Category: বাণিজ্য

  • আওয়ামী লীগের ২নেতা চেয়ারম্যান শশুরের প্রভাব খাটিয়ে ৮ কোটি টাকার ২টি প্রতিষ্ঠান দখল : বিচারের  আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এম ডি 

    আওয়ামী লীগের ২নেতা চেয়ারম্যান শশুরের প্রভাব খাটিয়ে ৮ কোটি টাকার ২টি প্রতিষ্ঠান দখল : বিচারের  আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এম ডি 

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী লীগের ২ নেতা দখল করে নিলো প্রায় ৮ কোটি টাকার জেনারেল এগ্রোভিট ও অগ্রগামী এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ নামের ২টি প্রতিষ্ঠান। মারপিট করে বের করে দেয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্তাপনা পরিচালক নাজমুস সাকিবকে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে ভেড়ামারায় সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবি করেছেন তিনি।

    সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে জেনারেল এগ্রোভিট প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্তাপনা পরিচালক নাজমুস সাকিব বলেন, ২০১৭ সালে ভেড়ামারার মোকারিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সামাদ’র জামাতা রফিকুল ইসলাম বাবুকে সঙ্গে নিয়ে জেনারেল এগ্রোভিট লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি। প্রায় দুই বছর ব্যবসা পরিচালনার পর ২০১৯ সালে আরও একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। নাম দেন অগ্রগামী এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ। সে সময় আরেক আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা মোহাম্মদ মেহের আলীকে ব্যবসার পার্টনার নেন। তিনজনের মধ্যে চুক্তি হয় সমান অংশীদারের। তিনি ছিলেন জেনারেল এগ্রোভিট লিমিটেডের এমডি এবং অগ্রগামী এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান।

    ফিশারিজ এবং ফিশারিজ ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স বিএসসি (অনার্স) করা সাকিব আরও জানান, মেধা আর পরিশ্রম দিয়ে দ্রুত প্রতিষ্ঠান দুটোকে সাফল্যের দিকে নিয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানের সম্পদের পরিমাণ হয়ে ওঠে প্রায় ৮ কোটি টাকা। এমন অবস্থায় ওই দুই পার্টনার ষড়যন্ত্র করে তার শ্বশুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদের সরাসরি হস্তক্ষেপে ২০২৩ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে। জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠান থেকে  বের করে দেয়।

    ওই সময় ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করলেও আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে তাও বানচাল করে দেয়া হয়। আমাকে শূন্য হাতে বের করে দেয়। ভেড়ামারা থানায় এক সালিশে আমাকে নগদ ৭০ লাখ টাকা দেয়ার প্রস্তাব করা হলে আমি সেই প্রস্তাবে রাজি হইনি। তিনি বলেন, ব্যবসা ছেড়ে আসতে হলেও চুক্তি অনুযায়ী আমি ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা পাওনাদার হই। এ সময় আওয়ামী লীগের ওই গ্যাং প্রভাব খাটিয়ে আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক স্ট্যাম্প ও বিভিন্ন কাগজপত্র স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।

    এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালতে ২ পার্টনার, তার সহযোগী আব্দুস সামাদ চেয়ারম্যান ও মোকাদ্দেস হোসেন ঝন্টুকে আসামি করে একটি সিআর মামলা দায়ের করেছি। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করে বলেন, সাংবাদিকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে ন্যায়বিচার চাই।#

    মহ/

  • রাজশাহীতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য! সর. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা: নিরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ! 

    রাজশাহীতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য! সর. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা: নিরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ! 

    স্টাফ রিপোর্টার:

    শিক্ষানগরী রাজশাহীতে শিক্ষাকে সেবা থেকে ব্যবসায় পরিনত করে চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সরকারী স্কুল-কলেজের শিক্ষকরাও এখন এই কোচিং বাণিজ্যে নিয়োজিত।

    নগরীর বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে কোচিং সেন্টার চলছে, তারমধ্য সবচেয়ে বেশি কোচিং সেন্টার চলছে কাদিরগঞ্জ এলাকায়।

    রাজশাহী সরকারী মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকায় বেশি কোচিং সেন্টার দেখা যায়। ৩/৪ তালা বাসা ভাড়া নিয়ে একই বিল্ডিং-এ প্রতিটা ফ্লোরে আলাদা আলাদা নামের কোচিং দেখা যায়।

    বছরের শুরুতে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তির প্রতিযোগিতায় আকর্ষনীয় প্রচারপ্রত্র নিয়ে কোচিং সেন্টারগুলো জোরদার প্রচার প্রচারনা শুরু করেছে।

    এই প্রতিযোগিতায় সরকারী স্কুলের শিক্ষকরাও থেমে নাই। হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও কোচিং বাণিজ্যকে বৈধ মনে করেন।

    আর এর পিছনে মুল সমস্যা হলো আইন বাস্তবায়নকারী সংস্থার উদাসীনতা আর অবহেলা।

    হেলেনাবাদ সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের কোচিং “বাংলা বাতিঘর” চাকচিক্য গ্লোসি পেপারে প্রচারপত্র ছাপিয়ে ১ নভেম্বর থেকে ভর্তি শুরু করেছে।

    ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত তিনি নিজেই ব্যাচ করে পড়ান। প্রচার পত্রে তার কোচিংএর ব্যাচ সংখ্যা ২১ টা। প্রতি ব্যাচে জনপ্রতি শিক্ষার্থীর কাছে কোর্স ফি ৮ /৯ হাজার টাকা।

    অবৈধভাবে কোচিং সেন্টার চালানোর বিষয় নিয়ে শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্বীকার করেন তিনি অন্যায় করছেন।

    সেই সাথে তিনি বলেন “সরকারী হাসপাতালে চাকরী করে ডাক্তাররা যদি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রুগী দেখতে পারে তাহলে আমরা কেনো পারবো না, আমরা তো চুরি করছি না”।

    বাংলা বাতিঘরের কোন ট্রেড লাইসেন্স আছে কি জানতে চাইলে তিনি জানান তার কোচিং এর কোন ট্রেড লাইসেন্স নাই।

    একই এলাকায় “বাংলা মন্জুষা” নামের কোচিং সেন্টার চালাচ্ছেন রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক দীলিপ কুমার।

    দীলিপ কুমার মাধ্যমিকের শিক্ষক তিনিও তার কোচিং সেন্টারে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী পড়ান।

    তার কোচিং সেন্টারের স্টাফদের দেয়া তথ্য মতে ব্যাচ সংখ্যা ১২ টা প্রতি ব্যাচে ৫০/৬০ জনের বেশি শিক্ষার্থী পড়ান। তিনি নিজেই ক্লাশ নেন স্টাফরা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাজ গুলো করে।

    কোচিং সেন্টার চালানোর বিষয় নিয়ে তার সাথে মুঠোফনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে চায়ের দাওয়াত দেন তার কোচিং সেন্টারে।

    অবৈধভাবে কোচিং সেন্টারের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি কোচিং সেন্টার চালাতে পারেননা বললেও পরে বলে কিছু ক্ষেত্রে কোচিং করার অনুমতি আছে তবে কোন ক্ষেত্রে কোচিংএর অনুমতি আছে সেটা তিনি জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

    তিনি বলেন আমি মাধ্যমিকের শিক্ষক আমার কোচিং-এ উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পড়ানো হয়। তবে তার সাদা কাগজের প্রচারপত্রে নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়ে তথ্য দেয়া আছে, এবং তিনি স্কুলের মাধ্যমিকের শিক্ষক।

    স্কুল সুত্রে জানা যায় দিলীপ কুমার পড়াশোনা করেছে সংস্কৃতি বিষয়ে, স্কুলে নিয়োগ নেন হিন্দু ধর্ম শিক্ষক হিসেবে পরবর্তীতে সংস্কৃতিতে বাংলা ৩০০ নম্বরের বিষয় থাকায় তাকে বাংলার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন।

    তার চাকরি সম্প্রতি সময়ে সরকারী হয়েছে তবে তিনি সরকারী ভাবে এখনও বেতন পান না, স্কুল থেকে কিছু সম্মানি পান ।

    তবে কোচিং বাণিজ্য করেই তিনি গড়ে তুলেছেন দুইটা বাড়ি। একটায় বসবাস করে আরেকটি কয়েকজন শিক্ষক মিলে যৌথ মালিকানায় নির্মানাধীন।

    জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার ভাই একই প্রতিষ্ঠানের রসায়নের প্রভাষক ইন্দ্রজিৎ সরকার জড়িত। (যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে)

    স্ত্রীর নামে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স করে নিজেই কোচিং পরিচালনা করেন দীলিপ কুমার। কোচিং বাণিজ্যের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের পর থেকে দীলিপ কুমার বিভিন্ন মহলে তদবির করেন যেন তার নামে সংবাদ প্রকাশ না করা হয়।

    কোচিং বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জানান ” সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য করার বিধান নাই ” তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কোচিং করে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন কোন শিক্ষক কোচিং করে সেটা আমার জানা নাই তবে আমি জানলে তাকে সতর্ক করে দিবো “।

    সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার করতে পারবে কি না জানতে চাইলে আঞ্চলিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড.শরমিন ফেরদৌস বলেন “না পারবে না, কোন শিক্ষক কোচিং করতে পারবে না বিধানে নেই “।

    শহরের মধ্যেই কোচিং সেন্টার চালাচ্ছে আপনারা কেনো সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেন না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ” আমদের কাছে সঠিক কোন তথ্য নাই কোন শিক্ষক কোচিং সেন্টার চালাচ্ছে, তাই আমরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারিনা।

    কেউ যদি অভিযোগ করে তাহলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ও ভূমি সেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় যেসব ডিজিটাল সেবা দিয়েছে এই লক্ষে অনলাইন ভূমি সেবা ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা জনসাধারণ।

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করে দেখা গেছে, নামজারি সহ বিবিধ মামলা, ভূমি উন্নয়ন কর, অর্পিত সম্পত্তি লীজ, মানি আদায়, সরকারি খাস জমি উদ্ধার ইত্যাদি কাজে পূর্বের তুলনায় দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড অনেক গতিশীল। বছর দু’য়েক আগে দাউদকান্দি উপজেলায় একটি নামজারি মামলা নিষ্পত্তিতে ৪৫-৬০ দিন সময় অতিবাহিত হতো, বর্তমানে মাত্র ১০-১৫ দিনে এ কার্যক্রম সম্পাদন হচ্ছে।

    প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক সেবা প্রার্থী ই-নামজারি সহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে এ ভূমি অফিসে আসেন। হয়রানি ছাড়া সেবা পেয়ে তারা অনেক খুশি ও সন্তুষ্ট। সেবা নিতে আসা দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের সালাউদ্দিন মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ই-নামজারি করতে পেরে আবেগ আপ্লুত হয়ে জানান, অনলাইনে নামজারি আবেদন করেন। এরপর মোবাইলে আসা এসএমএস অনুযায়ী শুনানিতে উপস্থিত হয়ে তার ই-নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে যায়। অতীতের হয়রানির ঘটনা এখন ইতিহাস।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দাউদকান্দি উপজেলায় বিগত ৩০ দিনে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির গড় সময়সীমা ১০ দিন যা কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্ন।

    প্রাপ্ত তথ্যচিত্র অনুযায়ী কুমিল্লা জেলায় গড় নিষ্পত্তি দিনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস। তথ্য অনুযায়ী দাউদকান্দি উপজেলায় গড় নিষ্পত্তি সময় ১০ দিন, যা কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে শীর্ষে । ই-নামজারি সেবা সহজীকরণে ও জনগণকে স্বল্পতম সময়ে এ সেবা দিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জিয়াউর রহমান।

    তিনি জানান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের দিক-নির্দেশনার আলোকে আমরা আইনানুগভাবে নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে মানুষকে দ্রুততম সময়ে ভূমি সেবা ও ভূমি বিষয়ক পরামর্শ প্রদানে বদ্ধপরিকর। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক সরাসরি শুনানি গ্রহণ, ইউনিয়ন ও উপজেলায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট অফিসারদের তৎপরতার ফলে দালাল তথা তৃতীয় পক্ষের দৌরাত্ম্য কমেছে। দাউদকান্দিও মানুষ এখন অনলাইন/স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে।

