Category: সারাদেশ

  • পুঠিয়ায় পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর মানুষের মাঝে প্রতিমন্ত্রী দারার উন্নয়ন সামগ্রী বিতরণ

    পুঠিয়ায় পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর মানুষের মাঝে প্রতিমন্ত্রী দারার উন্নয়ন সামগ্রী বিতরণ

    মুক্তার মাহমুদ, রাজশাহী প্রতিনিধি:

     

    পিছিয়ে পড়া দরিদ্র ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনগণকে এগিয়ে নিতে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ দারার নানান পদক্ষেপ। ঠিক তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৩-২০২৪ অর্থ বৎসরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা খাতের আওতায় নেয়া হয় নানান রকম পদক্ষেপ। প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ দ্বারার নিজ উপজেলায় বিতরণ করা হয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জন্য উচু ও নিচু বেঞ্চ। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরণ করা হয়। অসচ্ছল পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ করা হয়। অসচ্ছল পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে ফুটবল বিতরণ করা হয়। এছাড়াও উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় মানুষকে কুকুরে কামড় দিলে তার ভ্যাকসিনের জন্য অনেক দরঝাপ করতে হয় তার জন্য মানুষ যেন সহজে চিকিৎসা বেশ সেবা পান সেজন্য কুকুর এর ভ্যাকসিন সরবরাহ করে দেওয়া হয়।

    শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকেই ওই সকল জিনিস পত্র বিতরণ করা হয়েছে। পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে, পুঠিয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় এর আয়োজনে এসব বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনগ্রসর মানুষকে এগিয়ে নেয়া ও জিনিসপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ, এম.পি, প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। প্রধান অতিথির বক্তব্য কালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুয়ে পড়া অনগ্রসর জনগোষ্ঠীতে এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগ সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তার সাথে আমি যুক্ত হতে পেরে গর্ববোধ করছি। পুঠিয়ার মানুষ যদি চায় আমি সারা জীবন সবার সেবা করে যাব।

    এসময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুস সামাদ মোল্লা, চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ, পুঠিয়া, রাজশাহী।

    এসব বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এ, কে, এম, নূর হোসেন নির্ঝর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুঠিয়া, রাজশাহী।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর নজরুল ইসলাম, সভাপতি পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ। গোলাম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক (সাবেক) পুঠিয়া উপজেলা ও সদস্য রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ। খ.ম জাহাঙ্গীর আলম (জুয়েল), চেয়ারম্যান পুঠিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ। মোস্তাফিজুর রহমান নয়ন, সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ রাজশাহী জেলা শাখা। মোঃ আব্দুল মতিন মুকুল, ভাইস চেয়ারম্যান পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ। মৌসুমি রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ। ডাঃ সুধীর কর্মকার, সভাপতি ভালুকগাছি ইউনিয়ন। মাসুম পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক ভালুকগাছি ইউনিয়ন। তাকবীর হাসান, চেয়ারম্যান (সাবেক) ভালুকগাছি ইউনিয়ন পরিষদ। ডাক্তার সাইফুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ। আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক বানেশ্বর ইউনিয়ন। ফজলুর রহমান, সভাপতি (সাবেক) জিউপাড়া ইউনিয়ন। এছাড়াও পুঠিয়া উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মৎস্যজীবী লীগ, কৃষক লীগ, সহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আরো বহু নেতা কর্মী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

     

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • বাঘায় ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠির মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি ক্যাপ ও ছাতা বিতরণ : রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি

    বাঘায় ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠির মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি ক্যাপ ও ছাতা বিতরণ : রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি

    বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

    রাজশাহীর বাঘায় তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠির মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি (বোতল জাত) , ক্যাপ ও ছাতা বিতরণ করা হয়েছে।

    রোববার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাজশাহী জেলা ইউনিটের উদ্যোগে বাঘা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার-মোড় সহ বাঘা মাজার গেট এলাকার পথচারীদের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি (বোতল জাত) , ক্যাপ ও ছাতা বিতরণ করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাজশাহী জেলা ইউনিটের সেক্রেটারি মো: আবু সালেহ, ইউনিট লেভেল অফিসার এস এম তৌকির আহমেদ, যুব প্রধান মোঃ জাকারিয়া ইকবাল ও অন্যান্য যুব স্বেচ্ছাসেবকগণ ।

     

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • বাঘায় আওয়ামী লীগ নেতা বাবুলের খুনিদের ফাঁসি চেয়ে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল!

    বাঘায় আওয়ামী লীগ নেতা বাবুলের খুনিদের ফাঁসি চেয়ে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল!

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহীর বাঘায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বাঘা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম বাবুলের হত্যাকারীদের ফাঁসি চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা ছাত্রলীগ।

    শুক্রবার ( ১২ জুলাই) বিকেলে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে বিশাল একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে মিলিত হয়।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী সদস্য ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রোকনুজ্জামান রিন্টু, বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস সরকার, সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ সাদিক কবির, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান নিপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান পিন্টু ও নিহত আশরাফুল ইসলাম বাবুলের বড় ছেলে আশিক জাবেদ।

    এসময় উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ হাসান, শিবলী আল রাব্বি, শান্ত শেখ, আরেফিন শিমুল, বাজু বাঘা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানজিম হাসান স্বদেশ, শাহিনুর রহমান সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিট থেকে আগত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বিক্ষোভ মিছিলে স্লোগান ছিল, ফাঁসি- ফাঁসি- ফাঁসি চাই, আক্কাস-মেরাজের ফাঁসি চাই।

    ঘটনা সূত্রে, গত ২২ জুন আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল। পরবর্তীতে ২৬ জুন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান পিন্টু বাদী হয়ে মেয়র আক্কাস আলীকে প্রধান করে ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে বাঘা থানায় একটি মামলা করেন।

    বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, বাবুল হত্যা মামলায় প্রধান আসামি আক্কাস আলীসহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।#

     

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • তুই শিবির করিস স্বীকার কর, তাহলে ছেড়ে দিব’ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীকে রাবি ছাত্রলীগ

    তুই শিবির করিস স্বীকার কর, তাহলে ছেড়ে দিব’ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীকে রাবি ছাত্রলীগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

     

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করায় শিবির সন্দেহে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে টানা দুই ঘন্টারও বেশি বঙ্গবন্ধু হলে আটকে রেখে এলোপাতাড়ি মারধর করার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজ রহমান বাবুসহ তার একাধিক অনুসারীর বিরুদ্ধে

    মঙ্গলবার (০৯ জুলাই) বিকেল ৫ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির ২৩০ নম্বর কক্ষে এমন ঘটনা ঘটে। এদিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের ভয়ে ক্যাম্পাস ছেড়ে আজ সকালে বাড়ির উদ্দেশ্য রওয়ানা দেন। প্রশাসন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে ক্যাম্পাসে ফিরবে না বলে জানান ভুক্তভোগী।

    ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হলেন মো. মোস্তফা মিয়া। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। তার বাসা গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়।

    অভিযুক্তরা হলেন, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজ রহমান বাবু। সৈয়দ আমীর আলী হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফরহাদ হোসেন খান ও নবাব আব্দুল লতিফ হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম রেজাসহ অজ্ঞাতনামা আরও অনেকেই। তারা সকলেই সভাপতি বাবুর অনুসারী বলে জানা গেছে।

    এদিকে, জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মোস্তফা। এতে তিনি উল্লেখ করেন, গত সোমবার (০৮ জুলাই) রাবির চারুকলা সংলগ্ন ওভার ব্রিজের নিচে কোটাবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন তিনি। এ বিষয়ে জানার পর ছাত্রলীগের নেতা ফরহাদ তাকে কল দিয়ে ক্যাম্পাসে দেখা করতে বলে। পরে তিনি ভয় পেয়ে বিষয়টি তার বিভাগের বড় ভাই সমাজকর্ম বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরিফ মাহমুদকে অবহিত করেন। আরিফ মাহমুদ আবার অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা
    শামীম রেজাকে জানায় কিভাবে তাকে উপকার করা যায়। কিন্তু শামীম রেজা ক্রেডিট নেওয়ার জন্য তাকে ছাত্রলীগের হাতে ধরিয়ে দেয়।

    গত মঙ্গলবার সকালে বিভাগের বড় ভাই আরিফের সাথে দেখা করতে শহিদুল্লাহ অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে গেলে শামীম রেজা সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে ধরে ফেলেন এবং ‘শিবির ধরছি, নিয়ে আসবো নাকি?’ এমন কথা বলে টুকিটাকি চত্বরে নিয়ে যায় ভুক্তভোগীকে। সেখান থেকে শিবির আখ্যা দিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর কক্ষে বঙ্গবন্ধু হলে নিয়ে যায় তাকে। পরে ভুক্তভোগীর ফোন চেক করতে শুরু করে ছাত্রলীগ সভাপতি। ফোন চেক করে শিবিরের সাথে কোন ধরনের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় ফেসবুকে কোটা আন্দোলন নিয়ে পোস্ট করা দেখে এবং আন্দোলনে যাওয়ার কারণে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন এবং বলেন ‘তুই শিবির করিস স্বীকার কর’। কিন্তু শিবিরের সাথে ন্যূনতম কোন সম্পর্ক না থাকায় ভুক্তভোগী বারবার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

    একপর্যায়ে ছাত্রলীগ সভাপতি লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি তাকে মারতে শুরু করেন এসময় কয়েকজন তাকে ঘিরে রাখে। ৮ থেকে ১০ মিনিট মেরে কিছু সময় বিরতি নিয়ে আবারও মারতে শুরু করে। এভাবে দুই ঘন্টারও অধিক সময় ভুক্তভোগীর উপর নির্যাতন চালায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এসময় ফারহাদ নামের ছাত্রলীগ নেতা ভুক্তভোগীর কানে কানে বলে ‘তুই শিবির করিস এটা স্বীকার কর, তাহলে ছেড়ে দিব’ আর তোর বিভাগের কে কে শিবির করে এটা বললে তাকে ছেড়ে দিবে। অবশেষে কিছু না পেয়ে দীর্ঘ ২ ঘণ্টারও অধিক সময় নির্যাতন চালিয়ে শিবির স্বীকারোক্তি নিতে ব্যর্থ হয়ে তারা তাকে পুলিশে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়ে ছেড়ে দেয়।

    এদিকে, বাবুর একজন অনুসারী গিয়ে জোহা হলের গণরুম থেকে ওই শিক্ষার্থীকে বের করে দেন। ফলে ওই শিক্ষার্থী আজ সকালের তার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হোন। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী চরমভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং তার জীবন নিয়ে সে চিন্তিত।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. মোস্তফা বলেন, “আমাকে প্রচন্ড মারধর করা হয়েছে। আমি খুবই অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় আমি বাড়িতে চলে আসছি। আমাকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। আমি খুব আতঙ্কে আছি এবং নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যতক্ষণ না আমাকে আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ততক্ষণ আমি ক্যাম্পাসে ফিরবো না।”

    আরেক অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা শামীম রেজাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

    অভিযোগের বিষয়ে রাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু বলেন, ‘বিষয়টি আমি অবগত নই। কিছুক্ষণ আগেই শুনলাম। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে তারপর বলতে পারবো।’

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আসাবুল হক বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমরা বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর নিবো এবং এর সত্যতা পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো। নিরাপত্তা দিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে আনবো তবে এর আগে আমাদের ভালো করে বিষয়টি জানতে হবে আসলে কি হয়েছে।#

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • বাঘায় সালিশি বৈঠকে যাবার পথে বৃদ্ধকে মারধর।

    বাঘায় সালিশি বৈঠকে যাবার পথে বৃদ্ধকে মারধর।

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

     

