,গিফট কর্ণার,খেলনা সামগ্রী ছাড়াও ছোট সোনামনিদের বিনোদনে নাগরদোলাসহ ৩টি রাইডস রয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণ প্রতিদিন সকাল ১০টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি রাসিক প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর ‘দৈনিক বাংলার তরী’ কে বলেন,ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে রাজশাহীতে মেলার এ আয়োজন।

    রাজশাহীর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে এ ধরণের উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। নারী উদ্যোক্তাদের সুযোগ সৃষ্টিতে এ ধরণের উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা রাখে। এর ফলে নিজেদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার বিস্তৃতি লাভ করে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা শুধু নিজেদের নয় দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা নিজেদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে এজন্য তাদের সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে।

    কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ এ অঞ্চলের ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে হবে। মেলা আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করায় সিটি কর্পোরেশনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনর সচিব মোঃ মোবারক হোসেন, বাজেট কাম হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান, ইঞ্জিনিয়ার শাকিলুর রহমান, উপসচিব তৈমুর হোসেন, সহকারী সচিব শমসের আলী, মেলার আয়োজক সুচনা এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মোখলেসুর রহমান সিজার, বেনজির আহমেদ, ওবায়দুর রহমান পাখি, বিভিন্ন স্টলের প্রতিনিধি ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ও ভূমি সেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় যেসব ডিজিটাল সেবা দিয়েছে এই লক্ষে অনলাইন ভূমি সেবা ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা জনসাধারণ।

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করে দেখা গেছে, নামজারি সহ বিবিধ মামলা, ভূমি উন্নয়ন কর, অর্পিত সম্পত্তি লীজ, মানি আদায়, সরকারি খাস জমি উদ্ধার ইত্যাদি কাজে পূর্বের তুলনায় দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড অনেক গতিশীল। বছর দু’য়েক আগে দাউদকান্দি উপজেলায় একটি নামজারি মামলা নিষ্পত্তিতে ৪৫-৬০ দিন সময় অতিবাহিত হতো, বর্তমানে মাত্র ১০-১৫ দিনে এ কার্যক্রম সম্পাদন হচ্ছে।

    প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক সেবা প্রার্থী ই-নামজারি সহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে এ ভূমি অফিসে আসেন। হয়রানি ছাড়া সেবা পেয়ে তারা অনেক খুশি ও সন্তুষ্ট। সেবা নিতে আসা দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের সালাউদ্দিন মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ই-নামজারি করতে পেরে আবেগ আপ্লুত হয়ে জানান, অনলাইনে নামজারি আবেদন করেন। এরপর মোবাইলে আসা এসএমএস অনুযায়ী শুনানিতে উপস্থিত হয়ে তার ই-নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে যায়। অতীতের হয়রানির ঘটনা এখন ইতিহাস।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দাউদকান্দি উপজেলায় বিগত ৩০ দিনে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির গড় সময়সীমা ১০ দিন যা কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্ন।

    প্রাপ্ত তথ্যচিত্র অনুযায়ী কুমিল্লা জেলায় গড় নিষ্পত্তি দিনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস। তথ্য অনুযায়ী দাউদকান্দি উপজেলায় গড় নিষ্পত্তি সময় ১০ দিন, যা কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে শীর্ষে । ই-নামজারি সেবা সহজীকরণে ও জনগণকে স্বল্পতম সময়ে এ সেবা দিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জিয়াউর রহমান।

    তিনি জানান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের দিক-নির্দেশনার আলোকে আমরা আইনানুগভাবে নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে মানুষকে দ্রুততম সময়ে ভূমি সেবা ও ভূমি বিষয়ক পরামর্শ প্রদানে বদ্ধপরিকর। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক সরাসরি শুনানি গ্রহণ, ইউনিয়ন ও উপজেলায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট অফিসারদের তৎপরতার ফলে দালাল তথা তৃতীয় পক্ষের দৌরাত্ম্য কমেছে। দাউদকান্দিও মানুষ এখন অনলাইন/স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে।

    এই কর্মকর্তা আরো বলেন, বর্তমান কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক ই-নামজারি সেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। যখন আমি এ উপজেলার দায়িত্ব গ্রহন করি তখন গড় নিষ্পত্তি সময় ছিল ৪৫ থেকে ৬০ দিন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, কানুনগো, অফিস সহকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ সেবা বর্তমানে ১০ দিনে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও স্বল্প সময়ে এ সেবা দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনাকে বাস্তবায়ন করে এখন আমরা স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার দিকে আগাচ্ছি। স্মার্ট ভূমি সেবা বাস্তবায়নের লক্ষে জণগনকে শতভাগ দ্রুততার সাথে এবং সহজে সেবা প্রদানে আমরা বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসংশনীয়।

  • ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    গাজীপুরের জয়দেবপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসক এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

    তদন্ত কমিটি ও বরখাস্তের বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর জংশনের স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া।

    বরখাস্তরা হলেন- আপ ঘুন্টি স্টেশন মাস্টার মো. হাসেম, পয়েন্টস ম্যান সাদ্দাম হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

    রেলওয়ের পক্ষ থেকে সিওপিএস মো. শহীদুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্যের আঞ্চলিক তদন্ত কমিটি এবং রেলেওয়ের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী (সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন) সৌমিক শাওন কবিরকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে জয়দেবপুর স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া জানান, টাঙ্গাইল কমিউটার ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। সিগন্যাল ম্যানের ভুলের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

    তবে কমিউটার ট্রেনটিতে তেমন যাত্রী ছিল না বললেই চলে। এ কারণে হতাহতের সংখ্যা কম হয়েছে। কমিউটার ট্রেনের লোকো মাস্টারসহ (ট্রেনের চালক) চারজন আহত হয়েছেন।

    এদিকে শুক্রবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে টাঙ্গাইল কমিউটারের তিনটি বগি দুমড়েমুচড়ে যায়।

    এছাড়াও দুটি ট্রেনের ৮টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এরপর থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এলে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়। কাজ চলমান থাকলেও দুপুর থেকে অন্য লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু করে।

  • বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির মূল্য আকাশচুম্ব

    বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির মূল্য আকাশচুম্ব

    বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির বাড়তি দাম ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বেনাপোল বাজারে এক মাস ধরে বাড়তি দর অব্যাহত রয়েছে।

    আমদানি বন্ধ না থাকলেও বেনাপোল বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ। সবজি ও কাঁচামরিচের এমন বাড়তি দাম রমজান মাসেও দেখা যায়নি। ঈদুল আজহার ছুটিতে কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে।

    সপ্তাহব্যাপী আমদানি বন্ধ থাকার পর ঈদ শেষে যথারীতি কাঁচামরিচের আমদানি শুরু হয়। ঈদের পরে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ২০০ থেকে ২৬০ টাকা কেজিতে। ঈদের দু’ সপ্তাহ পরে কিছুটা দাম কমলেও এখনো রয়েছে দু’শতকের ঘরেই। এখনো কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা কেজিতে। কাঁচামরিচের ঝাঁজ ও সবজির বাড়তি দাম ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

    বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে সবজি কিনতে আসা ক্রেতাদের। বৃষ্টির কারণে কাঁচামরিচের দাম কমছে না বলছেন সবজি বিক্রেতারা। অন্যদিকে, গত এক মাস ধরে সবজির বাজারও চড়া। বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। রমজান মাসেও

    এমন বাড়তি দাম দেখা যায়নি সবজির বাজারে। গত এক মাস ধরে সস্তার সবজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে অবিশ্বাস্য দামে। জুন মাসে পেঁপে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। যা এখনো বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে। কাঁচকলাও বিক্রি শুরু হয় বাড়তি দামে। গত মাস থেকে এ মাস পর্যন্ত কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে।
    বর্তমানে উচ্ছের দাম আকাশ ছোঁয়া।

