Category: অন্যান্য

  • দুর্গাপুরে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    দুর্গাপুরে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দুর্গাপুর শাখার আয়োজনে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ২৮ ডিসেম্বর (শনিবার) বিকেল ৩টায় দুর্গাপুর ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন
    অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দুর্গাপুর শাখার সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রাজশাহী জেলা সাধারণ সম্পাদক
    মাওলানা শফিকুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রাজশাহী জেলার সহ- সাধারণ সম্পাদক, আব্দুল্লাহ আল মামুন,বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দুর্গাপুর শাখার সেক্রেটারি সাইদুর রহমান শামীম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনে দুর্গাপুর শাখার উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দুর্গাপুর শাখার সেক্রেটারি মোঃ শামিম উদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দুর্গাপুর শাখার শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পৌর সদর ওয়ার্ড সভাপতি অধ্যাপক খায়রুল বারি তুহিন সহ উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী বৃন্দ। উক্ত সভায় বক্তারা, ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলেন।#  মহ/

  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেতা হাসিবের কম্বল বিতরণ

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেতা হাসিবের কম্বল বিতরণ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও আশেপাশের এলাকার প্রান্তিক পর্যায়ের শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন রাবি শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এক নেতা।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ২টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, তালাইমারি ও শিরোইল স্টেশন এলাকায় অসহায় এবং গরিব মানুষের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করা হয়। এ ছাড়াও ফুটপাতে থাকা ভবঘুরে-অসহায় শীতার্ত মানুষকেও কম্বল দেওয়া হয়।

    কম্বল বিতরণকারী নেতা হচ্ছেন মো. হাসিবুল হাসান। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া সাইবার ফোর্সের সাধারণ সম্পাদক ও শাখা ছাত্রদলের নেতা। এসময় তার সাথে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।

    এবিষয়ে হাসিবুল হাসান বলেন, রাজশাহী শহরে শীত নামার পরে ঘুরাঘুরি করতে গিয়ে এসব দারিদ্র অসহায় মানুষ জন আমার চোখে পড়ে। আমি এদের কষ্ট টা অনুভব করতে পেরে তখনই পরিকল্পনা করেছিলাম এই শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে কষ্ট করে রাত্রি যাপন করা ব্যাক্তিদের জন্য কিছু একটা করবো। আমার সাধ্য মতো যতোটুকু সম্ভব ততটুকু নিয়েই আমি আজ আমার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করি।

    কম্বল বিতরণের সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল ও জিয়া সাইবার ফোর্সের কয়েকজন নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।# মহ/

  • মামলা বাজ আলমগীর বাদশার মামলার আতঙ্কে এলাকাবাসী

    মামলা বাজ আলমগীর বাদশার মামলার আতঙ্কে এলাকাবাসী

    রংপুর জেলা প্রতিনিধি:

    রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ইটভাটা মালিক আলমগীর বাদশা এলাকায় দাপট ও প্রভাব বিস্তারে হয়রানিসহ দমন পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে মামলাকে বেছেনিয়েছেন । তিনি এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির নামে একের পর এক মামলা রুজু করে ইতোমধ্য আলোচনার ঝড় তুলেছেন। নানা অজুহাতে বিভিন্ন ব্যাক্তির নামে পর্যায়ক্রমে মামলা দায়ের অব্যহত রয়েছে।

    ইতোমধ্য থানা, কোর্ট কাচারীতে প্রায় ২০টি নিয়মিত ও প্রচিকিউশন মামলায় প্রায় শতাধিক ব্যক্তিতে হয়রানিতে ফেলেছেন তিনি। ফলে ভীত সন্ত্রস্থ ও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। এ পরিস্থিতি থেকে অব্যহতি পেতে অনেকে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

    একাধিক অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার থিরারপাড়া গ্রামের মৃত আজগার আলীর ছেলে ইটভাটা ব্যবসায়ী আলমগীর বাদশা এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে কিছু বখাটেদের সঙ্গে নিয়ে তার নিজ এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা অব্যহত রেখেছে। এ ক্ষেত্রে যারাই বাধা হচ্ছেন তাদের দমনের জন্য একের পর এক মামলা দিচ্ছেন।

