Category: ধর্ম

  • দূর্গাপুরে ইউএনও’র উদ্যোগে হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    দূর্গাপুরে ইউএনও’র উদ্যোগে হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ

    দূর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর দূর্গাপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড বহরমপুর খাতুনে জান্নাত ফাতেমাতুজ্জোহরা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ৩৩ টি শীতবস্ত্র (কম্বল) ৩৩ জন ছাত্রদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

    আজ রবিবার (০৫/০১/২০২৫) ইংরাজী তারিখ সন্ধ্যা পর দূর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিনের উদ্যোগে শীতার্ত অসহায় ও দুস্থ শিশুদের উষ্ণতা দিতে পাশে দাড়ালেন দূর্গাপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরী। তাহার উপস্থিতিতে হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের হাতে শীত বস্ত্র কম্বল তুলে দেওয়া হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে ছাত্ররা খুবই আনন্দিত হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন,দূর্গাপুর পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার শাহাবুল হক, হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব তৈবুর রহমান মকবুল, উক্ত হাফেজিয়া মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাইফুল ইসলাম, বজলুর রহমান, আসাদুল, আফসার আলী, মিজানুর রহমান প্রমূখ।

    শীতবস্ত্র বিতরণ কালে দূর্গাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরী বলেন, সরকারি অনুদানের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের এই অসহায় শিশুদের পাশে এগিয়ে আসা একান্ত প্রয়োজন। আমরা বহরমপুর খাতুনে জান্নাত ফাতেমাতুজ্জোহরা হাফেজিয়া মাদ্রাসার অসম্পূর্ণ কাজগুলো করে দেওয়ার চেষ্টা করব বলেও আশ্বাস প্রদান করেন।#

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বিশ্বব্যাপী শুভ বড়দিন জাঁকজমকভাবে পালন হয়। খ্রিস্টান সম্প্রদায় এই দিনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান, চার্চে গিয়ে প্রার্থনায় যোগদান করেন, নতুন জামাকাপড় ও নানা ধরনের খাবারদাবার তৈরি করে অতিথি আপ্যায়ন করেন। এভাবেই বিশেষ এই দিনটি উদযাপন করা হয়। বাংলাদেশে খ্রিস্টানদের মধ্যে বড়দিনের উল্লেখযোগ্য খাবার নানা ধরনের পিঠা।

    ঘরে অতিথি আপ্যায়ন ছাড়াও আত্মীয়-স্বজন আর পাড়া প্রতিবেশীদেরও উপহার হিসেবে দেওয়া হয় এই পিঠা। এছাড়া গির্জায় সম্মিলিত ভোজের পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে তৈরি হয় নানা রকমের মুখরোচক খাবার।

    বড়দিনের খাবার দাবার আর নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে চলুন জেনে নেওয়া যাক কিছু বিষয়—

    খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা সকালের নাস্তার পর পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে গির্জায় যান প্রার্থনা করতে। প্রার্থনা শেষে গির্জায় রান্না করা খাবার সবার সাথে বসে খান। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি জাতীয় খাবার ও বিরিয়ানি।এছাড়াও ঘরে আরও অনেক রকমের খাবার রান্নাও করা হয়।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়
    এছাড়াও বড়দিনের খাবার বলতে গেলেই চোখের সামনে ভেসে উঠবে নানারকম মুখরোচক খাবার। তবে ঐতিহ্যবাহী খাবারের কথা বললে কেক, জিঞ্জার ব্রেড, ল্যাম্ব রোস্ট, আস্ত মুরগি বা টার্কির রোস্ট, মোড়কে মোড়ানো চকলেট, ফ্রুট টার্ট, আপেল দিয়ে তৈরি পাই বা অন্য কোনো আইটেমের কথাই মনে পড়বে। এসব খাবার দিয়েই বড়দিন পালন করেন পৃথিবীর খ্রিস্টান সম্প্রদায়।
    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বাংলাদেশের চিত্রটাও ভিন্ন। যদিও বড়দিনের উৎসবে নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় খাবার নেই। যে দেশে যে খাবার উৎসবগুলোতে প্রাধান্য পায় সেটিই মূল থাকে। আমাদের দেশে গ্রামগুলোতে বড়দিনের উৎসবের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি নানা ধরনের পিঠা তৈরির রেওয়াজ রয়েছে। হরেক রকমের পিঠা বানানো হয়। তেলের পিঠা বানানো হয়। সেইসাথে মিষ্টি থাকে, কেক থাকে। কেকগুলো বেশিরভাগ বাসাতেই বানানো হয়। যারা পিঠা তৈরির সময় পান না তারা নানা রকম কুকিজ ও কেকের আয়োজন করেন।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    অতিথিদের আপ্যায়ন করতে অনেকেই ডাক রোস্ট, জিঞ্জার ব্রেড তৈরি করেন। দুপুরের আয়োজনে পোলাও, মাংস, রোস্ট, কাবাব, সাথে ডেসার্টও থাকে। কখনো কেক ঘরে বানানো হয়, কখনো বাইরে থেকে কিনে আনা হয়। দুপুরে ভারি খাবারের আয়োজন করা হলেও রাতে সেই মেন্যু কিছুটা হালকা হয়ে যায়। বড়দিনে বিভিন্ন কেক ও পেস্ট্রিশপে নানা ধরনের কেকের আয়োজন থাকে। তেমনি থাকে পাঁচতারকা হোটেলগুলোতে বড়দিনের নানা আয়োজন।

    দুপুরে যা আয়োজন করা হয় পোলাও, মাংস, রোস্ট, কাবাব, সাথে ডেসার্টও থাকে। রাতে সবাই ঝুঁকে পড়ে হালকা খাবারের দিকে। দুপুরে ভারি খাবারের আয়োজন করা হলেও রাতে সেই মেন্যু কিছুটা হালকা হয়ে যায়।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বড় দিনের খাবার-দাবার নিয়েও পার্থক্য রয়েছে বিভিন্ন ধারার বিশ্বাসীদের মধ্যে। ক্যাথলিক এবং প্রোটেস্টান্টদের মধ্যে এই পার্থক্য বেশি থাকে। ক্যাথলিকরা অ্যালকোহল এবং শুকরের মাংস খেলেও প্রোটেস্ট্যান্ট বা সেভেন্থ ডে অ্যাডভেন্টিস্টরা এই খাবারগুলো এড়িয়ে চলেন।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    তবে খাবারের মেনুতে কিছুটা তারতম্য থাকলেও যে বিষয়টি সবার মাঝেই থাকে তা হচ্ছে বড়দিনের আনন্দ। যা অনেক গুণ বেড়ে যায় স্বজনদের সাথে সাক্ষাতের মাধ্যমে।#মহ/দৈনিক বাংলার তরী

     

  • এ্যাড: সাইফুল ইসলাম হত্যার বিচারের দাবিতে রাজশাহীতে এলডিপির মানববন্ধন

    এ্যাড: সাইফুল ইসলাম হত্যার বিচারের দাবিতে রাজশাহীতে এলডিপির মানববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    এ্যাড: সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটি।

    রোববার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় নগরীর জিরোপয়েন্টে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এসময় এ্যাড: সাইফুল হত্যার বিচার চেয়ে আন্দোলনকারীরা বলেন, হিন্দু- মুসলিম আমরা সকলে ভাই ভাই। কিন্তু ভারতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ‘ইসকন’ সদস্যরা এক অজানা শক্তির মদদে এ দেশে দাঙ্গা সৃষ্টি করার কৌশল করছে। তবে সেই দুষ্কৃতিকারীদের বলতে চাই, এদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়। এখানকার হিন্দু-মুসলিম ভাইদের মাঝে কোনো রকম বিভেদ কিংবা দাঙ্গা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হলে তাদের দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়া হবে। তারা বলেন, বেশকিছুদিন আগে এ্যাড: সাইফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে যারা হত্যা করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। কারন পরবর্তীতে বাংলাদেশে যেনো এমন কাজ করার আগে দুষ্কৃতিকারীরা শতবার ভাবে। এ্যাড: সাইফুল ইসলাম হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করা না হলে আগামীতে কঠোর আন্দোলন করার ঘোষণাও দেন আন্দোলনকারীরা। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শফিউল আজম (জুয়েল) রাজশাহী মহানগরের সহ- সভাপতি গোলাম আজম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মো: ওয়াহিদুজ্জামান (ডাবলু), দপ্তর সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম সুইট, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তহিদুজ্জামান তুষার সহ অন্যন্যরা ।#মহ / দৈনিক বাংলার তরী

  • ফুলপুরে শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর রাঁখি বাতি উৎসব পালিত 

    ফুলপুরে শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর রাঁখি বাতি উৎসব পালিত 

    ফুলপুর প্রতিনিধি :

    শনিবার (৯নভেম্বর) সন্ধ্যায় ফুলপুর উপজেলার অষ্ঠমীখলা মন্দিরের শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির কর্তৃক আয়োজনে হাজারো ভক্তের প্রদীপ, ধুপ, ফল, ফুল সামনে নিয়ে একাগ্রচিত্তে লোকনাথের আরাধনায় নিমগ্ন হয়ে উঠেন।

    এ বিষয়ে লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দিরের সেবাইত ও পাঠক শ্রী রাম কৃষ্ণ পন্ডিত জানান, এই ব্রতের আগের দিন সংযম করতে হয়। তারপর উপবাস থেকে সন্ধ্যায় আগে ধুপ, প্রদীপ ইত্যাদি নিয়ে বসতে হয় আরাধনায়। আরাধনায় বসে প্রদীপ জ্বলানোর সাথে সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিতে হয়। সংযম, মনোব্রত ও মনটাকে একাত্মচিত্তে লোকনাথকে ডাকতে হয়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন শেষ হলে পূর্ব পুরুষদের উদ্দেশ্য করে নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়। এরপর মন্দির থেকে  অভিষান্য প্রসাদ দেয়া হয়ে থাকে। যা খেয়ে উপবাস ভাঙ্গে ভক্তরা

    এই ব্রত কীভাবে আসলো তার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ১৮৯০ সালের আগে নারায়ণগঞ্জের বারদীর ঘটনা। লোকনাথ বাবা খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতেন। একদিন ভোর বারদী আশ্রমের আশপাশ দিয়ে লোকনাথ হাঁটাচলা করছিলেন, তখন দেখেন লাল পের পরা এক নারী মন্দিরের সীমানা অতিক্রম করছেন। যেই মন্দির অতিক্রম করেন ওই নারী, তখন লোকনাথ বললেন, ‌‘আমি তো এখানে আছি’। তখন তিনি দেখলেন শীতলী মা যাচ্ছেন। তখন লোকনাথ বহ্মচারী একটা অশুভ সংকেত পান ।

    তখন গুটি বসন্তের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিলো। প্রচলিত সংস্কার অনুসারে লোকনাথ বললেন, ‘আপনি মন্দিরে যেতে পারবেন না, মন্দির আশ্রম এলাকার পাশ দিয়ে যান’। সেই পাশ দিয়ে বা নিম্নাঞ্চল দিয়ে বেরিয়ে যান শীতলী দেবী। নিম্নাঞ্চলে বাস করতো কিছু জেলে পরিবার, তারা বসন্তে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ওই তখন প্রমাণ হয়, সাধনায় সিদ্ধিলাভ করলে দেবদেবতারা সাধকদের কথা মানে।

    আরাধনায় বসে প্রদীপ জ্বলানোর সাথে সাথে কথা বলা বন্ধ রাখতে হয় তখন আশ্রমের লোকজন বললেন, আপনি যখন থাকবেন না তখন আমাদের কী হবে? তখন লোকনাথ বললেন, ‘১৫ কার্তিকের পরের শনি ও মঙ্গলবার সন্ধা আরতির সময় লোকনাথ বহ্মচারীর মন্দির বা আশ্রমে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করতে বলেন তিনি’। সেই ব্রতের কেউ নাম দিলেন রাঁখের বাতি উপবাস, কেউ বলে গোসাইয়ের উপবাস, কেউ বলে কার্তিক ব্রত। এই তিন নামে আখ্যায়িত। লোকনাথ সম্প্রদায় এটাকে গোসাইয়ের উপবাস হিসেবে মানে। গোসাইয়ের নামে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়।

    প্রদীপ জ্বলা শেষ হলে প্রসাদ হিসেবে মন্দির থেকে একজ্বালে রান্না করা অভিষান্য দেয়া হয়।

    এই ব্রত আগে বারদীতে হতো। এখান থেকে আশেপাশে মন্দির ও আশ্রম গুলোতে ছড়িয়ে পরে। বারদী থেকেই এটা প্রচার হয়েছে।এরপর থেকে সারা বিশ্বের  লোকনাথের মন্দির ও আশ্রমগুলোতে এই ব্রত হচ্ছে। অনেকে বাসা-ই এই ব্রত করছে বলেও বলেন তিনি।#মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাগীর পুলিশ সুপারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

    রাজশাগীর পুলিশ সুপারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

     

    সনাতন ধর্মাবলম্বীগণের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে গতকাল ১২ অক্টোবর রাজশাহীর পুলিশ সুপার জনাব মো: আনিসুজ্জামান মহোদয় জেলার চারঘাট, বাঘা ও পুঠিয়ার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জগণ ও ওসি (ডিবি) জনাব মো: রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

    সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মো: আনিসুজ্জামান পূজামণ্ডপের সভাপতি ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ও আগত পূজা অর্চনাকারীদের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন।

    পক্ষান্তরে সভাপতি ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দও সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয়কে তাঁর আন্তরিকতা ও পূজামণ্ডপে নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    উল্লেখ্য, রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) জনাব আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব মো: খায়রুল আলম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জনাব মো: রফিকুল আলম একযোগে জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে রাতভর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে পরিদর্শন করে দায়িত্বরত পুলিশ, আনসার ও পূজামণ্ডপের স্বেচ্ছাসেবক টিমকে সজাগ রাখেন।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী 

  • তাহেরপুরে নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদযাপনের লক্ষ্যে বিএনপি’র আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মনিটরিং টিম গঠন

    তাহেরপুরে নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদযাপনের লক্ষ্যে বিএনপি’র আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মনিটরিং টিম গঠন

    বাগমারা প্রতিনিধিঃ

    আজ থেকে শুরু হয়েছে সারা দেশব্যাপী সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাউৎসব । রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভায় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে বিএনপি’র দলীয় নির্দেশনায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।

    উক্ত মনিটরিং টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় আবু নাঈম শামসুর রহমান মিন্টু সাবেক মেয়র তাহেরপুর পৌরসভা । হিন্দু ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা যাতে তারা শান্তিপূর্ণ নির্বিঘ্নে পালন করতে পারে সেই লক্ষ্যে নিরাপত্তা বজায় রাখতে কাজ করবে বিএনপি সে ধারাবাহিকতায় তাহেরপুর পৌরসভায় আবু নাঈম শামসুর রহমান মিন্টুর নেতৃত্বে অস্থায়ী শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মনিটর টিম গঠন করা হয় ।

    আজ ১০ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯.৩০ ঘটিকায় তাহেরপুর পৌরসভার হরি তলা মোড়ে একটি অস্থায়ী অফিস নির্মাণ করা হয় । উক্ত অনুষ্ঠানে তাহেরপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপির নেতাকর্মীরা । উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম বাবু ,হিন্দু সম্প্রদায়ের সাধারণ সম্পাদক শ্রী সত্যজিৎ রায় তোতা, সাবেক কাউন্সিলর কার্তিক সাহা, সাবেক কাউন্সিলর পিন্টু সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিএনপির সভাপতি সেক্রেটারি, যুবদল, ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা ।

    এ সময় আবু নাঈম শামসুর রহমান মিন্টু তার বক্তব্যে বলেন, তাহেরপুর হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজা প্রথম স্থান, শরৎকালের এই পূজা রাজা কংস নারায়ন পনেরশত আশি খ্রিস্টাব্দে ৯ লক্ষ টাকা ব্যয় করে এই পূজা উদযাপন করেছিলেন, এই পূজাটি বর্তমানে পৃথিবীব্যপি পালন করা হয়। আমার নেতা তারেক রহমানের নির্দেশ ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার,আমরা হিন্দু ভাইদের পাশে থাকতে চাই, তাদেরকে নিরাপত্তা দিতে চাই, তাদের ধর্মীয় উৎসব যাতে আনন্দঘন পরিবেশে ধুমধামের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় এটাই হচ্ছে আমার নেতার চাওয়া এবং আমাদের নেতার সাথে সাথে আমরা নেতার কর্মী হিসেবে এটা আমাদের বিএনপি এবং সকল অঙ্গ সংগঠনের একই চাওয়া।

    তাহেরপুরে ভৌগলিক কারণে একটি কর্নার জায়গা, এখানে বিভিন্ন জায়গা থেকে কোন দুষ্কৃতিকারীরা এসে আমাদের ধর্মীয় উৎসবকে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য আমরা প্রত্যেকটা মন্দিরে কমিটি করেছি ২১ সদস্য বিশিষ্ট , আমরা প্রত্যেকটা কমিটিকে সেটা সরবরাহ করেছি, আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দদের সাথে বসেছি তারা আশ্বস্ত করেছে এবার বিগত দিনে যে বারোটি ম্ডপে পূজা হয়েছে এবারও বারটি মন্ডপে পূজা হবে ।

    বাংলাদেশে কেউ সংখ্যালঘু নয় আমরা প্রত্যেকেই বাঙালি, আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশী, আপনাদের যে ভোটার অধিকার আছে, আমাদেরও সে ভোটার অধিকার আছে, আপনারা সংখ্যালঘু নই আপনারা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, আপনারা আমাদের ভাই অতএব এক ভাইয়ের সমস্যা হলে আরেক ভাই সেখানে আমরা যাব তাদেরকে সহযোগিতা করব বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সেটা আদর্শ সেটাই নীতি ,আমার নেতা সেটাই আদর্শ।

    আপনারা দেখেছেন বিগত দিনের কোন বিতর্কিত বিষয়ের সাথে আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আপোষ করে নাই, তিনি কোন কারনে পালিয়ে বিদেশ চলে যায়নি, আমরা সেই আপোসিন নেত্রীর আদর্শ সৈনিক । আগামী দিনে যে কয়দিন পূজা হবে আমাদের যে কমিটি আছে যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল,বিএনপি আমরা প্রত্যেকটা নেতা কর্মী প্রয়োজনে রাত জেগে প্রশাসনের সাথে সহযোগিতা করে এই দুর্গাপূজাকে সাফল্যমন্ডিত করবো।

    আর এই মনিটরিং অস্থায়ী অফিস আমরা করেছি যাতে এখান থেকে আমরা বারোটা পূজা মন্ডপের নেতৃবৃন্দদের সাথে কথা বলতে পারি, আমাদের যারা ভরলেনটিয়ার ভাইয়েরা আছে তাদের সাথে আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে পারি, আমরা আগামীকাল থেকে প্রয়োজনে সারারাত্রি পর্যন্ত এখানে থাকবো ।

    আমি আছি, আমাদের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি আছে এবং আমাদের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আছে, এখানে আমাদের নেতৃবৃন্দদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে আপনারা আমাদেরকে যে কোন ইনফর্ম করলে দুই মিনিটের মধ্যে আমরা সেই মন্ডপে উপস্থিত হব ইনশাল্লাহ । অতএব পূজা হবে সমস্যা নাই আমরা আপনাকে আবার আশ্বস্ত করতে চাই আমরা ছিলাম আছি এবং আমরা পালিয়ে যাব না আমরা শেষ দিন পর্যন্ত থাকবো ইনশাআল্লাহ।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • বিএনপি উদ্যোগে পীরগঞ্জে ৯৭ টি মন্দিরে আর্থিক অনুদান প্রদান।

    বিএনপি উদ্যোগে পীরগঞ্জে ৯৭ টি মন্দিরে আর্থিক অনুদান প্রদান।

    রংপুর প্রতিনিধি :

    রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজা। আসন্ন দুর্গাপূজাকে ঘিরে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সাজো সাজো রব পড়েছে। উপজেলা প্রশাসন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ভাবে করার লক্ষ্যে সনাতন ধর্মালম্বী নেতাদের সাথে একাধিক বৈঠক করেছেন। বসে নেই বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও গণমাধ্যম কর্মীরা।

    আগামী ৯ আগস্ট ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে পূজার কার্যক্রম শুরু হবে। বর্তমান সরকার প্রতিটি মন্দিরে খাদ্য সহায়তর কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম উপজেলার ৯৭ মন্দিরে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহমুদ উন নবী চৌধুরী পলাশ, সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক জাকির হোসেন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল আজাদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন মনু, ছাত্রদলের আহ্বায় মিলু সরকার সহ ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • নবী মুহাম্মাদ (সা:) কে নিয়ে কটূক্তি করার প্রতিবাদে রাজশাহীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।

    নবী মুহাম্মাদ (সা:) কে নিয়ে কটূক্তি করার প্রতিবাদে রাজশাহীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা:) কে নিয়ে ভারতীয় পুরোহিতের কটূক্তি এবং সেই বক্তব্যকে বিজেপি নেতার সমর্থনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে রাজশাহীর সাধারণ শিক্ষার্থীসহ মুসলিম জনতা।

    শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজ শেষে মহানগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্ট বড় মসজিদের সামনের সড়ক থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি বৃষ্টির মাঝে মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে এসে শেষ হয়।

    এখানে মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের নিয়েই বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, কখনোই কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা উচিত নয়। অথচ সেই ধর্মীয় শিষ্টাচার না মেনে মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে। যা কোনো মুসলিমের পক্ষেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

    এ সময় বক্তারা ভারত সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা:) ব্যঙ্গকারীদের ফাঁসি দাবি জানান। অন্যথায় বাংলাদেশে ভারতীয় যেসব দূতাবাস আছে সেগুলো ভেঙে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। সে সাথে ভারতীয় সব পণ্য বয়কটের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয় সমাবেশ থেকে। এছাড়া এই ঘটনার পর ভারতের মাইনরিটি মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতা দেওয়ারও দাবি জানানো হয়। উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আলেম ওলামা মাদ্রাসার ছাত্ররা ও ধর্ম প্রাণ মুসলিম সাধারণ জনতা উপস্থিত ছিলেন।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • সর্বচ্চো আনন্দঘন পরিবেশে পালিত হবে এবারের তাহেরপুরের দূর্গাপূজা, বললেন সাবেক মেয়র।

    সর্বচ্চো আনন্দঘন পরিবেশে পালিত হবে এবারের তাহেরপুরের দূর্গাপূজা, বললেন সাবেক মেয়র।

    বাগমারা প্রতিনিধিঃ

    হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার রিভারভিউ উচ্চবিদ্যালয়ে রবিবার রাত ৯.০০ টায় তাহেরপুর পৌরসভার দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য, তাহেরপুর পৌরসভা বিএনপির সভাপতি, সাবেক মেয়র আবু নঈম শামসুর রহমান মিন্টু এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সভায় এবারে দুর্গাপূজা পালনে নিরাপত্তা সহ যাবতীয় বিষয়ে করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক মেয়র আবু নাঈম শামসুর রহমান মিন্টু বলেন, শামীম ওসমান বলতেন খেলা হবে, তো এবার আমি বলতে চাই পূজা হবে,আনন্দ-ঘন পরিবেশের মধ্যে পূজা হবে,ভয়-ভিত উপেক্ষা করে পূজা হবে,আপনারা বিগত দিনে যে ভাবে পূজা পালন হয়েছে এবার তারচেয়ে ধুম-ধাম করে পূজা হবে, পৌর ছাত্রদল যুবদল,কৃষকদল, সহ পূজা কমিটির সবাই সহযোগীতায় থাকবে।

    হিন্দুরা আমাদের ভাই ,তারা সংখ্যলঘু নয় পূজা উৎযাপনে বাগমারা থানার পুলিশ সহযোগীতা করবে, সম্পপ্রীতির বন্ধনে পূজা উৎযাপন করতে চাই। যদি হিন্দুদের পূজায় মুসলমানরা না যায় তাহলে পুজা উৎসব মুখর হয়না,আমরা পূজা মন্ডপের নিরাপত্তা নিশচিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করে যাব। আওযামীলীগের পতন হয়েছে হিন্দু ভাইদের তো পতন হয়নি আপনারা পূজা উৎযাপন করবেন আমরা আপনাদের পাশে আছি।

    উক্ত মতবিনিময় সভায় ৩নং ওয়ার্ড কমিশনার কারর্তিক সাহা’র সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা বাবু, সত্য জিৎ রায় তোতা, তাহেরপুর তদন্ত কেন্দ্রের আইসি সোহাইল, বাগমারা থানার তদন্ত ওসি, বাগমারা থানার ওসি তৌহিদুর রহমার সহ প্রমূখ।

    বাগমারা থানার ওসি তৌহিদুর রহমান তৌহিদ বলেন, এবারে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব স্বতস্ফুর্ত পালনে আমাদের পক্ষ থেকে সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শারদীয় দূর্গাপূজাঁ পালনে প্রশাসনসহ জনসাধারণ ও রাজনৈতিক দল সার্বিক সহযোগীতা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।#মহ / দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহীতে নিকাহ রেজিস্ট্রার ও হিন্দু নিবন্ধক গনের মধ্যে মত বিনিময় সভা

    রাজশাহীতে নিকাহ রেজিস্ট্রার ও হিন্দু নিবন্ধক গনের মধ্যে মত বিনিময় সভা

    রাজশাহী প্রতিনিধি:

    রাজশাহী জেলায় কর্মরত নিকাহ রেজিস্টার ও হিন্দু নিবন্ধক গানের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক ও সংহতি স্থাপনের লক্ষ্যে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর সকল ১০ টায় রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার সিলিন্দা এলাকার চৈতির বাগানে এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন মোঃ আকবর আলী নিকাহ রেজিস্ট্রার পবা উপজেলার ৫ নং হড়গ্রাম ইউ.পি।

    উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল মোঃ মোকাদ্দেসুল ইসলাম ২৭ নং ওয়ার্ড ( রাসিক) কিন্তু রাজশাহীতে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসাইন আসার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেন নাই । কিন্তু তিনি সার্বিক যোগাযোগ রেখেছেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন দুর্গাপুর পৌরসভার নিকাহ রেজিস্টার মোঃ নাজমুল হোসাইন, সভায় বিশেষ বক্তব্য রাখেন মোঃ নুরুল ইসলাম ১৮ নং ওয়ার্ড (রাসিক) তিনি নিকাহ রেজিস্ট্রারদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়েছেন।

    রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নিকাহ রেজিস্টারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শফিকুল ইসলাম ০৫ নং ওয়ার্ড, মোঃ আখতারুল ইসলাম ১৩ নং ওয়ার্ড, মোঃ আব্দুল ওহাব ১৫ নং ওয়ার্ড সহ আরো অনেকে।

    এছাড়াও পবা উপজেলা, মোহনপুর উপজেলা, তানোর উপজেলা, গোদাগাড়ী উপজেলা, বাগমারা উপজেলা, বাঘা উপজেলা, চারঘাট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার গন উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় প্রায় ৫৫-৬০ জন নিকাহ রেজিস্টার উপস্থিত ছিলেন। সবার জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা ছিল।

    উক্ত সভায় বিভিন্ন নিকাহ রেজিস্ট্রার গন বলেন আমরা সবাই এক হয়ে এক সাথে মিলে মিশে কাজ করতে চাই, নেমে আবার ও বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হবে।#মহ/ দৈনিক বাংলার তরী