Category: বাংলাদেশ

  • বাঘায় মাদক ব্যবসায়ী ও ইমু হ্যাকারদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন। 

    বাঘায় মাদক ব্যবসায়ী ও ইমু হ্যাকারদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন। 

    বাঘা প্রতিনিধি :

    সমাজ থেকে মাদক ও ইমু হ্যাকার নির্মূল। মাদক ব্যবসায়ী ও ইমু হ্যাকারদের আইনের আওতায় এনে সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনের লক্ষ্যে রাজশাহীর বাঘায় উপজেলাবাসীদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ( ২২ অক্টোবর ) দুপুর সাড়ে ১২ টায় বাঘা থানা চত্বরের সামনের রাস্তায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 

    এ সময় তরুণ ও যুব সমাজকে মাদক ও ইমু হ্যাকারদের থেকে দূরে রেখে, মাদক ব্যবসায়ী ও ইমু হ্যাকারদের আইনের আওতায় এনে সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও সচেতনতা মূলক বক্তব্য দেন বক্তারা।

    রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাঘা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল রহমানেরভ পরিচালনায় মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাঘা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

    মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান জুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম স্বপন,উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ হিটলার মন্ডল, চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ রেজাউল করিম, চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সােয়ম শিকদার, খন্দকার সুপার মার্কেটের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সেন্টু, জেলা ছাত্রদলের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আশিক ইকবাল হিমেল, সাবেক ছাত্রদল নেতা তানভীর আহমেদ পিয়াস, যুবদল নেতা হাসিবুল, শরিফুল ইসলাম, রনি আহমেদ, হাফিজুল ইসলাম, ছাত্রনেতা জীবন, ফয়সাল, স্বাধীন, আরিফ হোসেন, তরিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ, বাউসা ইউনিয়ন যুবদল নেতা শিমুল, মনিগ্রাম ইউনিয়ন যুবদল নেতা রুবেল আহমেদ, বাউসা ইউনিয়ন যুবদল নেতা নুরুজ্জামান, বাঘা পৌর ছাত্রনেতা আলামিন প্রমুখ সহ শতশত তরুণ, যুবক ও স্থানীয়রা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • বাঘায় ইউএনও তরিকুল ইসলামের পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন। 

    বাঘায় ইউএনও তরিকুল ইসলামের পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন। 

    বাঘা প্রতিনিধি :

     

    রাজশাহীর বাঘায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মো. তরিকুল ইসলাম এর পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাধারণ জনগণ। মঙ্গলবার ( ২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে। 

    মানববন্ধনে একাধিক বক্তা বলেন আন্দোলনের সময় ছাত্রদের ওপর নির্মম হামলা চালানো হলেও বাঘায় ইউএনও মো: তরিকুল ইসলামের দূরদর্শী পদক্ষেপে কোনো ধরনের সহিংসতা হয়নি। তার মত এমন সৎ, নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা কমই পেয়েছি আমরা।

    জানা যায়, গত ১৭ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মুহাম্মাদ ইব্রাহীমের  স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে মো: তরিকুল ইসলাম কে পদন্নোতি করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে চাঁপাইনবয়াবগঞ্জ বদলির আদেশ জারি করা হয়।

    এর আগে তিনি তার কর্মজীবনে বর্তমানে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ১৩/ ১২ /২০২৩ সালে যোগদান করে সাড়ে ১০ মাস দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও পটুয়াখালী ডিসি অফিস,  বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহী আরডিসি, সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পাবনা শাজাদপুর নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে এসেছেন।

    সেবা প্রদানে করেননি কখনো কার্পণ্যতা। কর্মজীবনে যেখানেই দায়িত্ব পালন করেন সেখানেই হাস্যজ্জল মুখে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সমাজিক সংগঠনের সাথে সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা পালন করে চলেছেন তিনি।

    রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাঘা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল রহমানের পরিচালনায় মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাঘা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান জুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম স্বপন,উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ হিটলার মন্ডল, চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ রেজাউল করিম, চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সােয়ম শিকদার, খন্দকার সুপার মার্কেটের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সেন্টু, জেলা ছাত্রদলের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আশিক ইকবাল হিমেল, সাবেক ছাত্রদল নেতা তানভীর আহমেদ পিয়াস, যুবদল নেতা হাসিবুল, শরিফুল ইসলাম, রনি আহমেদ, হাফিজুল ইসলাম, ছাত্রনেতা জীবন, ফয়সাল, স্বাধীন, আরিফ হোসেন তরিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ, বাউসা ইউনিয়ন যুবদল নেতা  শিমুল মনিগ্রাম ইউনিয়ন যুবদল নেতা রুবেল আহমেদ বাউসা ইউনিয়ন যুবদল নেতা নুরুজ্জামান বাঘা পৌর ছাত্রনেতা আলামিন সহ প্রমুখ।

    সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার অফিস সাধারণ মানুষের জন্য সার্বক্ষণিক খোলা থাকে এটা দেখার সৌভাগ্য কমই হয়। তাছাড়া তার মার্জিত ব্যবহার দিয়ে সার্বক্ষণিক উপজেলার মানুষের সেবা করেছেন। তার ব্যবহার ও কর্মের কারণেই উপজেলাবাসী তাকে এতোটা ভালোবাসে। তার মত এমন সৎ, নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা কমই পেয়েছি। আমাদের একটাই দাবি, বাঘার অসমাপ্ত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ করতে তাকে আরো কিছু দিন এই উপজেলা তেই রাখা হোক।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • দুর্গাপুরে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক

    দুর্গাপুরে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক

    দুর্গাপুর(রাজশাহী) প্রতিনিধি:

     

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    জানা গেছে, স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে । এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগী ওই সাংবাদিকের নাম রাজু আহমেদ। তিনি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার দুর্গাপুর উপজেলা প্রতিনিধি।

    সোমবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার দাওকান্দি বাজারে এ ঘটনা ঘঠে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বড় ভাই ।

    এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দুর্গাপুর প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমাজ এর নেতৃবৃন্দ।

    সাংবাদিক নেতারা বলছেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা দান স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর আঘাত। পেশাগত দায়িত্ব পালনে এমন সন্ত্রাসী হামলায় উদ্বিগ্ন তারা। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি তাদের।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দাওকান্দি বাজারে ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আঞ্চলিক বিএনপির অফিস উদ্বোধন করা হবে এবং সেখানে দু’পক্ষের সংঘর্ষের আসংখা রয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সাংবাদিক রাজু আহমেদ ও ঘটনার বক্তব্য মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করছিলেন। এ সময় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য খায়রুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ১০-১৫ জন দুর্বৃত্ত অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে নেয় ও শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করে ও রাজু আহমেদ’কে এলোপাতাড়ি মারধোর করে।

    হামলার শিকার সাংবাদিক রাজু আহমেদ জানান, বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে খায়রুল মেম্বারের অনুসারীরা আমার উপর অর্তকিত হামলা চালায়। বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেবেন বলে জানান তিনি।

    অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য খায়রুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ও তার কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুরুল হুদা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই তবে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • সংবাদ প্রকাশের জেরে বাঘায় সাংবাদিকের উপর মাদক কারবারি’র হামলা

    সংবাদ প্রকাশের জেরে বাঘায় সাংবাদিকের উপর মাদক কারবারি’র হামলা

    নিজস্ব প্রতিনিধি:

    রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় সংবাদ প্রকাশের জেরে পূর্ব শত্রুতা থেকে সাংবাদিক আবুল হাসেম ও তাঁর পিতার উপর সন্ত্রাসী হামলা করা হয়েছে।

    সাংবাদিক আবুল হাসেম জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকায় বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের একজন গর্বিত সদস্য। হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব।

    ২০ অক্টোবর (রোববার) বেলা ৩:৪৫ ঘটিকায় সাংবাদিক আবুল হাসেমের নিজ বাসায়, বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়ায় হামলার ঘটনা ঘটে।

    ঘটনা ও এজাহার সুত্রে জানা যায়, পাকুড়িয়া এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি শুকুর আলীর ছেলে সুমন আলীর নেতৃত্বে আজাহার আলী, সুজন আলীসহ মাদক ব্যবসায়ীরা সাংবাদিক হাসেমের পরিবারের উপর হামলা চালায়। হামলায় গুরুতর আহত হয় সাংবাদিক হাসেম ও তাঁর পিতা। হামলায় হাসেমের মাথায় ৫ টি ও তার পিতার মাথায় ১২ টি সিলাই পড়ে। বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। এঘটনায় বাঘা থানায় এজাহার দায়ের করাও হয়েছে।

    স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, মাদক কারবারিরা এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তুচ্ছ ঘটনায় তাঁরা যাকে তাকে মারধর করেন। প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করেন। ঘটনায় প্রথমে কথা কাটাকাটি পর্যায়ে থাকলেও পরে হাসুয়া, হাতুড়িসহ অস্ত্রসজ্জিত মাদক কারবারিরা আবারও হামলা চালায়। হামলায় সাংবাদিক হাসেমের পিতার মাথায় হাসুয়া দিয়ে আঘাত করেন। এরপর সাংবাদিক হাসেম বাধা দিতে গেলে তাঁকেও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয়।

