Author: Admin1

  • বর্তমান পরিস্থিতিতে বহির্বিশ্বের কোনো চাপ নেই: রাজশাহীতে সেনা প্রধান

    বর্তমান পরিস্থিতিতে বহির্বিশ্বের কোনো চাপ নেই: রাজশাহীতে সেনা প্রধান

    স্টাফ রিপোর্টার :

    সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে বহির্বিশ্বের কোনো চাপ নেই। রাষ্ট্রের সংস্কার শেষে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান আয়োজনে সেনাবাহিনী বর্তমান সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহী সেনানিবাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

    সেনাপ্রধান বলেন,সংখ্যালঘু যে ইস্যুটা আছে,এই ৮ জেলায় (রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলা) একেবারেই এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। এটা অত্যন্ত ভালো দিক এবং এই যে একটা সুন্দর পরিবেশ সেটা বজায় রাখতে হবে। আমরা সবাই মিলে কাজ করব এবং দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাব। আমরা সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে যেতে চাই। সুন্দর একটা পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব যদি সবাই একসঙ্গে কাজ করি।

    ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে ওয়াকার-
    উজ-জামান বলেন,‘অবশ্যই আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। তাদের প্রতি যদি কোনো অভিযোগ থাকে,মামলা হয় তাহলে তারা শাস্তির আওতায় যাবেন। কিন্তু অবশ্যই আমরা চাইব না যে বিচার বহির্ভূত কোনো কাজ বা হামলা হোক। তাদের জীবনের যে হুমকি আছে,সেটার জন্য আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। যে দলেরই হোক,যে মতেরই হোক,যে ধর্মের হোক,সেটা (নিরাপত্তা) আমরা দেখব।

    তিনি আরও বলেন,‘আনসার,র‌্যাব,বিজিবিসহ সবার সঙ্গেই কথা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত হয়ে এসেছে। আমি বলব যে,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণভাবেই আমাদের নিয়ন্ত্রণে। পুলিশ কিছুটা ট্রমার মধ্যে আছে। ট্রমাটা কাটিয়ে উঠলে পুলিশ তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারবে। পুলিশ বিভিন্ন থানায় ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। আমরা পুলিশকে সুরক্ষা দিয়ে যাচ্ছি। তারা সম্পূর্ণভাবে যখন কাজকর্ম শুরু করে দেবে,তখন পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হয়ে আসবে। তখন আমরা সেনানিবাসে ফেরত যাব। সেই পর্যন্ত আমরা থাকব এবং কাজ করে যাব।

    এ সময় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর,পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপ-
    মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আনিসুর রহমান,জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ,জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সেনানিবাসে স্থানীয় পুলিশ,প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

    মহ/বাংলার তরী

  • ইয়াবা সম্রাট বিল্লাল সরকারের বাড়িতে পুলিশি অভিজান, সাংবাদিকের উপর হামলা

    ইয়াবা সম্রাট বিল্লাল সরকারের বাড়িতে পুলিশি অভিজান, সাংবাদিকের উপর হামলা

    গাজীপুরের সংবাদদাতা :

    গাজীপুর মহানগর ১৪ নং ওয়ার্ডের বাসন হক মার্কেট সংলগ্ন মাদক ইয়াবা সম্রাট বি্ল্লাল সরকারের বাড়ি বাসন থানা পুলিশ হামলা দেয় ০৩/০৮/২৪ ইং রাত আনুমানিক ৮.৩০ ঘটিকার সময়। মাদক সম্রাট বিল্লাল সরকার তখন বাড়ির সামনে মাদক ডেলিভারি করতেছিল সাথে ২/৩ জন লোক ছিল বাসায় পুলিশ ঢুকতে দেখে সে ও তার সাথে সঙ্গিয় লোক নিয়ে পালিয়ে যায় যার প্রমান থানা পুলিশ লোক দৌড়াতে দেখে সেদিকে এগিয়ে যায় কিন্তু ততক্ষনে তারা পালিয়ে যায় কিন্তু থানা পুলিশ সেখানে পড়ে থাকা মাদক সম্্রাট বিল্লাল সরকারের মোবাইল পেয়ে যায় তারপর থানা পুলিশ তার বাসায় ঢুকতে গেলে মাদক সম্রাট বিল্লাল সরকারের স্ত্রী নিলুফা বেগম প্রথম বাধাঁ দেয়

    পরে পুলিশের ধমকে পড়ে কেচি গেট খুলে দেয়। মূল কথায় আসি মাদক সম্রাট বিল্লাল সরকারের বিরুদ্ধে কোটে বেশ কয়েকটি মাদক মামলা চলমান এই মামলা গুলোতে সে জামিনে আছে, আর মাদক সম্ম্রাট বিল্লাল সরকারের এই মাদক ইয়াবা ব্যবসা ও মামলাগুলো পরিচালনা করে তার স্ত্রী নিলুফা বেগম যাকে বলে মাদক সম্রাট বি্ল্লাল সরকারের মাদক সাম্রাজ্যের রানী। তারপরে বাসন থানা পুলিশ ঘরে ঢুকে তল্লাশী করে ৩০ /৩৫ টি গ্যাস ম্যাচ ও মাদক ইয়াবা খাওয়ার সরঞ্জাম যাকে বলে ফুয়েল বোতলের মুখ্খা, সবচেয়ে বড় কথা হল বাসায় ৪/৫ টি এনড্রোয়েট ফোন পেয়েছেএর মধ্যে একটি দামী আই ফোনও রয়েছে এবং মাদক সম্রাট বিল্লাল সরকারের যে মোবাইল টি পেয়েছে পুলিশ সেই মোবাইলের ছবি চেক করতে গিয়ে পেয়ে গেল মূল তথ্য
    বহু ছবি পেয়েছে মাদক ইয়াবা কেনা বেচা করার জন্য,
    ইয়াবা ট্যাবলেট সেম্পলের ছবি প্রতিটি ছবিতে রয়েছে ১০০/১৫০ পিস ইয়াবা টাবলেটের ছবি বিবিম্ন প্লেটে সাদা মোড়কে মোড়ানো তখন ইয়াবা রানী নিলুফা বেগম সব স্বিকার করে ব্যবসার কথা আরো বলে কিছু লোকের নাম যারা এই ব্যবসার সাথে জড়িত এবং মদত দাতা এখন তাদের নাম প্রকাশ করা যাবে না তারপর বাসন থানার এস আই হানিফ ইয়াবা সম্ম্রাট বিল্লাল সরকারকে থানায় হাজির হতে বলে তানা হলে পরবর্তিতে ধরে নিয়ে যাবে বলে নির্দেশ করে ঘটনা স্থল ত্যাগ করে এবং আমিও তার সাথে চলে আসি। নিউজ পাঠক ভাই দের বলছি অত্র এলাকায় আমার বাসা এই ঘটনা যখন ঘটে তখন আমি বাসন হক মার্কেট নামে একটি বাজার রয়েছে সেখানে এলাকার লোকের সাথে চায়ের দোকানে বসা এবং এই মাদক সম্রাট বিল্লাল সরকারের বাসা এই বাসন হক মার্কেট বাজার সংলগ্ন হঠাৎ করে জনৈক অয়নাল নামে এক ব্যক্তি এসে চায়ের দোকানে বলে মাদক সম্রাট বিল্লালের বাড়ী পুলিশ অভিজান দিচ্ছে তখন রাত আনুমানিক ৯.০০বাজে আমি এ কথা শুমে ঘটনা স্থলে যাই এবং সমস্ত ঘটনা পর্যবেক্ষণ করি।
    ঘটনার পরদিন ০৪/০৮/২৪ ইং সকালে আআনুমানিক
    সকাল ৮.০০ ঘটিকার সময় চা খাওয়ার জন্য বাসন হক মার্কেট বাজারে যাই বাজারে দাড়িয়ে কোন দোকানে চা খাব ভাবছি ঠিক সেই মুহুর্তে আমি সাংবাদিক মনজুর সরকারের উপর পেছন দিক থেকে মাদক রানী নিলুফা বেগম মাদক সম্রাট বিল্লাল সরকারের স্ত্রী এসে বলে তুই গতকাল আমার বাসায় গিয়েছিলি কেন তুই আমার বাসায় পুলিশ পাঠিয়েছিস এই বলে আমাকে টানা হেচড়া করে।

    আর বলে তোকে আমার বাসায় নিয়ে যাব আমি তখন বলছি আপনাদের মত খারাপ লোকের বাসায় আমি যাব কেন এ কথা বলার সাথে সাথে তার কোমরে লুকানো চাকু বের করে আমি চাকু ধরে নেয়ার চেষ্টা করি তখন আমার হাত কাটে এবং তার হাতও কেটে যায় সামান্য ঠিক সেই মুহূর্তে বিল্লাল সরকার এসে বলে ওকে বাসায় ধরে নিয়ে চল তারপর ওকে যা করার করছি ইতিমধ্যে বাজারের লোক সব এসে পড়ে এবং সাংবাদিক কে মারছ বলে তার আমাকে উদ্ধার করে।

    আমি ঘটনাটি সাথে সাথে স্থানীয় বাসন থানার ওসি
    কে অবগত করি সে আমাকে থানায় এসে মামলা করতে বলে, বর্তমানে বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়াধীন।

    মহ/বাংলার তরী

  • বানেশ্বরে ছাত্রদের হাতে মোটরসাইকেল চোর আটক

    বানেশ্বরে ছাত্রদের হাতে মোটরসাইকেল চোর আটক

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ট্রাফিক মোড়ে বিএনসিসি ক্যাডেট কোর ও আনদোলনে ছাত্ররা ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করাকালীন বিভিন্ন গাড়ি চেকিং এর সময় মোটরসাইকেল চোরকে আটক করেছে। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলসহ আলম(৩৬) নামের এক চোরকে আটক করেছে। পরে দায়িত্বরত ছাত্ররা সেনাবাহিনীকে ডেকে পুঠিয়া থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়। আটক চোর জয়পুরহাট জেলার কালাই থানার সান্দইল গ্রামের জলিলের ছেলে।

    জানা যায়, দুপুর দেড়টার দিকে রাজশাহী দিক নাটোর দিকগামী ডিসকভার ১২৫ সিসি(রাজশাহী হ ১৪-১৭৬০) মোটরসাইকেল দাঁড় করায়। মাথায় হেলমেট, গাড়িতে চাবি নাই কেন এবং গাড়ির ঘর লক ভাংগা কেন জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকলে মোটরসাইকেল আরোহী আলম গাড়ি থেকে নেমে দোড়দেয়। এসময় বিএনসিসি ক্যাডেট কোরের রাব্বি হাসান রেজাউয়ান, তৌফিক, হৃদয় ও ছাত্র আনদোলনের সেবা ফান্ডেশনের পরিচালক প্রান্ত শাহরিয়ার অয়ন, সামিউল ইসলাম, ইসয়াক নুর, আকাশ, শাওন, তানভীর, মুগ্ধ, দুর্যয়, প্রতম, ধাওয়া করে আটক করেন। ছাত্রদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রেক্ষিতে আটক আলম স্বীকার করে বলেন সে মোটরসাইকেল চুরি করে জয়পুরহাট নিয়ে যাচ্ছিলেন। দায়িত্বরত ছাত্ররা ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীকে ডেকে পুঠিয়া থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে পুলিশ মোটরসাইকেলটি ও চোরকে থানা হেফাজতে নেন।#

     

    মহ/বাংলার তরী

  • পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা, যুবদল নেতা নিহত

    পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা, যুবদল নেতা নিহত

    স্টাফ রিপোর্টার :

    জশাহীর পুঠিয়া শিলমাড়িয়ায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে  হামলায় আজিজুল ইসলাম (৪৩) নামের এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছে। নিহত শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের বড় কাজুপাড়া গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ও উক্ত ওয়ার্ডের যুবদল সভাপতি।

    মঙ্গলবার (১৩ আগষ্ট) সকাল ১০টায় উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের ভেগার মোড় নামক স্থানে এ ঘটনাটি ঘটে।

    বাসুপাড়া বাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম তিনু জানান, পাশবর্তী উপজেলা দুর্গাপুরের শেখ পাড়া গ্রামের আ’লীগ কর্মী মহসিনের কাছে থেকে আজিজুলের ৬ হাজার টাকা পাওনা ছিলো। সেই টাকা দীর্ঘ দিন ধরে দিব দিচ্ছি বলে ঘুরা চ্ছিলো। আজ বুধবার সকাল ৯টায় বাসুপাড়া বাজারে আজিজুল মহনিকে দেখে তার পাওনা টাকা দিতে বলে। এসময় মহসিন টাকা বাড়িতে গেলে দিবে বলে জানায়। আজিজুল ও তার এ বন্ধু মিজান মহসিনের কথা মত তার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ভেগার মোড় নামক স্থানে পৌঁছানো মাত্রই মহসিনের ছেলেরাসহ বেশ কয়েকজন আজিজুলকে লাঠি সোটা ও দেশিও অস্ত্রসস্ত্রসহ হামলা চালায়। এসময় তার বন্ধু এগিয়ে এলে তাকেও মারধোর করা হয়। তাদের হামলায় দুইজনই গুরুতর জখম হয়। এসময় স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রামেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এবং মিজানকে আইসিউতে ভর্তি করা হয়।

    এ ব্যাপারে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সাইদুর রহমান জানান, বিষয়টি জানার পর ঘটনা স্থলে যাচ্ছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে এ কর্মকর্তা জানান।

     

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • ৯০ শতাংশের বেশি জনপ্রতিনিধি আত্ম গোপনে,ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সেবা

    ৯০ শতাংশের বেশি জনপ্রতিনিধি আত্ম গোপনে,ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সেবা

    স্টাফ রিপোর্টার

    হাসিনা সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে গেছেন রাজশাহী জেলার জনপ্রতিনিধিরা। ৯০ শতাংশেরও বেশি জনপ্রতিনিধি ফেরেননি কর্মস্থলে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সেবা কার্যক্রম।

    প্রশাসন বলছে,নিরাপত্তা কার্যক্রম যেহেতু শুরু হয়েছে,খুব শিগগির তারা কর্মস্থলে ফিরে আসবেন। যদি তারা না আসেন সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র ও কাউন্সিলররা আত্মগোপনে চলে গেছেন। গত সাতদিন ধরে তারা সবাই পলাতক থাকায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কার্যক্রম।

    নগরীর সাহেব বাজার এলাকার বাসিন্দা মঞ্জুর হোসেন বলেন, ‘ছেলের ভর্তির জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ দরকার। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় বন্ধ। আজও বন্ধ পেলাম।

    নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রায়হান আলী বলেন, ‘জরুরিভিত্তিতে একটি নাগরিক সনদ দরকার। কিন্তু কাউন্সিলর অফিসে গিয়ে দেখি তালাবদ্ধ। বুঝতে পারছি না এখন কী করবো?

    একই অবস্থা গোদাগাড়ী,তানোর,পুঠিয়া,দুর্গাপুর,পবা, মোহনপুর,বাঘা,চারঘাট ও বাঘমারা উপজেলা ও পৌরসভার।

    এসব উপজেলা ও পৌরসভার মেয়র-চেয়ারম্যানদের বেশিরভাগই আত্মগোপনে আছেন। ফলে এসব এলাকারও কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। জেলার বেশিরভাগ ইউনিয়ন চেয়ারম্যানও এখন আত্মগোপনে। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ফিরে আসছেন তারা।

    রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান বলেন,দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সিটি করপোরেশনের মেয়র-কাউন্সিলরসহ জেলার জন প্রতিনিধিদের অনেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। এতে মারাত্মকভাবে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন নাগরিকরা। সেনাবাহিনী কিংবা প্রশাসনের উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘সবাই না,কেউ কেউ আছেনি। আজই প্রথম অফিস শুরু হলো। আমরা খবর নিচ্ছি। যদি এরকম হয় তারাতো স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তাদের বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে আমরা সেখানে লিখবো।

    রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ডা. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন,জনপ্রতিনধিদের একটি বড় অংশ এখনো অফিসে আসেননি। তারা না থাকলেও একজন করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা আছেন। তারাও ফাইল নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • বাঘায় ২৬০ বোতল ফেন্সিডিল সহ আটক ১।

    বাঘায় ২৬০ বোতল ফেন্সিডিল সহ আটক ১।

    বাঘা প্রতিনিধি :

    রাজশাহী বাঘায় ২৬০ বোতল ফেন্সিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী ফজর আলী (৩০) কে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। বৃহস্পতিবার ( ১ আগষ্ট) রাত্রি আনুমানিক সোয়া ১১ টার দিকে বাঘা উপজেলার গোকুলপুর (তাহেরের ঘাট) থেকে তাকে আটক করা হয়।

    আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ফজর আলী কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের বাংলাবাজার গ্রামের নোমান ব্যাপারীর ছেলে।

    ডিবি সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুর রহমান, পিপিএম (বার) এর দিক নির্দেশনায় ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ খায়রুল আলম এর তত্ত্বাবধানে, ওসি (ডিবি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ আব্দুল করিম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের গোকুলপুর গ্রামস্থ তাহেরের ঘাটের পশ্চিম পার্শ্বে মসজিদ হতে ১০০ গজ পশ্চিমে বট গাছের নিচে হইতে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ফজর আলী (৩০), পিতা-মোঃ নোমান ব্যাপারী, সাং-বাংলাবাজার, ইউপি-চিলমারী, থানা-দৌলতপুর, জেলা-কুষ্টিয়াকে ২৬০ (দুইশত ষাট) বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিলসহ গ্রফেতার করেন ডিবি পুলিশ।

    ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলার বাঘা থানার মামলা নং-০১, তাং-০১/০৮/২০২৪ খ্রিঃ, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) সারনীর ১৪(গ)/৪ রুজু হয়। মামলাটি তদন্তাধীন।

     

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন সুরুজের মৃত্যুতে এমপি কালামের শোক

    বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন সুরুজের মৃত্যুতে এমপি কালামের শোক

    বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন সুরুজ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাজশাহী-৪ ( বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

    এক বার্তায় তিনি বলেন,বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন সুরূজ-এঁর মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক জ্ঞাপন করছি। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শোকাহত দলীয় নেতাকর্মী সহ সকলের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। সংগঠনের অত্যন্ত নিবেদনপ্রাণ নেতৃত্ব মরহুম সিরাজ উদ্দিন সুরূজ রাজনৈতিক এবং ব্যক্তি জীবনেএকজন উদারচেতা এবং ভালো মানুষ ছিলেন বলেই আমাদের জানা। দলীয় সংগঠনে এমন নেতাদের শুন্যতা পুরণ হওয়া দুস্কর। দোয়া করি, স্রষ্টা যেনো উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন।

     

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহীতে আন্দোলনকারীদের না পেয়ে ‘সাংবাদিক’ পেটাল ছাত্রলীগ!

    রাজশাহীতে আন্দোলনকারীদের না পেয়ে ‘সাংবাদিক’ পেটাল ছাত্রলীগ!

    স্টাফ রিপোর্টার :
    কোটা সংস্কার ইস্যুতে রাজশাহীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের না পেয়ে এক সাংবাদিককে বেধড়ক পিটিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বুধবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর কুমারপাড়া এলাকায় আওয়ামী অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
    ভুক্তভোগী সাংবাদিকের নাম মো. সোহানুর রহমান। তিনি অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিবার্তা২৪ ও দৈনিক স্বপ্নের বাংলাদেশ পত্রিকার রিপোর্টার।
    সাংবাদিক মো. সোহানুর রহমান বলেন, বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলাম। সন্ধ্যার দিকে সাহেব বাজার এলাকায় আসি। কুমারপাড়ায় আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে আসতেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাকে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। আমি সাংবাদিক পরিচয় দিলে তারা লাঠিশোটা দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে। এ সময় সেখানে পুলিশ ছিল। আমার মোবাইল ফোনটি একজন পুলিশ সদস্যের হাতে দিই।
    তিনি বলেন, একজন অটোরিকশাচালক আমাকে সেখানে খেকে দ্রুত কাজলার দিকে নিয়ে যান। এরপর সেখান থেকে একজন আম বিক্রেতার সহযোগিতায় আমাকে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
    হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার হাত-পা ও মাথায় আঘাত করা হয়েছে। এতে তার কপালের কাছে কেটে গেছে। ব্যান্ডেজ করে ওষুধপত্র লিখে দেয়া হয়েছে।
    সাহেব বাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, বেলা ৩টায় কোটা সংস্কারের দাবিতে জিরো পয়েন্টে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জড়ো হন। এ সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দেখা যায়নি। বিকেলে ছাত্ররা তালাইমারী ও কাজলার দিকে চলে যান। সন্ধ্যায় তারা জিরো পয়েন্ট এলাকায় ছিলেন না। কয়েকজন সাংবাদিক ও স্থানীয় ফুটপাত দোকানীরা ছিলেন। ‘শিক্ষার্থীরা নেই’- এমন খবর পেয়ে কুমারপাড়ার আশপাশে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা আসেন। এসময় তারা বেশ কয়েকটি দোকানঘর ভাঙচুর করেন। দোকানের লোকজনকেও বেধড়ক পেটান। আতঙ্কিত হয়ে সবাই ছোটাছুটি শুরু করেন। জিরো পয়েন্ট এলাকা মুহূর্তেই জনশূণ্য হয়ে যায়।
    তবে সাংবাদিককে পেটানোর ঘটনায় মহানগরীর শাহ মখদুম থানা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত ছিলেন বলে সংগঠনটির একজন নেতা জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, আমরা রাজশাহী কলেজ, মনিচত্বর ও সোনাদিঘির মোড়ের এদিকে ছিলাম। কুমারপাড়া ও এর আশপাশে শাহ মখদুম থানা ছাত্রলীগ নেতারা ছিল। তারাই সাংবাদিককে পিটিয়েছে।
    এ বিষয়ে আরএমপির বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। পুলিশ না থাকলে অবস্থা আরও খারাপ হতে পারত। আমাদের অফিসাররা তার মোবাইল রেখে তাকে হাসপাতালে পাঠান। পরে তাকে মোবাইল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।#
    মহ/দৈনিক বাংলার তরী
  • উত্তাল শিক্ষানগরী রাজশাহী অগ্নিসংযোগ,খণ্ড খণ্ড বিক্ষোভ মিছি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

    উত্তাল শিক্ষানগরী রাজশাহী অগ্নিসংযোগ,খণ্ড খণ্ড বিক্ষোভ মিছি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

    মুক্তার মাহমুদ রাজশাহী :

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে বিভাগীয় শহর রাজশাহী। এর মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বঙ্গবন্ধু হলে থাকা মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়াসহ শহরের বিভিন্ন অংশে খণ্ড খণ্ড বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের।

    মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল থেকে কর্মসূচি নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে আছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগ,যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস,রাজশাহী কলেজ ও শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ,বিক্ষোভ মিছিল,ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও রাবি বঙ্গবন্ধু হলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজশাহীজুড়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    বর্তমানে রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনরতরা। এর আগে রাজশাহী কলেজে আন্দোলনরতদের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে এবং রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর বিকেল থেকে রেলপথ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

    মঙ্গলবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু হলে আগুন দেয় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের একাংশ। এসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর করা হয় এবং ১৮ থেকে ১৯টি মটরসাইকেল ও সাইকেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন আন্দোলনকারীরা।

    এ ঘটনায় ভেতরে আটকা পড়েন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন,আগুন দেওয়া বেশিরভাগ বাইকগুলো ছিল ছাত্রলীগ নেতাদের। তবে সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও বাইক- বাইসাইকেল ছিল বলে জানা গেছে।

    আগুন নিয়ন্ত্রণের পর বিকেল সোয়া ৪ টার দিকে আটকে পড়া সাধারণ শিক্ষার্থীরা ওই হল থেকে বেরিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যান।

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে উপসহকারী পরিচালক আখতার হামিদ খান জানান, ৩টা ৪০ মিনিটে রাবি বঙ্গবন্ধু হলে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের দুইটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে ১৮-১৯টি মোটরসাইকেল,বেশকিছু বাইসাইকেল ও আসবাবপত্র আগুনে পুড়ে যায়। তবে কেউ হতাহত হননি। ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন,ক্যাম্পাসে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তবে বিশৃঙ্খলা রোধে আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। বঙ্গবন্ধু হলে আগুন দেওয়ার বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন,কোটা আন্দোলনকারীরা বঙ্গবন্ধু হলের নিচতলায় আগুন দিয়েছেন। এরই মধ্যে আগুন নেভানো হয়েছে। রাবি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফিরলে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেটে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটনের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলায় বিএমইউজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

    রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটনের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলায় বিএমইউজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    রাজশাহীর তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মর্যাদার সঙ্গে সাংবাদিকতায় যুক্ত থাকার এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার সুজাউদ্দিন ছোটনকে পূর্ব আক্রোশের জের ধরে চাঁদাবাজি ও যৌন হয়রানির মিথ্যা মামলা দায়েরের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছোটনের প্রতিবেদনে শাস্তি পাওয়া এক পুলিশ কর্মকর্তা নেপথ্য ইন্ধন দিয়ে নিজেরই সোর্স ব্যবহার করে তাকে এ মামলায় ফাঁসিয়েছেন বলে তথ্য বেরিয়েছে। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) অবিলম্বে সাজানো এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করাসহ মামলাবাজ চক্রটির ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

    আজ (১৫ জুলাই, ২০২৪) সংগঠনটির সভাপতি আলহাজ্ব সোহেল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, অতিউৎসাহী এক পুলিশ কর্মকর্তা নগরীর চিহ্নিত সুদ কারবারী, বহু মামলার আসামি আয়েশা আক্তার লিজাকে বাদী বানিয়ে সাংবাদিক ছোটনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা করিয়েছে। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আরেকটি মিথ্যা মামলা রুজু করে এর বাদী বানানো হয়েছে চিহ্নিত মামলাবাজ আরেক নারীকে। নিজেকে কথিত সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে পুলিশের সোর্স হিসেবে দাপিয়ে বেড়ানো ওই নারীর নাম তাবাসসুম, তার বাসা রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানার ভদ্রা জামালপুর মহল্লায়। তার দ্বারা বিভিন্ন সময় রাজশাহীর কর্মরত অন্তত আট জন সাংবাদিক মিথ্যা মামলায় সীমাহীন হয়রানি পোহাচ্ছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বিএমইউজে নেতৃবৃন্দ চিহ্নিত সুদখোর মহাজন ও বারবার যৌণ হয়রানির মামলা দায়েরকারী পেশাদার মামলাবাজ দুই নারীর বিষয়ে তদন্তপূর্বক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আরএমপি‘র দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তারা বলেন, অহেতুক মামলা, হামলা, চক্রান্ত চালিয়ে পেশাদার সাংবাদিকদের হয়রানি করার অপকর্ম সফল হতে দেওয়া হবে না। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিধান ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিতকরণে বিএমইউজে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে সব সময় প্রস্তুত রয়েছে। আগামি সাত কর্ম দিবসের মধ্যে হয়রানিমূলক মামলার তৎপরতা বন্ধ করা না হলে অত্র সংগঠন রাজশাহীতে প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধনসহ আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।

     

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী