Category: বাংলাদেশ

  • বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সংগ্রামী ছাত্র-জনতার লিফলেট বিতরণ,

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সংগ্রামী ছাত্র-জনতার লিফলেট বিতরণ,

    দুর্গাপুর প্রতিনিধি :

    রাজশাহীর দূর্গাপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটিসংগ্রামী ছাত্র-জনতার উদ্যোগে প্রতিবাদী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

    আজ, ১১ জানুয়ারি সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে, দূর্গাপুর উপজেলা পরিষদ গেট থেকে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি শুরু করে দুর্গাপুর থানা মোড়ে শেষ হয়।লিফলেট বিতারণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    আন্দোলনকারীরা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য, বিশেষত শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কর্মসংস্থানে সমতা প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্লোগানদেন এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করেন।

    ছাত্র আন্দোলনের নেতারা জানান, তারা সমাজের প্রতিটি স্তরে বৈষম্য দূর করতে চান এবং বিশেষভাবে শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সরকারি চাকুরির ক্ষেত্রে সমতা প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, জুলাই এর প্রেরণা, দিতে হবে ঘোষণা।

    এছাড়া, আন্দোলনকারীরা স্থানীয় জনগণের কাছে এই লিফলেটগুলো তুলে ধরে, তাদের জানায় যে সমাজের প্রতিটি স্তরে সমতা এবং ন্যায্যতার জন্য সংগ্রাম চলছে। তারা জনগণকে সচেতন করে তোলার পাশাপাশি, সরকারের কাছে তাদের দাবি তুলে ধরতে আহ্বান জানায়।

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন,কেন্দীয় ছাত্র প্রতিনিধি,মোঃ ফাতিন মাহাদি।রাজশাহী জেলা ছাত্র প্রতিনিধি, নাহিদুল ইসলাম সাজু।মোঃ হাসিব এবং শোয়াইব হাসান।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সংগ্রামী ছাত্র-জনতার এই প্রতিবাদ কর্মসূচি এবং লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি দুর্গাপুরে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সামাজিক ন্যায্যতার প্রতি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আন্দোলনকারীরা আশা করছেন, সরকারের নীতি ও পদক্ষেপে পরিবর্তন আসবে এবং সমাজে সমতা ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হবে।#

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • দুর্গাপুরে নির্বাচন অফিসে ভোগান্তির শিকার সাধারণ মানুষ

    দুর্গাপুরে নির্বাচন অফিসে ভোগান্তির শিকার সাধারণ মানুষ

    দুর্গাপুর প্রতিনিধি:
    রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলা  নির্বাচনী কাজের জন্য ভোটারদের নথি সংশোধন, নতুন ভোটার নিবন্ধন এবং অন্যান্য পরিষেবা নিতে নির্বাচন অফিসে আসা সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। নির্বাচনী সেবা নিতে আসা নাগরিকদের অভিযোগ, অপ্রতুল জনবল, সেবা প্রদান ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং অব্যবস্থাপনার কারণে দিনের পর দিন তারা সেবা পাচ্ছেন না।
     দুর্গাপুর নির্বাচনী অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, ভোটারদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকেই জানিয়েছেন, তারা কয়েক ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তাদের কাজ শেষ করতে পারছেন না। নির্বাচন মিশনের অধীনে কাজ করা এসব অফিসে জনবল সংকট এবং সেবা প্রদান ব্যবস্থায় ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে।
    মো. মাইনুল ইসলাম যিনি ভোটার নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন অফিসে এসেছিলেন, বলেন, “আমি গত সপ্তাহে এসেছিলাম, কিন্তু দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও কাজ হয়নি। আজ আবার আসলাম, কিন্তু এখনো কোনো সেবা পাচ্ছি না।”
    অন্যদিকে, কাজল রেখা  যিনি ভোটার তথ্য সংশোধনের জন্য এসেছিলেন, বলেন, “কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরও কোনো সঠিক উত্তর পাচ্ছি না। অফিসে জনবল কম, এবং কর্মীদের মধ্যে তেমন কোনো তৎপরতা নেই।”
    এছাড়া, অনেকের অভিযোগ, অফিসের কর্মীরা তাদের সঠিকভাবে গাইড করেন না এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। কিছু জায়গায়, অফিসের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর এবং সেবা পেতে নাগরিকদের একধরনের অবহেলিত অবস্থায় পড়তে হচ্ছে।
    *স্থানীয় নির্বাচন অফিসের একজন কর্মকর্তা*, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বলেন, “আমরা প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে সেবা দিতে চেষ্টা করি, কিন্তু কর্মীসংকটের কারণে অনেক সময় সেবা দিতে দেরি হয়ে যায়। তবে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে যাতে নাগরিকদের সঠিক সেবা দেয়া যায়।”
    এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাচন কমিশনর জয়নুল আবেদীন সাথে যানতে চেয়ে কথা বলা হলে তিনি বলেন যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া হয় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘নাগরিকদের সেবা প্রদানকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
    নির্বাচন অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অসুবিধার শিকার হলেও, নির্বাচন কমিশন এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। তবে, নাগরিকদের এই ভোগান্তি কমাতে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সাধারন মানুষ।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী
  • পুঠিয়ায় দলীয় অফিস উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ১০

    পুঠিয়ায় দলীয় অফিস উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ১০

    নিউজ ডেস্ক:

    রাজশাহীর পঠিয়ায় দলীয় অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের ছাতারপাড়ায় বিএনপির নতুন অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হায়াত মো. আসাদুজ্জামান এর সমর্থকের সাথে শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাফিজুল ইসলাম এর সমর্থকের সংঘর্ষ হয়।

    সংঘর্ষে আহতরা হলেন হায়াত গ্রুপের ইন্তাজ আলী (৫০), মো. মিঠু (৪০), কালা চাঁদ (৫১), মো. রেজাউল ইসলাম (৪৮), ডাবলু সরকার (৪০), আজহার আলী (৫৫) এবং হাফিজুল গ্রুপের মো. রবিন (৩০), সোহাগ আলী (২৬), রাজু হোসেন (২৫), জিল্লুর রহমান (৩২), মহিউদ্দিন আহমেদ (৩৫)। আহতদের বাড়ি পুঠিয়ার মোল্লাপাড়া ও ছাতারপাড়ায় এলাকায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , পুঠিয়ার শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাফিজুল ইসলামের সমর্থকরা ছাতারপাড়া বাজারে বৃহস্পতিবার একটি নতুন অফিস খোলেন। নতুন অফিস খোলায় পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হায়াত মো. আসাদুজ্জামানের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর‌্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি সংগঠিত হয়।

    পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, ছাতারপাড়া বাজারে নতুন অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

    সূত্র:রাজ: আলো

  • রাজশাহীর দুর্গাপুরে ডাক্তার ও ক্লিনিকের অবহেলায় প্রসূতি নারীর মৃত্যু

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে ডাক্তার ও ক্লিনিকের অবহেলায় প্রসূতি নারীর মৃত্যু

    দূর্গাপুর প্রতিনিধি :

    রাজশাহী দুর্গাপুরে একটি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচার কালে রোকসানা বেগম (২৮) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাতে দুর্গাপুর উপজেলা সদরে অবস্থিত ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ এ ঘটনা ঘটে।

    এদিকে ঐ ঘটনার পর রাতেই ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ক্লিনিকে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়। নিহত প্রসূতি দুর্গাপুর পৌর এলাকার দেবীপুর মোল্লা পাড়া গ্রামের আবু হানিফের স্ত্রী।

    নিহতের স্বজনরা জানান, গত রোববার রাত ৮টার দিকে প্রসূতি রোকসানা বেগমকে উপজেলার সদরে ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করতে নিয়ে আসা হয়। এরপর রোকসানাকে সিজার করার জন্য অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। থেয়েটারে নেওয়ার পরে তাকে ইনজেকশন দেওয়া হয়। এসময় বাহিরে অপেক্ষা করেন স্বজনরা। কিছুক্ষন পরে হাসপাতালে জরুরী রোগী এসেছে বলে অপারেশন থিয়েটার থেকে বের হয়ে চলে যায় কর্তব্যরত চিকিৎসক মিল্টন খন্দকার।

    এসময় প্রসূতীর স্বজনদের সন্দেহ হয়। মিল্টন খন্দকার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সএ আবাসিক মেডিকেল অফিসার। তিনি ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ নিয়মিত অস্ত্রোপচার ও রোগী দেখেন। এরপর সেখানকার নার্স ও ক্লিনিক পরিচালক আলতাফ হোসেন রোগীর অবস্থা খারপ বলে তড়িঘড়ি করে রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে বের করে দেন। পরে প্রসূতির নাকের কাছে হাত নিয়ে দেখেন শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ। এরপর সেই অবস্থায় প্রসূতি রোকসানাকে আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক জানায় প্রসূতি রোকসানা অনেক আগেই মারা গেছেন। তবে সিজার অপারেশনের যে সকল প্রস্ততি তা কোন চিকিৎসক নিয়েছিলো তা শিকার করেননি কেও। এরই মধ্যে ক্লিনিক ছেড়ে পালিয়ে যায় নার্স ও মালিক পক্ষ। এখন পর্যন্ত ওই ক্লিনিক তালা বদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়।

    নিহতের স্বামী আবু হানিফ বলেন, ‘চিকিৎসক ভুল ইনজেকশন অথবা ভুল স্থানে ইনজেকশন দিয়ে অপারেশন থিয়েটারেই আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলেছে। আমার স্ত্রী স্বাভাবিক ও সুস্থ ছিলো। আমি এর বিচার চাই।

    এবিষয়ে ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলতাফ হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    এবিষয়ে দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, প্রসূতির মৃত্যুর খবর পেয়েছি। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এবিষয়ে,ডা মিল্টন খন্নকার বলেন, আমি অপারেশন করতে ক্লিনিকে গিয়েছিলাম। রোগীর কাছে গিয়ে দেখি রোগীর অপারেশন করার প্রাথমিক যে প্রস্তুতি তা চলছে। এমনকি ক্লিনিকের অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার ক্লিনিকের বাহিরেই ছিলেন। তবে মনে হচ্ছিল রোগীর শ্বাসকষ্টে হচ্ছে। এতে আমি রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে চলে আসি।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, আমাকে কর্তৃপক্ষ বা রোগীর স্বজনরা কেউ এ বিষয়ে জানায়নি। তবে আমি শুনেছি মা ও শিশু ক্লিনিকে একজন সিজারের রোগী মারা গিয়েছে।

    এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন বলেন, আমার এ বিষয়ে জানা নেই। তবে আমি খোঁজ খবর নিয়ে জানবো। এমনকি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ

    জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ

    জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) এর ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং ১০ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ ঘোষণা করা হয়েছে।

    নতুন কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মুভি বাংলা টেলিভিশন ও সময়ের আলো পত্রিকার বিশিষ্ট সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ। তিনি মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হিসেবে বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

    রোববার সকালে পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    নব নির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ সোহাগ জিসাসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবুল হাসেম রানা ও তার যোগ্য উত্তরসূরী নব নির্বাচিত সভাপতি গোল নাহার ইভা এবং সাধারণ সম্পাদক সাবেক ফুটবলার খ. ম. জাহাঙ্গীর আলমকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন জিয়ার আদর্শে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে ৩১ দফার বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকবো।# মহ/

  • দুর্গাপুরে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    দুর্গাপুরে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দুর্গাপুর শাখার আয়োজনে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ২৮ ডিসেম্বর (শনিবার) বিকেল ৩টায় দুর্গাপুর ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন
    অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দুর্গাপুর শাখার সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রাজশাহী জেলা সাধারণ সম্পাদক
    মাওলানা শফিকুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রাজশাহী জেলার সহ- সাধারণ সম্পাদক, আব্দুল্লাহ আল মামুন,বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দুর্গাপুর শাখার সেক্রেটারি সাইদুর রহমান শামীম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনে দুর্গাপুর শাখার উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দুর্গাপুর শাখার সেক্রেটারি মোঃ শামিম উদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দুর্গাপুর শাখার শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পৌর সদর ওয়ার্ড সভাপতি অধ্যাপক খায়রুল বারি তুহিন সহ উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী বৃন্দ। উক্ত সভায় বক্তারা, ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলেন।#  মহ/

  • মামলা বাজ আলমগীর বাদশার মামলার আতঙ্কে এলাকাবাসী

    মামলা বাজ আলমগীর বাদশার মামলার আতঙ্কে এলাকাবাসী

    রংপুর জেলা প্রতিনিধি:

    রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ইটভাটা মালিক আলমগীর বাদশা এলাকায় দাপট ও প্রভাব বিস্তারে হয়রানিসহ দমন পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে মামলাকে বেছেনিয়েছেন । তিনি এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির নামে একের পর এক মামলা রুজু করে ইতোমধ্য আলোচনার ঝড় তুলেছেন। নানা অজুহাতে বিভিন্ন ব্যাক্তির নামে পর্যায়ক্রমে মামলা দায়ের অব্যহত রয়েছে।

    ইতোমধ্য থানা, কোর্ট কাচারীতে প্রায় ২০টি নিয়মিত ও প্রচিকিউশন মামলায় প্রায় শতাধিক ব্যক্তিতে হয়রানিতে ফেলেছেন তিনি। ফলে ভীত সন্ত্রস্থ ও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। এ পরিস্থিতি থেকে অব্যহতি পেতে অনেকে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

    একাধিক অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার থিরারপাড়া গ্রামের মৃত আজগার আলীর ছেলে ইটভাটা ব্যবসায়ী আলমগীর বাদশা এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে কিছু বখাটেদের সঙ্গে নিয়ে তার নিজ এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা অব্যহত রেখেছে। এ ক্ষেত্রে যারাই বাধা হচ্ছেন তাদের দমনের জন্য একের পর এক মামলা দিচ্ছেন।

    প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী আলমগীর বাদশা বিগত ২০২০ সনের সেপ্টেম্বরে থিরারপাড়া গ্রামের মৃত আফজাল হোসেনের ছেলেরা সেলিমনমিয়াসহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে রংপুরের বিজ্ঞ কগনিজেন্সবা আমলি আদালতে একটা মামলা করে। যার সিআর নং-৩৭৯/২২। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। চলতি ২০২৪ সনের ২৫ আগষ্ট জাফরপাড়া গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামসহ ৭ জনকে আসামীকরে পীরগঞ্জ থানায় একটা মামলা করে। যার নং-২০/২৭৮।

    চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর থিরারপাড়া গ্রামের মৃতআফজাল হোসেনের ছেলে আজিজ মিয়াসহ ৯ জনকে আসামী করে রংপুরের বিজ্ঞ কগনিজেন্স আদালতে একটা মামলা করে। যার সিআর নং-৬৬৩/২৪ । চলতি বছরের ২০ এপ্রিল থিরারপাড়া গ্রামের ইসলাম মিয়ার ছেলে জুয়েলমিয়াসহ ৪ জনকে আসামী করে পীরগঞ্জ থানায় মামলা করে। যার নং-১৭/১২৮।

    এ ছাড়া আলমগীর হোসেন বিগত ২০২৩ সনের ১১ জুন থিরারপাড়া গ্রামের ইয়াজ উদ্দিনের ছেলে ইসলাম মিয়াসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করে পীরগঞ্জ থানায় জিডি করেন। যার নং-৮৫৯ । চলতি বছরের ৩০ মার্চ খেতাবেরপাড়া গ্রামের লোকমান মিয়ার ছেলে আয়নাল হকসহ ৪ জনকে অভিযুক্ত করে পীরগঞ্জ থানায় জিডি করেন। যার নং- ২৫২২। উপরোক্ত মামলা ছাড়াও আলমগীর বাদশা আরও অনেকের বিরুদ্ধে থানায় ও আদালতে অভিযোগ দাখিল করেছেন।

    সম্প্রতি অপহরণ ও ছিনতাইয়ের মামলায় আলমগীর বাদশাসহ তার ২ ম্যানেজার সুমন ও মন্টুএবং ছেলে ফারহান সহ ২১ দিন জেলহাজতে থাকে। এই ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করায় মাইটিভির মাহমুদুল হাসান ও এশিয়ানটিভির মিনহাজুল ইসলামসহ ১৩ জনকে আসামী করে রংপুর আদালতে ডাকাতি মামলার অভিযোগ দাখিল করেন আলমগীর বাদশা। যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

    এদিকে ১৯ ডিসেম্বর আলমগীর বাদশার ভাই শহিদুল ইসলাম রংপুরের পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে উল্লেখিত মামলা গুলির সুষ্ট তদন্ত এবং আলমগীর বাদশা যেন আর কোন মিথ্যা ও হয়রানি মুলক মামলা করতে না পারে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহনের অনুরোধ জানান।

    বিশিষ্ট ডিস ব্যবসায়ি শামিম মিয়া জানান, প্রায় ২০টি মামলার বাদী আলমগীর বাদশা, প্রায় সবগুলো মামলার স্বাক্ষীরা একই ব্যক্তি, মিথ্যা মামলায় ইতোমধ্য শতাধিক ব্যক্তিকে ফাঁসিয়েছে।
    এ প্রসঙ্গে আলমগীর বাদশা জানান, ব্যবসায়িক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এলাকায়শ ক্রতা আরাম্ভ হয়। ব্যবসা, জমি ও অর্থ সংক্রান্তঘটনার জের ধরে বিভিন্ন সময়ে মামলা রুজু করেছি। আমি মিথ্যা মামলা করিনি বরং নিজেই মিথ্যা মামলায় ২১দিন জেলহাজত খেটেছি।# মহ/

  • নবযোগদানকৃত রাজশাহীর পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা

    নবযোগদানকৃত রাজশাহীর পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা

    আজ ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিকাল ০৪.৩০ টায় নবযোদানকৃত রাজশাহীর পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সভায় পুলিশ সুপার জনাব ফারজানা ইসলাম ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে শহিদ ও আহতদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারের নতুন অভিযাত্রায় বাংলাদেশ পুলিশও নতুন উদ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই যাত্রায় প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ আপনারা আমাদের সহযাত্রী। গত পাঁচ মাসে আমরা নিরন্তর প্রচেষ্টায় পুলিশি কার্যক্রমকে মাঠ-পর্যায়ে সচল রেখে জনগণের জান ও মালের নিরাপত্তা প্রতিবিধান করছি।
    তিনি আরও বলেন, রাজশাহী জেলা পুলিশ অত্যন্ত বলিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করতে সমর্থ হয়েছে। গত আগস্ট হতে আজ পর্যন্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য-সহ মোট ৬১৮ জন ৩৫টি মামলায় গ্রেফতার হয়েছে। মাদক উদ্ধারে রাজশাহী রেঞ্জের মধ্যে রাজশাহী জেলা ভূয়শী প্রশংসা কুড়িয়েছে।
    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মোঃ খায়রুল আলম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ রফিকুল আলমসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

    উল্লেখ্য, এসভায় রাজশাহীর ইলেকট্রনিক্স, প্রিন্ট মিডিয়া ও অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ তাঁদের মূল্যবান মতামত উপস্থাপন করে রাজশাহী জেলা পুলিশকে সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।# মহ/

  • রাজশাহীতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য! সর. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা: নিরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ! 

    রাজশাহীতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য! সর. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা: নিরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ! 

    স্টাফ রিপোর্টার:

    শিক্ষানগরী রাজশাহীতে শিক্ষাকে সেবা থেকে ব্যবসায় পরিনত করে চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সরকারী স্কুল-কলেজের শিক্ষকরাও এখন এই কোচিং বাণিজ্যে নিয়োজিত।

    নগরীর বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে কোচিং সেন্টার চলছে, তারমধ্য সবচেয়ে বেশি কোচিং সেন্টার চলছে কাদিরগঞ্জ এলাকায়।

    রাজশাহী সরকারী মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকায় বেশি কোচিং সেন্টার দেখা যায়। ৩/৪ তালা বাসা ভাড়া নিয়ে একই বিল্ডিং-এ প্রতিটা ফ্লোরে আলাদা আলাদা নামের কোচিং দেখা যায়।

    বছরের শুরুতে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তির প্রতিযোগিতায় আকর্ষনীয় প্রচারপ্রত্র নিয়ে কোচিং সেন্টারগুলো জোরদার প্রচার প্রচারনা শুরু করেছে।

    এই প্রতিযোগিতায় সরকারী স্কুলের শিক্ষকরাও থেমে নাই। হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও কোচিং বাণিজ্যকে বৈধ মনে করেন।

    আর এর পিছনে মুল সমস্যা হলো আইন বাস্তবায়নকারী সংস্থার উদাসীনতা আর অবহেলা।

    হেলেনাবাদ সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের কোচিং “বাংলা বাতিঘর” চাকচিক্য গ্লোসি পেপারে প্রচারপত্র ছাপিয়ে ১ নভেম্বর থেকে ভর্তি শুরু করেছে।

    ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত তিনি নিজেই ব্যাচ করে পড়ান। প্রচার পত্রে তার কোচিংএর ব্যাচ সংখ্যা ২১ টা। প্রতি ব্যাচে জনপ্রতি শিক্ষার্থীর কাছে কোর্স ফি ৮ /৯ হাজার টাকা।

    অবৈধভাবে কোচিং সেন্টার চালানোর বিষয় নিয়ে শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্বীকার করেন তিনি অন্যায় করছেন।

    সেই সাথে তিনি বলেন “সরকারী হাসপাতালে চাকরী করে ডাক্তাররা যদি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রুগী দেখতে পারে তাহলে আমরা কেনো পারবো না, আমরা তো চুরি করছি না”।

    বাংলা বাতিঘরের কোন ট্রেড লাইসেন্স আছে কি জানতে চাইলে তিনি জানান তার কোচিং এর কোন ট্রেড লাইসেন্স নাই।

    একই এলাকায় “বাংলা মন্জুষা” নামের কোচিং সেন্টার চালাচ্ছেন রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক দীলিপ কুমার।

    দীলিপ কুমার মাধ্যমিকের শিক্ষক তিনিও তার কোচিং সেন্টারে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী পড়ান।

    তার কোচিং সেন্টারের স্টাফদের দেয়া তথ্য মতে ব্যাচ সংখ্যা ১২ টা প্রতি ব্যাচে ৫০/৬০ জনের বেশি শিক্ষার্থী পড়ান। তিনি নিজেই ক্লাশ নেন স্টাফরা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাজ গুলো করে।

    কোচিং সেন্টার চালানোর বিষয় নিয়ে তার সাথে মুঠোফনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে চায়ের দাওয়াত দেন তার কোচিং সেন্টারে।

    অবৈধভাবে কোচিং সেন্টারের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি কোচিং সেন্টার চালাতে পারেননা বললেও পরে বলে কিছু ক্ষেত্রে কোচিং করার অনুমতি আছে তবে কোন ক্ষেত্রে কোচিংএর অনুমতি আছে সেটা তিনি জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

    তিনি বলেন আমি মাধ্যমিকের শিক্ষক আমার কোচিং-এ উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পড়ানো হয়। তবে তার সাদা কাগজের প্রচারপত্রে নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়ে তথ্য দেয়া আছে, এবং তিনি স্কুলের মাধ্যমিকের শিক্ষক।

    স্কুল সুত্রে জানা যায় দিলীপ কুমার পড়াশোনা করেছে সংস্কৃতি বিষয়ে, স্কুলে নিয়োগ নেন হিন্দু ধর্ম শিক্ষক হিসেবে পরবর্তীতে সংস্কৃতিতে বাংলা ৩০০ নম্বরের বিষয় থাকায় তাকে বাংলার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন।

    তার চাকরি সম্প্রতি সময়ে সরকারী হয়েছে তবে তিনি সরকারী ভাবে এখনও বেতন পান না, স্কুল থেকে কিছু সম্মানি পান ।

    তবে কোচিং বাণিজ্য করেই তিনি গড়ে তুলেছেন দুইটা বাড়ি। একটায় বসবাস করে আরেকটি কয়েকজন শিক্ষক মিলে যৌথ মালিকানায় নির্মানাধীন।

    জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার ভাই একই প্রতিষ্ঠানের রসায়নের প্রভাষক ইন্দ্রজিৎ সরকার জড়িত। (যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে)

    স্ত্রীর নামে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স করে নিজেই কোচিং পরিচালনা করেন দীলিপ কুমার। কোচিং বাণিজ্যের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের পর থেকে দীলিপ কুমার বিভিন্ন মহলে তদবির করেন যেন তার নামে সংবাদ প্রকাশ না করা হয়।

    কোচিং বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জানান ” সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য করার বিধান নাই ” তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কোচিং করে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন কোন শিক্ষক কোচিং করে সেটা আমার জানা নাই তবে আমি জানলে তাকে সতর্ক করে দিবো “।

    সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার করতে পারবে কি না জানতে চাইলে আঞ্চলিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড.শরমিন ফেরদৌস বলেন “না পারবে না, কোন শিক্ষক কোচিং করতে পারবে না বিধানে নেই “।

    শহরের মধ্যেই কোচিং সেন্টার চালাচ্ছে আপনারা কেনো সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেন না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ” আমদের কাছে সঠিক কোন তথ্য নাই কোন শিক্ষক কোচিং সেন্টার চালাচ্ছে, তাই আমরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারিনা।

    কেউ যদি অভিযোগ করে তাহলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • মাড়িয়া যুব সমাজের আয়োজনে বিজয় দিবস উপলক্ষে খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    মাড়িয়া যুব সমাজের আয়োজনে বিজয় দিবস উপলক্ষে খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    দূর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ  

    রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়ায় যুবসমাজের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস-২৪ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা খেলাধুলা ও সন্ধ্যায় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    ২১ ডিসেম্বর(শনিবার) মাড়িয়া মৃধাপাড়া রবের মোড়ে যুব সমাজের আয়োজনে  খেলাধুলার ও পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

    মহান বিজয় দিবসে সরকার কর্তৃক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানসূচি দেওয়ায়, নতুন প্রজন্মকে উৎসবমুখর পরিবেশে নানা খেলাধুলার ও অত্র এলাকায় বাবর চেয়ারম্যান নূরানী হাফেজী মাদ্রাসার কৃতি ছাত্রদের উৎসাহিমূলক পুরস্কারের আয়োজন করেন।

     

    আফজাল হোসেন জুয়েল ও শরিফুল ইসলাম হোদার সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে আক্তার আলী মৃধার সভাপতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সিরাজুল করিম সুনু । অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দূর্গাপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি  সদস্য ও সাবেক মাড়িয়া ইউপির  সভাপতি আহমেদ আলী ভুলন।

    দূর্গাপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি  সদস্য ও সাবেক দূর্গাপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মোস্তাক আহমেদ, সাবেক সাধারন সম্পাদক মাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল সোহানুর রহমান সুজন,ছাত্রনেতা ইশতিয়াক বাপ্পি, আব্দুল গাফফার মন্ডল, মো:গোলাম মোস্তফা, মোঃ আলাউদ্দিন আলা, আরাফাত রহমান ছোটন প্রমুখ।

    প্রধান অতিথি সিরাজুল করিম সুনু বলেন,শহীদ জিয়ার আদর্শ ও তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় আগামী দিনে সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা লক্ষ্যে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন স্বৈরাচারের মতো স্বৈরাচারী আচরণ না করে সাধারণ জনগণ, ভোটারের কাছে গিয়ে তাদের সাথে মিশে আগামী দিনে বিএনপিকে শক্তিশালী করার অনুরোধ জানান এবং লভিং গ্রুপিং বাদ দিয়ে নেতা ও কর্মীকে এক হয়ে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার আহবান জানান।

    অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা সমসাময়িক নানা বিষয়ে বক্তব্য পেশ করেন। তাহারা বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজকে মাদক ও মোবাইল আসত্তি থেকে দুরে রাখতে হবে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী