Category: অন্যান্য

  • কাবাডিতে বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন আমগাছি সাহারবানু উচ্চ বিদ্যালয়

    কাবাডিতে বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন আমগাছি সাহারবানু উচ্চ বিদ্যালয়

    দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    গ্রীস্মকালীন আন্তঃ স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় কাবাডিতে রাজশাহী বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আমগাছি সাহার বানু উচ্চ বিদ্যালয়।

    রবিবার (২০ অক্টোবর) রাজশাহী জেলা স্টেডিয়ামের মাঠে ৫১ তম গ্রীস্মকালীন আন্তঃ স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কাবাডি (বালক) উপ-অঞ্চল পর্যায়ে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    খেলায় বগুড়া জেলা দল ও রাজশাহী জেলা দলের মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় রাজশাহী জেলা দল ৪৪-৩০ পয়েন্টের ব্যবধানে বগুড়া জেলা দলকে পরাজিত করে রাজশাহী বিভাগীয়
    অপরাজিত জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে দুর্গাপুর উপজেলার আমগাছি সাহার বানু উচ্চ বিদ্যালয়ের কাবাডি দল।

    জানাগেছে, গ্রীস্মকালীন আন্তঃ স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কাবাডি (বালক) উপ-অঞ্চল পর্যায়ে ফাইনাল খেলায় রাজশাহী বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় আমগাছি সাহার বানু উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়েছেন দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে আমগাছি সাহার বানু উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল ইসলাম বলেন, বিগত কয়েক বছর থেকেই কাবাডিতে বিভাগীয় পর্যায়ে আমরাই চ্যাম্পিয়ন হয়ে আসছি।

    তিনি আরও জানান, আগামী ২৪ অক্টোবর রংপুর স্টেডিয়াম মাঠে আঞ্চলিক পর্যায়ে রাজশাহী বিভাগের হয়ে আমগাছি সাহারবানু উচ্চ বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করবে। আমার শতভাগ আসা ও বিশ্বাস চাপা অঞ্চল পর্যায়েও আমরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করবো।

    এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন বলেন, কাবাডিতে উপ-অঞ্চল পর্যায়ে রাজশাহী বিভাগে দুর্গাপুর উপজেলার আমগাছি সাহার বানু উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দুর্গাপুর উপজেলাবাসীর জন্য সুনাম অর্জন করেছে। তিনি খেলার সাথে সংযুক্ত খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষকসহ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞচিত্রে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের মানববন্ধন

    বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের মানববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

    রাজশাহীতে বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ৬ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে। আজ ২০/১০/২৪ইং দুপুর ১২.০০ ঘটিকার সময় ইন্সটিটিউট অফ হেলথ টেকনোলজি(আইএসটি) ক্যাম্পাস চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিভিন্ন সময়ে যে বৈষম্যর শিকার হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানায় এবং ভবিষ্যতে যেনো তারা আর বৈষম্যর শিকার না হয় এবং দেশের আপামর জনসাধারণের মানসম্মত ও সঠিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণে দাবিতে তারা ৬ দফা দাবি পেশ করেছে।

    দাবিগুলোর মধ্য রয়েছে (১) স্বতন্ত্র পরিদপ্তর গঠন করতে হবে। (২) ডিপ্লোমাধারীদের ১০ ম গ্রেড (২য় শ্রেণীর গেজেটেড) পদমর্যাদা প্রদান করে WHO এর আনুপাতিক হারে পদ সৃজন পূর্বক দ্রুত নিয়োগ এর ব্যবস্থা করতে হবে পাশাপাশি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০১৩ সালের স্থগিতকৃত নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করতে হবে। (৩) গ্র্যাজুয়েট মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের নবম গ্রেডের পদসৃষ্টি পূর্বক চাকুরীজীবিদের আনুপাতিক হারে পদোন্নতির নিয়ম বহাল রেখে স্ট্যান্ডার্ড সেট আপ ওনিয়োগবিধিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। (৪) ঢাকা আইএইচটি কে বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর করে একটা বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকল আইএইচটি তে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট শিক্ষকদের স্বতন্ত্র ক্যারিয়ার প্লান গঠন করে বিদ্যমান নিয়োগ বিধি ও অসংগতিপূর্ণ গ্রেড সংশোধন করতে হবে। (৫) মেডিকেল টেকনোলজি কাউন্সিল ও ডিপ্লোমা মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড গঠন এবং প্রাইভেট সার্ভিস নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। (৬) বি ফার্ম সহ সকল অনুষদের বি এস সি ও এম এস সি কোর্স চালু করা এবং স্কলারশিপ সহ প্রশিক্ষণ ভাতা চালু করতে হবে।

    এ সময় কেন্দ্রীয় কমিটির জয়েন সেক্রেটারি অসীম কুমার ঘোষ, সাদ্দাম হোসেন আহবায়ক বি এস সি ফিজিও থেরাপি মো:সেলিম রেজা, এম ট্যাব রাজশাহী আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: , আরিফ সদস্য সচিব মো:আবু সাঈদ মো:ওলিউল্লাহ মো:আয়াতুল্লাহ খমেনি সহ অন্যান্য শিক্ষার্থীবৃন্দ।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • মহিলা অধিদপ্তরে চাকুরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, প্রতারকের পক্ষে হুমকি

    মহিলা অধিদপ্তরে চাকুরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, প্রতারকের পক্ষে হুমকি

    নিজস্ব প্রতিনিধি:

    রাজশাহী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে কর্মরত গার্ড জুলহাস উদ্দিনের বিরুদ্ধে চাকুরী দেওয়া ও ব্যবসায়ীক কাজে ২৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।

    মামলা নিষ্পত্তি ও আড়াই লাখ টাকা নিয়ে সমঝোতা করা প্রস্তাব দেন উক্ত দপ্তরের প্রেষণে থাকা পুলিশ পরিদর্শক রেজাউস সাদিক। অন্যথায় দেখে নিবেন বলে ভুক্তভোগী সুইটকে হুমকি প্রদান করেন।এছাড়া দপ্তরের কোয়াটারে থাকা গার্ড জুলহাসে নিকট যেতেও নিষেধ করেন তিনি।

    আদালতে দায়ের করা মামলা সুত্রে জানা যায়, নগরীর দাশপুকুর এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে সুইট উদ্দিন বাদী হয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মরত নওগাঁর রানীনগর খাজুরিয়াপাড়া এলাকার মৃত আক্কেল উদ্দিন খানের ছেলে জুলহাস উদ্দিন খানের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেন।

    ব্যবসায়ীক কাজে চেকের বিনিময়ে ১৭ লাখ টাকা ও চাকুরী দেওয়ার নামে ৬ লাখ টাকা নেয় জুলহাস। ভুক্তভোগী সুইট উদ্দিন মামলা করার পর একের পর এক হুমকির মুখে পড়েছেন। টাকা ফেরত দিবে মর্মে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন।

    সর্বশেষ ২০ অক্টোবর বেলা ১১ টায় জুলহাসের স্ত্রী সুইটকে পুলিশ পরিদর্শক রেজাউস সাদিকের নিকট নিয়ে গেলে তিনি বিষয়টি আড়াই লাখ টাকা নিয়ে নিষ্পত্তি করার প্রস্তাব দেন। প্রস্তাব না মানায় তিনি মামলায় ফাসিয়ে দেওয়াসহ অফিসের আশেপাশে আসতে নিষেধ করেন। এমনকি টাকা দিবে না মর্মে সাফ জানিয়ে দেন। আদালতে মামলা করে লাভ হবে না বলেও তিনি উল্লেখ্য করেন।

    ভুক্তভোগী সুইট বলেন, আমি আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। আদালত যা রায় দিবে তা মেনে নিবো। পাওনা টাকার ডকুমেন্টস আছে আমার কাছে। এরপরও বিভিন্ন লোক মারফত পরিদর্শক রেজাউস সাদিক আমাকে ডেকে পাঠান। বাধ্য হয়ে তাঁর নিকট গেলে তিনি আড়াই লাখ টাকা নিয়ে সমঝোতা করার জন্য বলেন। অন্যথায় দেখে নিবেন তিনি।

    সুইট আরও বলেন, এর আগেও সহকারী পরিচালক মাহবুবা সুলতানার সঙ্গেও এবিষয়ে কথা বলা হয়েছে। তিনি সেসময় বলেন অনেক টাকা ঋণগ্রস্ত জুলহাস। বহু পাওয়াদার আসে অফিসে। বিষয়টি আপনারা আইনগতভাবে দেখেন।

    এসব বিষয়ে জানতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রেষণে থাকা পুলিশ পরিদর্শক রেজাউস সাদিক বলেন, আমি কাউকে হুমকি দেয়নি। শুধু ডেকে কথা বলে বিষয়টি জেনেছি। যেহেতু আদালতে মামলা চলছে সেহেতু মামলার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি পরামর্শ দিয়েছি।

    কথা বললে উক্ত দপ্তরের উপ পরিচালক(ম্যাজিস্ট্রেট)ফাবলিহা আনবার বলেন, আমি এখন ব্যস্ত আছি। পরে ফোন দেন।

    জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) সরকার অসীম কুমার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নাই। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • দুর্গাপুরে বিএনপি নেতাদের ঐতিহ্যবাহী ঘোড়াদহ মেলা পরিদর্শন ও আলোচনা সভা

    দুর্গাপুরে বিএনপি নেতাদের ঐতিহ্যবাহী ঘোড়াদহ মেলা পরিদর্শন ও আলোচনা সভা

    দূর্গাপুর প্রতিনিধি :

    ঘোড়াদহ মেলা, এক সময় রাইচাঁদ নদীতেই হতো নৌকা বাইচ। আর তীরে হতো ঘোড় দৌড়। কালের বিবর্তনে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার উজালখলসী গ্রামের রাইচাঁদ নদীর তীরের সেই ঘোড়াদহ মেলায় বিগত কয়েক বছর থেকে হয় না ঘোড়াদৌড়। পাশেই বয়ে চলা আঁয়চাদ নদীর নাব্যতা নেই, কচুরিপানায় ভরে গেছে, এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে সুইসগেইট নির্মাণের ফলে এখন আর নৌকাবাইচ হয়না। 

    ৫০০ শতবর্ষী এই মেলা কোনো প্রচার ছাড়ায় বসে আসছে। মেলাটি একটি গ্রামে অনুষ্ঠিত হলেও উৎসবের আমেজ থাকে উপজেলাজুড়ে। ঐতিহ্যবাহী ৫০০ বছরের পূরনো মেলা পরিদর্শনে যান দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

    পহেলা কার্তিক থেকে উপজেলার আলীপুর ও উজানখলসীতে বসেছে এ মেলা। বৃহস্পতিবার ১৭ (অক্টোবর) বিকেলে প্রায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে মেলা পরিদর্শনে যান বিএনপি নেতাকর্মীরা পরে আলীপুরে মেলা কমিটির মঞ্চে সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গ্রামীণ মেলা হলো বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যর একটি অংশ। একটি জাতি তার ইতিহাস ও ঐতিহ্য চর্চার মাধ্যমে হাজার বছর টিকে থাকে। ঘোড়াদহ মেলা দুর্গাপুরের একটি ঐতিহ্যবাহী মেলা। যেখানে সার্বজনীন মানুষ উৎসব পালন করে আসছে। এসময় মেলা আয়োজক কমিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন ও সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন বক্তারা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক জোবায়েদ হোসেন, বিএনপি নেতা মো.সোহেল রানা,পৌর বিএনপির স্বপন, বিএনপি নেতা নাজিম হাসান, ইউপি বিএনপির সা.সম্পাদক আব্দুল আলী, বিএনপি নেতা রউফ মাষ্টার, সাবেক পৌর কাউন্সিল মাহাতাব আলী,ঝালুকা ইউপির বিএনপি নেতা আমিন, যুবদল নেতা রফিক,বাচ্চু, আফাজ আলী, সাবেক ইউপি সদস্য রেজাউল করিম,দেলোয়ার হোসেন, বেলাল হোসেন, আনারুল,সুলতান প্রমুখ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।#মহ দৈনিক বাংলার তরী

  • ছাত্রলীগ কর্মীর হাতে জামায়াত নেতা খুন

    ছাত্রলীগ কর্মীর হাতে জামায়াত নেতা খুন

    শরীয়তপুর জেলায় ডামুড্যা থানার সিড্যা ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে, প্রতিপক্ষ নাতির হামলায় সিরাজুল ইসলাম মাঝি (৫৫)নামে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যু হয়েছে।

    এ ঘটনায় অভিযুক্ত শরীফ মাঝী (২০)পলাতক রয়েছে।
    পলাতক শরীফ মাঝি ছাত্রলীগের কর্মী সমর্থক বলে জানাগেছে।

    পক্ষান্তরে নিহত সিরাজ মাঝি জামায়াতের কর্মী হওয়ার কারনে, জবরদস্তি করে সালিসি সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছিল বলে নিহত সিরাজ মাঝির পরিবার জানিয়েছেন।

    আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকালে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার সিড্যা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে এঘটনা ঘটে।

    নিহতের পরিবার সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের জমি সিড্যা চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল হাদী জিল্লু সহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা এসে জাহাঙ্গীর মাঝিকে একতরফা সিদ্ধান্তে জায়গা দখল করে দিয়ে যান।তারই ধারাবাহিকতায় জাহাঙ্গীর মাঝি তাদের যোগসাজসে আমাদের জমি দখল করে নেয়।
    এরপর গত একমাস আগে পুনরায় সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে আমাদের জায়গার সঠিক পরিমাপ করা হয় এবং আমাদের জায়গা সঠিকভাবে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য সালিশ বর্গ সিদ্ধান্ত নেয়।পূর্বের বেড়া সরিয়ে দিয়ে আমাদের জায়গা অবমুক্ত করে দেয়ার জন্য জাহাঙ্গীর মাঝিকে নির্দেশ প্রদান করে স্থানীয় সালিশ বর্গ।

    আজ ১৬ই অক্টোবর ২০২৪ সকাল ৯ ঘটিকার সময় নিহত সিরাজ মাঝি ও তার স্ত্রী উক্ত বেড়া অপসারণের জন্য দুইজন বদলা নিয়ে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হলে, সিরাজ মাঝি ও তার স্ত্রীকে বাধা দেয় শরীফ মাঝি, বাধা উপেক্ষা করলে সিরাজ মাঝি ও তার স্ত্রীকে লোহার কাওয়াল দিয়ে বেধড়ক আঘাত করে জাহাঙ্গীর মাঝির ছেলে শরীফ মাঝি(২০)। আঘাতের প্রেক্ষিতে সিরাজ মাঝি ঘটনাস্থলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

    এসময় দুইজনই আহত হয়। আহত অবস্থায় স্বজন ও স্থানীয়রা শরিফুল মাঝিকে ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও সিরাজুল ইসলাম মাঝিকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেলেক্সে নিয়ে যায়।

    ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সাইদুল আরমান সিরাজুল ইসলাম মাঝিকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, ভাতিজা শরীফ মাঝির সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সিরাজুল মাঝি নামে একজন নিহত হয়েছেন। কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    নিহত সিরাজুল ইসলাম মাঝি সিড্যা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সম্পাদক । তিনি একই এলাকার মৃত নুরবক্স মাঝির ছেলে।#মহ /দৈনিক বাংলার তরী

  • বাগমারা’য় দুই গ্রামের নির্বিঘ্নে যোগাযোগের উদ্দেশ্যে, জনির উদ্যোগে বাঁশের সেতু নির্মাণ

    বাগমারা’য় দুই গ্রামের নির্বিঘ্নে যোগাযোগের উদ্দেশ্যে, জনির উদ্যোগে বাঁশের সেতু নির্মাণ

    বাগমারা প্রতিনিধি :

    রাজশাহী’র বাগমারা’র আউচপাড়া ইউনিয়নের বাহমুনিগ্রাম ও বেলঘড়িয়াহাট দুই গ্রামের মানুষের নির্বিঘ্নে ও সহজে চলাচল করতে দীর্ঘ দিনের ভোগান্তির অবকাশ করে দুই গ্রামের মানুষের যোগাযোগের জন্য নিজেস্ব উদ্দোগে এলাকাবাসী তৈরি করছেন বাঁশে সেতু ।

    ১৬ অক্টোবর বেলা ১২ ঘটিকা’য় বাগমারা বিএনপির সভাপতি ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া এই সেতু নির্মাণের কাজের শুভ উদ্বোধন করেন।

    এই সময় ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের এলাকার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সাবেক খেলোয়াড় জনি, আমার সাথে সহপাঠী হাটখুজিপুর সহকারী শিক্ষক বিএনপি সহ-সভাপতি ইউনিয়ন রফিকুল ইসলাম সাজু সহ উপস্থিত গ্রামবাসী সবাইকে জানাই সালাম ও আদাব, আমি প্রথমে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এলাকাবাসী কোন সরকারি অনুদান ছাড়াই এত বড় বাঁশের সেতু তৈরির উদ্যোগ নেওয়া জনি সহ যারা এই কাজে অংশগ্রহণ করছেন, সকল কে আউচপাড়া ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

    তিনি আরও বলেন, সামনে যদি ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী বিএনপি ক্ষমতায় আসে তাহলে আমি উপজেলা বিএনপির সভাপতি এখানে স্থানীয় ভাবে ব্রিজের ব্যবস্থা করে দিব, এলাকাবাসী আমাদের সহযোগিতা ছাড়াই, এত মহত্ব উদ্যোগ নেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা শিকার করে পরমু করুনাময় খোদাতায়ালা কাছে অন্তরের অন্তস্তল থেকে সকলকে ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

    উল্লেখ্য, এই সেতু নির্মাণের আগে দুই গ্রামের মানুষ এই গ্রাম থেকে ঐ গ্রামে যেতে হলে প্রায় ৮ মাইল রাস্তা ঘুরে যেতে হতো , আর নৌকায় করে য়াতায়েত করতে অনেক সময় নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো।

    কিন্তু এখন এই সেতু নির্মাণের ফলে পার্শ্ববর্তী দুই গ্রামের সাথে অন্যান্য গ্রামের সাথে যোগাযোগে স্থাপন আরো দ্রুত সম্ভব হবে ।

    এর মধ্যে বেলঘড়িয়া, শিলগ্রাম, বাবনল, বাথইল, নায়ানপুর, কুডগ্রাম, ডুবইল, মাড়িয়া, মাওল, সুজনিপুর,জিয়াপাড়া, মঙ্গলপুর,হরিপুর,সমাজপুর, দৌলপুর,হতে, বামনি গ্রাম সাইধাড়া, লাউস,লরিপাড়া, পালুপাড়া, বিংনপুর, ইন্দ্রপুর, আউচপাড়া, হাটখুজিপুর,কানাইশহর, উভয় গ্রামের মানুষ যোগাযোগ সহ, শিলগ্রাম হাটে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম হল এই বাঁশের সেতু।

    গ্রামের অন্যান্য লোকজন বলেন, কোন সরকারের আমলে আমাদের এই অসুবিধা দুর করতে কোন নেতা কর্মীরা উদ্দোগ নেইনি, আমার দীর্ঘ দিনের এই সমস্যার সমাধান এবার নিজেরাই করছি , এই সেতু নির্মাণের ফলে আমাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের সমস্যা দূর হবে এবং আমরা এক গ্রামের সাথে আরেক গ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকার সাথে যোগাযোগ সহজেই করতে পারব।

    এছাড়া সেতু নিমান কাজে সেচ্ছায় বিভিন্ন গ্রামের মানুষ শ্রম দিয়ে কয়েকদিন থেকে বাঁশ সংরক্ষণ করেন,নিজ ইচ্ছায় গ্রামবাসীরা সেতু নির্মানে অংশগ্রহণ করেন, তারা জনির এমন উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়েছেন।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহীর বাঘায় যুগ্ম সচিব শ্রী রথীন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন উদযাপন।

    রাজশাহীর বাঘায় যুগ্ম সচিব শ্রী রথীন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন উদযাপন।

    বাঘা প্রতিনিধি :

    রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার কৃতি সন্তান ও মানবতার ফেরিওয়ালা শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব শ্রী রথীন্দ্রনাথ দত্ত এর ৫১ তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে। 

    মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রাতে বাঘা পৌরসভার নারায়নপুর বাজারে কেক কেটে জন্মদিনটি পালন করা হয়।

    জানা যায়, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার নারায়নপুর গ্রামে ১৯৭৩ সালের ১৫ অক্টোবর একটি সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন শ্রী রথীন্দ্রনাথ দত্ত। তার পিতা রোহিণী দত্ত ও মা আরতি দত্ত। পরিবারে তারা দুই ভাই, তিন বোন। স্ত্রী ও ২ কন্যা সন্তান নিয়ে তার সংসার। তিনি তার পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস (কর্মক্ষেত্র) করেন।

    তিনি তার কর্মজীবনে বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব এর দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিবের একান্ত সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব, উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপ-পরিচালক বি সি এস (প্রশাসন) একাডেমী,

    শাহবাগ, ঢাকা ও লক্ষীপুরের ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে এসেছেন। সেবা প্রদানে করেননি কখনো কার্পণ্যতা। কর্মজীবনে যেখানেই দায়িত্ব পালন করেন সেখানেই হাস্যজ্জল মুখে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও  বিভিন্ন সমাজিক সংগঠনের সাথে সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা পালন করে চলেছেন তিনি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা ছাত্রদল এর সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাঘা উপজেলা ছাত্রদল মোঃ সোহেল রহমান, জেলা ছাত্রদল এর সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আশিক ইকবাল হিমেল, শাহদ্দৌলা ডিগ্রী কলেজ শাখা ছাত্রদল এর সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ পিয়াস, আব্দুল হাকিম, মৌসুম আহমেদ, সাবেক ছাত্রদল নেতা আরাফাত হোসেন অনিক, পাকুরিয়া ২ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি হাফিজুল ইসলাম সনেট, যুবদল নেতা শামীম হোসেন যুবদল নেতা মেহেদী হাসান রিঙ্কু,  যুবদল নেতা মাইনুল ইসলাম, যুবদল নেতা রনি আহমেদ, যুবদল নেতা আরিফ, রাজীব, ভুট্টো, সাব্বির, লালন সরদার, প্রান্ত পান্ডে,  সুজন ঘোষ, সবুজ ঘোষ, স্বাধীন সরদার, তরিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ, বিপ্লব সরকার, বাবু সহ প্রমুখ।

    এসময় উপস্থিত সকলেই যুগ্ম সচিব রথীন্দ্রনাথ দত্ত সহ তার পরিবারের সকল সদস্যদের সর্বাঙ্গিন সফলতা কামনা করেছেন।#মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • কথায় কথায় বিএনপি কর্মীদের মামলার হুমকি দেন পিএস আফসার

    কথায় কথায় বিএনপি কর্মীদের মামলার হুমকি দেন পিএস আফসার

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    বিগত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ  সরকার পতনের পর নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জনগণ আওয়ামী লীগের অত্যাচারী  সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ আলীর রাহুমুক্ত হয়।

    টানা ১৭ বছর ধরে হাতিয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের লাগাতার হয়রানি, মামলা, হামলা, ছাড়াও হাতিয়ার নৌপথসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক চাঁদাবাজী করে হাতিয়েছিলেন কোটি কোটি টাকা। কিন্ত সেই অত্যাচারী মোহাম্মদ আলী আটক হবার পর হাতিয়ার  নতুন অভিশাপ হিসেবে মোহাম্মদ আলীর শূন্যস্থান পূরণ করার অপচেষ্টা চালিয়ে চলছেন আবুল হায়াত আফসার।

    এই আফসার হাতিয়ার সাবেক স্বনামধন্য বিএনপির সাংসদ প্রকৌশলী ফজলুল আজিমের ব্যবসায়ীক পিএস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খোদ বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের অভিযোগ ধুরন্ধর আফসার হাতিয়ার নৌপথে ফের মোহাম্মদ আলীর মতো চাঁদাবাজি করে জনসাধারণ কে জিম্মি করার  অপতৎপরতা শুরু করেছেন।

    এছাড়া চেষ্টা করছেন হাতিয়ায় বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের কোনঠাসা করার। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকটা প্রকাশ্যেই বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানিমূলক ও বিতর্কিত সাইবার সিকিউরিটি আইনে মামলা দেয়ার হুমকিও দিচ্ছেন পিএস আফসার।

    বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, পিএস আফসার একসময় বিএনপির স্বনামধন্য সাবেক এমপি ফজলুল আজিমের বিরুদ্ধেও অপতৎপরতা ও অপপ্রচার  চালিয়েছিলেন, বিগত ১৭ বছরে তার কোন সাড়াশব্দ না থাকলেও হুট করে উড়ে এসে জুড়ে বসে হাতিয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের কোনঠাসা করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন আফসার।

    শুধু তাই নয় অত্যাচারী মোহাম্মদ আলীর সম্রাজ্যও ফিরিয়ে আনতে অপতৎপরতা শুরু করেছেন তিনি৷ আফসারের এমন সব অপতৎপরতার  ব্যাপারে হাতিয়ার সাধারণ বিএনপি নেতাকর্মীরা বিএনপির সাবেক সাংসদ প্রকৌশলী ফজলুল আজিমসহ বিএনপির হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

    ধুরন্ধর আবুল হায়াত আফসারের নানান অপকর্ম ও অপতৎপরতা নিয়ে আসছে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।  চোখ রাখুন পত্রিকার পাতায়…।# মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহীর দুর্গাপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপিত

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপিত

    দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

     

    আগামী প্রজন্মকে সক্ষম করি, দুর্যোগ সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে রাজশাহীর দুর্গাপুরেও উদযাপন হলো আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস। এ উপলক্ষে একটি র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (১৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে দুর্গাপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর কর্মকর্তারা একটি দৃষ্টিনন্দন মহড়া প্রদর্শিত করেন।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুবা আক্তারের সঞ্চালনায় ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার তৌহিদুর রহমান, দুর্গাপুর উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামসহ স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।#মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাগীর পুলিশ সুপারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

    রাজশাগীর পুলিশ সুপারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

     

    সনাতন ধর্মাবলম্বীগণের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে গতকাল ১২ অক্টোবর রাজশাহীর পুলিশ সুপার জনাব মো: আনিসুজ্জামান মহোদয় জেলার চারঘাট, বাঘা ও পুঠিয়ার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জগণ ও ওসি (ডিবি) জনাব মো: রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

    সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মো: আনিসুজ্জামান পূজামণ্ডপের সভাপতি ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ও আগত পূজা অর্চনাকারীদের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন।

    পক্ষান্তরে সভাপতি ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দও সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয়কে তাঁর আন্তরিকতা ও পূজামণ্ডপে নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    উল্লেখ্য, রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) জনাব আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব মো: খায়রুল আলম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জনাব মো: রফিকুল আলম একযোগে জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে রাতভর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে পরিদর্শন করে দায়িত্বরত পুলিশ, আনসার ও পূজামণ্ডপের স্বেচ্ছাসেবক টিমকে সজাগ রাখেন।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী