Category: জাতীয়

  • পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাসিক প্রশাসক

    পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাসিক প্রশাসক

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরবাসী সহ সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

    তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। 

    মহিমান্বিত মাহে রমজানের এক মাস সিয়াম সাধনার পর আনন্দ, সংযম, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক মহিমান্বিত বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এই পবিত্র দিনে আমরা যেন পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও দৃঢ় করি এই হোক আমাদের প্রত্যাশা।

    ঈদের আনন্দ সকলের মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ুক। সকল শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবাই যেন এই আনন্দে শামিল হতে পারে সেজন্য আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসি। সমাজের সকল অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হোক ঈদের প্রকৃত শিক্ষা।

    রাজশাহীকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণে আমাদের এই অগ্রযাত্রায় আপনাদের সহযোগিতা ও ঐকান্তিক অংশগ্রহণ একান্তভাবে কাম্য।

    পরিশেষে, মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের সকলের জীবনকে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে মহিমান্বিত করে দেন এবং আমাদের প্রিয় মহানগরী রাজশাহীকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করে তোলার তৌফিক দান করেন।

    সকলকে জানাই ঈদুল ফিতরের মোবারকবাদ , ঈদ মোবারক।# মহ /

  • দুর্গাপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পৌরসভার ৩০৮৫ পরিবার পেল বিনামূল্যে চাল

    দুর্গাপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পৌরসভার ৩০৮৫ পরিবার পেল বিনামূল্যে চাল

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    রাজশাহীর দুর্গাপুর পৌরসভার অসহায় হতদরিদ্র ৩ হাজার ৮৫ পরিবারের মাঝে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধিনে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা হিসেবে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    ১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০ টার দিকে পৌরসভার গুদাম থেকে বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়।

    উক্ত বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাশতুরা আমিনা। আরও উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার ভূমি ও পৌর প্রশাসক লায়লা নূর তানজু, পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ শাহাবুল হক, কার্যসহকারী, রতন কুমার ঘোষ, হিসাব রক্ষক, মোঃ হাবিবুর সহ বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা) সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় দুর্গাপুর উপজেলার জন্য মোট ৭৮.৯৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ অনুযায়ী দুর্গাপুর পৌরসভার ও উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

    দুর্গাপুর পৌরসভার ৩০৮৫ কার্ডের বিপরীতে ৩০.৮৫০ মেঃটন, নওপাড়া ইউপির ৮৪৪ কার্ডের বিপরীতে ৮.৪৪০ মেঃটন, কিসমত গণকৈড় ইউপির ৬৩৪ কার্ডের বিপরীতে ৬.৩৪০ মেঃটন, পানানগর ইউপির ৫৪২ কার্ডের বিপরীতে ৫.৪২০ মেঃটন, দেলুয়াবাড়ি ইউপির ৭৪৫ কার্ডের বিপরীতে,৭.৪৫০ মেঃটন, ঝালুকা ইউপির ৭১৫ কার্ডের বিপরীতে ৭.১৫০ মেঃটন, মাড়িয়া ইউপির ৪৯৯ কার্ডের বিপরীতে ৪.৯৯০ মেঃটন, জয়নগর ইউপির ৮৩৪ কার্ডের বিপরীতে ৮.৩৪০ মেঃটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।# মহ/

  • দুর্গাপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া-মাহফিল

    দুর্গাপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া-মাহফিল

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

     

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (৭ ডিসেম্বর) বাদ মাগরিব উপজেলার পালীবাজারে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে এ দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল। এতে সভাপতিত্ব করেন শহীদ জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো: সিরাজুল করিম সনু।

    মাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন, দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক হাসান ফারুক ইমাম সুমন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জার্জিস হোসেন সোহেল, পুঠিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনোয়ারুল হক জুম্মা, রাজশাহী জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার রহমান ভুট্রো, দুর্গাপুর পৌর বিএনপির সদস্য সচিব রেজাউল করিম স্বপন, সাবেক সভাপতি বজলুর রহমান, সাবেক ছাত্রদল ও যুবদল সভাপতি নাহিদুলতশ হক বিদয় সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।# মহ/

  • ভোলাহাটে যথাযথভাবে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস ২০২৫ পালিত 

    ভোলাহাটে যথাযথভাবে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস ২০২৫ পালিত 

    ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ৫৪তম জাতীয় সমবায় দিবস ২০২৫ যথাযথভাবে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় (১ নভেম্বর ২০২৫) উপলক্ষ্যে দিনটি পালনে জাতীয় ও সমবায় উত্তোলন, বর্ণাঢ্য র‍্যালী, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমবায় অফিস কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রথমেই একটি র‍্যালী উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের কর্মসূচী শুরু হয়। তেলাওয়াত করেন, মোঃ মুরশালীন ইসলাম।

    উপজেলা সমবায় সহকারী পরিদর্শক মোহাঃ আবদুল জলিলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজোলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ সুলতান আলী, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ নাসিম উদ্দিন ও গ্রাম আদালত প্রকল্প সমন্বয়ক সন্ধ্যা রানী।

    “সাম্য ও সমতায়, দেশ গড়বে সমবায়” এ প্রতিপাদ্যকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, সহকারী শিক্ষক মোঃ কাইফুল ইসলাম। সমবায়ীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সহকারী পরিদর্শক জামিল উদ্দিন, অফিস সহায়ক আশিকুর রহমান, প্রগতি আর্থ সামাজিক উন্নয়ন সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলামসহ সুধীজনেরা।# মহ/

  • ভোলাহাটে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৫ পালিত

    ভোলাহাটে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৫ পালিত

    ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের সাথে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৫ মঙ্গলবার (১২ আগষ্ট ২০২৫) সকাল ১০টায় পালিত হয়েছে।

    উপজেলা যুব উন্নয়ন, এনজিও ভার্ক ও আস্থার উদ্দ্যোগে বর্ণাঢ্য যুবরেলী, আলোচনা সভা, সনদপত্র বিতরণ ও ঋণসহায়তা প্রদানের চেক বিতরন অনুষ্ঠিত হয়।

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান। যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম কবিরাজের সভাপতিত্বে উপস্থিত সমাজসেবা অফিসার মোঃ নাসিম উদ্দিন, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ তৈমুর হোসেন, উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার মোঃ হারুনর রশিদ।

    অন্যান্যের মধ্যে ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার ভার্কের সমৃদ্ধি কর্মসূচীর উপজেলা প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মোসাঃ হাজেরা খাতুন, আইকনিক ইউথ অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা, সাধারন সম্পাদক ও আজকের অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন আনোয়ার পারভেজ আদিত ও আস্থার এনজিও’র সমন্বয়কারী আরিফা খাতুন, আত্মকর্মী শেমালী খাতুন, হাবিবসহ অন্যরা।

    এছাড়াও উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক)’র কর্তাগণ ও আইকনিক ইউথ অর্গানাইজেশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ এবং যুবক-যুবতীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে “প্রযুক্তি নির্ভর যুব শক্তি, বহুপাক্ষিক অংশিদারীত্বে অগ্রগতি” এ স্লোগানকে কেন্দ্র করে দিবসটি পালনে এনজিও ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক), আস্থা ও আইকনিক ইউথ অর্গানাইজেশন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য রেলী নিয়ে উপজেলা চত্বর থেকে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তন কক্ষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

    পরে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের বিভিন্ন ক্যাটাগড়ীতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১০ জন যুবক-যুবতীদের মাঝে ঋণের চেক প্রদান করেন। #মহ/

  • ভোলাহাটে জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানের শোক ও বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বিশাল বিজয় মিছিল!

    ভোলাহাটে জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানের শোক ও বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বিশাল বিজয় মিছিল!

    ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের শোক ও বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ভোলাহাট উপজেলা বিএনপি ও তার অংগসংগঠনের আয়োজনে প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী দলের সাবেক শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এক বিশাল বিজয় মিছিল বের করা হয়।

    বুধবার (৬ আগষ্ট ২০২৫) বিকেল ৪ টার দিকে উপজেলা বিএনপির নিজস্ব কার্যালয় থেকে একটি বিশাল বিজয় র‌্যালি নিয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মোহবুল্লাহ্ মাঠ প্রাঙ্গণে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

    এ সময় শোক ও বিজয় মিছিল ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম আনোয়ার। সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মাহাতাব উদ্দিন।

    সাবেক ছাত্রনেতা ও সাবেক এমপির ব্যক্তিগত সহকারী কায়সার আহমেদের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেশমাতুল আরস রেখা, বিএনপি নেতা ঠিকাদার আলাউদ্দিন, যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ বেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুনসুর আলী, জামবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আফাজ উদ্দিন পানু মিঞা, মোঃ শহিদুল ইসলাম বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন গোমস্তাপুরসহ ভোলাহাট উপজেলা বিএনপি ও তার অংগসংগঠনের ইউনিয়ন-ওয়ার্ডের নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন ।# মহ/

    ০৬.০৭.২০২৫ ইং

  • দুর্গাপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

    দুর্গাপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস ২০২৫ পালিত হয়েছে।
    ২৬ মার্চ (বুধবার) সূর্যোদয়ের সাথে (সকাল ৬.০৪ ঘটিকা) সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত এবং বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উপজেলা চত্বরে ৩১ (একত্রিশ) বার তোপধ্বনি মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদের স্মরণ করা হয়।

    শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম পুষ্পস্তবক করা হয়। পর্যায়ক্রমে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, পৌর প্রশাসক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, দুর্গাপুর থানা, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিক দল , বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সর্বসাধারণ মানুষ বীর শহীদদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। তাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।

    সকাল ৯ টার দিকে দুর্গাপুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১০.৩০ মিনিটে উপজেলা পরিষদের হলরুমে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা আয়োজন করা হয় ।

    বিকেলে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে T-20 ক্রিকেট টুর্নামেন্ট,ফুটবল, কাবাডি,হা-ডু-ডু আয়োজন শেষে বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। উপজেলা পর্যায়ে চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি ও রচনা প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত এবং বেসরকারি ভবন স্থাপনাসমূহে আলোকসজ্জা মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা দিবসটি নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযথ মর্যাদা পালন করা হয়েছে।#

    মহ/

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যারা

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যারা

    বিচারবহির্ভূত হত্যা (খুন), গুম, অমানবিক নির্যাতনের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধে কেউ অভিযুক্ত হলেই তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। একইভাবে গুরুতর দুর্নীতি, অর্থ পাচারের অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযুক্ত হলেও তিনি নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। এমনকি এসব ব্যক্তি কোনো রাজনৈতিক দলের কমিটির কোনো পদে বা সাধারণ সদস্য হিসাবেও থাকতে পারবেন না।

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে বুধবার জমা দেওয়া নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করা হয়েছে। এতে সংবিধানের ৬৬(২)(ছ) অনুচ্ছেদের অধীনে একটি বিশেষ আইন প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে।

    ওই প্রতিবেদনের শুরুতেই বলা হয়েছে, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্যরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছেন, যাতে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে যারা নিহত-আহত হয়েছেন, তাদের চরম আত্মত্যাগ বৃথা না যায়।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যা এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুম-খুনের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং জেলায় জেলায় মামলা দায়ের হয়েছে। ওইসব মামলায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ দলটির শীর্ষ থেকে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। ওইসব মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযুক্ত হলে অর্থাৎ তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া চার্জশিট আদালত গ্রহণ করলেই তারা নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। যদিও বিদ্যমান সংবিধান ও আরপিও অনুযায়ী সাজাপ্রাপ্তরা কেবল নির্বাচনে অযোগ্য হন।

    নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে জাতীয় সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করার কথা বলা হয়েছে। যদিও বিএনপি জাতীয় সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন না করার দাবি জানিয়ে আসছে। এছাড়াও জাতীয় সংসদে ৪০ শতাংশের কম ভোট পড়লে ওই আসনে পুনর্নির্বাচন করা এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথ বন্ধ করতে ‘না’ ভোটের বিধান চালু করাসহ ১৬ দফা সুপারিশ করা হয়েছে। এসব সুপারিশের মধ্যে আরও রয়েছে একই ব্যক্তির একাধিক আসনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করা, রাষ্ট্রপতি ও সংসদের নারী আসনে সরাসরি ভোটের বিধান করা।

    একই ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধান, প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদপ্রধান হতে পারবেন না। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে না পারলে নির্বাচন কমিশনকে দায়বদ্ধ ও শাস্তির আওতায় আনার বিধান করা। এছাড়াও অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা চালু এবং প্রবাসীদের ভোটার করে তাদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

    নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদারের নেতৃত্বে কমিশনের সদস্যরা বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেন। এদিন বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনব্যবস্থা ভেঙে গেছে। সেটিকে ঠিক করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যে কাজটি করার চেষ্টা করেছি, সেটি হলো নির্বাচনব্যবস্থায় যাতে একটি স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে সব অংশীজনের যেন দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নির্বাচনটা যেন অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়, ভোটারদের ভোট দেওয়ার অধিকার যাতে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে ১৫০টির মতো সুপারিশ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব সুপারিশের অন্যতম লক্ষ্য ছিল যে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, তাদের ক্ষমতায়িত করা এবং একই সঙ্গে তাদের দায়বদ্ধ করা। ইসিকে দায়বদ্ধতার বিধান আমরা যুক্ত করেছি। গণতন্ত্রায়ণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহি চাট্টিখানি কথা নয়। এটি বলা সহজ। কিন্তু এটি আমাদের করতে হবে। যদি দলগুলোর মধ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে আমরা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা করতে পারব, সেই আশা করাও দুরূহ।

    বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গত তিনটি নির্বাচনে যারা নির্বাচনব্যবস্থাকে নির্বাসনে ফেলে দিয়েছে, সেসব নির্বাচন কমিশনার ও কর্মকর্তা বিশেষ করে ২০১৮ সালের নির্বাচনে মধ্যরাতে যে অভূতপূর্ব কাণ্ড ঘটেছে, সে ব্যাপারে একটি তদন্ত করে তাদের বিচারের আওতায় আনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। তিনি আরও বলেন, আমরা কয়েকটা আইনের খসড়া তৈরি করেছি। আরও দু-একটা তৈরি করার প্রক্রিয়ায় আছি। আমাদের একটু সময় দিতে হবে।

    সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : কমিটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে বেশ কয়েকটি সুপারিশ করেছে। সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে ঋণ-বিল খেলাপি এবং আদালত কর্তৃক ফেরারি আসামিদের প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখা; সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ)-এর অধীনে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে বিচারিক আদালত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত হলেই তাকে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করা। আরও আছেÑগুরুতর মানবাধিকার (বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, অমানবিক নির্যাতন, সংবাদিক/মানবাধিকারকর্মীর ওপর হামলা) এবং গুরুতর দুর্নীতি, অর্থ পাচারের অভিযোগে গুম কমিশন বা দুর্নীতি দমন কমিশন বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কর্তৃক অভিযুক্ত হলে তাদের সংবিধানের ৬৬৯২)(ছ) অনুচ্ছেদের অধীনে একটি বিশেষ আইন প্রণয়ন করে সংসদ-সদস্য হওয়ার অযোগ্য করা। নির্বাচনব্যবস্থায় ইভিএম ব্যবহারের বিধান বাতিল করা; নির্বাচনকালীন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় প্রতিরক্ষা বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা; নির্বাচনে ‘না’ ভোট বিজয়ী হলে সেই নির্বাচন বাতিল করা এবং পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাতিলকৃত নির্বাচনের কোনো প্রার্থীকে নতুন নির্বাচনে প্রার্থী হতে না দেওয়া; স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের পদত্যাগ না করে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ কয়েকটি সুপারিশ করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : প্রতিবেদনে সংবিধান সংশোধন করে একই ব্যক্তির সর্বোচ্চ দুইবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ সীমিত করা, দুবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অযোগ্য করা এবং একই ব্যক্তি একই সঙ্গে যাতে দলীয় প্রধান, প্রধানমন্ত্রী ও সংসদনেতা না হতে পারেন, সেই বিধান করার সুপারিশ করা হয়েছে। আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের উভয় কক্ষের সদস্য এবং স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর নির্বাচকমণ্ডলীর ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বিধান করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    এছাড়া সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে ১০০ আসন নিয়ে সংসদের উচ্চকক্ষ সৃষ্টি করা; সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হারের ভিত্তিতে (সংখ্যানুপাতিকভাবে) আসন বণ্টন করা; উচ্চকক্ষে প্রত্যেক দলের প্রাপ্ত আসনের ৫০ শতাংশ দলের সদস্যদের মধ্য থেকে এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাং আসন নির্দলীয় ভিত্তিতে নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, মানবসেবা প্রদানকারী, শ্রমজীবীদের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচিত করার বিধান করার সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদের উচ্চকক্ষের সদস্যদের বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে øাতক নির্ধারণ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    হলফনামা তথ্য গোপনে সংসদ-সদস্য পদ বাতিল : প্রার্থী কর্তৃক মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রত্যেক দল তার প্রার্থীদের জন্য প্রত্যয়নপত্রের পরিবর্তে দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বা অনুরূপ পদধারী ব্যক্তি কর্তৃক হলফনামা জমা দেওয়ার বিধান করা, যাতে মনোনীত প্রার্থীর নামের পাশাপাশি মনোনয়ন বাণিজ্য না হওয়ার এবং দলীয় প্যানেল থেকে প্রার্থী মনোনয়ন প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ থাকে। পরবর্তী নির্বাচনের আগে যে কোনো সময় নির্বাচন কমিশন নির্বাচিত ব্যক্তির হলফনামা যাচাই-বাছাই করতে এবং মিথ্যা তথ্য বা গোপন তথ্য পেলে তার নির্বাচন বাতিল করার বিধান চালু করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    নির্বাচনি আচরণবিধি : নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যানার, তোরণ ও পোস্টারের পরিবর্তে লিফলেট, ভোটার-প্রার্থী মুখোমুখি অনুষ্ঠান, পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন ও সরকারি গণমাধ্যমে প্রচারের সমসুযোগ প্রদানের বিধান করা, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ মেনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার বিধান করা এবং ১৯৯০ সালের তিন জোটের রূপরেখার মতো রাজনৈতিক দলের জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের দায়বদ্ধতা : প্রতিবেদনে নির্বাচন কমিশনকে দায়বদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অসদাচরণ বা অসামর্থ্যরে অভিযোগ উঠলে তা সংবিধানের ১১৮ ও ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে সুরাহ করার বিদ্যমান আইন কার্যকর করা; সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বা শপথ ভঙ্গ করলে সংসদীয় কমিটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করা এবং ইসির আইনি, আর্থিক ও প্রশাসনিক প্রস্তাব কোনো মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে সংসদের উচ্চকক্ষের কমিটির কাছে উপস্থাপনের বিধান করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    সংসদ-সদস্যদের সুবিধা কমানো : কমিশনের প্রতিবেদনে সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি, আবাসিক প্লট এবং সব ধরনের প্রটোকল ও ভাতা পর্যালোচনা ও সংশোধন করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া সংসদ-সদস্য আচরণ আইন প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে।#

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

    সূত্র :যুগান্তর

  • বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বিশ্বব্যাপী শুভ বড়দিন জাঁকজমকভাবে পালন হয়। খ্রিস্টান সম্প্রদায় এই দিনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান, চার্চে গিয়ে প্রার্থনায় যোগদান করেন, নতুন জামাকাপড় ও নানা ধরনের খাবারদাবার তৈরি করে অতিথি আপ্যায়ন করেন। এভাবেই বিশেষ এই দিনটি উদযাপন করা হয়। বাংলাদেশে খ্রিস্টানদের মধ্যে বড়দিনের উল্লেখযোগ্য খাবার নানা ধরনের পিঠা।

    ঘরে অতিথি আপ্যায়ন ছাড়াও আত্মীয়-স্বজন আর পাড়া প্রতিবেশীদেরও উপহার হিসেবে দেওয়া হয় এই পিঠা। এছাড়া গির্জায় সম্মিলিত ভোজের পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে তৈরি হয় নানা রকমের মুখরোচক খাবার।

    বড়দিনের খাবার দাবার আর নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে চলুন জেনে নেওয়া যাক কিছু বিষয়—

    খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা সকালের নাস্তার পর পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে গির্জায় যান প্রার্থনা করতে। প্রার্থনা শেষে গির্জায় রান্না করা খাবার সবার সাথে বসে খান। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি জাতীয় খাবার ও বিরিয়ানি।এছাড়াও ঘরে আরও অনেক রকমের খাবার রান্নাও করা হয়।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়
    এছাড়াও বড়দিনের খাবার বলতে গেলেই চোখের সামনে ভেসে উঠবে নানারকম মুখরোচক খাবার। তবে ঐতিহ্যবাহী খাবারের কথা বললে কেক, জিঞ্জার ব্রেড, ল্যাম্ব রোস্ট, আস্ত মুরগি বা টার্কির রোস্ট, মোড়কে মোড়ানো চকলেট, ফ্রুট টার্ট, আপেল দিয়ে তৈরি পাই বা অন্য কোনো আইটেমের কথাই মনে পড়বে। এসব খাবার দিয়েই বড়দিন পালন করেন পৃথিবীর খ্রিস্টান সম্প্রদায়।
    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বাংলাদেশের চিত্রটাও ভিন্ন। যদিও বড়দিনের উৎসবে নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় খাবার নেই। যে দেশে যে খাবার উৎসবগুলোতে প্রাধান্য পায় সেটিই মূল থাকে। আমাদের দেশে গ্রামগুলোতে বড়দিনের উৎসবের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি নানা ধরনের পিঠা তৈরির রেওয়াজ রয়েছে। হরেক রকমের পিঠা বানানো হয়। তেলের পিঠা বানানো হয়। সেইসাথে মিষ্টি থাকে, কেক থাকে। কেকগুলো বেশিরভাগ বাসাতেই বানানো হয়। যারা পিঠা তৈরির সময় পান না তারা নানা রকম কুকিজ ও কেকের আয়োজন করেন।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    অতিথিদের আপ্যায়ন করতে অনেকেই ডাক রোস্ট, জিঞ্জার ব্রেড তৈরি করেন। দুপুরের আয়োজনে পোলাও, মাংস, রোস্ট, কাবাব, সাথে ডেসার্টও থাকে। কখনো কেক ঘরে বানানো হয়, কখনো বাইরে থেকে কিনে আনা হয়। দুপুরে ভারি খাবারের আয়োজন করা হলেও রাতে সেই মেন্যু কিছুটা হালকা হয়ে যায়। বড়দিনে বিভিন্ন কেক ও পেস্ট্রিশপে নানা ধরনের কেকের আয়োজন থাকে। তেমনি থাকে পাঁচতারকা হোটেলগুলোতে বড়দিনের নানা আয়োজন।

    দুপুরে যা আয়োজন করা হয় পোলাও, মাংস, রোস্ট, কাবাব, সাথে ডেসার্টও থাকে। রাতে সবাই ঝুঁকে পড়ে হালকা খাবারের দিকে। দুপুরে ভারি খাবারের আয়োজন করা হলেও রাতে সেই মেন্যু কিছুটা হালকা হয়ে যায়।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    বড় দিনের খাবার-দাবার নিয়েও পার্থক্য রয়েছে বিভিন্ন ধারার বিশ্বাসীদের মধ্যে। ক্যাথলিক এবং প্রোটেস্টান্টদের মধ্যে এই পার্থক্য বেশি থাকে। ক্যাথলিকরা অ্যালকোহল এবং শুকরের মাংস খেলেও প্রোটেস্ট্যান্ট বা সেভেন্থ ডে অ্যাডভেন্টিস্টরা এই খাবারগুলো এড়িয়ে চলেন।

    বড়দিনের আয়োজনে যে খাবার তৈরি হয়

    তবে খাবারের মেনুতে কিছুটা তারতম্য থাকলেও যে বিষয়টি সবার মাঝেই থাকে তা হচ্ছে বড়দিনের আনন্দ। যা অনেক গুণ বেড়ে যায় স্বজনদের সাথে সাক্ষাতের মাধ্যমে।#মহ/দৈনিক বাংলার তরী

     

  • রাজশাহীতে রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ।

    রাজশাহীতে রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ।

    রাজশাহী প্রতিনিধি:

    সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র নিয়ে দায়িত্ব জ্ঞানহীন কথা বলছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। একজন রাষ্ট্রপতি কেন, তাঁর অনেক নিচের স্তরের কারোরই এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়। আমার ভাইদের রক্তের দাগ না শুকাতে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার খুনি হাসিনার প্রেতাত্মারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। খুনি হাসিনার প্রধান প্রেতাত্মা রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

    মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় ভূবন মোহন পার্কে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ, সর্বস্তরের আওয়ামী সন্ত্রাসী-কুশীলবদের বিচার ও নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম রবি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বাংলাদেশে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ও গণহত্যার দোসরদের বিচারের দাবিও করেন।

    উত্ত সমাবেশ যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম রবির নেতৃত্বে রাজশাহী মহানগর , বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের যুবদলের নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিলেন।

    বিক্ষোভ সমাবেশে যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম রবি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রপতি বিভিন্নভাবে আন্দোলনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। তাকে বলতে চাই শেখ হাসিনাকে তল্পিতল্পা গুছিয়ে ভারতে পাঠিয়ে দিয়েছি আমরা। দড়ি ধরে না, সুতা ধরে টান দিলেই তুমি টিকতে পারবা না। একই সঙ্গে বলতে চাই, এই বাংলাদেশে আর কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলবে না। আওয়ামী লীগের দোসররা বিভিন্ন সময় আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছে। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে আবারও বিএনপি ও শিক্ষার্থীরা মাঠে নামবে।

    তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগ কোনভাবেই এ দেশের রাজনীতি করার অধিকার রাখে না। প্রশাসনকে বলতে চাই খুনিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রশাসনকে সন্ত্রাসীদের চিন্তিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। রাষ্ট্রপতিকে বলতে চাই, তোমার মাতার গণভবন যেভাবে ঘেরাও করা হয়েছিল বঙ্গভবনও ঘেরাও করা হবে।

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১১:৩০ মিনিটে রাজশাহী কলেজে শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সমাবেশ করেন। একই কর্মসূচি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে সমাবেশ করেন।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী