Category: বাংলাদেশ

  • পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাসিক প্রশাসক

    পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাসিক প্রশাসক

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরবাসী সহ সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

    তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। 

    মহিমান্বিত মাহে রমজানের এক মাস সিয়াম সাধনার পর আনন্দ, সংযম, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক মহিমান্বিত বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এই পবিত্র দিনে আমরা যেন পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও দৃঢ় করি এই হোক আমাদের প্রত্যাশা।

    ঈদের আনন্দ সকলের মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ুক। সকল শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবাই যেন এই আনন্দে শামিল হতে পারে সেজন্য আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসি। সমাজের সকল অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হোক ঈদের প্রকৃত শিক্ষা।

    রাজশাহীকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণে আমাদের এই অগ্রযাত্রায় আপনাদের সহযোগিতা ও ঐকান্তিক অংশগ্রহণ একান্তভাবে কাম্য।

    পরিশেষে, মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের সকলের জীবনকে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে মহিমান্বিত করে দেন এবং আমাদের প্রিয় মহানগরী রাজশাহীকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করে তোলার তৌফিক দান করেন।

    সকলকে জানাই ঈদুল ফিতরের মোবারকবাদ , ঈদ মোবারক।# মহ /

  • রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার মাহফিল ও দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করেছে “দৈনিক রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদ”।

    শনিবার (২৪ রমজান) মহানগরীর বাজে কাজলা এলাকায় এই ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন।

    অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মতিহার থানা জামায়াতের সেক্রেটারি মোঃ রফিকুল ইসলাম মন্ডল, মতিহার থানা যুব বিভাগের সভাপতি আফজাল হোসাইন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ২৮ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আরিফ হোসেন এবং ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি আবু সাইদ।মতিহার থানা (দক্ষিণ) যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বশির উদ্দিন সনি।দৈনিক রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদ পএিকার নিউজ এডিটর হাসানুজ্জামান হাসান,সহ-সম্পাদক মনোয়ার হোসেন,চীপ রিপোর্টার জয়নাল আবেদীন জয়,দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার রাজশাহীর নিজস্ব সংবাদদাতা আল আমিন,দৈনিক গণমুক্তি পত্রিকার রাজশাহী ব্যুরো মাজহারুল ইসলাম চপল, সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ রানা, আবুল বাসার,রেজভি,রেজা, আশিকসহ গণমাধ্যম কর্মী।

    ইফতার পূর্ব আলোচনায় বক্তারা পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য ও ফজিলত তুলে ধরেন এবং “রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদ”–এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। তারা বলেন, গণমাধ্যম একটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ এবং সমাজের দর্পণ। কিন্তু বিগত সময়গুলোতে গণমাধ্যমের একটি অংশকে সরকারের পক্ষপাতমূলক অবস্থানে কাজ করতে দেখা গেছে, যার ফলে জনগণের আস্থায় কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
    বক্তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, সকল প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে “রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদ” ভবিষ্যতে বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করবে এবং সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরবে।
    এ সময় পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক সানোয়ার রহমান আরিফ বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের ধারায় জনগণের পক্ষে কাজ করাই এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য। সত্য উদঘাটনে এই পত্রিকা ভবিষ্যতেও আপসহীন থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
    তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এই সংবাদমাধ্যম অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চায়। এজন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন তিনি।
    অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।# মহ/

  • রাসিকের ২২ নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া, আলোচনায় অমিত ঘোষ বিকি

    রাসিকের ২২ নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া, আলোচনায় অমিত ঘোষ বিকি

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

     

    রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশা দিন দিন জোরদার হচ্ছে। নাগরিক ভোগান্তির দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে আধুনিক, প্রযুক্তি নির্ভর ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করতে আসন্ন কাউন্সিলর নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সম্ভাব্য প্রার্থী অমিত ঘোষ বিকির নাম। এলাকাবাসীর একটি বড় অংশ তাকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    স্থানীয়দের দাবি, ড্রেনেজ ব্যবস্থার অকার্যকারিতা, সড়ক সংস্কারের ধীরগতি, মশার উপদ্রব, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও পরিচ্ছন্নতার ঘাটতিতে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে ২২ নম্বর ওয়ার্ড। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা; নোংরা পরিবেশে চরম দুর্ভোগে পড়েন বাসিন্দারা।

    ওয়ার্ডের এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন কাউন্সিলর চাই, যিনি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সারা বছর মানুষের পাশে থাকবেন। সমস্যা শুনে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।”

    এক তরুণ ভোটার জানান, “ওয়ার্ডকে আধুনিক করতে হলে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। অনলাইন অভিযোগ ব্যবস্থা ও সেবার স্বচ্ছতা এখন সময়ের দাবি। অমিত ঘোষ বিকি এসব বিষয় নিয়ে কথা বলছেন, তাই আমরা আশাবাদী।” ‘ডিজিটাল ওয়ার্ড’ গড়ার প্রতিশ্রুতি
    প্রসঙ্গে অমিত ঘোষ বিকি বলেন, “২২ নম্বর ওয়ার্ড আমার জন্ম-শৈশবের এলাকা। এই এলাকার প্রতিটি রাস্তা ও মানুষের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। নির্বাচিত হলে প্রথম দিন থেকেই সমস্যাগুলোর তালিকা করে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ শুরু করব।”

    তিনি জানান, একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। নাগরিকরা ঘরে বসেই অনলাইনে অভিযোগ জানাতে পারবেন, অভিযোগের অগ্রগতি ট্র্যাক করতে পারবেন এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সমাধান পাবেন। একটি হেল্পলাইন নম্বর ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থাকবে, যেখানে প্রতিটি আবেদন নথিভুক্ত ও উন্মুক্ত থাকবে—যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।

    “উন্নয়নের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ জবাবদিহিতা। উন্নয়ন বাজেট, প্রকল্পের অগ্রগতি—সব তথ্য নাগরিকদের সামনে উন্মুক্ত রাখা হবে। প্রতি তিন মাস অন্তর উন্মুক্ত নাগরিক সভা করব,”—যোগ করেন তিনি।

    তরুণদের সম্পৃক্ততায় স্মার্ট ওয়ার্ড
    অমিত ঘোষ বিকি জানান, তরুণদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হবে, যারা পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ, মশা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা কার্যক্রম ও সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত থাকবে। প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগে তরুণদের সম্পৃক্ত করে একটি স্মার্ট ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্য তার। মাদকবিরোধী সামাজিক উদ্যোগ মাদক প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন,
    “যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হলে সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।”

    ওয়ার্ডে খেলাধুলার মাঠ সংরক্ষণ ও সংস্কার, প্রয়োজনে পরিত্যক্ত জায়গা খেলার উপযোগী করে তোলা, নিয়মিত ফুটবল-ক্রিকেট-ভলিবল টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং স্কুল-কলেজভিত্তিক আন্তঃওয়ার্ড ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি মাদকবিরোধী সেমিনার, লিফলেট বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভার মাধ্যমে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    স্থানীয় তরুণদের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সামাজিক পরিবেশ ইতিবাচক হবে এবং অপরাধ প্রবণতাও কমবে। এনআইডি সংশোধনে সহায়তা উদ্যোগ ওয়ার্ডবাসীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন নিয়ে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগের কথাও জানান অমিত ঘোষ বিকি। অনেক নাগরিকের এনআইডিতে অন্য ওয়ার্ডের ঠিকানা বহাল থাকায় ভোটার তালিকা ও সরকারি সেবা গ্রহণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    তিনি বলেন, “সঠিক ওয়ার্ডে ভোটার নিবন্ধন নিশ্চিত করা নাগরিক অধিকার। যারা এনআইডিতে ওয়ার্ড পরিবর্তন করতে চান, তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা দেওয়া হবে।” নির্বাচনী পরিবেশে ২২ নম্বর ওয়ার্ডে পরিবর্তনের যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা নতুন মাত্রা যোগ করেছে স্থানীয় রাজনীতিতে। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়েই নির্ধারিত হবে আগামী দিনের নেতৃত্ব। তবে বর্তমান বাস্তবতায় অমিত ঘোষ বিকির প্রার্থীতা ঘিরেই সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে রাসিকের ২২ নং ওয়ার্ডে।# মহ /

  • সাংবাদিকদের মহান দায়িত্ব বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করা- মিলন এমপি

    সাংবাদিকদের মহান দায়িত্ব বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করা- মিলন এমপি

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন বলেছেন, অতীতের কোন ঘটনা, হিংসা বিদ্বেশ মনে রেখে প্রতিহিংসা, প্রতিশোধের রাজনীতি করব না। সমস্ত ভেদাবেদ ভূলে গিয়ে এক সাথে মিলে মিশে সুন্দর কালীগঞ্জ গড়ে তুলব। নির্বাচনের পূর্বে আমি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তা পূরণ করবো। আমার দায়িত্ব পালনে আমি চুল পরিমানও অবহেলা করবো না।

    তিনি মিডিয়ার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের মহান দায়িত্ব আছে। আপনারা কোন ফেক নিউজ, সম্মানহানিকর নিউজ করবেন না। সত্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন। আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিব। মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের কঠোর হাতে দমন করা হবে।

    শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে সোমবাজার ঈদগাঁহ মাঠে তুমলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. সিরাজ উদ্দিন এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাষ্টার, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খাইরুল আহসান মিন্টু, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু ও গাজীপুর জেলা যুব দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা।

    ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন আকন্দ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. লুৎফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান খান লাভলু, ফরিদ আহমেদ মৃধা, সদস্য আব্দুল বাসেদ বাচ্চু, কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের সাবেক জিএস সাদেকুর রহমান কমল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম সুমন প্রমূখ।

    এ সময় অন্যান্যের মাঝে তুমলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবু বকর মিয়া, বিএনপি নেতা নাজমুল হাই মামুন, একেএম জাকির হোসেন, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল হান্নান, জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য মো. নয়ন হোসেন ভূইয়া, থানা যুব দলের যুগ্ম আহবায়ক মো. রেজাউল ইসলাম রানা, ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. তারিকুল ইসলাম, মো. তানভীর ইসলাম প্রিন্সসহ সর্বস্তরের প্রায় পাঁচ হাজারের অধিক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

    পরিশেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার, তার কনিষ্ট পুত্র আরাফাত রহমান (কোকো) র বিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামনা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন এমপি’র সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু সহ দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।# মহ /

  • কালীগঞ্জে সৈয়দ জাহের শাহ্’র (রা.) ওফাত দিবস উপলক্ষে ইফতার মাহফিল

    কালীগঞ্জে সৈয়দ জাহের শাহ্’র (রা.) ওফাত দিবস উপলক্ষে ইফতার মাহফিল

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    গাজীপুরের কালীগঞ্জে নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে আল্লামা আবু নসর সৈয়দ মো. আবিদ শাহ্ মোজাদ্দেদী আল-মাদানী’র (রা.) চতুর্থ সাহেবজাদা আওলাদে রাসুল (দ.) আল্লামা সৈয়দ জাহের শাহ্ মোজাদ্দেদী’র (রা.) চতুর্থ ওফাত দিবস উপলক্ষে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান ও ইমামে রাব্বানী দরবার শরীফের পীরে কামিল আল্লামা সৈয়দ মো. বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী আল আবেদী (মা.জি.আ.)’র নির্দেশে ওফাত দিবস পালিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সকাল থেকে উপজেলার সোমবাজারস্থ আবেদীয়া বাহাদুর শাহ্ মোজাদ্দেদীয়া খানকা শরীফে পবিত্র খতমে কোরআন, খতমে ইয়াসিন, খতমে শেফা ও খতমে খাজেগান শরীফ অনুষ্ঠি হয়।

    বাদ আসর বাংলাদেশ হিজবুর রাসুল (দ.) উপজেলা সভাপতি আলহাজ্ব দেওয়ান শফিউদ্দিন আহমেদ’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. আওলাদ হোসেন এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামাত গাজীপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক ও কালীগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মাওলানা মো. আল-আমিন দেওয়ান আল-আবিদী। বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ হিজবুর রাসুল (দ.) উপজেলা সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মো. রেজাউল করিম ভূইয়া, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ উপজেলা সভাপতি আবু তাহের খান মো. আলমগীর, সোমবাজার ঐতিহাসিক সুন্নী মহাসম্মেলনের সভাপতি মো. আরব আলী।
    সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. মেজবাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ আহলে ছুন্নাত ওয়াল জামাত উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হোসেন ভূইয়া খোকন, মো. আবু বকর ছিদ্দিক মানিক, বাংলাদেশ যুব হিজবুর রাসুল (দ.) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মতিন, ইসলামিক যুব ফ্রন্ট গাজীপুর জেলা সভাপতি মো. শাকিল আহমদ দরাই প্রমূখ।

    এ সময় অন্যান্যের মাঝে বায়তুণ আমান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. আমির হোসেন, সোমবাজার ঐতিহাসিক সুন্নী মহাসম্মেলনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রউফ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. মঞ্জুর হোসেন, মাওলানা মুফতি মো. জহিরুল ইসলাম আল কাদরী, হাফেজ মাওলানা মো. আনিছুর রহমান, হাফেজ মাওলানা মো. নুর উদ্দিন, হাফেজ মাওলানা মো. আল-মামুন আল-আবেদী, ইসলামি ছাত্রসেনা উপজেলা সভাপতি মো. ফজলে রাব্বী খান, সাধারণ সম্পাদক মো. তানবীর হাসান সহ ইমামে রাব্বানী দরবার শরীফের আশেকগণ উপস্থিত ছিলেন।

    পরিশেষে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লামা সৈয়দ জাহের শাহ্ মোজাদ্দেদী (রা.) এর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা সহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও মুক্তি কামনা করা হয়।# মহ /

  • সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, দেশের নদী, খাল ও জলাশয়কে পূর্ণাঙ্গভাবে খননের কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল পরিদর্শন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহা পাড়ায় খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

     

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, খালটি খনন করা হলে এ অঞ্চলের প্রায় ৬ হাজার বিঘা জমি চাষাবাদের আওতায় আসবে। এতে কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষকেরা সরাসরি উপকৃত হবেন।

    তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতাহারে যে ঘোষণা দিয়েছেন, আজকের কার্যক্রম তারই বাস্তবায়নের অংশ। খাল খননের মাধ্যমে কতটা জমি নতুন করে চাষের আওতায় আনা সম্ভব, তা এখানে স্পষ্ট।

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে নদী ও খাল খননের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল। সম্প্রতি একাধিক মন্ত্রণালয়কে নিয়ে সমন্বয় সভা করে একটি টিম গঠন করা হয়েছে, যাতে খনন করা খালগুলো পুনরায় ভরাট না হয়। এ লক্ষ্যে খালপাড়ে বৃক্ষরোপণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খননের মাধ্যমে যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতাকে আরও বিস্তৃত করছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর–১ (বীরগঞ্জ–কাহারোল) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. মনজুরুল ইসলাম।
    ,উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা বাদশা, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর শামীম আলী, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপি নেতা মোঃ মামুনুর- রশিদ চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সাদেকুল ইসলাম সাদেক, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মতিউর রহমান মতি, কাহারোল থানা বিএনপি’র মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী শামীমা পারভীন রনি, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জুয়েল রানা।
    সহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।# মহ /

  • কালীগঞ্জে এলাকাবাসীর সহায়তায় ১৮২৪ বিয়ার উদ্ধার ; আটক ৩

    কালীগঞ্জে এলাকাবাসীর সহায়তায় ১৮২৪ বিয়ার উদ্ধার ; আটক ৩

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    গাজীপুরের কালীগঞ্জে শিল্প প্রতিষ্ঠানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের রমরমা কারবার করে আসা ৩ জনকে, অবশেষে স্থানীয়দেয় সহয়তায় ১৮২৪ বিয়ার ক্যান সহ গ্রেফতার করেছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (২৬শে ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পৌর ঘোনাপাড়া এলাকার পাথরঘাট সংলগ্ন চায়না বাংলা কংক্রিট অ্যান্ড ব্লক ইন্ডাস্ট্রির ভেতর থেকে প্রতিষ্ঠানের পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান থেকে ৪২ কার্টুন অর্থাৎ ১৮২৪ ক্যান বিদেশি বিয়ার জব্দ করেছে থানা পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ১. কিশোরগঞ্জ জেলার কিশোরগঞ্জ সদর থানার ফোরাক্কা এলাকার ফজলুর রহমানের পুত্র মোঃ মেহেদী হাসান (৩৪), ২. সিলেট জেলার ছাতক থানার জৈন্তাপুর এলাকার নিজাম উদ্দিনের পুত্র নাজির হোসেন (২১) ও ৩. নারায়নগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার বাগলা এলাকার আব্দুল বারেকের পুত্র আমান উল্লাহ (৩৩)।

    তদন্তকারীদের ধারণা মতে, এই শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বহু দিন ধরেই গোটা কালীগঞ্জ, গাজীপুর ও টঙ্গী সহ ঢাকা শহরে মাদক সরবরাহের কাজ চলে আসছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্যই শেষ পর্যন্ত এই অভিযানকে সফল করে তুলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    এই ঘটনার পর থেকে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে রীতিমতো আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেফতারের ভয়ে অনেকেই গা-ঢাকা দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে উদ্বেগের বিষয় কালীগঞ্জের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক মিলন গত তিন দিন পূর্বে কালীগঞ্জ উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মিটিং মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছন। কিন্তু ঘটনার পরপরই স্থানীয় দলীয় একাধিক প্রভাবশালী নেতা বিভিন্ন ভাবে তদবির শুরু করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। উদ্দেশ্য একটাই মাদকের উৎস যেন আড়ালেই থেকে যায়, আর হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের যেন ছেড়ে দেওয়া হয়। এই তদবির নিয়ে স্থানীয় মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

    কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাকির হোসেন অভিযান ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযান সম্পন্ন করে ৩ জনকে মাদকসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। মামলা নং ৩০/০২/২০২৬

    এ সম্পর্কে কালীগঞ্জ ও কাপাসিয়া সার্কেল আমাদের প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন, এলাকাবাসী মিনি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ বিয়ার সহ ৩ জনকে আটক করে থানায় খবর দিলে, থানার ওসি মো: জাকির হোসেন ও সেকেন্ড অফিসার মো: শামীম সহ পাঁচ জন অফিসার বিয়ার সহ আসামীদের গ্রেফতার করে। আমরা সিজার লিষ্ট করে মাদক, পরিবহনের মিনি ট্রাক সহ তিন জনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে এসেছি।# মহ /

