Category: সারাদেশ

  • বগুড়ায় রথযাত্রায় ৫ জনের মৃত্যু,কার্তিক সাহা’র শোক প্রকাশ

    বগুড়ায় রথযাত্রায় ৫ জনের মৃত্যু,কার্তিক সাহা’র শোক প্রকাশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    বগুড়ায় রথযাত্রায় ৫ জনের মৃত্যু,কার্তিক সাহা’র শোক প্রকাশবগুড়ায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তাহেরপুর রথযাত্রা পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও তাহেরপুর পৌর সভার ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শ্রী কার্তিক সাহা।

    সোমবার (৮ জুলাই) এক বার্তায় তিনি বলেন,বগুড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিকভাবে নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করছি।
    প্রসঙ্গত, রোববার (৭ জুলাই) ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রা উৎসব। এদিন পূণ্য লাভের আশায় বগুড়ায় হাজারো ভক্ত জগন্নাথ দেবের রথের রশি টেনে নিয়ে মন্দিরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিন্তু আনন্দের এই রথযাত্রা মুহূর্তেই পরিণত হয় শবযাত্রায়। রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়। আহত হন অনেকেই।#

     

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • ঐতিহ্যে ঘেরা কিসমত মাড়িয়া মসজিদ

    ঐতিহ্যে ঘেরা কিসমত মাড়িয়া মসজিদ

    নিজস্ব প্রতিবেদন :

    মলিন ও বিবর্ণ হয়ে যাওয়া দেয়ালে ইতিহাস আর ঐতিহ্যের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে কিসমত মাড়িয়া মসজিদ। এটি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত। ঐতিহ্যে ঘেরা বাংলাদেশের একটি প্রাচীনতম মসজিদ। আনুমানিক ১৫০০ সালে এটি নির্মিত হয়েছিল। বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।

    রাজশাহী মহানগরী থেকে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক ধরে প্রায় ১৩ কিলোমিটার গেলে শিবপুর বাজার নামক স্থান থেকে প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের সাইনবোর্ড ধরে এগিয়ে যেতে হবে। এভাবে প্রায় ৪-৫ কিলোমিটার গেলে এই মসজিদ পাওয়া যাবে। প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদফতরের অন্তর্ভুক্ত হলেও আজ পর্যন্ত এর কোনো রক্ষণাবেক্ষণ বা সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে জানান স্থানীয়রা। আমবাগান আর ফসলের ক্ষেত বেষ্টিত এ মসজিদটি সম্পর্কে গ্রামের মানুষের মধ্যে অনেক কিংবদন্তী কাহিনী প্রচলিত আছে।

    এ মসজিদ সম্পর্কে সঠিক কোনো ইতিহাস পাওয়া যায় না। তবুও নির্মাণশৈলী দেখে অনুমান করা হয় মসজিদটি আনুমানিক ১৫০০ সালে স্থানীয় কোনো মুসলিম দরবেশ বা দিল্লির মুঘল শাসকদের নির্দেশে কোনো জমিদার কর্তৃক নির্মিত।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মসজিদটির ক্ষয়ে যাওয়া দেয়ালে এখনো কিছু শৈল্পিক কর্ম বিদ্যমান। মুসলিম ঐতিহ্য অনুসারে শিল্পীদের করা পোড়ামাটির টেরাকোটা যা গাছ-ফুল-লতা ইত্যাদি ধারণ করেছে। এগুলো মসজিদের সৌন্দর্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছে। তৎকালীন হিন্দুপ্রধান এ এলাকায় মুসলিমদের সংখ্যা কম হওয়ায় এ মসজিদটি আকারে বেশ ছোট।

    মসজিদটির তিনটি প্রবেশদ্বার আছে। প্রত্যেকটি দ্বারের ঠিক সমান্তরালে ওপরে ছাদের মাঝামাঝি একটি করে গম্বুজ আছে। মসজিদটির সামনে লাগোয়াভাবে ছোট্ট উঁচু উঠান (খোলা বারান্দা) আছে যা অনুচ্চ প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত এবং একটি তিন ধাপী ছোট সিঁড়ি দ্বারা ভূমিতে সংযুক্ত। এর দক্ষিণে একটি দ্বিতল চৌচালা স্থাপনা আছে যা বিবির ঘর বলে পরিচিত আছে বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। পুরো স্থাপনাটা নির্মিত হয়েছে চুন, সুরকি ও ইট দিয়ে। দেশের অন্যান্য পুরাতন মসজিদের সাথে এই মসজিদের একটি সাধারণ ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয়, তা হলো মসজিদটির একেবারে সন্নিকটে কোনো বড় জলাধার বা পুকুর-দীঘি নেই।

    স্থানীয় রহমান আলী নামে এক মুসল্লি প্রতিবেদকে বলেন, এই মসজিদে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে নামাজ পড়ছি। এখানে নামাজ পড়তে এক ধরনের ভালো লাগা কাজ করে।

    মসজিদের খতিব ও ইমাম জানান, তিনি দীর্ঘদিন এ মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছেন, এই এলাকায় এমন ঐতিহাসিক মসজিদ আর নেই। তাই দ্রুত এর রক্ষনাবেক্ষন ও সংস্কারের দাবি জানান তিনি।

    আশেপাশের লোকজন ও ভ্রমনপ্রিয় মানুষ এ মসজিদে নামাজ আদায় করেন। মসজিদটি এখনো পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় স্মারক। প্রতিদিন দেশী-বিদেশী পর্যটক মসজিদটি পরিদর্শনে আসেন।#

    মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • বাঘায় আ’লীগ নেতা বাবুলের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল।

    বাঘায় আ’লীগ নেতা বাবুলের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল।

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    রাজশাহী বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল হত্যায় জড়িত সকল সন্ত্রাসীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    বাঘা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজনে রোববার ( ৭ জুলাই) বিকেল ৫টায় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় হতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিণ শেষে পূর্বের স্থানে এসে শেষ হয়। এর পর নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজমুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফকরুল হোসেন বিপ্লব, বাউসা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিল্টন, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ফাতেমা খাতুন লতা, নিহত বাবুলের বড় ছেলে ছাত্রলীগ নেতা আশিক জাবেদ প্রমুখ।

    বিক্ষোভ মিছিলে স্লোগান ছিল, আমার ভাই মরলো কেন প্রশাসন বিচার চাই, ফাঁসি- ফাঁসি- ফাঁসি চাই, আক্কাস-মেরাজের ফাঁসি চাই।

    ঘটনা সূত্রে, গত ২২ জুন আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল। পরবর্তীতে ২৬ জুন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান পিন্টু বাদী হয়ে মেয়র আক্কাস আলীকে প্রধান করে ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে বাঘা থানায় একটি মামলা করেন।

    বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, বাবুল হত্যা মামলায় প্রধান আসামি আক্কাস আলীসহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।#

    মহ/

  • বাগমারায় পুকুর খননকারীদের এখনও চলছে রামরাজত্ব

    বাগমারায় পুকুর খননকারীদের এখনও চলছে রামরাজত্ব

    রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পুকুর খনন বন্ধে উচ্চ আদালতের আদেশ ও ভূমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন বাস্তবায়নে উপজেলা শাসন কর্মকর্তাদের নিষ্ক্রিয়তায় উপজেলাধীন বিভিন্ন বিলে শত শত বিঘা কৃষি জমি অবৈধভাবে পুকুর খননে প্রতিনিয়ত ধ্বংস হচ্ছে।

    রহস্যজনকভাবে শাসন কর্মকর্তারা নীরব ভূমিকা পালন করছে। কৃষি জমি সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন আদেশ, নির্দেশ ও প্রচলিত আইনের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন না থাকায় কৃষকদর সমতল উর্বর জমি রাতারাতি জবর দখলের মাধ্যমে পরিণত বড় বড় পুকুর ও দিঘী। এই সুবাদে উপজেলার অসাধু কর্মকর্তরা অনেকে পাচ্ছেন অবৈধভাবে আর্থিক সুযোগ-সুবিধা।

    বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দিন রাত চালিয়ে যাচ্ছে বাগমারা উপজেলার ঝিকরা, মাড়িয়া, হামিরকুৎসা, গোবিন্দপাড়া, শুভডাঙ্গা ও কাচারি কোয়ালিপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন বিলে প্রতিনিয়ত শত শত বিঘা কৃষি জমি ধ্বংস করে চলছে পুকুর খনন। বর্তমানে ঝিকরা ইউনিয়নের সিংগা ও রুয়ের বিলে ১০০ বিঘা আবাদি জমিতে দিন রাতে ফ্রি স্টাইলে চলছে অবৈধভাবে পুকুর খনন। কৃষি জমি সংরক্ষণে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে ভুক্তভোগীরা পাচ্ছেন না কোন প্রতিকার বা আইনের শাসন। গত ২৬/৬/২৪ ইং তারিখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক পুকুর খনন বন্ধে গন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নির্দেশনা দিলেও তা কোনভাবেই তোয়াক্কা করছে না খননকারীরা। খননকারীদের ধৃষ্টতা দেখে মনে হচ্ছে এটি একটি লোক দেখানো নির্দেশনা মাত্র। ভুক্তভোগীরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে আশ্বস্ত ব্যতীত প্রতিকারের বিষয়ে কোন আলোর মুখ দেখতে পান না। এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিকট জোর দাবি জানান, অনতিবিলম্বে বাগমারা উপজেলায় কৃষি জমি সংরক্ষণে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা

    উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জোবায়ের হাবিব বলেন, আমরা পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিদিনই অভিযান চালাচ্ছি ছুটির দিন অফিসডে আমরা প্রতিদিনই বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করছি। পুকুর খননের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে  শুক্রবার যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে শুক্রবার যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল ১০টায় সেতুর মাওয়া প্রান্তে সুধী সমাবেশে ভাষণ দেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মাওয়ায় বইছে উৎসবের আমেজ। বৃহস্পতিবার দিনভর চলেছে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা। এরই মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রশাসন।

    প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে মাওয়ার রাস্তার ৫০ হাজার লোক সমাগমের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি।

    পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সফিকুল ইসলাম বলেন, সব মিলিয়ে এ সেতু তৈরিতে ৩২ হাজার ৬০৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার ৯৯০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এতে চূড়ান্ত বিলে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা কম খরচ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালের ২৬ জুন থেকে চালু হওয়া পদ্মা সেতুতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৭০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। সেতুটি টেকসই হবে অন্তত শত বছর।

    টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন দুই দিনের সফরে

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, দুই দিনের সফরে শুক্রবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে তিনি বিকেলে সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেবেন। সন্ধ্যায় তিনি পিতৃভূমি টুঙ্গিপাড়া পৌঁছবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয় তৈরি করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার সন্ধ্যায় টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে অংশ নেবেন দোয়া-মোনাজাতে।

    শনিবার বঙ্গবন্ধুর বাল্যশিক্ষার বিদ্যাপীঠ টুঙ্গিপাড়া জিটি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সেখানে ‘এসো বঙ্গবন্ধুকে জানি শীর্ষক’ অ্যালবামের মোড়ক উম্মোচন করবেন। এরপর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও নবনির্মিত টুঙ্গিপাড়া মাল্টিপারপাস পৌর সুপার মার্কেট পরিদর্শন করবেন।

    এ ছাড়া দলীয় নেতাকর্মীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়সহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়া জাতির পিতার সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স ধোয়া-মোছাসহ সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সড়কে ব্যানার-ফেস্টুন টানানো হয়েছে। তিনি শনিবার বিকেলে ঢাকার উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।#
    মহ/

  • দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ও ভূমি সেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় যেসব ডিজিটাল সেবা দিয়েছে এই লক্ষে অনলাইন ভূমি সেবা ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা জনসাধারণ।

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করে দেখা গেছে, নামজারি সহ বিবিধ মামলা, ভূমি উন্নয়ন কর, অর্পিত সম্পত্তি লীজ, মানি আদায়, সরকারি খাস জমি উদ্ধার ইত্যাদি কাজে পূর্বের তুলনায় দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড অনেক গতিশীল। বছর দু’য়েক আগে দাউদকান্দি উপজেলায় একটি নামজারি মামলা নিষ্পত্তিতে ৪৫-৬০ দিন সময় অতিবাহিত হতো, বর্তমানে মাত্র ১০-১৫ দিনে এ কার্যক্রম সম্পাদন হচ্ছে।

    প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক সেবা প্রার্থী ই-নামজারি সহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে এ ভূমি অফিসে আসেন। হয়রানি ছাড়া সেবা পেয়ে তারা অনেক খুশি ও সন্তুষ্ট। সেবা নিতে আসা দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের সালাউদ্দিন মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ই-নামজারি করতে পেরে আবেগ আপ্লুত হয়ে জানান, অনলাইনে নামজারি আবেদন করেন। এরপর মোবাইলে আসা এসএমএস অনুযায়ী শুনানিতে উপস্থিত হয়ে তার ই-নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে যায়। অতীতের হয়রানির ঘটনা এখন ইতিহাস।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দাউদকান্দি উপজেলায় বিগত ৩০ দিনে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির গড় সময়সীমা ১০ দিন যা কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্ন।

    প্রাপ্ত তথ্যচিত্র অনুযায়ী কুমিল্লা জেলায় গড় নিষ্পত্তি দিনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস। তথ্য অনুযায়ী দাউদকান্দি উপজেলায় গড় নিষ্পত্তি সময় ১০ দিন, যা কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে শীর্ষে । ই-নামজারি সেবা সহজীকরণে ও জনগণকে স্বল্পতম সময়ে এ সেবা দিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জিয়াউর রহমান।

    তিনি জানান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের দিক-নির্দেশনার আলোকে আমরা আইনানুগভাবে নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে মানুষকে দ্রুততম সময়ে ভূমি সেবা ও ভূমি বিষয়ক পরামর্শ প্রদানে বদ্ধপরিকর। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক সরাসরি শুনানি গ্রহণ, ইউনিয়ন ও উপজেলায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট অফিসারদের তৎপরতার ফলে দালাল তথা তৃতীয় পক্ষের দৌরাত্ম্য কমেছে। দাউদকান্দিও মানুষ এখন অনলাইন/স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে।

    এই কর্মকর্তা আরো বলেন, বর্তমান কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক ই-নামজারি সেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। যখন আমি এ উপজেলার দায়িত্ব গ্রহন করি তখন গড় নিষ্পত্তি সময় ছিল ৪৫ থেকে ৬০ দিন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, কানুনগো, অফিস সহকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ সেবা বর্তমানে ১০ দিনে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও স্বল্প সময়ে এ সেবা দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনাকে বাস্তবায়ন করে এখন আমরা স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার দিকে আগাচ্ছি। স্মার্ট ভূমি সেবা বাস্তবায়নের লক্ষে জণগনকে শতভাগ দ্রুততার সাথে এবং সহজে সেবা প্রদানে আমরা বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসংশনীয়।

  • ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    গাজীপুরের জয়দেবপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসক এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

    তদন্ত কমিটি ও বরখাস্তের বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর জংশনের স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া।

    বরখাস্তরা হলেন- আপ ঘুন্টি স্টেশন মাস্টার মো. হাসেম, পয়েন্টস ম্যান সাদ্দাম হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

    রেলওয়ের পক্ষ থেকে সিওপিএস মো. শহীদুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্যের আঞ্চলিক তদন্ত কমিটি এবং রেলেওয়ের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী (সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন) সৌমিক শাওন কবিরকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে জয়দেবপুর স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া জানান, টাঙ্গাইল কমিউটার ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। সিগন্যাল ম্যানের ভুলের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

    তবে কমিউটার ট্রেনটিতে তেমন যাত্রী ছিল না বললেই চলে। এ কারণে হতাহতের সংখ্যা কম হয়েছে। কমিউটার ট্রেনের লোকো মাস্টারসহ (ট্রেনের চালক) চারজন আহত হয়েছেন।

    এদিকে শুক্রবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে টাঙ্গাইল কমিউটারের তিনটি বগি দুমড়েমুচড়ে যায়।

    এছাড়াও দুটি ট্রেনের ৮টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এরপর থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এলে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়। কাজ চলমান থাকলেও দুপুর থেকে অন্য লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু করে।

  • বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির মূল্য আকাশচুম্ব

    বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির মূল্য আকাশচুম্ব

    বেনাপোল বাজারে কাঁচামরিচ ও সবজির বাড়তি দাম ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বেনাপোল বাজারে এক মাস ধরে বাড়তি দর অব্যাহত রয়েছে।

    আমদানি বন্ধ না থাকলেও বেনাপোল বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ। সবজি ও কাঁচামরিচের এমন বাড়তি দাম রমজান মাসেও দেখা যায়নি। ঈদুল আজহার ছুটিতে কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজিতে।

    সপ্তাহব্যাপী আমদানি বন্ধ থাকার পর ঈদ শেষে যথারীতি কাঁচামরিচের আমদানি শুরু হয়। ঈদের পরে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ২০০ থেকে ২৬০ টাকা কেজিতে। ঈদের দু’ সপ্তাহ পরে কিছুটা দাম কমলেও এখনো রয়েছে দু’শতকের ঘরেই। এখনো কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা কেজিতে। কাঁচামরিচের ঝাঁজ ও সবজির বাড়তি দাম ভোগাচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

    বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে সবজি কিনতে আসা ক্রেতাদের। বৃষ্টির কারণে কাঁচামরিচের দাম কমছে না বলছেন সবজি বিক্রেতারা। অন্যদিকে, গত এক মাস ধরে সবজির বাজারও চড়া। বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। রমজান মাসেও

    এমন বাড়তি দাম দেখা যায়নি সবজির বাজারে। গত এক মাস ধরে সস্তার সবজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে অবিশ্বাস্য দামে। জুন মাসে পেঁপে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। যা এখনো বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে। কাঁচকলাও বিক্রি শুরু হয় বাড়তি দামে। গত মাস থেকে এ মাস পর্যন্ত কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে।
    বর্তমানে উচ্ছের দাম আকাশ ছোঁয়া।

    বুধবার ৩জুলাই সকালে বাজার ঘুরে প্রতি কেজি উচ্ছে বিক্রি হয় ১২০টাকা কেজিতে। এ ছাড়া, পিয়াজ ৯০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০, বরবটি ১২০, কচুরমুখি, ঝিঙ্গে ও কাঁকরোল ৮০, কচুরলতি ৮০ থেকে ১০০, লাউ, চিচিঙ্গা, ঢেঁড়স ৬০, পটল ৩০, টমেটো ১২০ ও গাজর ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে,আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে। বাজারে মজুত স্বাভাবিক থাকলেও সবজির এমন বাড়তি দামে ক্রেতা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

    বেনাপোল কলেজের শিক্ষার্থী আলমগীর বলেন, মেসে থাকায় নিয়মিত বাজার করতে হয়। বাজারে এলে বাজেট মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সাদিপুর রোজিনা আক্তার বলেন, বাজার করা একটা বাড়তি ঝক্কি মনে হয়। আলুর এমন অস্বাভাবিক দাম ভাবা যায় না। বাজারের পাশে দুর্গাপুর এনামুল হক বলেন, দু’কেজি আলু কিনেছি ১২০ টাকায়। অথচ বাজারে আলুর কোন সংকট নেই। তবু এমন অস্বাভাবিক দাম।

    বাজারের সবজি বিক্রেতা শুকুর আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজি ও কাঁচামরিচের চালান কম আসছে, সরবরাহ কমে গেছে। তাই দাম কমছে না। আরেক বিক্রেতা হযরত আলী বলেন, বৃষ্টির কারণে মাঠে কাঁচামরিচ পচে যাচ্ছে, তাই দাম কমছে না। সবজি বিক্রেতা সুশীল সাহা বলেন, কাঁচামরিচ বাড়তি দামে কিনে এনে বিক্রি করছি। আমরাও জানি না, আমদানি হওয়ার পরেও আমদানি কারকদের কারসাজির জন্য কাঁচামরিচের দাম কমছে না।

  • কাল থেকে বাড়তি ভাড়ায় চড়তে হবে ট্রেনে, কোন রুটে ভাড়া কত

    কাল থেকে বাড়তি ভাড়ায় চড়তে হবে ট্রেনে, কোন রুটে ভাড়া কত

    ঢাকা থেকে ট্রেনে গাজীপুরে যেতে প্রতি কিলোমিটারে যাত্রীদের যত টাকা ভাড়া গুণতে হয়, এরচেয়ে পঞ্চগড়, খুলনা বা চট্টগ্রাম যেতে কম ভাড়া লাগত। কারণ, বাংলাদেশ রেলওয়ে এতদিন বেশি দূরত্বের টিকিট ছাড় দিয়ে বিক্রি করত। আগামীকাল শনিবার (৪ মে) থেকে রেলযাত্রায় এই রেয়াতি সুবিধা উঠে যাচ্ছে। নতুন দামে টিকিট কেটে ক্ষোভ ঝেড়েছেন দূরের যাত্রীরা।

    এক যাত্রী ক্ষোভের সুরে বলেন, ‘বর্তমানে সব কিছুর দাম বাড়ছে। মানুষের ওপর জুলুম হচ্ছে। আবার এদিকে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারিদের হাতে চলে যায়। সাধারণ যাত্রীরা টিকিট পায় না।আরেক যাত্রী বলেন, ‘ট্রেনের যাত্রীসেবা তো অনেক দূরের বিষয়। কোনোরকম গন্তব্যে পৌঁছতে পারলেই আমরা খুশি।’

    অতীতের নিয়ম অনুযায়ী, ১০১ থেকে আড়াই শ কিলোমিটার ভ্রমণে ২০ শতাংশ, ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটার ভ্রমণে ২৫ শতাংশ এবং এর বেশি দূরত্বের জন্য ৩০ শতাংশ ছাড় পেতেন রেলের যাত্রীরা। সেই বিধান উঠে যাওয়ায় বর্তমানে গন্তব্যভেদে ২০ টাকা থেকে দেড় শ টাকা পর্যন্ত শোভন চেয়ারের টিকিটের দাম বেড়েছে।

  • স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টাঃ পরকীয়া প্রেমিক স্বামী মহব্বত আলী

    স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টাঃ পরকীয়া প্রেমিক স্বামী মহব্বত আলী

    পঞ্চগড়র বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের বারোঘড়ীয়া-শিকারপুর নামাক গ্রামে গতকাল ০১জুলাই সোমবার সকাল ১১ঘটিকায় স্ত্রী লতা আক্তারের শরীরে ডিজেল ঢেলে দিয়ে আগুন লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন স্বামী মহব্বত আলী। লতা আক্তার চিৎকার করলে এলাকাবাসী এসে পনি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ঠাকুরগাঁও মেডিকেলে নিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা গণমাধ্যমকে জানায়, মহব্বতের তিন সন্তান থাকা সত্ত্বেও একই গ্রামের মাহাবুরের স্ত্রী রাসিদা বেগমকে চার মাস পর্বে পালিয়ে নিয়ে যায়। একমাস বাাহিরে থাকার পরে রাসিদাকে ভাড়া বাড়িতে রেখে বাড়িতে আসে মহব্বত আলী। স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে বিয়ে করার দায়ে একটি মামলা করেছিল লতা আক্তার।

    মহব্বত আলীর একটি ছেলে, দুটি মেয়ে শিশু সন্তান রয়েছে, ছেলে লাবিব জানায়, আমার মাকে ডিজেল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।আমাদের মহেন্দ্র গাড়ি রয়েছে তেলের ড্রাম ঘরেই রয়েছে।

    লতা আক্তার গণমাধ্যমকে জানায়,আমার স্বামী চার মাস পর্বে রমজান মাসে একই গ্রামের নিঃসন্তান থাকা রাশিদা বেগমকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এক মাস পর বাড়ীতে আসলে থাকেনি একদিনও

    রাসিদাকে নিয়ে থাকতেন ভাড়া বাসায়। আমার একটি ছেলে দুটি মেয়ে রয়েছে। ঈদের দিনেও থাকেনি আমার বাসায়। আমি নিজেই তিন দিন আগে ভাড়া বাসায় গিয়ে আমার স্বামী, ও রাসিদাকে আমার বাসায় নিয়ে আসি। কিন্তু আমার তিন সন্তান ও আমাকে মেনে নিতে না পেরে রাতে পালিয়ে যায় রাশিদা। এ নিয়ে আমার স্বামী সকালে এসে আমাকে মারপিট করে সংঘাত সৃষ্টি হয়। আমি বকাবকি করলে ঘরে গিয়ে আমার শরীরে ড্রমে থাকা ডিজেল দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

    লতা আক্তার বলেন এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীর সুষ্ঠু বিচার চাই। লতা বর্তমানে ঠাকুরগাঁও মেডিকেলে চতুর্থতলা সার্জারী বিভাগে ২৩ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।