    প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী আলমগীর বাদশা বিগত ২০২০ সনের সেপ্টেম্বরে থিরারপাড়া গ্রামের মৃত আফজাল হোসেনের ছেলেরা সেলিমনমিয়াসহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে রংপুরের বিজ্ঞ কগনিজেন্সবা আমলি আদালতে একটা মামলা করে। যার সিআর নং-৩৭৯/২২। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। চলতি ২০২৪ সনের ২৫ আগষ্ট জাফরপাড়া গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামসহ ৭ জনকে আসামীকরে পীরগঞ্জ থানায় একটা মামলা করে। যার নং-২০/২৭৮।

    চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর থিরারপাড়া গ্রামের মৃতআফজাল হোসেনের ছেলে আজিজ মিয়াসহ ৯ জনকে আসামী করে রংপুরের বিজ্ঞ কগনিজেন্স আদালতে একটা মামলা করে। যার সিআর নং-৬৬৩/২৪ । চলতি বছরের ২০ এপ্রিল থিরারপাড়া গ্রামের ইসলাম মিয়ার ছেলে জুয়েলমিয়াসহ ৪ জনকে আসামী করে পীরগঞ্জ থানায় মামলা করে। যার নং-১৭/১২৮।

    এ ছাড়া আলমগীর হোসেন বিগত ২০২৩ সনের ১১ জুন থিরারপাড়া গ্রামের ইয়াজ উদ্দিনের ছেলে ইসলাম মিয়াসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করে পীরগঞ্জ থানায় জিডি করেন। যার নং-৮৫৯ । চলতি বছরের ৩০ মার্চ খেতাবেরপাড়া গ্রামের লোকমান মিয়ার ছেলে আয়নাল হকসহ ৪ জনকে অভিযুক্ত করে পীরগঞ্জ থানায় জিডি করেন। যার নং- ২৫২২। উপরোক্ত মামলা ছাড়াও আলমগীর বাদশা আরও অনেকের বিরুদ্ধে থানায় ও আদালতে অভিযোগ দাখিল করেছেন।

    সম্প্রতি অপহরণ ও ছিনতাইয়ের মামলায় আলমগীর বাদশাসহ তার ২ ম্যানেজার সুমন ও মন্টুএবং ছেলে ফারহান সহ ২১ দিন জেলহাজতে থাকে। এই ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করায় মাইটিভির মাহমুদুল হাসান ও এশিয়ানটিভির মিনহাজুল ইসলামসহ ১৩ জনকে আসামী করে রংপুর আদালতে ডাকাতি মামলার অভিযোগ দাখিল করেন আলমগীর বাদশা। যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

    এদিকে ১৯ ডিসেম্বর আলমগীর বাদশার ভাই শহিদুল ইসলাম রংপুরের পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে উল্লেখিত মামলা গুলির সুষ্ট তদন্ত এবং আলমগীর বাদশা যেন আর কোন মিথ্যা ও হয়রানি মুলক মামলা করতে না পারে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহনের অনুরোধ জানান।

    বিশিষ্ট ডিস ব্যবসায়ি শামিম মিয়া জানান, প্রায় ২০টি মামলার বাদী আলমগীর বাদশা, প্রায় সবগুলো মামলার স্বাক্ষীরা একই ব্যক্তি, মিথ্যা মামলায় ইতোমধ্য শতাধিক ব্যক্তিকে ফাঁসিয়েছে।
    এ প্রসঙ্গে আলমগীর বাদশা জানান, ব্যবসায়িক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এলাকায়শ ক্রতা আরাম্ভ হয়। ব্যবসা, জমি ও অর্থ সংক্রান্তঘটনার জের ধরে বিভিন্ন সময়ে মামলা রুজু করেছি। আমি মিথ্যা মামলা করিনি বরং নিজেই মিথ্যা মামলায় ২১দিন জেলহাজত খেটেছি।# মহ/