    এই কর্মকর্তা আরো বলেন, বর্তমান কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক ই-নামজারি সেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। যখন আমি এ উপজেলার দায়িত্ব গ্রহন করি তখন গড় নিষ্পত্তি সময় ছিল ৪৫ থেকে ৬০ দিন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, কানুনগো, অফিস সহকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ সেবা বর্তমানে ১০ দিনে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও স্বল্প সময়ে এ সেবা দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনাকে বাস্তবায়ন করে এখন আমরা স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার দিকে আগাচ্ছি। স্মার্ট ভূমি সেবা বাস্তবায়নের লক্ষে জণগনকে শতভাগ দ্রুততার সাথে এবং সহজে সেবা প্রদানে আমরা বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসংশনীয়।

  • ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    গাজীপুরের জয়দেবপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসক এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

    তদন্ত কমিটি ও বরখাস্তের বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর জংশনের স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া।

    বরখাস্তরা হলেন- আপ ঘুন্টি স্টেশন মাস্টার মো. হাসেম, পয়েন্টস ম্যান সাদ্দাম হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

    রেলওয়ের পক্ষ থেকে সিওপিএস মো. শহীদুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্যের আঞ্চলিক তদন্ত কমিটি এবং রেলেওয়ের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী (সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন) সৌমিক শাওন কবিরকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে জয়দেবপুর স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া জানান, টাঙ্গাইল কমিউটার ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। সিগন্যাল ম্যানের ভুলের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

    তবে কমিউটার ট্রেনটিতে তেমন যাত্রী ছিল না বললেই চলে। এ কারণে হতাহতের সংখ্যা কম হয়েছে। কমিউটার ট্রেনের লোকো মাস্টারসহ (ট্রেনের চালক) চারজন আহত হয়েছেন।

    এদিকে শুক্রবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে টাঙ্গাইল কমিউটারের তিনটি বগি দুমড়েমুচড়ে যায়।

    এছাড়াও দুটি ট্রেনের ৮টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এরপর থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এলে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়। কাজ চলমান থাকলেও দুপুর থেকে অন্য লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু করে।

  • বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির মূল্য আকাশচুম্ব

    বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির মূল্য আকাশচুম্ব

    বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির বাড়তি দাম ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বেনাপোল বাজারে এক মাস ধরে বাড়তি দর অব্যাহত রয়েছে।

    আমদানি বন্ধ না থাকলেও বেনাপোল বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ। সবজি ও কাঁচামরিচের এমন বাড়তি দাম রমজান মাসেও দেখা যায়নি। ঈদুল আজহার ছুটিতে কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে।

    সপ্তাহব্যাপী আমদানি বন্ধ থাকার পর ঈদ শেষে যথারীতি কাঁচামরিচের আমদানি শুরু হয়। ঈদের পরে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ২০০ থেকে ২৬০ টাকা কেজিতে। ঈদের দু’ সপ্তাহ পরে কিছুটা দাম কমলেও এখনো রয়েছে দু’শতকের ঘরেই। এখনো কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা কেজিতে। কাঁচামরিচের ঝাঁজ ও সবজির বাড়তি দাম ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

    বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে সবজি কিনতে আসা ক্রেতাদের। বৃষ্টির কারণে কাঁচামরিচের দাম কমছে না বলছেন সবজি বিক্রেতারা। অন্যদিকে, গত এক মাস ধরে সবজির বাজারও চড়া। বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। রমজান মাসেও

    এমন বাড়তি দাম দেখা যায়নি সবজির বাজারে। গত এক মাস ধরে সস্তার সবজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে অবিশ্বাস্য দামে। জুন মাসে পেঁপে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। যা এখনো বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে। কাঁচকলাও বিক্রি শুরু হয় বাড়তি দামে। গত মাস থেকে এ মাস পর্যন্ত কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে।
    বর্তমানে উচ্ছের দাম আকাশ ছোঁয়া।

    বুধবার ৩জুলাই সকালে বাজার ঘুরে প্রতি কেজি উচ্ছে বিক্রি হয় ১২০টাকা কেজিতে। এ ছাড়া, পিয়াজ ৯০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০, বরবটি ১২০, কচুরমুখি, ঝিঙ্গে ও কাঁকরোল ৮০, কচুরলতি ৮০ থেকে ১০০, লাউ, চিচিঙ্গা, ঢেঁড়স ৬০, পটল ৩০, টমেটো ১২০ ও গাজর ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে,আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে। বাজারে মজুত স্বাভাবিক থাকলেও সবজির এমন বাড়তি দামে ক্রেতা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

    বেনাপোল কলেজের শিক্ষার্থী আলমগীর বলেন, মেসে থাকায় নিয়মিত বাজার করতে হয়। বাজারে এলে বাজেট মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সাদিপুর রোজিনা আক্তার বলেন, বাজার করা একটা বাড়তি ঝক্কি মনে হয়। আলুর এমন অস্বাভাবিক দাম ভাবা যায় না। বাজারের পাশে দুর্গাপুর এনামুল হক বলেন, দু’কেজি আলু কিনেছি ১২০ টাকায়। অথচ বাজারে আলুর কোন সংকট নেই। তবু এমন অস্বাভাবিক দাম।

    বাজারের সবজি বিক্রেতা শুকুর আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজি ও কাঁচামরিচের চালান কম আসছে, সরবরাহ কমে গেছে। তাই দাম কমছে না। আরেক বিক্রেতা হযরত আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে মাঠে কাঁচামরিচ পচে যাচ্ছে, তাই দাম কমছে না। সবজি বিক্রেতা সুশীল সাহা বলেন, কাঁচামরিচ বাড়তি দামে কিনে এনে বিক্রি করছি। আমরাও জানি না, আমদানি হওয়ার পরেও আমদানি কারকদের কারসাজির জন্য কাঁচামরিচের দাম কমছে না।

  • কাল থেকে বাড়তি ভাড়ায় চড়তে হবে ট্রেনে, কোন রুটে ভাড়া কত

    কাল থেকে বাড়তি ভাড়ায় চড়তে হবে ট্রেনে, কোন রুটে ভাড়া কত

    ঢাকা থেকে ট্রেনে গাজীপুরে যেতে প্রতি কিলোমিটারে যাত্রীদের যত টাকা ভাড়া গুণতে হয়, এরচেয়ে পঞ্চগড়, খুলনা বা চট্টগ্রাম যেতে কম ভাড়া লাগত। কারণ, বাংলাদেশ রেলওয়ে এতদিন বেশি দূরত্বের টিকিট ছাড় দিয়ে বিক্রি করত। আগামীকাল শনিবার (৪ মে) থেকে রেলযাত্রায় এই রেয়াতি সুবিধা উঠে যাচ্ছে। নতুন দামে টিকিট কেটে ক্ষোভ ঝেড়েছেন দূরের যাত্রীরা।

    এক যাত্রী ক্ষোভের সুরে বলেন, ‘বর্তমানে সব কিছুর দাম বাড়ছে। মানুষের ওপর জুলুম হচ্ছে। আবার এদিকে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারিদের হাতে চলে যায়। সাধারণ যাত্রীরা টিকিট পায় না।আরেক যাত্রী বলেন, ‘ট্রেনের যাত্রীসেবা তো অনেক দূরের বিষয়। কোনোরকম গন্তব্যে পৌঁছতে পারলেই আমরা খুশি।’

    অতীতের নিয়ম অনুযায়ী, ১০১ থেকে আড়াই শ কিলোমিটার ভ্রমণে ২০ শতাংশ, ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটার ভ্রমণে ২৫ শতাংশ এবং এর বেশি দূরত্বের জন্য ৩০ শতাংশ ছাড় পেতেন রেলের যাত্রীরা। সেই বিধান উঠে যাওয়ায় বর্তমানে গন্তব্যভেদে ২০ টাকা থেকে দেড় শ টাকা পর্যন্ত শোভন চেয়ারের টিকিটের দাম বেড়েছে।

  • স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টাঃ পরকীয়া প্রেমিক স্বামী মহব্বত আলী

    স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টাঃ পরকীয়া প্রেমিক স্বামী মহব্বত আলী

    পঞ্চগড়র বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের বারোঘড়ীয়া-শিকারপুর নামাক গ্রামে গতকাল ০১জুলাই সোমবার সকাল ১১ঘটিকায় স্ত্রী লতা আক্তারের শরীরে ডিজেল ঢেলে দিয়ে আগুন লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন স্বামী মহব্বত আলী। লতা আক্তার চিৎকার করলে এলাকাবাসী এসে পনি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ঠাকুরগাঁও মেডিকেলে নিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা গণমাধ্যমকে জানায়, মহব্বতের তিন সন্তান থাকা সত্ত্বেও একই গ্রামের মাহাবুরের স্ত্রী রাসিদা বেগমকে চার মাস পর্বে পালিয়ে নিয়ে যায়। একমাস বাাহিরে থাকার পরে রাসিদাকে ভাড়া বাড়িতে রেখে বাড়িতে আসে মহব্বত আলী। স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে বিয়ে করার দায়ে একটি মামলা করেছিল লতা আক্তার।

    মহব্বত আলীর একটি ছেলে, দুটি মেয়ে শিশু সন্তান রয়েছে, ছেলে লাবিব জানায়, আমার মাকে ডিজেল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।আমাদের মহেন্দ্র গাড়ি রয়েছে তেলের ড্রাম ঘরেই রয়েছে।

    লতা আক্তার গণমাধ্যমকে জানায়,আমার স্বামী চার মাস পর্বে রমজান মাসে একই গ্রামের নিঃসন্তান থাকা রাশিদা বেগমকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এক মাস পর বাড়ীতে আসলে থাকেনি একদিনও

    রাসিদাকে নিয়ে থাকতেন ভাড়া বাসায়। আমার একটি ছেলে দুটি মেয়ে রয়েছে। ঈদের দিনেও থাকেনি আমার বাসায়। আমি নিজেই তিন দিন আগে ভাড়া বাসায় গিয়ে আমার স্বামী, ও রাসিদাকে আমার বাসায় নিয়ে আসি। কিন্তু আমার তিন সন্তান ও আমাকে মেনে নিতে না পেরে রাতে পালিয়ে যায় রাশিদা। এ নিয়ে আমার স্বামী সকালে এসে আমাকে মারপিট করে সংঘাত সৃষ্টি হয়। আমি বকাবকি করলে ঘরে গিয়ে আমার শরীরে ড্রমে থাকা ডিজেল দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

    লতা আক্তার বলেন এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীর সুষ্ঠু বিচার চাই। লতা বর্তমানে ঠাকুরগাঁও মেডিকেলে চতুর্থতলা সার্জারী বিভাগে ২৩ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

     

  • প্রেমের টানে ঘর ছাড়লো ভারতীয় তরুণী পিংকি সরকার

    প্রেমের টানে ঘর ছাড়লো ভারতীয় তরুণী পিংকি সরকার

    বেনাপোলে প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করছিলেন ভারতীয় তরুণী পিংকি সরকার। এরপর বুধবার ৩ জুলাই প্রেমিক তাকে বেনাপোলে রেখে সটকে পড়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বর্তমানে তরুণী বেনাপোলে বিজিবির অধীনে রয়েছেন।

    পিংকি সরকার ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার রায়গঞ্জের গৌলইসারা গ্রামের মানিক সরকারের মেয়ে।

    সূত্র মতে, যশোর ৪৯ বিজিবির অধীনস্থ বেনাপোলে কর্মরত সুবেদার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টহলদল বেনাপোল প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে থেকে বুধবার বিকালে ভারতীয় নাগরিক (মহিলা) পিংকি সরকারকে আটক করে।

    জিজ্ঞাসাবাদে বিজিবি জানতে পারে, বাংলাদেশের এক ছেলের সাথে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় তার। দুই বছরের সম্পর্ক করে তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে গত ২৮ জুন বাংলাদেশে নিয়ে আসে। চুয়াডাঙ্গার একটি বাড়িতে তিন চার দিন থাকার পর তাকে বেনাপোল প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে রেখে পালিয়ে যায়। মেয়েটি তার প্রেমিকের কোন ঠিকানা, ফোন নাম্বার বা তার কোন ছবি দিতে পারেনি।

    এদিকে, আটককৃত ভারতীয় নাগরিককে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে বেনাপোল বিজিবি জানিয়েছে।