    বুধবার ৩জুলাই সকালে বাজার ঘুরে প্রতি কেজি উচ্ছে বিক্রি হয় ১২০টাকা কেজিতে। এ ছাড়া, পিয়াজ ৯০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০, বরবটি ১২০, কচুরমুখি, ঝিঙ্গে ও কাঁকরোল ৮০, কচুরলতি ৮০ থেকে ১০০, লাউ, চিচিঙ্গা, ঢেঁড়স ৬০, পটল ৩০, টমেটো ১২০ ও গাজর ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে,আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে। বাজারে মজুত স্বাভাবিক থাকলেও সবজির এমন বাড়তি দামে ক্রেতা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

    বেনাপোল কলেজের শিক্ষার্থী আলমগীর বলেন, মেসে থাকায় নিয়মিত বাজার করতে হয়। বাজারে এলে বাজেট মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সাদিপুর রোজিনা আক্তার বলেন, বাজার করা একটা বাড়তি ঝক্কি মনে হয়। আলুর এমন অস্বাভাবিক দাম ভাবা যায় না। বাজারের পাশে দুর্গাপুর এনামুল হক বলেন, দু’কেজি আলু কিনেছি ১২০ টাকায়। অথচ বাজারে আলুর কোন সংকট নেই। তবু এমন অস্বাভাবিক দাম।

    বাজারের সবজি বিক্রেতা শুকুর আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজি ও কাঁচামরিচের চালান কম আসছে, সরবরাহ কমে গেছে। তাই দাম কমছে না। আরেক বিক্রেতা হযরত আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে মাঠে কাঁচামরিচ পচে যাচ্ছে, তাই দাম কমছে না। সবজি বিক্রেতা সুশীল সাহা বলেন, কাঁচামরিচ বাড়তি দামে কিনে এনে বিক্রি করছি। আমরাও জানি না, আমদানি হওয়ার পরেও আমদানি কারকদের কারসাজির জন্য কাঁচামরিচের দাম কমছে না।

  • কাল থেকে বাড়তি ভাড়ায় চড়তে হবে ট্রেনে, কোন রুটে ভাড়া কত

    কাল থেকে বাড়তি ভাড়ায় চড়তে হবে ট্রেনে, কোন রুটে ভাড়া কত

    ঢাকা থেকে ট্রেনে গাজীপুরে যেতে প্রতি কিলোমিটারে যাত্রীদের যত টাকা ভাড়া গুণতে হয়, এরচেয়ে পঞ্চগড়, খুলনা বা চট্টগ্রাম যেতে কম ভাড়া লাগত। কারণ, বাংলাদেশ রেলওয়ে এতদিন বেশি দূরত্বের টিকিট ছাড় দিয়ে বিক্রি করত। আগামীকাল শনিবার (৪ মে) থেকে রেলযাত্রায় এই রেয়াতি সুবিধা উঠে যাচ্ছে। নতুন দামে টিকিট কেটে ক্ষোভ ঝেড়েছেন দূরের যাত্রীরা।

    এক যাত্রী ক্ষোভের সুরে বলেন, ‘বর্তমানে সব কিছুর দাম বাড়ছে। মানুষের ওপর জুলুম হচ্ছে। আবার এদিকে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারিদের হাতে চলে যায়। সাধারণ যাত্রীরা টিকিট পায় না।আরেক যাত্রী বলেন, ‘ট্রেনের যাত্রীসেবা তো অনেক দূরের বিষয়। কোনোরকম গন্তব্যে পৌঁছতে পারলেই আমরা খুশি।’

    অতীতের নিয়ম অনুযায়ী, ১০১ থেকে আড়াই শ কিলোমিটার ভ্রমণে ২০ শতাংশ, ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটার ভ্রমণে ২৫ শতাংশ এবং এর বেশি দূরত্বের জন্য ৩০ শতাংশ ছাড় পেতেন রেলের যাত্রীরা। সেই বিধান উঠে যাওয়ায় বর্তমানে গন্তব্যভেদে ২০ টাকা থেকে দেড় শ টাকা পর্যন্ত শোভন চেয়ারের টিকিটের দাম বেড়েছে।

  • স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টাঃ পরকীয়া প্রেমিক স্বামী মহব্বত আলী

    স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টাঃ পরকীয়া প্রেমিক স্বামী মহব্বত আলী