  • নবযোগদানকৃত রাজশাহীর পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা

    নবযোগদানকৃত রাজশাহীর পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা

    আজ ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিকাল ০৪.৩০ টায় নবযোদানকৃত রাজশাহীর পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সভায় পুলিশ সুপার জনাব ফারজানা ইসলাম ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে শহিদ ও আহতদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারের নতুন অভিযাত্রায় বাংলাদেশ পুলিশও নতুন উদ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই যাত্রায় প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ আপনারা আমাদের সহযাত্রী। গত পাঁচ মাসে আমরা নিরন্তর প্রচেষ্টায় পুলিশি কার্যক্রমকে মাঠ-পর্যায়ে সচল রেখে জনগণের জান ও মালের নিরাপত্তা প্রতিবিধান করছি।
    তিনি আরও বলেন, রাজশাহী জেলা পুলিশ অত্যন্ত বলিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করতে সমর্থ হয়েছে। গত আগস্ট হতে আজ পর্যন্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য-সহ মোট ৬১৮ জন ৩৫টি মামলায় গ্রেফতার হয়েছে। মাদক উদ্ধারে রাজশাহী রেঞ্জের মধ্যে রাজশাহী জেলা ভূয়শী প্রশংসা কুড়িয়েছে।
    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মোঃ খায়রুল আলম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ রফিকুল আলমসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

    উল্লেখ্য, এসভায় রাজশাহীর ইলেকট্রনিক্স, প্রিন্ট মিডিয়া ও অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ তাঁদের মূল্যবান মতামত উপস্থাপন করে রাজশাহী জেলা পুলিশকে সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।# মহ/

  • নওপাড়াতে কৃষক দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    নওপাড়াতে কৃষক দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলা নওপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের উদ্যোগে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬শে ডিসেম্বর।

    উক্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ১ নং নওপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের আহবায়ক মোঃ রুহুল আমিন, পরিচালনায় মোঃ ইসলাম মন্ডল, সদস্য সচিব, সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ শহিদুল ইসলাম।

    উক্ত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা কৃষক দলের আহবায়ক জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম সমাপ্ত, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মোঃ আকুল হোসেন মিঠু,ঢাকা আদাবর থানা কৃষক দলের সভাপতি মোঃ সিরাজুল করিম সনু, থানা কৃষক দলের আহবায়ক আঃ হান্নান, থানা কৃষক দলের সদস্য সচিব এ কে এম মোহাইমেনুন হক রেন্টু, সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ সাইদুর রহমান মন্টু,থানা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক মোঃ জোবায়েদ হোসেন সহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ।

    বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন,আমরা বিশ্বাস করি, কৃষকের উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ ধরে তারেক রহমান ইতোমধ্যেই কৃষকদের উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করতে কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সার, বীজ এবং কৃষি উপকরণের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে কৃষকদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
    তারা আরও বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করা হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় শুরু করা হবে, যাতে কৃষকরা সেচের পানির সুবিধা পান। কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করে কৃষি পণ্য সংরক্ষণ এবং রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

    মহিলা কৃষকদের উন্নয়নেও গুরুত্ব দিয়ে তারা বলেন, ‘মহিলা কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি, কৃষকদের জন্য কৃষিশিক্ষার প্রসারে কাজ করবে বিএনপি।’ জিনিসপত্রের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষকের ঘরে হাসি ফুটবে, আর সেই হাসিই হবে দেশের উন্নয়নের চাবিকাঠি।# মহ/

  • বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বিশ্বব্যাপী শুভ বড়দিন জাঁকজমকভাবে পালন হয়। খ্রিস্টান সম্প্রদায় এই দিনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান, চার্চে গিয়ে প্রার্থনায় যোগদান করেন, নতুন জামাকাপড় ও নানা ধরনের খাবারদাবার তৈরি করে অতিথি আপ্যায়ন করেন। এভাবেই বিশেষ এই দিনটি উদযাপন করা হয়। বাংলাদেশে খ্রিস্টানদের মধ্যে বড়দিনের উল্লেখযোগ্য খাবার নানা ধরনের পিঠা।

    ঘরে অতিথি আপ্যায়ন ছাড়াও আত্মীয়-স্বজন আর পাড়া প্রতিবেশীদেরও উপহার হিসেবে দেওয়া হয় এই পিঠা। এছাড়া গির্জায় সম্মিলিত ভোজের পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে তৈরি হয় নানা রকমের মুখরোচক খাবার।