  • দোকানে ঢুকলো তেলবাহী লরি : নোয়াখালীতে বাবার মৃত্যুর ছয়দিন পর ছেলের মৃত্যু

    দোকানে ঢুকলো তেলবাহী লরি : নোয়াখালীতে বাবার মৃত্যুর ছয়দিন পর ছেলের মৃত্যু

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    নোয়াখালীর কবিরহাটে তেলবাহী লরির চাপায় নিহত সার ব্যবসায়ী সফিকুর রহমানের ছয়দিন পর মারা গেছেন তার ছোট ছেলে সাইদুর রহমান (২০)। অল্প কয়েক দিনের ব্যবধানে বাবা-ছেলের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    বৃহস্পতিবার ( ২৬ ফেব্রুয়ারী ) সকালে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল-এর আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইদুর রহমান মারা যান। এর আগে.গত শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি সকালে সোনাপুর থেকে কবিরহাটগামী একটি তেলবাহী ট্রাক ট্রান্সমিটার এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন সার ব্যবসায়ী সফিকুর রহমান (৬০)। এ সময় গুরুতর আহত হন তার দুই ছেলে।

    নিহত সাইদুর রহমান নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বড় রামদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নোয়াখালী সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মি ছিলেন।

    নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল জানান, দুর্ঘটনার পর আহত দুই ছেলেকে প্রথমে মাইজদী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সাইদুরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। ছয় দিন আইসিউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

    কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া বলেন, বেলা ১১টার দিকে সাইদুরের মৃত্যুর বিষয়টি জেনেছেন। এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। ট্রাকচালককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং লরিটি থানায় জব্দ রয়েছে।# মহ/

  • লিপিকা সরকার সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী

    লিপিকা সরকার সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একটি বিষয় ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে—যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং জনসম্পৃক্ততার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা নেতৃত্বই আগামী দিনের রাজনৈতিক বাস্তবতা নির্ধারণ করবে। এই প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সাংবাদিক লিপিকা সরকার-এর নাম এখন বিএনপির অভ্যন্তরে এবং পেশাজীবী মহলে আলোচনায় উঠে এসেছে।

    দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা, রাজনৈতিক সচেতনতা এবং তৃণমূল মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক তাকে একটি সম্ভাবনাময় মুখ হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছে।

    সাংবাদিকতা থেকে জনমানুষের কণ্ঠস্বর লিপিকা সরকারের পেশাগত পরিচয় সাংবাদিকতা হলেও, তার কার্যক্রম কেবল সংবাদ সংগ্রহ বা পরিবেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তার কাজের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠী, নারী অধিকার, স্থানীয় প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা। মাঠপর্যায়ে দীর্ঘ সময় কাজ করার ফলে তিনি সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, বঞ্চনা এবং রাষ্ট্রীয় সেবার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

    সহকর্মী সাংবাদিকদের মতে, লিপিকা সরকার সবসময়ই সাহসী, দায়িত্বশীল এবং জনস্বার্থে প্রতিশ্রুতিশীল ভূমিকা পালন করেছেন। তার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে নারী নির্যাতন, সামাজিক বৈষম্য, প্রশাসনিক জটিলতা এবং রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত মানুষের বাস্তব চিত্র।

    একজন সিনিয়র সাংবাদিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “লিপিকা সরকার শুধু একজন সাংবাদিক নন, তিনি জনমানুষের কণ্ঠস্বর। তার মতো অভিজ্ঞ এবং জনসম্পৃক্ত ব্যক্তির সংসদে থাকা সময়ের দাবি।” বিএনপির আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনের প্রতি আস্থা লিপিকা সরকার প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনৈতিক দর্শন, গণতন্ত্রের প্রতি প্রতিশ্রুতি এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী। তার মতে, বিএনপি সবসময় জনগণের অধিকার, ভোটাধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

    তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করছে। একজন সচেতন নাগরিক এবং পেশাজীবী হিসেবে আমি সেই প্রক্রিয়ার অংশ হতে চাই।”
    তার এই অবস্থান বিএনপির পেশাজীবী এবং সাংবাদিক অঙ্গনের অনেকের কাছেই ইতিবাচকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
    নারী নেতৃত্ব বিকাশে একটি সম্ভাবনাময় মুখ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ব্যবস্থা। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে এমন ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া প্রয়োজন, যারা কেবল দলীয় পরিচয়ে নয়, বরং যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

    লিপিকা সরকারের ক্ষেত্রে এই তিনটি উপাদানের একটি শক্তিশালী সমন্বয় রয়েছে। সাংবাদিকতা পেশায় তার অভিজ্ঞতা তাকে রাষ্ট্র, সমাজ এবং রাজনীতির বাস্তব চিত্র সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি নারী উন্নয়ন, সামাজিক সচেতনতা এবং মানবাধিকার বিষয়েও সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন।

    নারী অধিকার বিষয়ক একজন গবেষক বলেন, “সংরক্ষিত নারী আসনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে যোগ্য এবং সমাজসচেতন নারীদের সংসদে নিয়ে আসা। লিপিকা সরকারের মতো অভিজ্ঞ সাংবাদিক সংসদে গেলে নারীর বাস্তব সমস্যাগুলো আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরতে পারবেন।তৃণমূলের সঙ্গে দৃঢ় সংযোগ
    লিপিকা সরকারের একটি বড় শক্তি হচ্ছে তার তৃণমূল পর্যায়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছেন। স্থানীয় জনগণের সমস্যা তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি সবসময়ই সক্রিয় ছিলেন।

    তার ঘনিষ্ঠজনরা জানান, তিনি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এই কারণে তৃণমূল পর্যায়ে তার একটি ইতিবাচক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।

    একজন স্থানীয় সমাজকর্মী বলেন, “লিপিকা সরকার শুধু একজন সাংবাদিক নন, তিনি আমাদের এলাকার মানুষের একজন অভিভাবকের মতো। তিনি সংসদে গেলে আমাদের কথা আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারবেন।”
    বিএনপির নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বে পেশাজীবীদের গুরুত্ব
    বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় পেশাজীবী, বিশেষ করে সাংবাদিক, শিক্ষক এবং গবেষকদের রাজনীতিতে অন্তর্ভুক্তি একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সবসময়ই মেধা, সততা এবং জাতীয়তাবাদী চেতনার সমন্বয়ে নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
    বর্তমানে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে দলকে পুনর্গঠন এবং শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রক্রিয়ায় পেশাজীবী ও শিক্ষিত নেতৃত্বকে সামনে আনার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

    এই প্রেক্ষাপটে লিপিকা সরকারের মতো একজন পেশাজীবী সাংবাদিকের মনোনয়ন প্রত্যাশা বিএনপির আধুনিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    সংসদে গেলে যেসব বিষয়কে অগ্রাধিকার দেবেন
    লিপিকা সরকার জানিয়েছেন, তিনি সংসদে যাওয়ার সুযোগ পেলে বিশেষভাবে কয়েকটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেবেন। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য— নারী অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা জোরদার করা। তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। যুবসমাজের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন। তিনি আরো বলেন, “সংসদ জনগণের কথা বলার জায়গা। আমি সেই জায়গায় গিয়ে জনগণের বাস্তব সমস্যাগুলো তুলে ধরতে চাই।”দলের অভ্যন্তরে ইতিবাচক আলোচনা

    বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বিভিন্ন পেশার যোগ্য নারীদের নাম বিবেচনা করা হচ্ছে। এই তালিকায় সাংবাদিক লিপিকা সরকারের নামও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে। দলীয় একজন সিনিয়র নেতা বলেন, “দল সবসময়ই যোগ্য, ত্যাগী এবং জনসম্পৃক্ত ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করে। পেশাজীবী এবং সাংবাদিকদের মধ্যে যারা দলের আদর্শে বিশ্বাসী এবং জনগণের জন্য কাজ করতে আগ্রহী, তাদের অবশ্যই বিবেচনা করা হবে।” রাজনৈতিক বাস্তবতায় নতুন বার্তা
    লিপিকা সরকারের মনোনয়ন প্রত্যাশা কেবল একটি ব্যক্তিগত রাজনৈতিক উদ্যোগ নয়, বরং এটি একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক বার্তাও বহন করছে। এটি প্রমাণ করে যে, সাংবাদিকতা এবং পেশাজীবী সমাজ থেকে যোগ্য নেতৃত্ব রাজনীতিতে এগিয়ে আসছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে। এটি দলের প্রতি পেশাজীবী সমাজের আস্থা বৃদ্ধি করবে এবং একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত
    লিপিকা সরকার তার মনোনয়ন প্রত্যাশা সম্পর্কে বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, দল সবসময় যোগ্যতা, নিষ্ঠা এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়। আমি সেই বিশ্বাস থেকেই দলের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। আমি যদি সুযোগ পাই, তাহলে দলের আদর্শ এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তার এই প্রত্যাশা কেবল ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়, বরং এটি একটি বৃহত্তর দায়িত্ববোধের প্রতিফলন।

    সময়ের দাবি যোগ্য নেতৃত্ব বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় যোগ্য, অভিজ্ঞ এবং জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। সাংবাদিক লিপিকা সরকারের মনোনয়ন প্রত্যাশা সেই বাস্তবতারই একটি প্রতিফলন।তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং রাজনৈতিক সচেতনতা তাকে একটি শক্তিশালী সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন দলীয় উচ্চপর্যায়ের বিচক্ষণ সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে, তিনি জাতীয় সংসদে গিয়ে জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবেন কিনা। রাজনৈতিক মহলের মতে, যোগ্যতা এবং জনসম্পৃক্ততার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে লিপিকা সরকার বিএনপির জন্য একটি কার্যকর, গ্রহণযোগ্য এবং ইতিবাচক সংযোজন হতে পারেন।# মহ/

  • এক দফা দাবিতে রাজশাহী ওয়াসা কর্মচারীদের মানববন্ধন ; স্মারকলিপি প্রদান

    এক দফা দাবিতে রাজশাহী ওয়াসা কর্মচারীদের মানববন্ধন ; স্মারকলিপি প্রদান

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

     

    হাইকোর্টের রায়ের আলোকে দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের এক দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন রাজশাহী ওয়াসা কর্মচারী ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।

    রোববার (২৩ নভেম্বর) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

    অপর দিকে একই দাবিতে দুপুর ১২টায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে আরও একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। পরে বিভাগীয় কমিশনারের কাছেও স্মারকলিপি দেন কর্মচারীরা।

    স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজশাহী ওয়াসার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির অস্থায়ী ও মাস্টাররোলভুক্ত প্রায় ১৪৯ জন কর্মচারী দীর্ঘ ২০–২৫ বছর ধরে চাকরিতে নিয়োজিত রয়েছেন। সিটি করপোরেশন থেকে ওয়াসায় হস্তান্তরের পর ১৫৭টি পদ সৃষ্টি হলেও সিটি করপোরেশন থেকে আসা ১২২ জনকে স্থায়ীকরণের শর্ত থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

    স্থায়ীকরণের দাবিতে বহুবার আবেদন করেও কোনো সমাধান না পাওয়ায় কর্মচারীরা বাধ্য হয়ে হাইকোর্টে রিট (নং-৬০১৯/২০১৫) দায়ের করেন। ২০২৩ সালের ১৫ মে হাইকোর্ট নয়টি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে রায় দেন। এ রায়ের পর তিনটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীকে স্থায়ীকরণ সম্পন্ন হয়।

    এছাড়া খুলনা ওয়াসার বিভিন্ন বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অফিস আদেশের মাধ্যমে অস্থায়ী কর্মচারীদের স্থায়ীকরণের উদাহরণও স্মারকলিপিতে তুলে ধরা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রায় বাস্তবায়িত না হওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

    ওয়াসা কর্মচারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে তারা আরও কঠোর আন্দোলন বা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হবেন।

    মানববন্ধনে কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী ওয়াসা কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি সফিকুল আলম।

    সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন কাজল। এ ছাড়াও ইউনিয়নের অন্যান্য নেতা উপস্থিত ছিলেন।# মহ/