    পঞ্চগড়র বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের বারোঘড়ীয়া-শিকারপুর নামাক গ্রামে গতকাল ০১জুলাই সোমবার সকাল ১১ঘটিকায় স্ত্রী লতা আক্তারের শরীরে ডিজেল ঢেলে দিয়ে আগুন লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন স্বামী মহব্বত আলী। লতা আক্তার চিৎকার করলে এলাকাবাসী এসে পনি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ঠাকুরগাঁও মেডিকেলে নিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা গণমাধ্যমকে জানায়, মহব্বতের তিন সন্তান থাকা সত্ত্বেও একই গ্রামের মাহাবুরের স্ত্রী রাসিদা বেগমকে চার মাস পর্বে পালিয়ে নিয়ে যায়। একমাস বাাহিরে থাকার পরে রাসিদাকে ভাড়া বাড়িতে রেখে বাড়িতে আসে মহব্বত আলী। স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে বিয়ে করার দায়ে একটি মামলা করেছিল লতা আক্তার।

    মহব্বত আলীর একটি ছেলে, দুটি মেয়ে শিশু সন্তান রয়েছে, ছেলে লাবিব জানায়, আমার মাকে ডিজেল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।আমাদের মহেন্দ্র গাড়ি রয়েছে তেলের ড্রাম ঘরেই রয়েছে।

    লতা আক্তার গণমাধ্যমকে জানায়,আমার স্বামী চার মাস পর্বে রমজান মাসে একই গ্রামের নিঃসন্তান থাকা রাশিদা বেগমকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এক মাস পর বাড়ীতে আসলে থাকেনি একদিনও

    রাসিদাকে নিয়ে থাকতেন ভাড়া বাসায়। আমার একটি ছেলে দুটি মেয়ে রয়েছে। ঈদের দিনেও থাকেনি আমার বাসায়। আমি নিজেই তিন দিন আগে ভাড়া বাসায় গিয়ে আমার স্বামী, ও রাসিদাকে আমার বাসায় নিয়ে আসি। কিন্তু আমার তিন সন্তান ও আমাকে মেনে নিতে না পেরে রাতে পালিয়ে যায় রাশিদা। এ নিয়ে আমার স্বামী সকালে এসে আমাকে মারপিট করে সংঘাত সৃষ্টি হয়। আমি বকাবকি করলে ঘরে গিয়ে আমার শরীরে ড্রমে থাকা ডিজেল দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

    লতা আক্তার বলেন এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীর সুষ্ঠু বিচার চাই। লতা বর্তমানে ঠাকুরগাঁও মেডিকেলে চতুর্থতলা সার্জারী বিভাগে ২৩ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

     

  • প্রেমের টানে ঘর ছাড়লো ভারতীয় তরুণী পিংকি সরকার

    প্রেমের টানে ঘর ছাড়লো ভারতীয় তরুণী পিংকি সরকার

    বেনাপোলে প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করছিলেন ভারতীয় তরুণী পিংকি সরকার। এরপর বুধবার ৩ জুলাই প্রেমিক তাকে বেনাপোলে রেখে সটকে পড়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বর্তমানে তরুণী বেনাপোলে বিজিবির অধীনে রয়েছেন।

    পিংকি সরকার ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার রায়গঞ্জের গৌলইসারা গ্রামের মানিক সরকারের মেয়ে।

    সূত্র মতে, যশোর ৪৯ বিজিবির অধীনস্থ বেনাপোলে কর্মরত সুবেদার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টহলদল বেনাপোল প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে থেকে বুধবার বিকালে ভারতীয় নাগরিক (মহিলা) পিংকি সরকারকে আটক করে।

    জিজ্ঞাসাবাদে বিজিবি জানতে পারে, বাংলাদেশের এক ছেলের সাথে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় তার। দুই বছরের সম্পর্ক করে তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে গত ২৮ জুন বাংলাদেশে নিয়ে আসে। চুয়াডাঙ্গার একটি বাড়িতে তিন চার দিন থাকার পর তাকে বেনাপোল প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে রেখে পালিয়ে যায়। মেয়েটি তার প্রেমিকের কোন ঠিকানা, ফোন নাম্বার বা তার কোন ছবি দিতে পারেনি।

    এদিকে, আটককৃত ভারতীয় নাগরিককে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে বেনাপোল বিজিবি জানিয়েছে।