Author: Admin1

  • দুর্গাপুরে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের গতিশীলতা আনয়ন ও পল্লীমাতৃকেন্দ্র সম্পাদিকাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    দুর্গাপুরে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের গতিশীলতা আনয়ন ও পল্লীমাতৃকেন্দ্র সম্পাদিকাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিনিধি:

    রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের গতিশীলতা আনয়ন এবং পল্লীমাতৃকেন্দ্র (আরএমসি) কার্যক্রমের সম্পাদিকাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ জুন) উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা মিনি হলরুমে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রশিক্ষণে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক তাপস ফলিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনিরা খাতুন, সহকারী পরিচালক মোঃ রবিউল ইসলাম এবং মোঃ বায়েজীদ হোসেন ওয়ারেছী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আ.ন.ম রাকিবুল ইউসুফ।

    প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উদ্যোক্তাদের ব্যবসা প্রসারের লক্ষ্যে সরকার সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এখান থেকে ঋণ নিয়ে অনেকেই উদ্যোক্তা হয়েছেন।

    পল্লীমাতৃকেন্দ্র (আরএমসি) কার্যক্রমের প্রশিক্ষণ সমাজসেবা অধিদপ্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি, যা পল্লী অঞ্চলের নারী ও শিশুদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করে। এই প্রশিক্ষণে নারীদের হস্তশিল্প, ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, এবং শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকে। প্রশিক্ষণ শেষে সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহণ করে অনেকেই সংসারের আয় বৃদ্ধি করেছেন এবং এখন তারা স্বচ্ছল জীবনযাপন করছেন।

    প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা ঋণের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে পরামর্শ পেয়েছেন। আগামীতে ঋণ বিতরণের আওতা ও পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করা হবে, যাতে আরও বেশি নারী-পুরুষ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হয়ে ব্যবসার প্রসার ঘটাতে পারেন।

    দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে পল্লী সমাজসেবা আরএসএস প্রকল্পের ২০ জন সভাপতি, পল্লীমাতৃকেন্দ্র কার্যক্রম প্রকল্পের ১৫ জন সম্পাদিকা সহ মোট ৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রুহুল আমিন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দূরুল হুদা।# মহ/

  • রাজশাহী মহানগরীতে পরিত্যক্ত রকেট লাঞ্চার উদ্ধার

    রাজশাহী মহানগরীতে পরিত্যক্ত রকেট লাঞ্চার উদ্ধার

    নিজস্ব প্রতিবেদন :

    রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানা এলাকার মির্জাপুর বউ বাজার এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি রকেট লা ঞ্চা র শেল উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট।

    ঘটনা সূত্রে জানা যায়, আজ ২৭ মে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ সকাল ১০টায় রাজশাহীর মতিহার থানাধীন মির্জাপুর বউ বাজার এলাকায় একটি নির্মাণাধীন বাড়ির শ্রমিকরা মাটি কাটার সময় নিচে একটি রকেট লা ঞ্চা র শেল দেখতে পান। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়িকে অবহিত করলে ইনচার্জ এসআই আবুল হাসান ও তাঁর নেতৃত্বাধীন টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শেলটি উদ্ধার করেন।

    রকেট লা ঞ্চা র উদ্ধারের বিষয়টি রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটিটিসি বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রকিবুল হাসান ইবনে রহমানকে অবহিত করা হয়। তাঁর সার্বিক তত্ত্বাবধানে একই দিন দুপুর পৌনে ৩টায় আরএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিটের এসআই মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি বিশেষ দল শেলটি ধ্বংস করে। ধ্বংসের কাজটি সম্পন্ন হয় মতিহার থানার আওতাধীন আবহাওয়া অফিসের পেছনের একটি ফাঁকা মাঠে।

    নিষ্ক্রিয়করণ ও ধ্বংসের সময়ে উপস্থিত ছিলেন মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল মালেক। তিনি জানান, শেলটি পুরোনো হলেও তা বিস্ফোরণের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সময়মতো উদ্ধার ও ধ্বংসের মাধ্যমে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।# মহ /

  • আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী চেয়ারম্যান সোহেল এখনো ‘বীরদর্পে’

    আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী চেয়ারম্যান সোহেল এখনো ‘বীরদর্পে’

    নিজস্ব প্রতিনিধি:

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহেল রানা। ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের অপসারিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী-৩ আসনের সাবেক এমপি আসাদুজ্জামান আসাদের ঘনিষ্ট। আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে থাকতেন সামনের সারিতে

    পুলিশের তালিকাভুক্ত এই মাদকব্যবসায়ী ৫ আগস্টের পর কিছুদিন ছিলেন আত্মগোপনে। এরপর আবার প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মকান্ড। এলাকার সব আওয়ামী লীগ নেতা যখন আত্মগোপনে, তখন সুবিধাভোগী সোহেল রানা এখনো ‘বীরদর্পে’।

    সোহেল রানা অবশ্য দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তাই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।তবে দু তিন দিন থেকে পরিষদে যাওয়া বন্ধ রেখেছেন। গোদাগাড়ীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ হেরোইন ব্যবসায়ী ও নাশকতা মামলার আসামি সোহেল রানা ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ও ক্রসফায়ারের আতঙ্কে আত্মগোপনে ছিলেন।

    সেখান থেকে ফিরে ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার আছে বিপুল অবৈধ সম্পদ, যা এসেছে মূলত হেরোইন ব্যবসা করে গত এক যুগে। তার টাকার
    কাছে বিক্রি হয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাই তাকে ইউপি চেয়ারম্যান বানিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    স্থানীয়রা জানান, ৩৪ বছর বয়সী সোহেলের বাবা মজিবুর রহমান বাসের চালক ছিলেন। ১৫ বছর আগে সোহেল বাসের হেলপারি করতেন। মাত্র দেড় দশকের ব্যবধানে তিনি এখন কোটি টাকার মালিক। তিনি পুলিশের হাতে হেরোইনসহ
    গ্রেপ্তার হয়েছেন। কয়েক বছর আগে তার মামা মহিশালবাড়ীর গোলাম রাব্বানীকে এক কেজি হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করে বিজিবি।

    এ ছাড়া তার শ্যালক সবুজ এক কেজি হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হয়। এসব হেরোইনের মালিক ছিলেন সোহেল। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার টাকায় মাটিকাটায় আয়োজন করা হয় ইসলামী জলসার। সে জলসায় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন প্রধান বক্তা। এ ঘটনায় সোহেলকেও আসামি করে নাশকতার মামলা করে পুলিশ।এ মামলায় ৩৪ দিন হাজতবাস করেন তিনি। এর পর তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নাম লেখান। স্থানীয় এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদের সঙ্গেও তার সুসম্পর্ক আছে বলে জানান স্থানীয়রা। ৫ আগস্টের পর তিনি স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের ম্যানেজ করে পরিষদে ছিলেন সক্রিয়। এখনো হাজিরা খাতায় করছেন স্বাক্ষর।

    স্থানীয় শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘হেরোইন ব্যবসায়ী সোহেল রানার প্রচুর টাকা। তিনি টাকা দিয়ে দলীয় নেতাদের কিনে ফেলেন। গত ইউপি নির্বাচনে প্রায় দুই কোটি টাকা খরচ করেছেন বলে শুনেছি।’

    গোদাগাড়ী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সোহেল। এ ঘটনায় নাটোর সদর থানার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন তিনি। এ ছাড়া ২০১৭ সালে পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে মামলা করেছিল। সে মামলায় তিনি জেলে ছিলেন। ২০১৩ সালে তার নামে মারামারির একটি মামলা হয়েছিল। স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগে গাইবান্ধায় হেরোইনসহ একবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সোহেল রানা। পরে সে মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।

    সোহেল রানা বলেন, তিনি জীবনে কখনোই মাদকসহ গ্রেপ্তার হননি। নাটোরে যে মামলা হয়েছিল, সে ঘটনায় তিনি আসামি ছিলেন না। পুলিশ ভুল করে তাকে আসামি করে। গাইবান্ধায় কখনোই গ্রেপ্তার হননি। তবে ২০১৭ সালে নাশকতা মামলায় জেলে থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি। ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রাজশাহীর নিউমার্কেটে বিগবাজার ও শ্রাবণ ফ্যাশান নামে দুটি দোকানের মালিক।

    এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর মালিকানাধীন বিলাসবহুল প্লাজায় ফ্ল্যাট কিনে সপরিবারে বাস করেন তিনি। এর দ্বিতীয় তলায় কাপড় ও কসমেটিকের দোকান এবং ফুড কর্নারেও একটি দোকান আছে তার। তার ট্রাক আছে চারটি। প্রাইভেটকার একটি। গোদাগাড়ীতে জমি কিনেছেন অন্তত ২০ বিঘা। এছাড়া নগরীতে একটি পুকুর ভরাট করে নির্মাণ করেছেন মার্কেট।
    এসব সম্পদের বিষয়ে সোহেল বলেন, ‘আমার যত সম্পদ আছে, তার সব খবর আয়কর বিভাগের জানা। আমি আয়কর দিই।

    আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এমন নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা সবাই যখন আত্মগোপনে, তখন সোহেল রানা বীরদর্পে অফিস করছেন। চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মকাÐ।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করেই তিনি এলাকায় অবস্থান করছেন।

    গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, সোহেল রানার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। ফলে তাকে গ্রেফতার করা হয়নি।# মহ/

  • রাজশাহীতে স্ত্রীর করা মামলায় স্বামী কারাগারে, রয়েছে পরকীয়ার অভিযোগ

    রাজশাহীতে স্ত্রীর করা মামলায় স্বামী কারাগারে, রয়েছে পরকীয়ার অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    ১৬ বছর সংসার করার পর এবার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন স্ত্রী। গত ২৪ মে রাতে আরএমপি রাজপাড়া থানায় স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস চৈতি বাদি হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এরপর ২৪ মে স্বামী রেজাউর রহমান শুভকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। শুভকে গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসে নানা অপকর্মের তথ্য।

    সোমবার (২৬ মে) রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবে রাত ৮ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অপকর্মের নানা তথ্য ভুক্তভোগী স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস চৈতি।

    এসময় তিনি দাবী করেন, র‍্যাব -৫ এর সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে আতাত করে একটি কোচিং সেন্টারের পরিচালক মজনু আহমেদ সাগরকে অস্ত্র ও মাদক দিয়ে ফাঁসিয়েছে শুভ। যৌতুকের টাকার জন্য শুভ তার (স্ত্রী’র) উপর প্রতিনিয়ত নির্যাতন করতেন। বাবার বাড়ী থেকে পর্যাপ্ত টাকা এনে দিলেও তার মন সন্তষ্ট করতে পারেতেন না ।

    শুভ রাজশাহীর উপশহর এলাকার বজলুর ড্রাইভারের মেয়ে নীলার সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন। তার দাবি দীর্ঘ কয়েক বছর শুভ স্ত্রী ও কন্যা সন্তানের কোন প্রকার ভরন পোষন দিতেন না।
    পরকীয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে শুভ স্ত্রীর উপর আরও নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতেন। পরে পরকিয়া প্রেমিকা নীলাকেও বারবার নিষেধ করেছেন, তাতেও কোন কাজ হয়নি। অবশেষে সেই রোষানলে পড়ে নীলার নিরিহ স্বামী (শিক্ষক) মজনু আহমেদ সাগর কে পরিকল্পনা করে অস্ত্র ও মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে গ্রেফতার পূর্বক জেল হাজতে পাঠান।

    এঘটনায় র‍্যাব সদস্য মোস্তাফিজ ও শুভ’র কথাপোকথন শুনতে পেয়েছিলেন চৈতি। বিষয়টি নিয়ে স্ত্রীকে ব্যাপক মারধর করেন এবং জীবন নাশের হুমকি দেন শুভ। পরে পিতাকে গুলি করে মেরে ফেলবে বলে প্রতিনিয়তই ভয়-ভীতি ও হুমকি দিত। এমনটায় অভিযোগ করেন চৈতি। এমনকি কাপড়ের ওয়ারড্রবের ভিতরে আগ্নেয়াস্ত্র ও বুলেট রাখতেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের কাছে ন্যায় বিচারের প্রত্যাশা জানান ভুক্তভোগী স্ত্রী চৈতি।

    এব্যাপারে পরকিয়া প্রেমিকা নীলার নাম্বারে একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায় নি। তবে অস্ত্র ও মাদক দিয়ে ফাঁসানোর ব্যাপার নিয়ে র‍্যাব সদস্য মুস্তাফিজুর রহমানের সরকারি নাম্বারে ফোন দিলে কথা অন্য একজনের সাথে। তিনি জানান, বর্তমানে মোস্তাফিজুর এখানে এখন নেই, তার বদলি হয়ে গেছে।# মহ/

  • রঙিন মাছে স্বপ্ন বুনছেন রাজশাহীর প্রতিক হাসান

    রঙিন মাছে স্বপ্ন বুনছেন রাজশাহীর প্রতিক হাসান

    রায়হান ইসলাম, রাজশাহী :

    নানান জাতের রঙিন মাছ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন রাজশাহীর তরুণ উদ্দোক্তা প্রতিক হাসান । মাত্র দুই হাজার টাকা নিয়ে শখের বশে শুরু করেন এ মাছ চাষ। বর্তমানে তার প্রতিমাসে আয় হয় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা।

    সফল উদ্দোক্তা প্রতিক হাসান বলেন, আমি একজন শিক্ষার্থী। ৫ বছর আগে ইউটিউব দেখে প্রথমে শখের বসে শুরু করি রঙিন মাছ চাষ। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি আমাকে । বিভিন্ন জেলা থেকে আমার এখানে মাছ কিনতে আসে সৌখিন মাছ চাষিরা। বর্তমানে প্রতিমাসে আমার রঙিন মাছের হ্যাচারি থেকে দুই থেকে থেকে আড়ই লক্ষ টাকার মাছ বিক্রি হয় । সব খরচ বাদ দিয়ে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হয়। এছাড়া বাণিজ্যিকভাবে মাছ ও পোনা উৎপাদন ক‌রে তা জেলার বি‌ভিন্ন অ্যাকু‌রিয়া‌মের দোকা‌নে সরবরাহ করে থাকি। প্রতিক হাসানের হ্যাচারিতে রয়েছে গাপ্পি, ব্লাক মোর, ফাইটার, এনজেল, কমেট,,জেবরা, কই কার্ভ, ওরেন্টা গোল্ড, সিল্কি কই, মলি ও গাপটিসহ প্রায় ২০ প্রজাতির রঙিন মাছ।

    তার খামারে মাছ কিনতে আসা বেশ কয়েকজন ক্রেতা বলেন, আমরা প্রতিক হাসানের মাছ চাষে সফলতা দেখে উদ্যোগী হয়েছি আমরাও মাছ চাষ করে সাবলম্বী হতে চায়।

    রাজশাহী বিভাগীয় মৎস অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক সরদার মহিউদ্দিন জানান,রাজশাহীর জেলার পবা ও চারঘাট এই দুই উপজেলায় সবচেয়ে বেশি বিদেশি জাতের রঙিন মাছ চাষ হচ্ছে। প্রায় ১৪ জন উদ্যোক্তা রয়েছে । ইতোমধ্যে এ মাছ চাষে সফলও হয়েছেন অনেকে। আর ক্রমশ বাড়ছে এ মাছ চাষের প্রবনতা। নতুন উদ্দোক্তা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • পিএফজির উদ্যোগে সহিংসতা নিরসন ও সম্প্রতি স্থাপন শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    পিএফজির উদ্যোগে সহিংসতা নিরসন ও সম্প্রতি স্থাপন শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    দূর্গাপুর প্রতিনিধি :

    রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলা জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে গত ১৭ই মে ২৫ইং তারিখে “পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ(পিএফজি)” দুর্গাপুর-এর উদ্দ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মতবিনিময়ের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি। রাক্তিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং এ.কে.এম মোহাইমেনুল হক রেন্টুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন আ.ন.ম রাকিবুল ইউসুফ, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এবং প্রশাসক,৭ নং জয়নগর ইউনিয়ন। বিশেষ অতিথি হিসেবে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক মোঃ জোবায়েদ হোসেন, সদস্য সচিব উপজেলা বিএনপি, জনাব হেলাল উদ্দিন বেলা,কো-অডিনেটর(পিএফজি)।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আলামিন হক বিজয়, সাংবাদিক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক, ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মোঃ মাহাবুবুর রহমান সান্টু, ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, জেলা কৃষক দলের সদস্য মোঃ দুলাল উদ্দিন সহ বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ সহ সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    সহিংসতা পরিহার করে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে তুলতে উপজেলা পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) সদস্যদের নিয়ে নারী ইউপি সদস্য রূপালির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সহযোগিতায় এই মতবিনিময় সভা আয়োজন করে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট।
    এসময় বক্তারা এলাকায় শান্তি, শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য এবং সম্প্রীতি বজায় রাখতে দল মত নির্বিশেষে একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার প্রকাশ করেন সেই সাথে ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • সুজাউদৌলা ডিগ্রী কলেজের এডহক কমিটি গঠনে বহিরাগতদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    সুজাউদৌলা ডিগ্রী কলেজের এডহক কমিটি গঠনে বহিরাগতদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    রাজশাহী প্রতিনিধি :

    রাজশাহী নগরীর আলহাজ্ব সুজাউদ্দৌলা ডিগ্রি কলেজের এডহক কমিটি গঠনে বহিরাগত দের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অত্র কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধক্ষ্য সহ কয়েকজন শিক্ষকবৃন্দ।

    সোমবার দুপুর ১২ টায় কলেজের শিক্ষক রুমে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অত্র কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আলমগীর হোসেন। এছাড়া লিখিত বক্তব্যের প্রেস রিলিজে কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন শামীম আরা বেগম মিঠু।

    সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কলেজ পরিবার থেকে জানানো হয়, আলহাজ্ব সুজাউদ্দৌলা ডিগ্রি কলেজটি ১৯৯৫ সালে নগরীর তেরখাদিয়া এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। আলহাজ্ব সুজাউদ্দৌলা সাহেবের ৫ সন্তান কলেজের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন কলেজটি যখন সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তখন মরহুম আখতারুজ্জামান বাবলুর মেয়ে ফৌজিয়া আবিদা জেসি ও ফৌজিয়া আক্তার জিসা গত ২৩ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে কিছু বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধক্ষ্যকে কলেজের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র দেয়ার জন্য চাপ দেয় এবং মোবাইলে ভিডিও লাইভ করে ভারপ্রাপ্ত অধক্ষ্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এছাড়াও ফৌজিয়া আবিদা জেসি ও ফৌজিয়া আক্তার জিসা কলেজের শিক্ষকদের গালাগালি করে এবং ফাইলপত্র ফেলে র‍্যাব-পুলিশ ডেকে ভারপ্রাপ্ত অধক্ষকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার হুমকি দেয়।

    সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন জেসি কলেজে কোন জমি দান না করে পূর্বের কমিটিতে জোর পূর্বক প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আলহাজ্ব সুজাউদ্দৌলা সাহেবের জীবিত সন্তানদের মধ্যে থেকে হতে হবে। এই দাবি কলেজে শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দদেরও কিন্তু ফৌজিয়া আবিদা জেসি কলেজের ৪৫ শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে নিজে ভোগ দখল করছে এবং মাস্তান বাহিনী দিয়ে জমি পাহারা দেয়। এছাড়াও সংবাদ সম্মেলন অভিযোগ করেন জেসি ও জিসা কলেজের টাকা উত্তোলন করে নিজের কাছে রেখে খরচ করে। আয় ব্যায়ের হিসাব কাউকে দেয়না। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটিকে পাশ কাটিয়ে নিজের অনুগত কমিটি তৈরি করে কলেজ পরিচালনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। জেসির শ্বশুর মো.আব্দুল লতিফকে গায়ের জোরে বিদ্যুৎসাহী সদস্য হয়ে শিক্ষকদের কাছে থেকে প্রতিমাসে ১হাজার টাকা চাঁদা দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করলে জেসি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধক্ষ্যসহ অন্যান্য শিক্ষক কর্মচাচারিদের সাথে খারাপ আচরণ ও মাস্তান বাহিনী দিয়ে হুমকি দিতে থাকে। যার ফলে আজ কলেজে শিক্ষকবৃন্দ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি জানান সংবাদ সম্মেলনে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে সকল ষড়যন্ত্রের নিরসন ঘটিয়ে কলেজের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করে।সংবাদ সম্মেলনে আনিত অভিযোগের বিষয় নিয়ে ফৌজিয়া আবিদা জেসির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে “তিনি সংবাদ সম্মেলনে তাদের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি জানান, সেই সাথে তিনি আরও জানান, তাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ আছে প্রকৃত সত্য প্রকাশ করার।”

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আলমগীর হোসেন, মাওলানা হাবিবুর রহমান ( ইসলাম শিক্ষা শিক্ষক) , আখতার উদ্দিন বাচ্চু ( শরীর চর্চা শিক্ষক), শামিম আরা বেগম মিঠু ( প্রতিষ্ঠাতা সদস্য), নিয়াজ আহম্মেদ (হিসাব বিজ্ঞান), ড. এস এম ওয়াহেদ আলী ( জীব বিজ্ঞান) শিক্ষকসহ অত্র কলেজের কর্মকর্তা ও কর্মচারিবৃন্দ।# মহ/

  • রাজশাহীতে ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে বেদখলের চেষ্টা

    রাজশাহীতে ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে বেদখলের চেষ্টা

    Gbc বাবু (রাজশাহী) :

    ১৯৮২ সালে মহানগরীর কয়েরদাঁড়া মৌজায় .৩৭ একর জমি ক্রয় করেন কয়েরদাঁড়া এলাকার মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মফিজুল হাসান। কিন্তু সেই ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে বিতাড়িত করতে একটি পক্ষ উঠেপড়ে লেগেছে। এঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে চলছে মামলা মোকদ্দমা।

    জমিটি নিয়ে গত ২২ এপ্রিল জমির ক্রয়কৃত মালিক মফিজুল হাসান ও তার পক্ষের লোক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ সম্মেলন করে রফিকুল ইসলাম বজলু গং। সেখানে শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ” অবৈধভাবে জমি দখল ও ওয়ারিশদের হুমকি এবং হয়রানির অভিযোগ করা হয়। বিষয়টি প্রতিপক্ষ শফিকুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হলে সকল ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেন।

    বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শফিকুল ইসলাম। বক্তব্যে তিনি দাবি করেন গত ২২ এপ্রিল আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে অবৈধভাবে জমি দখল ও ওয়ারিশদের হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে আনায়ন করিয়াছে তাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিক্তিহীন ও বানোয়াট। আমি এই ধরনের কাজ কখনই করি নাই। গত দিনে রফিকুল ইসলাম (বজলু)সহ যারা সংবাদ সম্মেলন করিয়াছে, তারা মুলত সন্ত্রাসী, দাঙ্গাবাজ ও পরধন লোভী। নালিশী সম্পত্তি আমার চাচা মোঃ মফিজুল হাসান এর ক্রয়কৃত সম্পত্তি। আমার চাচা এই সম্পত্তি ১৯৮২ সালে ক্রয় করেন এবং এখন পর্যন্ত দখলে ভোগে আছেন। কিন্তু বজলু গং উক্ত সম্পতিতে গত ২৫ আগষ্ট ২৩ ইং তারিখে মোঃ রফিকুল ইসলাম (বজল), মোঃ ফারুক, মো: জুলমত, মোঃ মহরম আলী, মো: আরমান আলী সহ আরও ১০/১৫ জন মিলে দলবদ্ধ হয়ে আমাদের এই জমিতে অনুপ্রবেশ করে জোর করে এবং বিভিন্ন রকম গাছ লাগানোর চেষ্টা করে। পরবর্তীতে আমি আমার চাচার পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাজশাহীতে ফোজদারী কার্য বিধি ১৪৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করি। যার মামলা নং-১৯০৪ (বোয়ালিয়া)। সেই মামলায় আদালত সরজমিত তদন্ত করে ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে বিজ্ঞ আদালত বিবাদী দ্বয়কে সম্পত্তিতে প্রবেশাদিকার বারিদ করে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বোয়ালিয়া থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন।

    আমার চাচা মফিজুল হাসানের মৃত্যুর পর উক্ত জমিটির দেখভালের দ্বায়িত্ব দেয় আমাকে। সেই আলোকে চাচার ওয়ারিসদের অনুমতিক্রমে এই সম্পত্তির কিছু অংশ বিক্রয় শর্তে বিভিন্ন লোকের কাছে হস্তান্তর করি। তারাও বাড়ী ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। কিন্তু হঠাৎ করে গত ২১ মার্চ (১) মোঃ রফিকুল ইসলাম (বজল), (২) মোঃ ফারুক,(৩)মো: জুলমত,(৪) মোঃ মহরম আলী, (৫)মো: আরমান আলী সহ আরও ১০/১৫ জন মিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার নির্মাণাধিন শ্রমিকদের সাথে খারাপ আচরণ ও তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার নির্মাণ শ্রমিকদের মারমুখি আচরণ ও হুমকি প্রদান করে স্থলে গিয়ে নির্মাণস্থত বাড়ীর জানালা গুলো হাতুরী, জি আই পাইব, সাবল দ্বারা ভেঙ্গে নিয়ে যায় ও বাড়ীর মেইন ভেঙ্গে নিয়ে যায়। পরে এঘটনায় আমি বোয়ালিয়া মডেল থানায় গিয়ে ৩ এপ্রিল একটি লুটপাটের অভিযোগ দায়ের করি। এই দায়ের করার পর বিবাদী পক্ষ অভিযোগের বিষয় জানতে পেরে আমাকে এই অভিযোগ উঠানোর জন্য মোঃ রফিকুল ইসলাম (বজল), এই অভিযোগ না উঠালে আমাকে মারধর করে আমার জমি দখল করে নিবে।
    এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম বজলুর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা ব্যার্থ করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।# মহ/

  • দুর্গাপুরে ইউনিয়ন বিএনপি নেতার মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় নেতা আবু বক্কর সিদ্দিকের শোক

    দুর্গাপুরে ইউনিয়ন বিএনপি নেতার মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় নেতা আবু বক্কর সিদ্দিকের শোক

                              ছবি সংগৃহীত :

    নিজস্ব প্রতিবেদক  :

    রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াদ আলী আর নেই।

    সোমবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকার মহাখালী বক্ষব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।  মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

    মরহুম ইয়াদ আলী দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও রাজশাহী-০৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আবু বকর সিদ্দিক গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, “ইয়াদ আলী ছিলেন বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক। দলের দুঃসময়ে তিনি নির্ভীকভাবে মাঠে ছিলেন। তার মৃত্যুতে বিএনপি একজন প্রকৃত কর্মীবান্ধব নেতাকে হারালো।

    তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    উল্লেখ্য, ইয়াদ আলী জয়নগর ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে সুপরিচিত ও সক্রিয় নেতা হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করে আসছিলেন। তার মৃত্যুতে স্থানীয় রাজনীতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।# মহ/

  • পুঠিয়াতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃ’ত্যু

    পুঠিয়াতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃ’ত্যু

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    রাজশাহীর পুঠিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার সোয়া ২ টার দিকে উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের মঙ্গলপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুই শিশু সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো বোন। তারা হলো মঙ্গলপাড়া গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে হামিদা খাতুন (৮) এবং একই গ্রামের সোলেমান আলীর মেয়ে সাইফা খাতুন (৭)।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য কামাল হোসেন জানান, দুপুরে বাড়ির উঠানে লুকোচুরি খেলছিল শিশু দুটি। খেলতে খেলতে তারা পাশের বাড়িতে যায়। ওই বাড়ির একটি ফ্রিজের আড়ালে গিয়ে লুকানোর সময় হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় তারা। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

    তিনি আরও জানান, ফ্রিজটি আগে থেকেই আর্থিং হয়ে ছিল। শিশু দুটি বুঝতে না পেরে সেখানে লুকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা খোঁজ করতে গিয়ে ফ্রিজের পাশে তাদের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। শিশু দুইটির অকাল মৃত্যুতে পুরো গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

    পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, আমি নিজেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হবে।# মহ/