    জানতে চাইলে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সিদ্দিক বলেন, আমি তৎক্ষনাৎ ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেছি। এজাহার দায়ের হয়েছে, তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।# মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহীর দুর্গাপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপিত

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপিত

    দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

     

    আগামী প্রজন্মকে সক্ষম করি, দুর্যোগ সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে রাজশাহীর দুর্গাপুরেও উদযাপন হলো আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস। এ উপলক্ষে একটি র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (১৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে দুর্গাপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর কর্মকর্তারা একটি দৃষ্টিনন্দন মহড়া প্রদর্শিত করেন।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুবা আক্তারের সঞ্চালনায় ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার তৌহিদুর রহমান, দুর্গাপুর উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামসহ স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।#মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • দুর্গাপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    দুর্গাপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    দুর্গাপুর প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে “শিক্ষকের কন্ঠস্বর: শিক্ষায় একটি নতুন সামাজিক অঙ্গীকার” এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৪ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৫ অক্টোবর সকাল ১০ টার সময়ে উপজেলা কনফারেন্স রুমে আলোচনাসভা শেষে উপজেলা চত্বর থেকে শুরু হওয়া বর্ণাঢ্য র‌্যালি বাজারের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মুহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক বৃন্দ।শিক্ষকরা দিবসটি উপলক্ষে তাদের নানান প্রতিবন্ধকতা বর্ণনা করেন।

    প্রধান অতিথি মহান শিক্ষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে দিবসটি নিয়ে বিস্তার আলোচনা করে তিনি বলেন, শিক্ষায় একটি জাতির মেরুদন্ড, শিক্ষা একটি দেশ ও জাতিকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করে। শিক্ষার আলো ব্যক্তিকে, সমাজকে, দেশকে, আলোকিত করে। এই আলো জ্বালানোর প্রধান কারিগর আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক। প্রত্যেকটি ছাত্রছাত্রীদের জীবনে সেই আসার আলো, যিনি সঠিক দিক নির্দেশনা করে ছাত্র-ছাত্রীকে উন্নতির পথে নিয়ে যান। আজ শিক্ষক দিবস উপলক্ষে প্রত্যেক শিক্ষকদের জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

    জানা যায়, বিশ্ব শিক্ষক দিবস ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বব্যাপী পালন করা হয়। ইউনেস্কোর মতে, বিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ পালন করা হয়।#মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ রাজশাহীতে

    কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ রাজশাহীতে

    রাজশাহী প্রতিনিধি :

    সরকারি চাকুরীতে কোটা পুনর্বহালের রায় বাতিল এবং কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে রাখেন ।

    মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে কলেজ গেটের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এরপর সড়কে বসে পড়েন তারা। প্রায় আধাঘণ্টা সড়কটি অবরোধ করে রাখেন আন্দোলনকারীরা।

    শিক্ষার্থীরা এসময় কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন ।

    আন্দোলনে অংশ নেওয়া মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সামিউল ইসলাম বলেন, একজন মেধাবী শিক্ষার্থী সারাবছর পড়াশোনা করে চাকুরীর বাজারে কোটার কাছে হেরে যাচ্ছে। ভালো চাকরি পাচ্ছেন না। অথচ একজন অযোগ্য লোক কোটা থাকায় চাকরীর বাজারে টিকে যাচ্ছে। আমরা চাই সবাই মেধার ভিত্তিতেই চাকরী পাক ।তিনি আরও বলেন, স্বাধীন রাষ্ট্রে সরকারি চাকুরীতে ৫৬ শতাংশ কোটা থাকা অযৌক্তিক। কোটা যদি থাকে তাহলে বৈষম্য থেকেই যায়, কোন ধরনের বৈষম্য যাতে এই বাংলায় না হয় এটা আমাদের চাওয়া। তাই আমরা কোটা সংস্কার চাই।

    হাবিবা খাতুন নামে আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমরা নারী হয়েও কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছি। নারীরা এখন আর পিছিয়ে নাই, আমাদের কোটা দিয়ে চাকুরী করার দরকার নাই, মেধা দিয়েই চাকরী করতে চাই। প্রতিবন্ধী কোটা ছাড়া সব ধরনের কোটা বাতিলের দাবিতে আজ অবস্থান নিয়েছি। আমাদের দাবি না মানলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবো।

    এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। জানান, দিন যতই যাবে ততই কঠোর আন্দোলন হবে।#

    মহ/

  • ঐতিহ্যে ঘেরা কিসমত মাড়িয়া মসজিদ

    ঐতিহ্যে ঘেরা কিসমত মাড়িয়া মসজিদ

    নিজস্ব প্রতিবেদন :

    মলিন ও বিবর্ণ হয়ে যাওয়া দেয়ালে ইতিহাস আর ঐতিহ্যের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে কিসমত মাড়িয়া মসজিদ। এটি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত। ঐতিহ্যে ঘেরা বাংলাদেশের একটি প্রাচীনতম মসজিদ। আনুমানিক ১৫০০ সালে এটি নির্মিত হয়েছিল। বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।

    রাজশাহী মহানগরী থেকে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক ধরে প্রায় ১৩ কিলোমিটার গেলে শিবপুর বাজার নামক স্থান থেকে প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের সাইনবোর্ড ধরে এগিয়ে যেতে হবে। এভাবে প্রায় ৪-৫ কিলোমিটার গেলে এই মসজিদ পাওয়া যাবে। প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের অন্তর্ভুক্ত হলেও আজ পর্যন্ত এর কোনো রক্ষণাবেক্ষণ বা সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা। আমবাগান আর ফসলের ক্ষেত বেষ্টিত এ মসজিদটি সম্পর্কে গ্রামের মানুষের মধ্যে অনেক কিংবদন্তী কাহিনী প্রচলিত আছে।

    এ মসজিদ সম্পর্কে সঠিক কোনো ইতিহাস পাওয়া যায় না। তবুও নির্মাণশৈলী দেখে অনুমান করা হয় মসজিদটি আনুমানিক ১৫০০ সালে স্থানীয় কোনো মুসলিম দরবেশ বা দিল্লির মুঘল শাসকদের নির্দেশে কোনো জমিদার কর্তৃক নির্মিত।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মসজিদটির ক্ষয়ে যাওয়া দেয়ালে এখনো কিছু শৈল্পিক কর্ম বিদ্যমান। মুসলিম ঐতিহ্য অনুসারে শিল্পীদের করা পোড়ামাটির টেরাকোটা যা গাছ-ফুল-লতা ইত্যাদি ধারণ করেছে। এগুলো মসজিদের সৌন্দর্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছে। তৎকালীন হিন্দুপ্রধান এ এলাকায় মুসলিমদের সংখ্যা কম হওয়ায় এ মসজিদটি আকারে বেশ ছোট।

    মসজিদটির তিনটি প্রবেশদ্বার আছে। প্রত্যেকটি দ্বারের ঠিক সমান্তরালে ওপরে ছাদের মাঝামাঝি একটি করে গম্বুজ আছে। মসজিদটির সামনে লাগোয়াভাবে ছোট্ট উঁচু উঠান (খোলা বারান্দা) আছে যা অনুচ্চ প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত এবং একটি তিন ধাপী ছোট সিঁড়ি দ্বারা ভূমিতে সংযুক্ত। এর দক্ষিণে একটি দ্বিতল চৌচালা স্থাপনা আছে যা বিবির ঘর বলে পরিচিত আছে বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। পুরো স্থাপনাটা নির্মিত হয়েছে চুন, সুরকি ও ইট দিয়ে। দেশের অন্যান্য পুরাতন মসজিদের সাথে এই মসজিদের একটি সাধারণ ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয়, তা হলো মসজিদটির একেবারে সন্নিকটে কোনো বড় জলাধার বা পুকুর-দীঘি নেই।

    স্থানীয় রহমান আলী নামে এক মুসল্লি প্রতিবেদকে বলেন, এই মসজিদে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে নামাজ পড়ছি। এখানে নামাজ পড়তে এক ধরনের ভালো লাগা কাজ করে।

    মসজিদের খতিব ও ইমাম জানান, তিনি দীর্ঘদিন এ মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছেন, এই এলাকায় এমন ঐতিহাসিক মসজিদ আর নেই। তাই দ্রুত এর রক্ষনাবেক্ষন ও সংস্কারের দাবি জানান তিনি।

    আশেপাশের লোকজন ও ভ্রমনপ্রিয় মানুষ এ মসজিদে নামাজ আদায় করেন। মসজিদটি এখনো পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় স্মারক। প্রতিদিন দেশী-বিদেশী পর্যটক মসজিদটি পরিদর্শনে আসেন।#

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ও ভূমি সেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় যেসব ডিজিটাল সেবা দিয়েছে এই লক্ষে অনলাইন ভূমি সেবা ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা জনসাধারণ।

