Category: বিনোদন

  • জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ

    জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ

    জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) এর ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং ১০ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ ঘোষণা করা হয়েছে।

    নতুন কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মুভি বাংলা টেলিভিশন ও সময়ের আলো পত্রিকার বিশিষ্ট সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ। তিনি মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হিসেবে বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

    রোববার সকালে পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    নব নির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ সোহাগ জিসাসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবুল হাসেম রানা ও তার যোগ্য উত্তরসূরী নব নির্বাচিত সভাপতি গোল নাহার ইভা এবং সাধারণ সম্পাদক সাবেক ফুটবলার খ. ম. জাহাঙ্গীর আলমকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন জিয়ার আদর্শে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে ৩১ দফার বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকবো।# মহ/

  • মাড়িয়া যুব সমাজের আয়োজনে বিজয় দিবস উপলক্ষে খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    মাড়িয়া যুব সমাজের আয়োজনে বিজয় দিবস উপলক্ষে খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    দূর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ  

    রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়ায় যুবসমাজের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস-২৪ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা খেলাধুলা ও সন্ধ্যায় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    ২১ ডিসেম্বর(শনিবার) মাড়িয়া মৃধাপাড়া রবের মোড়ে যুব সমাজের আয়োজনে  খেলাধুলার ও পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

    মহান বিজয় দিবসে সরকার কর্তৃক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানসূচি দেওয়ায়, নতুন প্রজন্মকে উৎসবমুখর পরিবেশে নানা খেলাধুলার ও অত্র এলাকায় বাবর চেয়ারম্যান নূরানী হাফেজী মাদ্রাসার কৃতি ছাত্রদের উৎসাহিমূলক পুরস্কারের আয়োজন করেন।

     

    আফজাল হোসেন জুয়েল ও শরিফুল ইসলাম হোদার সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে আক্তার আলী মৃধার সভাপতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সিরাজুল করিম সুনু । অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দূর্গাপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি  সদস্য ও সাবেক মাড়িয়া ইউপির  সভাপতি আহমেদ আলী ভুলন।

    দূর্গাপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি  সদস্য ও সাবেক দূর্গাপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মোস্তাক আহমেদ, সাবেক সাধারন সম্পাদক মাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল সোহানুর রহমান সুজন,ছাত্রনেতা ইশতিয়াক বাপ্পি, আব্দুল গাফফার মন্ডল, মো:গোলাম মোস্তফা, মোঃ আলাউদ্দিন আলা, আরাফাত রহমান ছোটন প্রমুখ।

    প্রধান অতিথি সিরাজুল করিম সুনু বলেন,শহীদ জিয়ার আদর্শ ও তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় আগামী দিনে সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা লক্ষ্যে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন স্বৈরাচারের মতো স্বৈরাচারী আচরণ না করে সাধারণ জনগণ, ভোটারের কাছে গিয়ে তাদের সাথে মিশে আগামী দিনে বিএনপিকে শক্তিশালী করার অনুরোধ জানান এবং লভিং গ্রুপিং বাদ দিয়ে নেতা ও কর্মীকে এক হয়ে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার আহবান জানান।

    অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা সমসাময়িক নানা বিষয়ে বক্তব্য পেশ করেন। তাহারা বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজকে মাদক ও মোবাইল আসত্তি থেকে দুরে রাখতে হবে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • কাবাডিতে বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন আমগাছি সাহারবানু উচ্চ বিদ্যালয়

    কাবাডিতে বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন আমগাছি সাহারবানু উচ্চ বিদ্যালয়

    দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    গ্রীস্মকালীন আন্তঃ স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় কাবাডিতে রাজশাহী বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আমগাছি সাহার বানু উচ্চ বিদ্যালয়।

    রবিবার (২০ অক্টোবর) রাজশাহী জেলা স্টেডিয়ামের মাঠে ৫১ তম গ্রীস্মকালীন আন্তঃ স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কাবাডি (বালক) উপ-অঞ্চল পর্যায়ে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    খেলায় বগুড়া জেলা দল ও রাজশাহী জেলা দলের মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় রাজশাহী জেলা দল ৪৪-৩০ পয়েন্টের ব্যবধানে বগুড়া জেলা দলকে পরাজিত করে রাজশাহী বিভাগীয়
    অপরাজিত জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে দুর্গাপুর উপজেলার আমগাছি সাহার বানু উচ্চ বিদ্যালয়ের কাবাডি দল।

