Author: Admin1

  • কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ রাজশাহীতে

    কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ রাজশাহীতে

    রাজশাহী প্রতিনিধি :

    সরকারি চাকুরীতে কোটা পুনর্বহালের রায় বাতিল এবং কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে রাখেন ।

    মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে কলেজ গেটের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এরপর সড়কে বসে পড়েন তারা। প্রায় আধাঘণ্টা সড়কটি অবরোধ করে রাখেন আন্দোলনকারীরা।

    শিক্ষার্থীরা এসময় কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন ।

    আন্দোলনে অংশ নেওয়া মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সামিউল ইসলাম বলেন, একজন মেধাবী শিক্ষার্থী সারাবছর পড়াশোনা করে চাকুরীর বাজারে কোটার কাছে হেরে যাচ্ছে। ভালো চাকরি পাচ্ছেন না। অথচ একজন অযোগ্য লোক কোটা থাকায় চাকরীর বাজারে টিকে যাচ্ছে। আমরা চাই সবাই মেধার ভিত্তিতেই চাকরী পাক ।তিনি আরও বলেন, স্বাধীন রাষ্ট্রে সরকারি চাকুরীতে ৫৬ শতাংশ কোটা থাকা অযৌক্তিক। কোটা যদি থাকে তাহলে বৈষম্য থেকেই যায়, কোন ধরনের বৈষম্য যাতে এই বাংলায় না হয় এটা আমাদের চাওয়া। তাই আমরা কোটা সংস্কার চাই।

    হাবিবা খাতুন নামে আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমরা নারী হয়েও কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছি। নারীরা এখন আর পিছিয়ে নাই, আমাদের কোটা দিয়ে চাকুরী করার দরকার নাই, মেধা দিয়েই চাকরী করতে চাই। প্রতিবন্ধী কোটা ছাড়া সব ধরনের কোটা বাতিলের দাবিতে আজ অবস্থান নিয়েছি। আমাদের দাবি না মানলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবো।

    এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। জানান, দিন যতই যাবে ততই কঠোর আন্দোলন হবে।#

    মহ/

  • পুঠিয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানা, ইউএনও অফিসে অভিযোগ দায়ের

    পুঠিয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানা, ইউএনও অফিসে অভিযোগ দায়ের

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহী পুঠিয়ায় যুব সমাজকে মাদক থেকে বাঁচাতে এক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ গ্রামবাসীদের মধ্য হতে প্রায় ১৮২ জন ব্যক্তির গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে তা অভিযোগের কপি সহ থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)র নিকট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    জানা গেছে, ওই মাদক ব্যবসায়ীর নাম রানা। তার বর্তমান সে পুঠিয়া উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামে দুই বছর যাবত বসবাস ও মাদক ব্যবসা করে আসছে। সে আগে স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন রাজশাহী শহরের পার্শবর্তী মাদারদিয়াড় চর এলাকায়। অভিযোগ ও গণস্বাক্ষর করা একাধিক ব্যক্তি তারা বলছেন রানার মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বললে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। রানা বলে বেড়ায় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এসব করে। আমাদের কিছুই করতে পারবে না। এর কয়েকদিন আগে ওই এলাকা থেকে একটি ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়। এমনকি ওই এলাকার স্থানীয় কয়েকজনকে ম্যানেজ করে রানা এসব করছে বলে দাবি তাদের। গভীর রাত অব্দি বহিরাগত মাদক সেবীরা সেখান থেকে মাদক সংগ্রহ করতে যাতায়াত করে। এছাড়াও ওই এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে অভিযোগ পত্রে সই করতে দেখা গেছে, একজন সাবেক এমপি। একজন সাবেক পৌর মেয়র। একজন বর্তমান কাউন্সিলর ও ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য।

    এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাহাবুল ইসলাম বলেন, এই মাদক ব্যবসায়ীদের কারণে এলাকায় অনেক সাধারণ মানুষেরা চুরি ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন সময় দেখা যায় মানুষের বাড়ির হাঁস মুরগি ছাগলসহ নানান রকম জিনিস হারিয়ে যায়। এছাড়াও প্রতিনিয়ত বহিরাগতরা রাতের বিভিন্ন সময় ওই এলাকায় আনাগোনা করতে দেখা যায়। আমরা অনিরপদে আছি।

    এসব বিষয়ে ওই এলাকার বাসিন্দা ও পুঠিয়া উপজেলা দুর্নীতিবিরোধী কমিটির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মাস্টার তিনি বলেন, এসব মাদক কারবারই আমাদের এলাকায় আগে ছিল না। হঠাৎ করে ওই লোকটি দুই বছর আগে এখানে বাড়ি কিনে বসবাস ও মাদক ব্যবসা শুরু করে। তারপরে এলাকায় কৃষকের পেঁয়াজ রসুন সহ নানান রকম জিনিসপত্র হারিয়ে যেতে শুরু করে। আমি আমার এলাকায় মাদক মুক্ত দেখতে চাই।

    এবিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম নূর হোসেন নির্ঝর বলেন, এ ধরনের একটি অভিযোগ পেয়েছি। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলকে জানানো হয়েছে আশা করি খুব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুস সামাদ মোল্লা তিনি বলেন, আমি সব সময় নিজেও মাদক বিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছি। তাই কোনভাবেই আমার উপজেলার মধ্যে কোথাও মাদক ব্যবসায়ী অথবা সেবনকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমিও বিভিন্ন মহলকে জানাবো।#

    মহ/

  • বগুড়ায় রথযাত্রায় ৫ জনের মৃত্যু,কার্তিক সাহা’র শোক প্রকাশ

    বগুড়ায় রথযাত্রায় ৫ জনের মৃত্যু,কার্তিক সাহা’র শোক প্রকাশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    বগুড়ায় রথযাত্রায় ৫ জনের মৃত্যু,কার্তিক সাহা’র শোক প্রকাশবগুড়ায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তাহেরপুর রথযাত্রা পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও তাহেরপুর পৌর সভার ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শ্রী কার্তিক সাহা।

    সোমবার (৮ জুলাই) এক বার্তায় তিনি বলেন,বগুড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিকভাবে নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করছি।
    প্রসঙ্গত, রোববার (৭ জুলাই) ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রা উৎসব। এদিন পূণ্য লাভের আশায় বগুড়ায় হাজারো ভক্ত জগন্নাথ দেবের রথের রশি টেনে নিয়ে মন্দিরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিন্তু আনন্দের এই রথযাত্রা মুহূর্তেই পরিণত হয় শবযাত্রায়। রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়। আহত হন অনেকেই।#

     

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • ঐতিহ্যে ঘেরা কিসমত মাড়িয়া মসজিদ

    ঐতিহ্যে ঘেরা কিসমত মাড়িয়া মসজিদ

    নিজস্ব প্রতিবেদন :

    মলিন ও বিবর্ণ হয়ে যাওয়া দেয়ালে ইতিহাস আর ঐতিহ্যের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে কিসমত মাড়িয়া মসজিদ। এটি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত। ঐতিহ্যে ঘেরা বাংলাদেশের একটি প্রাচীনতম মসজিদ। আনুমানিক ১৫০০ সালে এটি নির্মিত হয়েছিল। বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।

    রাজশাহী মহানগরী থেকে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক ধরে প্রায় ১৩ কিলোমিটার গেলে শিবপুর বাজার নামক স্থান থেকে প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের সাইনবোর্ড ধরে এগিয়ে যেতে হবে। এভাবে প্রায় ৪-৫ কিলোমিটার গেলে এই মসজিদ পাওয়া যাবে। প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের অন্তর্ভুক্ত হলেও আজ পর্যন্ত এর কোনো রক্ষণাবেক্ষণ বা সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা। আমবাগান আর ফসলের ক্ষেত বেষ্টিত এ মসজিদটি সম্পর্কে গ্রামের মানুষের মধ্যে অনেক কিংবদন্তী কাহিনী প্রচলিত আছে।

    এ মসজিদ সম্পর্কে সঠিক কোনো ইতিহাস পাওয়া যায় না। তবুও নির্মাণশৈলী দেখে অনুমান করা হয় মসজিদটি আনুমানিক ১৫০০ সালে স্থানীয় কোনো মুসলিম দরবেশ বা দিল্লির মুঘল শাসকদের নির্দেশে কোনো জমিদার কর্তৃক নির্মিত।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মসজিদটির ক্ষয়ে যাওয়া দেয়ালে এখনো কিছু শৈল্পিক কর্ম বিদ্যমান। মুসলিম ঐতিহ্য অনুসারে শিল্পীদের করা পোড়ামাটির টেরাকোটা যা গাছ-ফুল-লতা ইত্যাদি ধারণ করেছে। এগুলো মসজিদের সৌন্দর্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছে। তৎকালীন হিন্দুপ্রধান এ এলাকায় মুসলিমদের সংখ্যা কম হওয়ায় এ মসজিদটি আকারে বেশ ছোট।

    মসজিদটির তিনটি প্রবেশদ্বার আছে। প্রত্যেকটি দ্বারের ঠিক সমান্তরালে ওপরে ছাদের মাঝামাঝি একটি করে গম্বুজ আছে। মসজিদটির সামনে লাগোয়াভাবে ছোট্ট উঁচু উঠান (খোলা বারান্দা) আছে যা অনুচ্চ প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত এবং একটি তিন ধাপী ছোট সিঁড়ি দ্বারা ভূমিতে সংযুক্ত। এর দক্ষিণে একটি দ্বিতল চৌচালা স্থাপনা আছে যা বিবির ঘর বলে পরিচিত আছে বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। পুরো স্থাপনাটা নির্মিত হয়েছে চুন, সুরকি ও ইট দিয়ে। দেশের অন্যান্য পুরাতন মসজিদের সাথে এই মসজিদের একটি সাধারণ ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয়, তা হলো মসজিদটির একেবারে সন্নিকটে কোনো বড় জলাধার বা পুকুর-দীঘি নেই।

    স্থানীয় রহমান আলী নামে এক মুসল্লি প্রতিবেদকে বলেন, এই মসজিদে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে নামাজ পড়ছি। এখানে নামাজ পড়তে এক ধরনের ভালো লাগা কাজ করে।

    মসজিদের খতিব ও ইমাম জানান, তিনি দীর্ঘদিন এ মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছেন, এই এলাকায় এমন ঐতিহাসিক মসজিদ আর নেই। তাই দ্রুত এর রক্ষনাবেক্ষন ও সংস্কারের দাবি জানান তিনি।

    আশেপাশের লোকজন ও ভ্রমনপ্রিয় মানুষ এ মসজিদে নামাজ আদায় করেন। মসজিদটি এখনো পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় স্মারক। প্রতিদিন দেশী-বিদেশী পর্যটক মসজিদটি পরিদর্শনে আসেন।#

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • বাঘায় আ’লীগ নেতা বাবুলের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল।

    বাঘায় আ’লীগ নেতা বাবুলের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল।

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    রাজশাহী বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল হত্যায় জড়িত সকল সন্ত্রাসীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    বাঘা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজনে রোববার ( ৭ জুলাই) বিকেল ৫টায় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় হতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিণ শেষে পূর্বের স্থানে এসে শেষ হয়। এর পর নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজমুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফকরুল হোসেন বিপ্লব, বাউসা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিল্টন, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ফাতেমা খাতুন লতা, নিহত বাবুলের বড় ছেলে ছাত্রলীগ নেতা আশিক জাবেদ প্রমুখ।