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করে দেখা গেছে, নামজারি সহ বিবিধ মামলা, ভূমি উন্নয়ন কর, অর্পিত সম্পত্তি লীজ, মানি আদায়, সরকারি খাস জমি উদ্ধার ইত্যাদি কাজে পূর্বের তুলনায় দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড অনেক গতিশীল। বছর দু’য়েক আগে দাউদকান্দি উপজেলায় একটি নামজারি মামলা নিষ্পত্তিতে ৪৫-৬০ দিন সময় অতিবাহিত হতো, বর্তমানে মাত্র ১০-১৫ দিনে এ কার্যক্রম সম্পাদন হচ্ছে।

    প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক সেবা প্রার্থী ই-নামজারি সহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে এ ভূমি অফিসে আসেন। হয়রানি ছাড়া সেবা পেয়ে তারা অনেক খুশি ও সন্তুষ্ট। সেবা নিতে আসা দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের সালাউদ্দিন মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ই-নামজারি করতে পেরে আবেগ আপ্লুত হয়ে জানান, অনলাইনে নামজারি আবেদন করেন। এরপর মোবাইলে আসা এসএমএস অনুযায়ী শুনানিতে উপস্থিত হয়ে তার ই-নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে যায়। অতীতের হয়রানির ঘটনা এখন ইতিহাস।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দাউদকান্দি উপজেলায় বিগত ৩০ দিনে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির গড় সময়সীমা ১০ দিন যা কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্ন।

    প্রাপ্ত তথ্যচিত্র অনুযায়ী কুমিল্লা জেলায় গড় নিষ্পত্তি দিনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস। তথ্য অনুযায়ী দাউদকান্দি উপজেলায় গড় নিষ্পত্তি সময় ১০ দিন, যা কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে শীর্ষে । ই-নামজারি সেবা সহজীকরণে ও জনগণকে স্বল্পতম সময়ে এ সেবা দিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জিয়াউর রহমান।

    তিনি জানান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের দিক-নির্দেশনার আলোকে আমরা আইনানুগভাবে নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে মানুষকে দ্রুততম সময়ে ভূমি সেবা ও ভূমি বিষয়ক পরামর্শ প্রদানে বদ্ধপরিকর। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক সরাসরি শুনানি গ্রহণ, ইউনিয়ন ও উপজেলায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট অফিসারদের তৎপরতার ফলে দালাল তথা তৃতীয় পক্ষের দৌরাত্ম্য কমেছে। দাউদকান্দিও মানুষ এখন অনলাইন/স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে।

    এই কর্মকর্তা আরো বলেন, বর্তমান কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক ই-নামজারি সেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। যখন আমি এ উপজেলার দায়িত্ব গ্রহন করি তখন গড় নিষ্পত্তি সময় ছিল ৪৫ থেকে ৬০ দিন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, কানুনগো, অফিস সহকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ সেবা বর্তমানে ১০ দিনে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও স্বল্প সময়ে এ সেবা দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনাকে বাস্তবায়ন করে এখন আমরা স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার দিকে আগাচ্ছি। স্মার্ট ভূমি সেবা বাস্তবায়নের লক্ষে জণগনকে শতভাগ দ্রুততার সাথে এবং সহজে সেবা প্রদানে আমরা বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসংশনীয়।

  • ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    গাজীপুরের জয়দেবপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসক এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

    তদন্ত কমিটি ও বরখাস্তের বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর জংশনের স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া।

    বরখাস্তরা হলেন- আপ ঘুন্টি স্টেশন মাস্টার মো. হাসেম, পয়েন্টস ম্যান সাদ্দাম হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

    রেলওয়ের পক্ষ থেকে সিওপিএস মো. শহীদুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্যের আঞ্চলিক তদন্ত কমিটি এবং রেলেওয়ের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী (সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন) সৌমিক শাওন কবিরকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে জয়দেবপুর স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া জানান, টাঙ্গাইল কমিউটার ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। সিগন্যাল ম্যানের ভুলের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

    তবে কমিউটার ট্রেনটিতে তেমন যাত্রী ছিল না বললেই চলে। এ কারণে হতাহতের সংখ্যা কম হয়েছে। কমিউটার ট্রেনের লোকো মাস্টারসহ (ট্রেনের চালক) চারজন আহত হয়েছেন।

    এদিকে শুক্রবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে টাঙ্গাইল কমিউটারের তিনটি বগি দুমড়েমুচড়ে যায়।

    এছাড়াও দুটি ট্রেনের ৮টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এরপর থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এলে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়। কাজ চলমান থাকলেও দুপুর থেকে অন্য লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু করে।