    জানাগেছে, গ্রীস্মকালীন আন্তঃ স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কাবাডি (বালক) উপ-অঞ্চল পর্যায়ে ফাইনাল খেলায় রাজশাহী বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় আমগাছি সাহার বানু উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়েছেন দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে আমগাছি সাহার বানু উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল ইসলাম বলেন, বিগত কয়েক বছর থেকেই কাবাডিতে বিভাগীয় পর্যায়ে আমরাই চ্যাম্পিয়ন হয়ে আসছি।

    তিনি আরও জানান, আগামী ২৪ অক্টোবর রংপুর স্টেডিয়াম মাঠে আঞ্চলিক পর্যায়ে রাজশাহী বিভাগের হয়ে আমগাছি সাহারবানু উচ্চ বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করবে। আমার শতভাগ আসা ও বিশ্বাস চাপা অঞ্চল পর্যায়েও আমরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করবো।

    এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন বলেন, কাবাডিতে উপ-অঞ্চল পর্যায়ে রাজশাহী বিভাগে দুর্গাপুর উপজেলার আমগাছি সাহার বানু উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দুর্গাপুর উপজেলাবাসীর জন্য সুনাম অর্জন করেছে। তিনি খেলার সাথে সংযুক্ত খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষকসহ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞচিত্রে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • দুর্গাপুরে বিএনপি নেতাদের ঐতিহ্যবাহী ঘোড়াদহ মেলা পরিদর্শন ও আলোচনা সভা

    দুর্গাপুরে বিএনপি নেতাদের ঐতিহ্যবাহী ঘোড়াদহ মেলা পরিদর্শন ও আলোচনা সভা

    দূর্গাপুর প্রতিনিধি :

    ঘোড়াদহ মেলা, এক সময় রাইচাঁদ নদীতেই হতো নৌকা বাইচ। আর তীরে হতো ঘোড় দৌড়। কালের বিবর্তনে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার উজালখলসী গ্রামের রাইচাঁদ নদীর তীরের সেই ঘোড়াদহ মেলায় বিগত কয়েক বছর থেকে হয় না ঘোড়াদৌড়। পাশেই বয়ে চলা আঁয়চাদ নদীর নাব্যতা নেই, কচুরিপানায় ভরে গেছে, এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে সুইসগেইট নির্মাণের ফলে এখন আর নৌকাবাইচ হয়না। 

    ৫০০ শতবর্ষী এই মেলা কোনো প্রচার ছাড়ায় বসে আসছে। মেলাটি একটি গ্রামে অনুষ্ঠিত হলেও উৎসবের আমেজ থাকে উপজেলাজুড়ে। ঐতিহ্যবাহী ৫০০ বছরের পূরনো মেলা পরিদর্শনে যান দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

    পহেলা কার্তিক থেকে উপজেলার আলীপুর ও উজানখলসীতে বসেছে এ মেলা। বৃহস্পতিবার ১৭ (অক্টোবর) বিকেলে প্রায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে মেলা পরিদর্শনে যান বিএনপি নেতাকর্মীরা পরে আলীপুরে মেলা কমিটির মঞ্চে সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গ্রামীণ মেলা হলো বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যর একটি অংশ। একটি জাতি তার ইতিহাস ও ঐতিহ্য চর্চার মাধ্যমে হাজার বছর টিকে থাকে। ঘোড়াদহ মেলা দুর্গাপুরের একটি ঐতিহ্যবাহী মেলা। যেখানে সার্বজনীন মানুষ উৎসব পালন করে আসছে। এসময় মেলা আয়োজক কমিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন ও সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন বক্তারা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক জোবায়েদ হোসেন, বিএনপি নেতা মো.সোহেল রানা,পৌর বিএনপির স্বপন, বিএনপি নেতা নাজিম হাসান, ইউপি বিএনপির সা.সম্পাদক আব্দুল আলী, বিএনপি নেতা রউফ মাষ্টার, সাবেক পৌর কাউন্সিল মাহাতাব আলী,ঝালুকা ইউপির বিএনপি নেতা আমিন, যুবদল নেতা রফিক,বাচ্চু, আফাজ আলী, সাবেক ইউপি সদস্য রেজাউল করিম,দেলোয়ার হোসেন, বেলাল হোসেন, আনারুল,সুলতান প্রমুখ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।#মহ দৈনিক বাংলার তরী

  • দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ও ভূমি সেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় যেসব ডিজিটাল সেবা দিয়েছে এই লক্ষে অনলাইন ভূমি সেবা ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা জনসাধারণ।

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করে দেখা গেছে, নামজারি সহ বিবিধ মামলা, ভূমি উন্নয়ন কর, অর্পিত সম্পত্তি লীজ, মানি আদায়, সরকারি খাস জমি উদ্ধার ইত্যাদি কাজে পূর্বের তুলনায় দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড অনেক গতিশীল। বছর দু’য়েক আগে দাউদকান্দি উপজেলায় একটি নামজারি মামলা নিষ্পত্তিতে ৪৫-৬০ দিন সময় অতিবাহিত হতো, বর্তমানে মাত্র ১০-১৫ দিনে এ কার্যক্রম সম্পাদন হচ্ছে।

    প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক সেবা প্রার্থী ই-নামজারি সহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে এ ভূমি অফিসে আসেন। হয়রানি ছাড়া সেবা পেয়ে তারা অনেক খুশি ও সন্তুষ্ট। সেবা নিতে আসা দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের সালাউদ্দিন মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ই-নামজারি করতে পেরে আবেগ আপ্লুত হয়ে জানান, অনলাইনে নামজারি আবেদন করেন। এরপর মোবাইলে আসা এসএমএস অনুযায়ী শুনানিতে উপস্থিত হয়ে তার ই-নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে যায়। অতীতের হয়রানির ঘটনা এখন ইতিহাস।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দাউদকান্দি উপজেলায় বিগত ৩০ দিনে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির গড় সময়সীমা ১০ দিন যা কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্ন।

    প্রাপ্ত তথ্যচিত্র অনুযায়ী কুমিল্লা জেলায় গড় নিষ্পত্তি দিনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস। তথ্য অনুযায়ী দাউদকান্দি উপজেলায় গড় নিষ্পত্তি সময় ১০ দিন, যা কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে শীর্ষে । ই-নামজারি সেবা সহজীকরণে ও জনগণকে স্বল্পতম সময়ে এ সেবা দিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জিয়াউর রহমান।

    তিনি জানান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের দিক-নির্দেশনার আলোকে আমরা আইনানুগভাবে নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে মানুষকে দ্রুততম সময়ে ভূমি সেবা ও ভূমি বিষয়ক পরামর্শ প্রদানে বদ্ধপরিকর। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক সরাসরি শুনানি গ্রহণ, ইউনিয়ন ও উপজেলায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট অফিসারদের তৎপরতার ফলে দালাল তথা তৃতীয় পক্ষের দৌরাত্ম্য কমেছে। দাউদকান্দিও মানুষ এখন অনলাইন/স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে।

    এই কর্মকর্তা আরো বলেন, বর্তমান কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক ই-নামজারি সেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। যখন আমি এ উপজেলার দায়িত্ব গ্রহন করি তখন গড় নিষ্পত্তি সময় ছিল ৪৫ থেকে ৬০ দিন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, কানুনগো, অফিস সহকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ সেবা বর্তমানে ১০ দিনে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও স্বল্প সময়ে এ সেবা দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনাকে বাস্তবায়ন করে এখন আমরা স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার দিকে আগাচ্ছি। স্মার্ট ভূমি সেবা বাস্তবায়নের লক্ষে জণগনকে শতভাগ দ্রুততার সাথে এবং সহজে সেবা প্রদানে আমরা বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসংশনীয়।

  • ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    গাজীপুরের জয়দেবপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসক এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

    তদন্ত কমিটি ও বরখাস্তের বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর জংশনের স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া।

    বরখাস্তরা হলেন- আপ ঘুন্টি স্টেশন মাস্টার মো. হাসেম, পয়েন্টস ম্যান সাদ্দাম হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

    রেলওয়ের পক্ষ থেকে সিওপিএস মো. শহীদুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্যের আঞ্চলিক তদন্ত কমিটি এবং রেলেওয়ের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী (সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন) সৌমিক শাওন কবিরকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে জয়দেবপুর স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া জানান, টাঙ্গাইল কমিউটার ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। সিগন্যাল ম্যানের ভুলের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

    তবে কমিউটার ট্রেনটিতে তেমন যাত্রী ছিল না বললেই চলে। এ কারণে হতাহতের সংখ্যা কম হয়েছে। কমিউটার ট্রেনের লোকো মাস্টারসহ (ট্রেনের চালক) চারজন আহত হয়েছেন।

    এদিকে শুক্রবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে টাঙ্গাইল কমিউটারের তিনটি বগি দুমড়েমুচড়ে যায়।