    বিক্ষোভ মিছিলে স্লোগান ছিল, আমার ভাই মরলো কেন প্রশাসন বিচার চাই, ফাঁসি- ফাঁসি- ফাঁসি চাই, আক্কাস-মেরাজের ফাঁসি চাই।

    ঘটনা সূত্রে, গত ২২ জুন আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল। পরবর্তীতে ২৬ জুন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান পিন্টু বাদী হয়ে মেয়র আক্কাস আলীকে প্রধান করে ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে বাঘা থানায় একটি মামলা করেন।

    বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, বাবুল হত্যা মামলায় প্রধান আসামি আক্কাস আলীসহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।#

    মহ/

  • বাগমারায় পুকুর খননকারীদের এখনও চলছে রামরাজত্ব

    বাগমারায় পুকুর খননকারীদের এখনও চলছে রামরাজত্ব

    রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পুকুর খনন বন্ধে উচ্চ আদালতের আদেশ ও ভূমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন বাস্তবায়নে উপজেলা শাসন কর্মকর্তাদের নিষ্ক্রিয়তায় উপজেলাধীন বিভিন্ন বিলে শত শত বিঘা কৃষি জমি অবৈধভাবে পুকুর খননে প্রতিনিয়ত ধ্বংস হচ্ছে।

    রহস্যজনকভাবে শাসন কর্মকর্তারা নীরব ভূমিকা পালন করছে। কৃষি জমি সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন আদেশ, নির্দেশ ও প্রচলিত আইনের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন না থাকায় কৃষকদর সমতল উর্বর জমি রাতারাতি জবর দখলের মাধ্যমে পরিণত বড় বড় পুকুর ও দিঘী। এই সুবাদে উপজেলার অসাধু কর্মকর্তরা অনেকে পাচ্ছেন অবৈধভাবে আর্থিক সুযোগ-সুবিধা।

    বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দিন রাত চালিয়ে যাচ্ছে বাগমারা উপজেলার ঝিকরা, মাড়িয়া, হামিরকুৎসা, গোবিন্দপাড়া, শুভডাঙ্গা ও কাচারি কোয়ালিপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন বিলে প্রতিনিয়ত শত শত বিঘা কৃষি জমি ধ্বংস করে চলছে পুকুর খনন। বর্তমানে ঝিকরা ইউনিয়নের সিংগা ও রুয়ের বিলে ১০০ বিঘা আবাদি জমিতে দিন রাতে ফ্রি স্টাইলে চলছে অবৈধভাবে পুকুর খনন। কৃষি জমি সংরক্ষণে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে ভুক্তভোগীরা পাচ্ছেন না কোন প্রতিকার বা আইনের শাসন। গত ২৬/৬/২৪ ইং তারিখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক পুকুর খনন বন্ধে গন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নির্দেশনা দিলেও তা কোনভাবেই তোয়াক্কা করছে না খননকারীরা। খননকারীদের ধৃষ্টতা দেখে মনে হচ্ছে এটি একটি লোক দেখানো নির্দেশনা মাত্র। ভুক্তভোগীরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে আশ্বস্ত ব্যতীত প্রতিকারের বিষয়ে কোন আলোর মুখ দেখতে পান না। এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিকট জোর দাবি জানান, অনতিবিলম্বে বাগমারা উপজেলায় কৃষি জমি সংরক্ষণে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা

    উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জোবায়ের হাবিব বলেন, আমরা পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিদিনই অভিযান চালাচ্ছি ছুটির দিন অফিসডে আমরা প্রতিদিনই বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করছি। পুকুর খননের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • বাঘায় আওয়ামী লীগ নেতা হত্যা মামলায়, মেয়র আক্কাছ গ্রেফতার

    বাঘায় আওয়ামী লীগ নেতা হত্যা মামলায়, মেয়র আক্কাছ গ্রেফতার

    রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাঘা পৌরসভার মেয়র আক্কাছ আলীকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

    শুক্রবার(৫ জুলাই) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার হাবীবুর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, বাঘা থানার একটি হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন বাঘা উপজেলা পরিষদ চত্বরের সামনে পৌর মেয়র আক্কাছের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগ। এ সময় পৌর মেয়রের নেতৃত্বে ওই মানববন্ধনে হামলা চালানো হয়। এতে বাঘা উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল গুরুতর আহত হন। পরে গত ২৬ জুন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি । এর পর থেকে আক্কাছ আলী আত্মগোপন ছিলেন।

    বাঘা থানার ওসি ( তদন্ত) মো: সোহেব খান জানান, বাবুল হত্যায় পৌর মেয়রকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করা হয়। এই মালায় মেয়রের ভাগিনা ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগ নেতা মেরাজুর ইসলাম মেরাজসহ ইতিমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজোতে পাঠানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এছাড়াও আক্কাছ আলীর বিরুদ্ধে ২২টি মামলা ও ১৭টি সাধারণ ডায়েরি রয়েছে।#
    মহ/

  • পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে  শুক্রবার যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে শুক্রবার যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল ১০টায় সেতুর মাওয়া প্রান্তে সুধী সমাবেশে ভাষণ দেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মাওয়ায় বইছে উৎসবের আমেজ। বৃহস্পতিবার দিনভর চলেছে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা। এরই মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রশাসন।

    প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে মাওয়ার রাস্তার ৫০ হাজার লোক সমাগমের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি।

    পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সফিকুল ইসলাম বলেন, সব মিলিয়ে এ সেতু তৈরিতে ৩২ হাজার ৬০৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার ৯৯০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এতে চূড়ান্ত বিলে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা কম খরচ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালের ২৬ জুন থেকে চালু হওয়া পদ্মা সেতুতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৭০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। সেতুটি টেকসই হবে অন্তত শত বছর।

    টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন দুই দিনের সফরে

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, দুই দিনের সফরে শুক্রবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে তিনি বিকেলে সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেবেন। সন্ধ্যায় তিনি পিতৃভূমি টুঙ্গিপাড়া পৌঁছবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয় তৈরি করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার সন্ধ্যায় টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে অংশ নেবেন দোয়া-মোনাজাতে।

    শনিবার বঙ্গবন্ধুর বাল্যশিক্ষার বিদ্যাপীঠ টুঙ্গিপাড়া জিটি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সেখানে ‘এসো বঙ্গবন্ধুকে জানি শীর্ষক’ অ্যালবামের মোড়ক উম্মোচন করবেন। এরপর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও নবনির্মিত টুঙ্গিপাড়া মাল্টিপারপাস পৌর সুপার মার্কেট পরিদর্শন করবেন।

    এ ছাড়া দলীয় নেতাকর্মীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়সহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়া জাতির পিতার সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স ধোয়া-মোছাসহ সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সড়কে ব্যানার-ফেস্টুন টানানো হয়েছে। তিনি শনিবার বিকেলে ঢাকার উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।#
    মহ/

  • দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ও ভূমি সেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় যেসব ডিজিটাল সেবা দিয়েছে এই লক্ষে অনলাইন ভূমি সেবা ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা জনসাধারণ।

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করে দেখা গেছে, নামজারি সহ বিবিধ মামলা, ভূমি উন্নয়ন কর, অর্পিত সম্পত্তি লীজ, মানি আদায়, সরকারি খাস জমি উদ্ধার ইত্যাদি কাজে পূর্বের তুলনায় দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড অনেক গতিশীল। বছর দু’য়েক আগে দাউদকান্দি উপজেলায় একটি নামজারি মামলা নিষ্পত্তিতে ৪৫-৬০ দিন সময় অতিবাহিত হতো, বর্তমানে মাত্র ১০-১৫ দিনে এ কার্যক্রম সম্পাদন হচ্ছে।

    প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক সেবা প্রার্থী ই-নামজারি সহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে এ ভূমি অফিসে আসেন। হয়রানি ছাড়া সেবা পেয়ে তারা অনেক খুশি ও সন্তুষ্ট। সেবা নিতে আসা দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের সালাউদ্দিন মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ই-নামজারি করতে পেরে আবেগ আপ্লুত হয়ে জানান, অনলাইনে নামজারি আবেদন করেন। এরপর মোবাইলে আসা এসএমএস অনুযায়ী শুনানিতে উপস্থিত হয়ে তার ই-নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে যায়। অতীতের হয়রানির ঘটনা এখন ইতিহাস।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দাউদকান্দি উপজেলায় বিগত ৩০ দিনে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির গড় সময়সীমা ১০ দিন যা কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্ন।

    প্রাপ্ত তথ্যচিত্র অনুযায়ী কুমিল্লা জেলায় গড় নিষ্পত্তি দিনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস। তথ্য অনুযায়ী দাউদকান্দি উপজেলায় গড় নিষ্পত্তি সময় ১০ দিন, যা কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে শীর্ষে । ই-নামজারি সেবা সহজীকরণে ও জনগণকে স্বল্পতম সময়ে এ সেবা দিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জিয়াউর রহমান।

    তিনি জানান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের দিক-নির্দেশনার আলোকে আমরা আইনানুগভাবে নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে মানুষকে দ্রুততম সময়ে ভূমি সেবা ও ভূমি বিষয়ক পরামর্শ প্রদানে বদ্ধপরিকর। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক সরাসরি শুনানি গ্রহণ, ইউনিয়ন ও উপজেলায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট অফিসারদের তৎপরতার ফলে দালাল তথা তৃতীয় পক্ষের দৌরাত্ম্য কমেছে। দাউদকান্দিও মানুষ এখন অনলাইন/স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে।

    এই কর্মকর্তা আরো বলেন, বর্তমান কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক ই-নামজারি সেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। যখন আমি এ উপজেলার দায়িত্ব গ্রহন করি তখন গড় নিষ্পত্তি সময় ছিল ৪৫ থেকে ৬০ দিন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, কানুনগো, অফিস সহকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ সেবা বর্তমানে ১০ দিনে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও স্বল্প সময়ে এ সেবা দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনাকে বাস্তবায়ন করে এখন আমরা স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার দিকে আগাচ্ছি। স্মার্ট ভূমি সেবা বাস্তবায়নের লক্ষে জণগনকে শতভাগ দ্রুততার সাথে এবং সহজে সেবা প্রদানে আমরা বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসংশনীয়।

  • ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    গাজীপুরের জয়দেবপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসক এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

    তদন্ত কমিটি ও বরখাস্তের বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর জংশনের স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া।

    বরখাস্তরা হলেন- আপ ঘুন্টি স্টেশন মাস্টার মো. হাসেম, পয়েন্টস ম্যান সাদ্দাম হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

    রেলওয়ের পক্ষ থেকে সিওপিএস মো. শহীদুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্যের আঞ্চলিক তদন্ত কমিটি এবং রেলেওয়ের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী (সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন) সৌমিক শাওন কবিরকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে জয়দেবপুর স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া জানান, টাঙ্গাইল কমিউটার ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। সিগন্যাল ম্যানের ভুলের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

    তবে কমিউটার ট্রেনটিতে তেমন যাত্রী ছিল না বললেই চলে। এ কারণে হতাহতের সংখ্যা কম হয়েছে। কমিউটার ট্রেনের লোকো মাস্টারসহ (ট্রেনের চালক) চারজন আহত হয়েছেন।

    এদিকে শুক্রবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে টাঙ্গাইল কমিউটারের তিনটি বগি দুমড়েমুচড়ে যায়।

    এছাড়াও দুটি ট্রেনের ৮টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এরপর থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এলে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়। কাজ চলমান থাকলেও দুপুর থেকে অন্য লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু করে।