    জমিতে ঘাস লাগানো নিয়ে মারধরের ঘটনায় গ্রাম্য সালিশি বৈঠকে যাবার পথে জমির মালিক বৃদ্ধ আব্দুল মালেক ( ৫৫) কে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গত ৯ জুলাই ( মঙ্গলবার) বিকেল সাড়ে ৫ টায় রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী ইউনিয়নের বেড়ের বাড়ি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর ভাই আব্দুল খালেক।

    ভুক্তভোগী আব্দুল মালেক আড়ানী ইউনিয়নের বেড়ের বাড়ি ( মন্ডল পাড়া) গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। এঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন, একই এলাকার হুজুর আলীর ছেলে কানন (২৮) ও তার স্ত্রী ছাবিনা , ভাবি ছামিয়ারা, মৃত আজগরের ছেলে সাইদুল, আকবরের ছেলে সেন্টু এবং লালটু।

    অভিযোগে জানা গেছে, আড়ানী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি ঈদগাহ মাঠের পশ্চিম মাঠে একটি পুকুর খনন চলছে। সেই পুকুরের মাটি দুই ফিটের মত আব্দুল মালেকদের জমিতে পরে। তিনি সেই নতুন মাটির উপর তার জমিতে কয়েকটি ঘাসের চারা রোপন করেন। ৮ জুলাই (সোমবার) বিকেল সাড়ে ছয়টায় প্রতিবেশী হুজুরের ছেলে কানন গিয়ে ঘাসের চারা গুলো নষ্ট কেরে জমি থেকে তুলে ফেলছিল এবং অসভ্য ভাষায় মালেককে গালিগালাজ করছিল। সেখানে মালেক গিয়ে কানন কে এসব করতে বারণ করলে সে তাকে মারধর করে। সে সময় তার বড় মেয়ে বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করে। পরবর্তীতে এঘটনায় তাদের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনার নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম্যভাবে সালিশের ব্যবস্থা করেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। ৯ জুলাই (মঙ্গলবার) বেড়ের বাড়ি মন্ডল পাড়া মোড়ে সালিশি স্থানে যাবার পথে কানন ও তার স্ত্রী লোকজন মালেকের ওপর দ্বিতীয়বার হামলা চালায়। এ সময় মালেককে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন হামলাকারীরা। পরবর্তীতে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ ঘটনার স্থলে গিয়ে মালেককে উদ্ধার করে এবং স্থানীয় লোকজনদের সহায়তায়ব মুমূর্ষু অবস্থায় মালেককে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। তিনি এখন বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

    আহত আব্দুল মালেক বলেন, আগের দিন আমাকে ও আমার মেয়েকে মারধর করে। পরে বিরোধ মীমাংসার জন্য গ্রাম্য ভাবে বসার সিদ্ধান্ত নেই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সালিশি বৈঠকের স্থানে যেতে লাগলে কানন তার লোকজন নিয়ে তার বাড়ির সামনে রাস্তায় আমাকে মারধর করে। আমি মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছি আমার বাড়িতে মেয়েরা আছে। আমার কোন ছেলে সন্তান নেই। তাদেরও বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে। আমি আমার পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

    আড়ানী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহমান বাঁধন বলেন, প্রথম দিনের ঘটনাটি শোনার পরে আমি নিজে থেকে কানন কে বলি এ বিষয়টি নিয়ে ঝামেলা করার দরকার নেই, এলাকায় বসে সমাধান করেনিতে হবে। পরবর্তীতে কানন তার লোকজন নিয়ে আড়ানী রেলস্টেশন এলাকায় আমার দোকানে গিয়ে আমাকে মারধর করার চেষ্টা করে এবং হুমকি ধামকি দেয়। এবং আমার মামাকে মারধরের বিষয় নিয়ে থানায় অভিযোগ করার পর থেকে তারা মামা ও মামাতো বোনদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা। এ অবস্থায় প্রশাসন ভাইদের প্রতি আমার অনুরোধ তারা যেন এই ঘটনাটির সঠিক তদন্ত করে সঠিক বিচার করেন।

    তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত কাননের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

    আড়ানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, আগের দিন তাদের দুই পক্ষের মধ্যে একটি ঝামেলা হয়। সেইটা মীমাংসার জন্য আমি সহ বসছিলাম। এমন সময় সালিশি বৈঠকের স্থান থেকে ২০০ মিটার দূরে মারপিটের ঘটনাটি ঘটেছে।

    বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ হয়েছে। অভিযোগের তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

     

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহীর পুঠিয়ায় পুকুর খনন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান

    রাজশাহীর পুঠিয়ায় পুকুর খনন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহীর পুঠিয়ায় ফসলি জমি নষ্ট করে অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

    মঙ্গলবার বিকেলে অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলার সড়গাছি বিলে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম নুর হোসেন নির্ঝর।
    এসময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে পালিয়ে যায় পুকুর খননকারীরা। পরে কাউকে না পেয়ে মাটি খননকারী গাড়ির দুইটি ব্যাটারি জব্দ করা হয়।

    প্রশাসনের এমন অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানীয় কৃষকরা বলেন, এই জমিতে সরিষা, ধান, ভুট্টাসহ সব ধরনের ফসল হয়। এসব জায়গায় পুকুর খনন করা হলে জলাবদ্ধতা হয়ে পড়বে এ এলাকা। আর প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই এসব অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে অভিযান চালানোর জন্য।

    এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম নুর হোসেন নির্ঝর মুঠো ফোনে জানান, ফসলি জমি নষ্ট করে কোন ভাবেই পুকুর খনন করতে দেওয়া যাবেনা। সড়গাছি বিলে অভিযান চালিয়ে মাটি খননকারী গাড়ির ব্যাটারি জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।#

     

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • কোটা সংস্কারের দাবিতে রাবি-রুয়েট শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ

    কোটা সংস্কারের দাবিতে রাবি-রুয়েট শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ

    রাজশাহী প্রতিনিধি:

    সরকারি ১ম ও ২য় শ্রেণির চাকরিতে কোটা পুনর্বহাল বাতিল ও সরকারি চাকুরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবি জানিয়ে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

    বুধবার (১০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড অবস্থানের পর বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেইট পরে রাজশাহী বাইপাসে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

    ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়,কোটা প্রথার ঠাঁই নাই’,‘মুক্তিযোদ্ধা বিরোধী অপশক্তিরা নিপাত যাক’,‘দেশ স্বাধীন করলো যারা,কেন অপমানিত হবে তারা’,‘কোটা ব্যবস্থা বৈষম্য সৃষ্টি করে না বরং সমতা বিধান করে’, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটাক্ষ চলবে না, চলবে না’, ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্মানহানি করা যাবে না’ এসময় এমনসব স্লোগানে৷ প্রতিবাদ জানান তারা।

    আন্দোলনের সমন্বয়ক আমান উল্লাহ খান বলেন,বিচার বিভাগ আইনগত সিদ্ধান্ত বা ব্যাখ্যা জানিয়েছে। তাদের কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশা নেই। আমরা চাই,নির্বাহী বিভাগ থেকে নতুন পরিপত্র জারির মাধ্যমে আমাদের সার্বিক দাবিগুলো পূরণ। হুট করে স্থিতাদেশ দিয়ে আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না। আন্দোলন চলবে।

    আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান,সাম্য,মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ তৎপর ছিল,আছে এবং থাকবে। একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সরকারি চাকুরিতে মেধাবীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে,রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সমান সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করার কোনো বিকল্প নেই। বৈষম্যমূলক কোটাপদ্ধতির সংস্কারের লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সর্বদা সোচ্চার রয়েছে।

    কোটাপদ্ধতি সংস্কার আন্দোলন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয় পরিষদের সদস্য মেহেদী সজীব বলেন,আজকে আমরা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অপরাধ করেছি। আমাদের লাগাতারে কর্মসূচি চলবে। যতদিন পর্যন্ত আমাদের দাবি আদায় না হবে।

    বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগে শুনানি শেষে এ রায় দেন আদালত। ফলে আগামী এক মাস পর এ বিষয়ে ফের শুনানি হবে।

    এসময় রাবির বিভিন্ন বিভাগের প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী উক্ত অবরোধে অংশগ্রহণ করেন।#

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহী শিরোইল ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে ২২ জুয়ারী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

    রাজশাহী শিরোইল ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে ২২ জুয়ারী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন শিরোইল ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে জুয়া খেলার তাস, জুয়া খেলার নগদ টাকাসহ ২২ জন জুয়ারী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাব নিয়মিত জঙ্গী, অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, অস্ত্রধারী অপরাধী, ভেজাল পণ্য, ছিনতাইকারী, ধর্ষণ, অপহরনসহ মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সদর কোম্পানী একটি অপারেশন দল কর্তৃক ০৯ জুলাই ২০২৪ খ্রিঃ ২৩.৫০ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন শিরোইল ঢাকা বাসস্ট্যান্ড, গোধুলী মার্কেটের নীচ তলা আরিফ হোসেন (৪৫) এর ভাড়া রুমে অপারেশন পরিচালনা করে ইংরেজীতে DON লেখা বিভিন্ন রংয়ের বড় ৪৭ (সাতচল্লিশ) প্যাকেট তাস (প্লেয়িং কার্ড), যাহাতে ALPHA সহ অন্যান্য লেখা আছে, ৫২ (বায়ান্ন) টি বিভিন্ন রংয়ের খোলা তাস, জুয়া খেলার আসরে প্রাপ্ত নগদ বিভিন্ন নোটের- ১,৮৫,৩৭০/-(এক লক্ষ পঁচাশি হাজার তিনশত সত্তর) টাকা, মোবাইল ফোন-২৪ টি, সিম-৩৫টি ও মোটরসাইকেল-০২টি সহ জুয়া খেলারত অবস্থায় আসামী ১।মোঃ সেলিম রেজা (৩৮), পিতা মোঃ শাহজাহান শেখ, সাং- শিরোইল স্টেশন পাড়া, ২।মোঃ হাবিবুর রহমান বিপ্লব (৪২), পিতা- মৃতঃ এবাদুল্লাহ মন্ডল, সাং- ৩১ রায়পুর বাজার, ঘোড়ামারা, ৩। মোঃ আলীউল আজিম (৪২), পিতা- মৃত আলমগীর হোসেন, সাং-পাটান পাড়া, ৪। মোঃ সোহেল রানা (৩৫), পিতা- মৃতঃ মুকুল আলী, সাং-রানীনগর হাদির মোড়, ৫। মোঃ মেহেদী হাসান দীপু (৩৬), পিতা- মৃতঃ আঃ মালেক স্বপন, সাং-সফুরা, ৬। মোঃ আঃ রশিদ (৪৩), পিতা- মৃতঃ খায়ের উদ্দিন, সাং-বর্ণালী, আমবাগান, বাসা নং-৪, ৭। মোঃ শফিকুল ইসলাম (৪৫), পিতা- বাবুজান, সাং-শিরোইল মোল্লা মিল, ৮। মোঃ সাগর শেখ (৪২), পিতা-মৃত-টুলু শেখ, সাং-শিরোইল স্টেশন পাড়া, বাসা নং- ৫৪, ৯। মোঃ বেলাল হোসেন (৫২), পিতা- মনিরুল ইসলাম, সাং-হোসেনী গঞ্জ, বাসা সাং-ডি/১৭২, সকলের থানা-বোয়ালিয়া,রাজশাহী মহানগর, ১০। মোঃ ছামিউল ইসলাম জনি (৩২), পিতা-মোঃ নুরুল ইসলাম, সাং-ছোট বনগ্রাম পুর্ব পাড়া, ১১। মোঃ খোকন (৫০), পিতা- মৃতঃ মোসলেম সরদার, সাং- আসাম কলোনী বউ বাজার, ১২। মোঃ শাহীন আলী (৪৩) ,পিতা- মোঃ রওশন আলী, সাং- শিরোইল কলোনী, ১৩। মোঃ হাবিবুর রহামন (৫৮), পিতা- মৃত আঃ হামিদ সরকার, সাং-শিরোইল কলোনী, ১৪। মোঃ গিয়াস উদ্দিন (৪৫), পিতা- মৃত আউয়াল ভূইয়া, সাং-ছোট বনগ্রাম পুর্ব পাড়া, ১৫। মোঃ মুক্তার হোসেন মুক্তা (৩৮), পিতা-মোঃ আমির হোসেন, সাং-হাজরা পুকুর গাবতলী, সকলের থানা- চন্দ্রিমা, রাজশাহী মহানগর, ১৬। মোঃ আলমগীর হোসেন (৪৫), পিতা-মৃতঃ নাজিম মোল্লা, সাং-বড় বনগ্রাম, ভাড়ালী পাড়া, ১৭। মোঃ সম্রাট (২৮), পিতা- মোঃ আকসাম, সাং-বড় বনগ্রাম ফুলতলা, উভয় থানা-শাহমখদুম, রাজশাহী মহানগর, ১৮। শ্রী দীপক কুমার সরকার (৩৫) ,পিতা-দিলীপ সরকার, সাং-নাপিত পাড়া, থানা-সদর, নওগাঁ এপি- মৌচাক হোটেল, স্টেশন রোড, থানা- বোয়ালিয়া, রাজশাহী মহানগর, ১৯। মোঃ মাসুদ রানা (৩৮), পিতা- মৃতঃ আঃ মজিদ,সাং- মুক্তার পুর, থানা-চারঘাট, জেলা-রাজমাহী, ২০। মোঃ হায়দার আলী (৬২), পিতা- মৃতঃ আঃ রশিদ, সাং- গুরিপাড়া, চারখোটার মোড়, থানা-কাশিয়াডাংগা, রাজশাহী, ২১। মোঃ রফিকুল ইসলাম (৩৭), পিতা-মোঃ সৈয়দ আলী, সাং-মধুসুদন পুর, থানা-পবা,রাজশাহী, ২২। মোঃ জিয়াউর রহমান (৩৪), পিতা-মৃত জয়নাল আবেদীন, সাং-বসুয়া, থানা-রাজপাড়া, রাজশাহী মহানগর’কে গ্রেফতার করে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামীগনকে জব্দকৃত সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তাহারা স্বীকার করে যে, তাহারা প্রকাশ্যে টাকার বিনিময়ে তাস দ্বারা নিয়মিত জুয়া খেলে মর্মে স্বীকার করে।

    উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীগনদের বিরুদ্ধে রাজশাহী, আরএমপি,বোয়ালিয়া থানায় জুয়া আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।#

     

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ রাজশাহীতে

    কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ রাজশাহীতে

    রাজশাহী প্রতিনিধি :

    সরকারি চাকুরীতে কোটা পুনর্বহালের রায় বাতিল এবং কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে রাখেন ।

    মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে কলেজ গেটের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এরপর সড়কে বসে পড়েন তারা। প্রায় আধাঘণ্টা সড়কটি অবরোধ করে রাখেন আন্দোলনকারীরা।

    শিক্ষার্থীরা এসময় কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন ।

    আন্দোলনে অংশ নেওয়া মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সামিউল ইসলাম বলেন, একজন মেধাবী শিক্ষার্থী সারাবছর পড়াশোনা করে চাকুরীর বাজারে কোটার কাছে হেরে যাচ্ছে। ভালো চাকরি পাচ্ছেন না। অথচ একজন অযোগ্য লোক কোটা থাকায় চাকরীর বাজারে টিকে যাচ্ছে। আমরা চাই সবাই মেধার ভিত্তিতেই চাকরী পাক ।তিনি আরও বলেন, স্বাধীন রাষ্ট্রে সরকারি চাকুরীতে ৫৬ শতাংশ কোটা থাকা অযৌক্তিক। কোটা যদি থাকে তাহলে বৈষম্য থেকেই যায়, কোন ধরনের বৈষম্য যাতে এই বাংলায় না হয় এটা আমাদের চাওয়া। তাই আমরা কোটা সংস্কার চাই।

    হাবিবা খাতুন নামে আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমরা নারী হয়েও কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছি। নারীরা এখন আর পিছিয়ে নাই, আমাদের কোটা দিয়ে চাকুরী করার দরকার নাই, মেধা দিয়েই চাকরী করতে চাই। প্রতিবন্ধী কোটা ছাড়া সব ধরনের কোটা বাতিলের দাবিতে আজ অবস্থান নিয়েছি। আমাদের দাবি না মানলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবো।

    এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি না মেনে নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। জানান, দিন যতই যাবে ততই কঠোর আন্দোলন হবে।#

    মহ/

  • পুঠিয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানা, ইউএনও অফিসে অভিযোগ দায়ের

    পুঠিয়ায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে থানা, ইউএনও অফিসে অভিযোগ দায়ের

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহী পুঠিয়ায় যুব সমাজকে মাদক থেকে বাঁচাতে এক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ গ্রামবাসীদের মধ্য হতে প্রায় ১৮২ জন ব্যক্তির গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে তা অভিযোগের কপি সহ থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)র নিকট অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    জানা গেছে, ওই মাদক ব্যবসায়ীর নাম রানা। তার বর্তমান সে পুঠিয়া উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামে দুই বছর যাবত বসবাস ও মাদক ব্যবসা করে আসছে। সে আগে স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন রাজশাহী শহরের পার্শবর্তী মাদারদিয়াড় চর এলাকায়। অভিযোগ ও গণস্বাক্ষর করা একাধিক ব্যক্তি তারা বলছেন রানার মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বললে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। রানা বলে বেড়ায় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এসব করে। আমাদের কিছুই করতে পারবে না। এর কয়েকদিন আগে ওই এলাকা থেকে একটি ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়। এমনকি ওই এলাকার স্থানীয় কয়েকজনকে ম্যানেজ করে রানা এসব করছে বলে দাবি তাদের। গভীর রাত অব্দি বহিরাগত মাদক সেবীরা সেখান থেকে মাদক সংগ্রহ করতে যাতায়াত করে। এছাড়াও ওই এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে অভিযোগ পত্রে সই করতে দেখা গেছে, একজন সাবেক এমপি। একজন সাবেক পৌর মেয়র। একজন বর্তমান কাউন্সিলর ও ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য।

    এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাহাবুল ইসলাম বলেন, এই মাদক ব্যবসায়ীদের কারণে এলাকায় অনেক সাধারণ মানুষেরা চুরি ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন সময় দেখা যায় মানুষের বাড়ির হাঁস মুরগি ছাগলসহ নানান রকম জিনিস হারিয়ে যায়। এছাড়াও প্রতিনিয়ত বহিরাগতরা রাতের বিভিন্ন সময় ওই এলাকায় আনাগোনা করতে দেখা যায়। আমরা অনিরপদে আছি।

    এসব বিষয়ে ওই এলাকার বাসিন্দা ও পুঠিয়া উপজেলা দুর্নীতিবিরোধী কমিটির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মাস্টার তিনি বলেন, এসব মাদক কারবারই আমাদের এলাকায় আগে ছিল না। হঠাৎ করে ওই লোকটি দুই বছর আগে এখানে বাড়ি কিনে বসবাস ও মাদক ব্যবসা শুরু করে। তারপরে এলাকায় কৃষকের পেঁয়াজ রসুন সহ নানান রকম জিনিসপত্র হারিয়ে যেতে শুরু করে। আমি আমার এলাকায় মাদক মুক্ত দেখতে চাই।

    এবিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম নূর হোসেন নির্ঝর বলেন, এ ধরনের একটি অভিযোগ পেয়েছি। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলকে জানানো হয়েছে আশা করি খুব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুস সামাদ মোল্লা তিনি বলেন, আমি সব সময় নিজেও মাদক বিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছি। তাই কোনভাবেই আমার উপজেলার মধ্যে কোথাও মাদক ব্যবসায়ী অথবা সেবনকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমিও বিভিন্ন মহলকে জানাবো।#

    মহ/