    এছাড়াও দুটি ট্রেনের ৮টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এরপর থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এলে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়। কাজ চলমান থাকলেও দুপুর থেকে অন্য লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু করে।

  • বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির মূল্য আকাশচুম্ব

    বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির মূল্য আকাশচুম্ব

    বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির বাড়তি দাম ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বেনাপোল বাজারে এক মাস ধরে বাড়তি দর অব্যাহত রয়েছে।

    আমদানি বন্ধ না থাকলেও বেনাপোল বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ। সবজি ও কাঁচামরিচের এমন বাড়তি দাম রমজান মাসেও দেখা যায়নি। ঈদুল আজহার ছুটিতে কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে।

    সপ্তাহব্যাপী আমদানি বন্ধ থাকার পর ঈদ শেষে যথারীতি কাঁচামরিচের আমদানি শুরু হয়। ঈদের পরে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ২০০ থেকে ২৬০ টাকা কেজিতে। ঈদের দু’ সপ্তাহ পরে কিছুটা দাম কমলেও এখনো রয়েছে দু’শতকের ঘরেই। এখনো কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা কেজিতে। কাঁচামরিচের ঝাঁজ ও সবজির বাড়তি দাম ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

    বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে সবজি কিনতে আসা ক্রেতাদের। বৃষ্টির কারণে কাঁচামরিচের দাম কমছে না বলছেন সবজি বিক্রেতারা। অন্যদিকে, গত এক মাস ধরে সবজির বাজারও চড়া। বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। রমজান মাসেও

    এমন বাড়তি দাম দেখা যায়নি সবজির বাজারে। গত এক মাস ধরে সস্তার সবজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে অবিশ্বাস্য দামে। জুন মাসে পেঁপে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। যা এখনো বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে। কাঁচকলাও বিক্রি শুরু হয় বাড়তি দামে। গত মাস থেকে এ মাস পর্যন্ত কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে।
    বর্তমানে উচ্ছের দাম আকাশ ছোঁয়া।

    বুধবার ৩জুলাই সকালে বাজার ঘুরে প্রতি কেজি উচ্ছে বিক্রি হয় ১২০টাকা কেজিতে। এ ছাড়া, পিয়াজ ৯০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০, বরবটি ১২০, কচুরমুখি, ঝিঙ্গে ও কাঁকরোল ৮০, কচুরলতি ৮০ থেকে ১০০, লাউ, চিচিঙ্গা, ঢেঁড়স ৬০, পটল ৩০, টমেটো ১২০ ও গাজর ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে,আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে। বাজারে মজুত স্বাভাবিক থাকলেও সবজির এমন বাড়তি দামে ক্রেতা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

    বেনাপোল কলেজের শিক্ষার্থী আলমগীর বলেন, মেসে থাকায় নিয়মিত বাজার করতে হয়। বাজারে এলে বাজেট মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সাদিপুর রোজিনা আক্তার বলেন, বাজার করা একটা বাড়তি ঝক্কি মনে হয়। আলুর এমন অস্বাভাবিক দাম ভাবা যায় না। বাজারের পাশে দুর্গাপুর এনামুল হক বলেন, দু’কেজি আলু কিনেছি ১২০ টাকায়। অথচ বাজারে আলুর কোন সংকট নেই। তবু এমন অস্বাভাবিক দাম।

    বাজারের সবজি বিক্রেতা শুকুর আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজি ও কাঁচামরিচের চালান কম আসছে, সরবরাহ কমে গেছে। তাই দাম কমছে না। আরেক বিক্রেতা হযরত আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে মাঠে কাঁচামরিচ পচে যাচ্ছে, তাই দাম কমছে না। সবজি বিক্রেতা সুশীল সাহা বলেন, কাঁচামরিচ বাড়তি দামে কিনে এনে বিক্রি করছি। আমরাও জানি না, আমদানি হওয়ার পরেও আমদানি কারকদের কারসাজির জন্য কাঁচামরিচের দাম কমছে না।

  • কাল থেকে বাড়তি ভাড়ায় চড়তে হবে ট্রেনে, কোন রুটে ভাড়া কত

    কাল থেকে বাড়তি ভাড়ায় চড়তে হবে ট্রেনে, কোন রুটে ভাড়া কত

    ঢাকা থেকে ট্রেনে গাজীপুরে যেতে প্রতি কিলোমিটারে যাত্রীদের যত টাকা ভাড়া গুণতে হয়, এরচেয়ে পঞ্চগড়, খুলনা বা চট্টগ্রাম যেতে কম ভাড়া লাগত। কারণ, বাংলাদেশ রেলওয়ে এতদিন বেশি দূরত্বের টিকিট ছাড় দিয়ে বিক্রি করত। আগামীকাল শনিবার (৪ মে) থেকে রেলযাত্রায় এই রেয়াতি সুবিধা উঠে যাচ্ছে। নতুন দামে টিকিট কেটে ক্ষোভ ঝেড়েছেন দূরের যাত্রীরা।

    এক যাত্রী ক্ষোভের সুরে বলেন, ‘বর্তমানে সব কিছুর দাম বাড়ছে। মানুষের ওপর জুলুম হচ্ছে। আবার এদিকে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারিদের হাতে চলে যায়। সাধারণ যাত্রীরা টিকিট পায় না।আরেক যাত্রী বলেন, ‘ট্রেনের যাত্রীসেবা তো অনেক দূরের বিষয়। কোনোরকম গন্তব্যে পৌঁছতে পারলেই আমরা খুশি।’

    অতীতের নিয়ম অনুযায়ী, ১০১ থেকে আড়াই শ কিলোমিটার ভ্রমণে ২০ শতাংশ, ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটার ভ্রমণে ২৫ শতাংশ এবং এর বেশি দূরত্বের জন্য ৩০ শতাংশ ছাড় পেতেন রেলের যাত্রীরা। সেই বিধান উঠে যাওয়ায় বর্তমানে গন্তব্যভেদে ২০ টাকা থেকে দেড় শ টাকা পর্যন্ত শোভন চেয়ারের টিকিটের দাম বেড়েছে।

  • স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টাঃ পরকীয়া প্রেমিক স্বামী মহব্বত আলী

    স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টাঃ পরকীয়া প্রেমিক স্বামী মহব্বত আলী

    পঞ্চগড়র বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের বারোঘড়ীয়া-শিকারপুর নামাক গ্রামে গতকাল ০১জুলাই সোমবার সকাল ১১ঘটিকায় স্ত্রী লতা আক্তারের শরীরে ডিজেল ঢেলে দিয়ে আগুন লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন স্বামী মহব্বত আলী। লতা আক্তার চিৎকার করলে এলাকাবাসী এসে পনি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ঠাকুরগাঁও মেডিকেলে নিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা গণমাধ্যমকে জানায়, মহব্বতের তিন সন্তান থাকা সত্ত্বেও একই গ্রামের মাহাবুরের স্ত্রী রাসিদা বেগমকে চার মাস পর্বে পালিয়ে নিয়ে যায়। একমাস বাাহিরে থাকার পরে রাসিদাকে ভাড়া বাড়িতে রেখে বাড়িতে আসে মহব্বত আলী। স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে বিয়ে করার দায়ে একটি মামলা করেছিল লতা আক্তার।

    মহব্বত আলীর একটি ছেলে, দুটি মেয়ে শিশু সন্তান রয়েছে, ছেলে লাবিব জানায়, আমার মাকে ডিজেল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।আমাদের মহেন্দ্র গাড়ি রয়েছে তেলের ড্রাম ঘরেই রয়েছে।

    লতা আক্তার গণমাধ্যমকে জানায়,আমার স্বামী চার মাস পর্বে রমজান মাসে একই গ্রামের নিঃসন্তান থাকা রাশিদা বেগমকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এক মাস পর বাড়ীতে আসলে থাকেনি একদিনও

    রাসিদাকে নিয়ে থাকতেন ভাড়া বাসায়। আমার একটি ছেলে দুটি মেয়ে রয়েছে। ঈদের দিনেও থাকেনি আমার বাসায়। আমি নিজেই তিন দিন আগে ভাড়া বাসায় গিয়ে আমার স্বামী, ও রাসিদাকে আমার বাসায় নিয়ে আসি। কিন্তু আমার তিন সন্তান ও আমাকে মেনে নিতে না পেরে রাতে পালিয়ে যায় রাশিদা। এ নিয়ে আমার স্বামী সকালে এসে আমাকে মারপিট করে সংঘাত সৃষ্টি হয়। আমি বকাবকি করলে ঘরে গিয়ে আমার শরীরে ড্রমে থাকা ডিজেল দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

    লতা আক্তার বলেন এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীর সুষ্ঠু বিচার চাই। লতা বর্তমানে ঠাকুরগাঁও মেডিকেলে চতুর্থতলা সার্জারী বিভাগে ২৩ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।