    বড়দিনের খাবার দাবার আর নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে চলুন জেনে নেওয়া যাক কিছু বিষয়—

    খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা সকালের নাস্তার পর পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে গির্জায় যান প্রার্থনা করতে। প্রার্থনা শেষে গির্জায় রান্না করা খাবার সবার সাথে বসে খান। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি জাতীয় খাবার ও বিরিয়ানি।এছাড়াও ঘরে আরও অনেক রকমের খাবার রান্নাও করা হয়।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়
    এছাড়াও বড়দিনের খাবার বলতে গেলেই চোখের সামনে ভেসে উঠবে নানারকম মুখরোচক খাবার। তবে ঐতিহ্যবাহী খাবারের কথা বললে কেক, জিঞ্জার ব্রেড, ল্যাম্ব রোস্ট, আস্ত মুরগি বা টার্কির রোস্ট, মোড়কে মোড়ানো চকলেট, ফ্রুট টার্ট, আপেল দিয়ে তৈরি পাই বা অন্য কোনো আইটেমের কথাই মনে পড়বে। এসব খাবার দিয়েই বড়দিন পালন করেন পৃথিবীর খ্রিস্টান সম্প্রদায়।
    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বাংলাদেশের চিত্রটাও ভিন্ন। যদিও বড়দিনের উৎসবে নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় খাবার নেই। যে দেশে যে খাবার উৎসবগুলোতে প্রাধান্য পায় সেটিই মূল থাকে। আমাদের দেশে গ্রামগুলোতে বড়দিনের উৎসবের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি নানা ধরনের পিঠা তৈরির রেওয়াজ রয়েছে। হরেক রকমের পিঠা বানানো হয়। তেলের পিঠা বানানো হয়। সেইসাথে মিষ্টি থাকে, কেক থাকে। কেকগুলো বেশিরভাগ বাসাতেই বানানো হয়। যারা পিঠা তৈরির সময় পান না তারা নানা রকম কুকিজ ও কেকের আয়োজন করেন।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    অতিথিদের আপ্যায়ন করতে অনেকেই ডাক রোস্ট, জিঞ্জার ব্রেড তৈরি করেন। দুপুরের আয়োজনে পোলাও, মাংস, রোস্ট, কাবাব, সাথে ডেসার্টও থাকে। কখনো কেক ঘরে বানানো হয়, কখনো বাইরে থেকে কিনে আনা হয়। দুপুরে ভারি খাবারের আয়োজন করা হলেও রাতে সেই মেন্যু কিছুটা হালকা হয়ে যায়। বড়দিনে বিভিন্ন কেক ও পেস্ট্রিশপে নানা ধরনের কেকের আয়োজন থাকে। তেমনি থাকে পাঁচতারকা হোটেলগুলোতে বড়দিনের নানা আয়োজন।

    দুপুরে যা আয়োজন করা হয় পোলাও, মাংস, রোস্ট, কাবাব, সাথে ডেসার্টও থাকে। রাতে সবাই ঝুঁকে পড়ে হালকা খাবারের দিকে। দুপুরে ভারি খাবারের আয়োজন করা হলেও রাতে সেই মেন্যু কিছুটা হালকা হয়ে যায়।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বড় দিনের খাবার-দাবার নিয়েও পার্থক্য রয়েছে বিভিন্ন ধারার বিশ্বাসীদের মধ্যে। ক্যাথলিক এবং প্রোটেস্টান্টদের মধ্যে এই পার্থক্য বেশি থাকে। ক্যাথলিকরা অ্যালকোহল এবং শুকরের মাংস খেলেও প্রোটেস্ট্যান্ট বা সেভেন্থ ডে অ্যাডভেন্টিস্টরা এই খাবারগুলো এড়িয়ে চলেন।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    তবে খাবারের মেনুতে কিছুটা তারতম্য থাকলেও যে বিষয়টি সবার মাঝেই থাকে তা হচ্ছে বড়দিনের আনন্দ। যা অনেক গুণ বেড়ে যায় স্বজনদের সাথে সাক্ষাতের মাধ্যমে।#মহ/দৈনিক বাংলার তরী

     

  • খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার তারিখ চূড়ান্ত

    খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার তারিখ চূড়ান্ত

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ও যাত্রার তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের লন্ডন যাচ্ছেন তিনি।

    বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে রওনা হবেন বেগম খালেদা জিয়া । তার সফরসঙ্গী হিসেবে যাবেন ১৬ সদস্যের টিম।

    জানা গেছে তার সফরসঙ্গী হবেন- বেগম জিয়ার প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান, বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ডা. মো. এনামুল হক চৌধুরী, তাবিদ মোহাম্মদ আওয়াল, ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিক, মো. শাহাবুদ্দীন তালুকদার, নুরুদ্দীন আহমাদ, মো. জাকির ইকবাল, মোহাম্মদ আল মামুন, শরিফা করিম স্বর্ণা, চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এবিএম আব্দুস সাত্তার, মো. মাসুদুর রহমান, এসএম পারভেজ, ফাতেমা বেগম এবং রুপা শিকদার।# মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • বরিশালের হয়ে যে কয় ম্যাচ খেলবেন শাহিন আফ্রিদি

    বরিশালের হয়ে যে কয় ম্যাচ খেলবেন শাহিন আফ্রিদি

    মিউজিক ফেস্ট দিয়ে শুরু হয়েছে বিপিএলের ১১তম আসরের আনুষ্ঠানিকতা। কয়েকদিন পরই শুরু হবে ২২ গজের লড়াই। তবে শেষ মুহূর্তে শাহিন আফ্রিদিকে দলে ভিড়িয়ে চমক দেখিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল।

    তাই দর্শকদের মধ্যে কৌতুহল জেগেছে বিপিএল খেলতে কবে ঢাকায় আসছে এই পাকিস্তানি পেসার। আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঢাকায় পা রাখবেন তিনি। গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফরচুন বরিশালের মালিক মিজানুর রহমান।

    ঠিক কতটি ম্যাচের জন্য শাহিন আফ্রিদিকে দলে নেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্ন করা হয় মিজানুর রহমানকে। জবাবে তিনি বলেন, শুরুর দিকের ৫ থেকে ৭টি ম্যাচ খেলবেন ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা এই পেসার।

    প্রথমে ঢাকা পর্বে মোট দুটি ম্যাচ খেলবে বরিশাল। উদ্বোধনী ম্যাচে দুর্বার রাজশাহী এবং ষষ্ঠ ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে খেলবে তামিম ইকবালের দল। এই দুই ম্যাচে দেখা যাবে শাহিনকে। এ ছাড়াও সিলেট পর্বের তিন ম্যাচেও বরিশালের প্রতিনিধিত্ব করবেন এই বাঁহাতি পেসার। ৭ ম্যাচের চুক্তি হলে চট্টগ্রাম পর্বেও দেখা যাবে তাকে।

    তারকাখচিত বরিশাল স্কোয়াডে শাহিন আফ্রিদির যুক্ত হওয়া নিশ্চিতভাবেই শক্তি বাড়াবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের জন্য। সরাসরি সাইনিং এবং ড্রাফট মিলিয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড তৈরি করেছে ফরচুন বরিশাল।

    ফরচুন বরিশাল স্কোয়াড

    তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, তাওহীদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, তানভীর ইসলাম, নাজমুল হোসেন শান্ত, রিপন মন্ডল, ইবাদত হোসেন, নাঈম হাসান, রিশাদ হোসেন, তাইজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, জেমস ফুলার, পাথুম নিশাঙ্কা, নান্দ্রে বার্গার, শাহিন আফ্রিদি, ফাহিম আশরাফ, ডেভিড মালান, কাইল মায়ার্স ও মোহাম্মদ নবী।#মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

    সূত্র:rtv

  • রাজশাহীতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য! সর. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা: নিরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ! 

    রাজশাহীতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য! সর. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা: নিরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ! 

