Category: অপরাধ

  • রাজশাহীর পুঠিয়ায় পুকুর খনন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান

    রাজশাহীর পুঠিয়ায় পুকুর খনন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহীর পুঠিয়ায় ফসলি জমি নষ্ট করে অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

    মঙ্গলবার বিকেলে অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলার সড়গাছি বিলে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম নুর হোসেন নির্ঝর।
    এসময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে পালিয়ে যায় পুকুর খননকারীরা। পরে কাউকে না পেয়ে মাটি খননকারী গাড়ির দুইটি ব্যাটারি জব্দ করা হয়।

    প্রশাসনের এমন অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানীয় কৃষকরা বলেন, এই জমিতে সরিষা, ধান, ভুট্টাসহ সব ধরনের ফসল হয়। এসব জায়গায় পুকুর খনন করা হলে জলাবদ্ধতা হয়ে পড়বে এ এলাকা। আর প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই এসব অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে অভিযান চালানোর জন্য।

    এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম নুর হোসেন নির্ঝর মুঠো ফোনে জানান, ফসলি জমি নষ্ট করে কোন ভাবেই পুকুর খনন করতে দেওয়া যাবেনা। সড়গাছি বিলে অভিযান চালিয়ে মাটি খননকারী গাড়ির ব্যাটারি জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।#

     

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহী শিরোইল ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে ২২ জুয়ারী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

    রাজশাহী শিরোইল ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে ২২ জুয়ারী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন শিরোইল ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে জুয়া খেলার তাস, জুয়া খেলার নগদ টাকাসহ ২২ জন জুয়ারী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাব নিয়মিত জঙ্গী, অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, অস্ত্রধারী অপরাধী, ভেজাল পণ্য, ছিনতাইকারী, ধর্ষণ, অপহরনসহ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সদর কোম্পানী একটি অপারেশন দল কর্তৃক ০৯ জুলাই ২০২৪ খ্রিঃ ২৩.৫০ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন শিরোইল ঢাকা বাসস্ট্যান্ড, গোধুলী মার্কেটের নীচ তলা আরিফ হোসেন (৪৫) এর ভাড়া রুমে অপারেশন পরিচালনা করে ইংরেজীতে DON লেখা বিভিন্ন রংয়ের বড় ৪৭ (সাতচল্লিশ) প্যাকেট তাস (প্লেয়িং কার্ড), যাহাতে ALPHA সহ অন্যান্য লেখা আছে, ৫২ (বায়ান্ন) টি বিভিন্ন রংয়ের খোলা তাস, জুয়া খেলার আসরে প্রাপ্ত নগদ বিভিন্ন নোটের- ১,৮৫,৩৭০/-(এক লক্ষ পঁচাশি হাজার তিনশত সত্তর) টাকা, মোবাইল ফোন-২৪ টি, সিম-৩৫টি ও মোটরসাইকেল-০২টি সহ জুয়া খেলারত অবস্থায় আসামী ১।মোঃ সেলিম রেজা (৩৮), পিতা মোঃ শাহজাহান শেখ, সাং- শিরোইল স্টেশন পাড়া, ২।মোঃ হাবিবুর রহমান বিপ্লব (৪২), পিতা- মৃতঃ এবাদুল্লাহ মন্ডল, সাং- ৩১ রায়পুর বাজার, ঘোড়ামারা, ৩। মোঃ আলীউল আজিম (৪২), পিতা- মৃত আলমগীর হোসেন, সাং-পাটান পাড়া, ৪। মোঃ সোহেল রানা (৩৫), পিতা- মৃতঃ মুকুল আলী, সাং-রানীনগর হাদির মোড়, ৫। মোঃ মেহেদী হাসান দীপু (৩৬), পিতা- মৃতঃ আঃ মালেক স্বপন, সাং-সফুরা, ৬। মোঃ আঃ রশিদ (৪৩), পিতা- মৃতঃ খায়ের উদ্দিন, সাং-বর্ণালী, আমবাগান, বাসা নং-৪, ৭। মোঃ শফিকুল ইসলাম (৪৫), পিতা- বাবুজান, সাং-শিরোইল মোল্লা মিল, ৮। মোঃ সাগর শেখ (৪২), পিতা-মৃত-টুলু শেখ, সাং-শিরোইল স্টেশন পাড়া, বাসা নং- ৫৪, ৯। মোঃ বেলাল হোসেন (৫২), পিতা- মনিরুল ইসলাম, সাং-হোসেনী গঞ্জ, বাসা সাং-ডি/১৭২, সকলের থানা-বোয়ালিয়া,রাজশাহী মহানগর, ১০। মোঃ ছামিউল ইসলাম জনি (৩২), পিতা-মোঃ নুরুল ইসলাম, সাং-ছোট বনগ্রাম পুর্ব পাড়া, ১১। মোঃ খোকন (৫০), পিতা- মৃতঃ মোসলেম সরদার, সাং- আসাম কলোনী বউ বাজার, ১২। মোঃ শাহীন আলী (৪৩) ,পিতা- মোঃ রওশন আলী, সাং- শিরোইল কলোনী, ১৩। মোঃ হাবিবুর রহামন (৫৮), পিতা- মৃত আঃ হামিদ সরকার, সাং-শিরোইল কলোনী, ১৪। মোঃ গিয়াস উদ্দিন (৪৫), পিতা- মৃত আউয়াল ভূইয়া, সাং-ছোট বনগ্রাম পুর্ব পাড়া, ১৫। মোঃ মুক্তার হোসেন মুক্তা (৩৮), পিতা-মোঃ আমির হোসেন, সাং-হাজরা পুকুর গাবতলী, সকলের থানা- চন্দ্রিমা, রাজশাহী মহানগর, ১৬। মোঃ আলমগীর হোসেন (৪৫), পিতা-মৃতঃ নাজিম মোল্লা, সাং-বড় বনগ্রাম, ভাড়ালী পাড়া, ১৭। মোঃ সম্রাট (২৮), পিতা- মোঃ আকসাম, সাং-বড় বনগ্রাম ফুলতলা, উভয় থানা-শাহমখদুম, রাজশাহী মহানগর, ১৮। শ্রী দীপক কুমার সরকার (৩৫) ,পিতা-দিলীপ সরকার, সাং-নাপিত পাড়া, থানা-সদর, নওগাঁ এপি- মৌচাক হোটেল, স্টেশন রোড, থানা- বোয়ালিয়া, রাজশাহী মহানগর, ১৯। মোঃ মাসুদ রানা (৩৮), পিতা- মৃতঃ আঃ মজিদ,সাং- মুক্তার পুর, থানা-চারঘাট, জেলা-রাজমাহী, ২০। মোঃ হায়দার আলী (৬২), পিতা- মৃতঃ আঃ রশিদ, সাং- গুরিপাড়া, চারখোটার মোড়, থানা-কাশিয়াডাংগা, রাজশাহী, ২১। মোঃ রফিকুল ইসলাম (৩৭), পিতা-মোঃ সৈয়দ আলী, সাং-মধুসুদন পুর, থানা-পবা,রাজশাহী, ২২। মোঃ জিয়াউর রহমান (৩৪), পিতা-মৃত জয়নাল আবেদীন, সাং-বসুয়া, থানা-রাজপাড়া, রাজশাহী মহানগর’কে গ্রেফতার করে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামীগনকে জব্দকৃত সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তাহারা স্বীকার করে যে, তাহারা প্রকাশ্যে টাকার বিনিময়ে তাস দ্বারা নিয়মিত জুয়া খেলে মর্মে স্বীকার করে।

    উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীগনদের বিরুদ্ধে রাজশাহী, আরএমপি,বোয়ালিয়া থানায় জুয়া আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।#

     

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • পুঠিয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানা, ইউএনও অফিসে অভিযোগ দায়ের

    পুঠিয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানা, ইউএনও অফিসে অভিযোগ দায়ের

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহী পুঠিয়ায় যুব সমাজকে মাদক থেকে বাঁচাতে এক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ গ্রামবাসীদের মধ্য হতে প্রায় ১৮২ জন ব্যক্তির গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে তা অভিযোগের কপি সহ থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)র নিকট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    জানা গেছে, ওই মাদক ব্যবসায়ীর নাম রানা। তার বর্তমান সে পুঠিয়া উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামে দুই বছর যাবত বসবাস ও মাদক ব্যবসা করে আসছে। সে আগে স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন রাজশাহী শহরের পার্শবর্তী মাদারদিয়াড় চর এলাকায়। অভিযোগ ও গণস্বাক্ষর করা একাধিক ব্যক্তি তারা বলছেন রানার মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বললে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। রানা বলে বেড়ায় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এসব করে। আমাদের কিছুই করতে পারবে না। এর কয়েকদিন আগে ওই এলাকা থেকে একটি ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়। এমনকি ওই এলাকার স্থানীয় কয়েকজনকে ম্যানেজ করে রানা এসব করছে বলে দাবি তাদের। গভীর রাত অব্দি বহিরাগত মাদক সেবীরা সেখান থেকে মাদক সংগ্রহ করতে যাতায়াত করে। এছাড়াও ওই এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে অভিযোগ পত্রে সই করতে দেখা গেছে, একজন সাবেক এমপি। একজন সাবেক পৌর মেয়র। একজন বর্তমান কাউন্সিলর ও ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য।

    এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাহাবুল ইসলাম বলেন, এই মাদক ব্যবসায়ীদের কারণে এলাকায় অনেক সাধারণ মানুষেরা চুরি ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন সময় দেখা যায় মানুষের বাড়ির হাঁস মুরগি ছাগলসহ নানান রকম জিনিস হারিয়ে যায়। এছাড়াও প্রতিনিয়ত বহিরাগতরা রাতের বিভিন্ন সময় ওই এলাকায় আনাগোনা করতে দেখা যায়। আমরা অনিরপদে আছি।

    এসব বিষয়ে ওই এলাকার বাসিন্দা ও পুঠিয়া উপজেলা দুর্নীতিবিরোধী কমিটির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মাস্টার তিনি বলেন, এসব মাদক কারবারই আমাদের এলাকায় আগে ছিল না। হঠাৎ করে ওই লোকটি দুই বছর আগে এখানে বাড়ি কিনে বসবাস ও মাদক ব্যবসা শুরু করে। তারপরে এলাকায় কৃষকের পেঁয়াজ রসুন সহ নানান রকম জিনিসপত্র হারিয়ে যেতে শুরু করে। আমি আমার এলাকায় মাদক মুক্ত দেখতে চাই।

    এবিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম নূর হোসেন নির্ঝর বলেন, এ ধরনের একটি অভিযোগ পেয়েছি। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলকে জানানো হয়েছে আশা করি খুব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুস সামাদ মোল্লা তিনি বলেন, আমি সব সময় নিজেও মাদক বিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছি। তাই কোনভাবেই আমার উপজেলার মধ্যে কোথাও মাদক ব্যবসায়ী অথবা সেবনকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমিও বিভিন্ন মহলকে জানাবো।#

    মহ/

  • বাঘায় আওয়ামী লীগ নেতা হত্যা মামলায়, মেয়র আক্কাছ গ্রেফতার

    বাঘায় আওয়ামী লীগ নেতা হত্যা মামলায়, মেয়র আক্কাছ গ্রেফতার

    রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাঘা পৌরসভার মেয়র আক্কাছ আলীকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

    শুক্রবার(৫ জুলাই) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার হাবীবুর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, বাঘা থানার একটি হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন বাঘা উপজেলা পরিষদ চত্বরের সামনে পৌর মেয়র আক্কাছের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগ। এ সময় পৌর মেয়রের নেতৃত্বে ওই মানববন্ধনে হামলা চালানো হয়। এতে বাঘা উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল গুরুতর আহত হন। পরে গত ২৬ জুন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি । এর পর থেকে আক্কাছ আলী আত্মগোপন ছিলেন।

    বাঘা থানার ওসি ( তদন্ত) মো: সোহেব খান জানান, বাবুল হত্যায় পৌর মেয়রকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করা হয়। এই মালায় মেয়রের ভাগিনা ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগ নেতা মেরাজুর ইসলাম মেরাজসহ ইতিমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজোতে পাঠানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এছাড়াও আক্কাছ আলীর বিরুদ্ধে ২২টি মামলা ও ১৭টি সাধারণ ডায়েরি রয়েছে।#
    মহ/

  • দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ও ভূমি সেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় যেসব ডিজিটাল সেবা দিয়েছে এই লক্ষে অনলাইন ভূমি সেবা ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা জনসাধারণ।

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করে দেখা গেছে, নামজারি সহ বিবিধ মামলা, ভূমি উন্নয়ন কর, অর্পিত সম্পত্তি লীজ, মানি আদায়, সরকারি খাস জমি উদ্ধার ইত্যাদি কাজে পূর্বের তুলনায় দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড অনেক গতিশীল। বছর দু’য়েক আগে দাউদকান্দি উপজেলায় একটি নামজারি মামলা নিষ্পত্তিতে ৪৫-৬০ দিন সময় অতিবাহিত হতো, বর্তমানে মাত্র ১০-১৫ দিনে এ কার্যক্রম সম্পাদন হচ্ছে।

    প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক সেবা প্রার্থী ই-নামজারি সহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে এ ভূমি অফিসে আসেন। হয়রানি ছাড়া সেবা পেয়ে তারা অনেক খুশি ও সন্তুষ্ট। সেবা নিতে আসা দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের সালাউদ্দিন মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ই-নামজারি করতে পেরে আবেগ আপ্লুত হয়ে জানান, অনলাইনে নামজারি আবেদন করেন। এরপর মোবাইলে আসা এসএমএস অনুযায়ী শুনানিতে উপস্থিত হয়ে তার ই-নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে যায়। অতীতের হয়রানির ঘটনা এখন ইতিহাস।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দাউদকান্দি উপজেলায় বিগত ৩০ দিনে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির গড় সময়সীমা ১০ দিন যা কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্ন।

    প্রাপ্ত তথ্যচিত্র অনুযায়ী কুমিল্লা জেলায় গড় নিষ্পত্তি দিনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস। তথ্য অনুযায়ী দাউদকান্দি উপজেলায় গড় নিষ্পত্তি সময় ১০ দিন, যা কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে শীর্ষে । ই-নামজারি সেবা সহজীকরণে ও জনগণকে স্বল্পতম সময়ে এ সেবা দিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জিয়াউর রহমান।

    তিনি জানান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের দিক-নির্দেশনার আলোকে আমরা আইনানুগভাবে নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে মানুষকে দ্রুততম সময়ে ভূমি সেবা ও ভূমি বিষয়ক পরামর্শ প্রদানে বদ্ধপরিকর। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক সরাসরি শুনানি গ্রহণ, ইউনিয়ন ও উপজেলায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট অফিসারদের তৎপরতার ফলে দালাল তথা তৃতীয় পক্ষের দৌরাত্ম্য কমেছে। দাউদকান্দিও মানুষ এখন অনলাইন/স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে।

    এই কর্মকর্তা আরো বলেন, বর্তমান কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক ই-নামজারি সেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। যখন আমি এ উপজেলার দায়িত্ব গ্রহন করি তখন গড় নিষ্পত্তি সময় ছিল ৪৫ থেকে ৬০ দিন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, কানুনগো, অফিস সহকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ সেবা বর্তমানে ১০ দিনে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও স্বল্প সময়ে এ সেবা দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনাকে বাস্তবায়ন করে এখন আমরা স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার দিকে আগাচ্ছি। স্মার্ট ভূমি সেবা বাস্তবায়নের লক্ষে জণগনকে শতভাগ দ্রুততার সাথে এবং সহজে সেবা প্রদানে আমরা বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসংশনীয়।

  • ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    গাজীপুরের জয়দেবপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসক এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

    তদন্ত কমিটি ও বরখাস্তের বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর জংশনের স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া।

    বরখাস্তরা হলেন- আপ ঘুন্টি স্টেশন মাস্টার মো. হাসেম, পয়েন্টস ম্যান সাদ্দাম হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

    রেলওয়ের পক্ষ থেকে সিওপিএস মো. শহীদুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্যের আঞ্চলিক তদন্ত কমিটি এবং রেলেওয়ের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী (সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন) সৌমিক শাওন কবিরকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে জয়দেবপুর স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া জানান, টাঙ্গাইল কমিউটার ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। সিগন্যাল ম্যানের ভুলের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

    তবে কমিউটার ট্রেনটিতে তেমন যাত্রী ছিল না বললেই চলে। এ কারণে হতাহতের সংখ্যা কম হয়েছে। কমিউটার ট্রেনের লোকো মাস্টারসহ (ট্রেনের চালক) চারজন আহত হয়েছেন।

    এদিকে শুক্রবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে টাঙ্গাইল কমিউটারের তিনটি বগি দুমড়েমুচড়ে যায়।

    এছাড়াও দুটি ট্রেনের ৮টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এরপর থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এলে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়। কাজ চলমান থাকলেও দুপুর থেকে অন্য লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু করে।

  • বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির মূল্য আকাশচুম্ব

    বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির মূল্য আকাশচুম্ব

    বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির বাড়তি দাম ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বেনাপোল বাজারে এক মাস ধরে বাড়তি দর অব্যাহত রয়েছে।

    আমদানি বন্ধ না থাকলেও বেনাপোল বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ। সবজি ও কাঁচামরিচের এমন বাড়তি দাম রমজান মাসেও দেখা যায়নি। ঈদুল আজহার ছুটিতে কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে।

    সপ্তাহব্যাপী আমদানি বন্ধ থাকার পর ঈদ শেষে যথারীতি কাঁচামরিচের আমদানি শুরু হয়। ঈদের পরে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ২০০ থেকে ২৬০ টাকা কেজিতে। ঈদের দু’ সপ্তাহ পরে কিছুটা দাম কমলেও এখনো রয়েছে দু’শতকের ঘরেই। এখনো কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা কেজিতে। কাঁচামরিচের ঝাঁজ ও সবজির বাড়তি দাম ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

    বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে সবজি কিনতে আসা ক্রেতাদের। বৃষ্টির কারণে কাঁচামরিচের দাম কমছে না বলছেন সবজি বিক্রেতারা। অন্যদিকে, গত এক মাস ধরে সবজির বাজারও চড়া। বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। রমজান মাসেও

    এমন বাড়তি দাম দেখা যায়নি সবজির বাজারে। গত এক মাস ধরে সস্তার সবজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে অবিশ্বাস্য দামে। জুন মাসে পেঁপে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। যা এখনো বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে। কাঁচকলাও বিক্রি শুরু হয় বাড়তি দামে। গত মাস থেকে এ মাস পর্যন্ত কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে।
    বর্তমানে উচ্ছের দাম আকাশ ছোঁয়া।

    বুধবার ৩জুলাই সকালে বাজার ঘুরে প্রতি কেজি উচ্ছে বিক্রি হয় ১২০টাকা কেজিতে। এ ছাড়া, পিয়াজ ৯০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০, বরবটি ১২০, কচুরমুখি, ঝিঙ্গে ও কাঁকরোল ৮০, কচুরলতি ৮০ থেকে ১০০, লাউ, চিচিঙ্গা, ঢেঁড়স ৬০, পটল ৩০, টমেটো ১২০ ও গাজর ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে,আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে। বাজারে মজুত স্বাভাবিক থাকলেও সবজির এমন বাড়তি দামে ক্রেতা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

    বেনাপোল কলেজের শিক্ষার্থী আলমগীর বলেন, মেসে থাকায় নিয়মিত বাজার করতে হয়। বাজারে এলে বাজেট মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সাদিপুর রোজিনা আক্তার বলেন, বাজার করা একটা বাড়তি ঝক্কি মনে হয়। আলুর এমন অস্বাভাবিক দাম ভাবা যায় না। বাজারের পাশে দুর্গাপুর এনামুল হক বলেন, দু’কেজি আলু কিনেছি ১২০ টাকায়। অথচ বাজারে আলুর কোন সংকট নেই। তবু এমন অস্বাভাবিক দাম।

    বাজারের সবজি বিক্রেতা শুকুর আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজি ও কাঁচামরিচের চালান কম আসছে, সরবরাহ কমে গেছে। তাই দাম কমছে না। আরেক বিক্রেতা হযরত আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে মাঠে কাঁচামরিচ পচে যাচ্ছে, তাই দাম কমছে না। সবজি বিক্রেতা সুশীল সাহা বলেন, কাঁচামরিচ বাড়তি দামে কিনে এনে বিক্রি করছি। আমরাও জানি না, আমদানি হওয়ার পরেও আমদানি কারকদের কারসাজির জন্য কাঁচামরিচের দাম কমছে না।

  • কাল থেকে বাড়তি ভাড়ায় চড়তে হবে ট্রেনে, কোন রুটে ভাড়া কত

    কাল থেকে বাড়তি ভাড়ায় চড়তে হবে ট্রেনে, কোন রুটে ভাড়া কত

    ঢাকা থেকে ট্রেনে গাজীপুরে যেতে প্রতি কিলোমিটারে যাত্রীদের যত টাকা ভাড়া গুণতে হয়, এরচেয়ে পঞ্চগড়, খুলনা বা চট্টগ্রাম যেতে কম ভাড়া লাগত। কারণ, বাংলাদেশ রেলওয়ে এতদিন বেশি দূরত্বের টিকিট ছাড় দিয়ে বিক্রি করত। আগামীকাল শনিবার (৪ মে) থেকে রেলযাত্রায় এই রেয়াতি সুবিধা উঠে যাচ্ছে। নতুন দামে টিকিট কেটে ক্ষোভ ঝেড়েছেন দূরের যাত্রীরা।

    এক যাত্রী ক্ষোভের সুরে বলেন, ‘বর্তমানে সব কিছুর দাম বাড়ছে। মানুষের ওপর জুলুম হচ্ছে। আবার এদিকে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারিদের হাতে চলে যায়। সাধারণ যাত্রীরা টিকিট পায় না।আরেক যাত্রী বলেন, ‘ট্রেনের যাত্রীসেবা তো অনেক দূরের বিষয়। কোনোরকম গন্তব্যে পৌঁছতে পারলেই আমরা খুশি।’

    অতীতের নিয়ম অনুযায়ী, ১০১ থেকে আড়াই শ কিলোমিটার ভ্রমণে ২০ শতাংশ, ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটার ভ্রমণে ২৫ শতাংশ এবং এর বেশি দূরত্বের জন্য ৩০ শতাংশ ছাড় পেতেন রেলের যাত্রীরা। সেই বিধান উঠে যাওয়ায় বর্তমানে গন্তব্যভেদে ২০ টাকা থেকে দেড় শ টাকা পর্যন্ত শোভন চেয়ারের টিকিটের দাম বেড়েছে।

  • স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টাঃ পরকীয়া প্রেমিক স্বামী মহব্বত আলী

    স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টাঃ পরকীয়া প্রেমিক স্বামী মহব্বত আলী

    পঞ্চগড়র বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের বারোঘড়ীয়া-শিকারপুর নামাক গ্রামে গতকাল ০১জুলাই সোমবার সকাল ১১ঘটিকায় স্ত্রী লতা আক্তারের শরীরে ডিজেল ঢেলে দিয়ে আগুন লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন স্বামী মহব্বত আলী। লতা আক্তার চিৎকার করলে এলাকাবাসী এসে পনি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ঠাকুরগাঁও মেডিকেলে নিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা গণমাধ্যমকে জানায়, মহব্বতের তিন সন্তান থাকা সত্ত্বেও একই গ্রামের মাহাবুরের স্ত্রী রাসিদা বেগমকে চার মাস পর্বে পালিয়ে নিয়ে যায়। একমাস বাাহিরে থাকার পরে রাসিদাকে ভাড়া বাড়িতে রেখে বাড়িতে আসে মহব্বত আলী। স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে বিয়ে করার দায়ে একটি মামলা করেছিল লতা আক্তার।

    মহব্বত আলীর একটি ছেলে, দুটি মেয়ে শিশু সন্তান রয়েছে, ছেলে লাবিব জানায়, আমার মাকে ডিজেল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।আমাদের মহেন্দ্র গাড়ি রয়েছে তেলের ড্রাম ঘরেই রয়েছে।

    লতা আক্তার গণমাধ্যমকে জানায়,আমার স্বামী চার মাস পর্বে রমজান মাসে একই গ্রামের নিঃসন্তান থাকা রাশিদা বেগমকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এক মাস পর বাড়ীতে আসলে থাকেনি একদিনও

    রাসিদাকে নিয়ে থাকতেন ভাড়া বাসায়। আমার একটি ছেলে দুটি মেয়ে রয়েছে। ঈদের দিনেও থাকেনি আমার বাসায়। আমি নিজেই তিন দিন আগে ভাড়া বাসায় গিয়ে আমার স্বামী, ও রাসিদাকে আমার বাসায় নিয়ে আসি। কিন্তু আমার তিন সন্তান ও আমাকে মেনে নিতে না পেরে রাতে পালিয়ে যায় রাশিদা। এ নিয়ে আমার স্বামী সকালে এসে আমাকে মারপিট করে সংঘাত সৃষ্টি হয়। আমি বকাবকি করলে ঘরে গিয়ে আমার শরীরে ড্রমে থাকা ডিজেল দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

    লতা আক্তার বলেন এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীর সুষ্ঠু বিচার চাই। লতা বর্তমানে ঠাকুরগাঁও মেডিকেলে চতুর্থতলা সার্জারী বিভাগে ২৩ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

     

  • প্রেমের টানে ঘর ছাড়লো ভারতীয় তরুণী পিংকি সরকার

    প্রেমের টানে ঘর ছাড়লো ভারতীয় তরুণী পিংকি সরকার

    বেনাপোলে প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করছিলেন ভারতীয় তরুণী পিংকি সরকার। এরপর বুধবার ৩ জুলাই প্রেমিক তাকে বেনাপোলে রেখে সটকে পড়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বর্তমানে তরুণী বেনাপোলে বিজিবির অধীনে রয়েছেন।

    পিংকি সরকার ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার রায়গঞ্জের গৌলইসারা গ্রামের মানিক সরকারের মেয়ে।

    সূত্র মতে, যশোর ৪৯ বিজিবির অধীনস্থ বেনাপোলে কর্মরত সুবেদার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টহলদল বেনাপোল প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে থেকে বুধবার বিকালে ভারতীয় নাগরিক (মহিলা) পিংকি সরকারকে আটক করে।

    জিজ্ঞাসাবাদে বিজিবি জানতে পারে, বাংলাদেশের এক ছেলের সাথে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় তার। দুই বছরের সম্পর্ক করে তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে গত ২৮ জুন বাংলাদেশে নিয়ে আসে। চুয়াডাঙ্গার একটি বাড়িতে তিন চার দিন থাকার পর তাকে বেনাপোল প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে রেখে পালিয়ে যায়। মেয়েটি তার প্রেমিকের কোন ঠিকানা, ফোন নাম্বার বা তার কোন ছবি দিতে পারেনি।

    এদিকে, আটককৃত ভারতীয় নাগরিককে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে বেনাপোল বিজিবি জানিয়েছে।