    স্টাফ রিপোর্টার:

    শিক্ষানগরী রাজশাহীতে শিক্ষাকে সেবা থেকে ব্যবসায় পরিনত করে চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সরকারী স্কুল-কলেজের শিক্ষকরাও এখন এই কোচিং বাণিজ্যে নিয়োজিত।

    নগরীর বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে কোচিং সেন্টার চলছে, তারমধ্য সবচেয়ে বেশি কোচিং সেন্টার চলছে কাদিরগঞ্জ এলাকায়।

    রাজশাহী সরকারী মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকায় বেশি কোচিং সেন্টার দেখা যায়। ৩/৪ তালা বাসা ভাড়া নিয়ে একই বিল্ডিং-এ প্রতিটা ফ্লোরে আলাদা আলাদা নামের কোচিং দেখা যায়।

    বছরের শুরুতে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তির প্রতিযোগিতায় আকর্ষনীয় প্রচারপ্রত্র নিয়ে কোচিং সেন্টারগুলো জোরদার প্রচার প্রচারনা শুরু করেছে।

    এই প্রতিযোগিতায় সরকারী স্কুলের শিক্ষকরাও থেমে নাই। হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও কোচিং বাণিজ্যকে বৈধ মনে করেন।

    আর এর পিছনে মুল সমস্যা হলো আইন বাস্তবায়নকারী সংস্থার উদাসীনতা আর অবহেলা।

    হেলেনাবাদ সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের কোচিং “বাংলা বাতিঘর” চাকচিক্য গ্লোসি পেপারে প্রচারপত্র ছাপিয়ে ১ নভেম্বর থেকে ভর্তি শুরু করেছে।

    ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত তিনি নিজেই ব্যাচ করে পড়ান। প্রচার পত্রে তার কোচিংএর ব্যাচ সংখ্যা ২১ টা। প্রতি ব্যাচে জনপ্রতি শিক্ষার্থীর কাছে কোর্স ফি ৮ /৯ হাজার টাকা।

    অবৈধভাবে কোচিং সেন্টার চালানোর বিষয় নিয়ে শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্বীকার করেন তিনি অন্যায় করছেন।

    সেই সাথে তিনি বলেন “সরকারী হাসপাতালে চাকরী করে ডাক্তাররা যদি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রুগী দেখতে পারে তাহলে আমরা কেনো পারবো না, আমরা তো চুরি করছি না”।

    বাংলা বাতিঘরের কোন ট্রেড লাইসেন্স আছে কি জানতে চাইলে তিনি জানান তার কোচিং এর কোন ট্রেড লাইসেন্স নাই।

    একই এলাকায় “বাংলা মন্জুষা” নামের কোচিং সেন্টার চালাচ্ছেন রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক দীলিপ কুমার।

    দীলিপ কুমার মাধ্যমিকের শিক্ষক তিনিও তার কোচিং সেন্টারে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী পড়ান।

    তার কোচিং সেন্টারের স্টাফদের দেয়া তথ্য মতে ব্যাচ সংখ্যা ১২ টা প্রতি ব্যাচে ৫০/৬০ জনের বেশি শিক্ষার্থী পড়ান। তিনি নিজেই ক্লাশ নেন স্টাফরা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাজ গুলো করে।

    কোচিং সেন্টার চালানোর বিষয় নিয়ে তার সাথে মুঠোফনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে চায়ের দাওয়াত দেন তার কোচিং সেন্টারে।

    অবৈধভাবে কোচিং সেন্টারের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি কোচিং সেন্টার চালাতে পারেননা বললেও পরে বলে কিছু ক্ষেত্রে কোচিং করার অনুমতি আছে তবে কোন ক্ষেত্রে কোচিংএর অনুমতি আছে সেটা তিনি জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

    তিনি বলেন আমি মাধ্যমিকের শিক্ষক আমার কোচিং-এ উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পড়ানো হয়। তবে তার সাদা কাগজের প্রচারপত্রে নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়ে তথ্য দেয়া আছে, এবং তিনি স্কুলের মাধ্যমিকের শিক্ষক।

    স্কুল সুত্রে জানা যায় দিলীপ কুমার পড়াশোনা করেছে সংস্কৃতি বিষয়ে, স্কুলে নিয়োগ নেন হিন্দু ধর্ম শিক্ষক হিসেবে পরবর্তীতে সংস্কৃতিতে বাংলা ৩০০ নম্বরের বিষয় থাকায় তাকে বাংলার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন।

    তার চাকরি সম্প্রতি সময়ে সরকারী হয়েছে তবে তিনি সরকারী ভাবে এখনও বেতন পান না, স্কুল থেকে কিছু সম্মানি পান ।

    তবে কোচিং বাণিজ্য করেই তিনি গড়ে তুলেছেন দুইটা বাড়ি। একটায় বসবাস করে আরেকটি কয়েকজন শিক্ষক মিলে যৌথ মালিকানায় নির্মানাধীন।

    জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার ভাই একই প্রতিষ্ঠানের রসায়নের প্রভাষক ইন্দ্রজিৎ সরকার জড়িত। (যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে)

    স্ত্রীর নামে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স করে নিজেই কোচিং পরিচালনা করেন দীলিপ কুমার। কোচিং বাণিজ্যের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের পর থেকে দীলিপ কুমার বিভিন্ন মহলে তদবির করেন যেন তার নামে সংবাদ প্রকাশ না করা হয়।

    কোচিং বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জানান ” সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য করার বিধান নাই ” তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কোচিং করে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন কোন শিক্ষক কোচিং করে সেটা আমার জানা নাই তবে আমি জানলে তাকে সতর্ক করে দিবো “।

    সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার করতে পারবে কি না জানতে চাইলে আঞ্চলিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড.শরমিন ফেরদৌস বলেন “না পারবে না, কোন শিক্ষক কোচিং করতে পারবে না বিধানে নেই “।

    শহরের মধ্যেই কোচিং সেন্টার চালাচ্ছে আপনারা কেনো সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেন না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ” আমদের কাছে সঠিক কোন তথ্য নাই কোন শিক্ষক কোচিং সেন্টার চালাচ্ছে, তাই আমরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারিনা।

    কেউ যদি অভিযোগ করে তাহলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • মাড়িয়া যুব সমাজের আয়োজনে বিজয় দিবস উপলক্ষে খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    মাড়িয়া যুব সমাজের আয়োজনে বিজয় দিবস উপলক্ষে খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    দূর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ  

    রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়ায় যুবসমাজের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস-২৪ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা খেলাধুলা ও সন্ধ্যায় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    ২১ ডিসেম্বর(শনিবার) মাড়িয়া মৃধাপাড়া রবের মোড়ে যুব সমাজের আয়োজনে  খেলাধুলার ও পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

    মহান বিজয় দিবসে সরকার কর্তৃক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানসূচি দেওয়ায়, নতুন প্রজন্মকে উৎসবমুখর পরিবেশে নানা খেলাধুলার ও অত্র এলাকায় বাবর চেয়ারম্যান নূরানী হাফেজী মাদ্রাসার কৃতি ছাত্রদের উৎসাহিমূলক পুরস্কারের আয়োজন করেন।

     

    আফজাল হোসেন জুয়েল ও শরিফুল ইসলাম হোদার সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে আক্তার আলী মৃধার সভাপতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সিরাজুল করিম সুনু । অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দূর্গাপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি  সদস্য ও সাবেক মাড়িয়া ইউপির  সভাপতি আহমেদ আলী ভুলন।

    দূর্গাপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি  সদস্য ও সাবেক দূর্গাপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মোস্তাক আহমেদ, সাবেক সাধারন সম্পাদক মাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল সোহানুর রহমান সুজন,ছাত্রনেতা ইশতিয়াক বাপ্পি, আব্দুল গাফফার মন্ডল, মো:গোলাম মোস্তফা, মোঃ আলাউদ্দিন আলা, আরাফাত রহমান ছোটন প্রমুখ।

    প্রধান অতিথি সিরাজুল করিম সুনু বলেন,শহীদ জিয়ার আদর্শ ও তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় আগামী দিনে সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা লক্ষ্যে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন স্বৈরাচারের মতো স্বৈরাচারী আচরণ না করে সাধারণ জনগণ, ভোটারের কাছে গিয়ে তাদের সাথে মিশে আগামী দিনে বিএনপিকে শক্তিশালী করার অনুরোধ জানান এবং লভিং গ্রুপিং বাদ দিয়ে নেতা ও কর্মীকে এক হয়ে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার আহবান জানান।

    অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা সমসাময়িক নানা বিষয়ে বক্তব্য পেশ করেন। তাহারা বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজকে মাদক ও মোবাইল আসত্তি থেকে দুরে রাখতে হবে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী