Category: অপরাধ
-

দুর্গাপুরে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি করায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, অর্থদণ্ড
দুর্গাপুর (রাজশাহী):মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি করায় দুর্গাপুর মেডিকেল মড়ে চারটি ফার্মেসিতে ভ্রাম্যমান আদালত ১১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। স্থানীয় প্রশাসনের অভিযানকালে ওই দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ উদ্ধার করা হয়, যা জনস্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক বলে মনে করা হচ্ছে।আজ, ৫ জানুয়ারি ২০২৫, দুর্গাপুরে উপজেলা ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলার সহকারি কমিশনার( ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্র্রেট সুমন চৌধুরী।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঔষধ প্রশাসনের পক্ষে রাজশাহী দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক শরিফুল ইসলাম। বাজারের মেডিকেল মোড়ে শেলী ফার্মেসী-৩০০০, বিসমিল্লাহ ফার্মেসি- ৩০০০ , নিয়ন ফার্মেসী- ৩০০০ প্রফেসর ফার্মেসী- ২০০০, চারটি ঔষুধের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ ও বিনামূল্যের (সিম্পল) পাওয়া যায়। অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্র্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি, ফার্মেসী চারটিতে ১১ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দেন।এসময়, দোকান থেকে উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু ঔষধ যার মেয়াদ বেশ আগেই শেষ হয়ে গেছে। এসব ঔষধের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক, পেইন কিলার, সর্দি-কাশির ঔষধ এবং ভিটামিন ট্যাবলেট ছিল। স্থানীয় জনগণের অভিযোগ ছিল যে, এসব ঔষধ নিয়মিতভাবে বিক্রি করা হচ্ছিল, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।স্থানীয় এক নারী, বলেন, “আমরা তো সাধারণ মানুষ, এসব ব্যাপারে সচেতন না। কিন্তু এমন ঘটনা ঘটার পর আমরা আরও সতর্ক থাকব।# মহ/দৈনিক বাংলার তরী -

পুঠিয়ায় দলীয় অফিস উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ১০
নিউজ ডেস্ক:
রাজশাহীর পঠিয়ায় দলীয় অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের ছাতারপাড়ায় বিএনপির নতুন অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হায়াত মো. আসাদুজ্জামান এর সমর্থকের সাথে শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাফিজুল ইসলাম এর সমর্থকের সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন হায়াত গ্রুপের ইন্তাজ আলী (৫০), মো. মিঠু (৪০), কালা চাঁদ (৫১), মো. রেজাউল ইসলাম (৪৮), ডাবলু সরকার (৪০), আজহার আলী (৫৫) এবং হাফিজুল গ্রুপের মো. রবিন (৩০), সোহাগ আলী (২৬), রাজু হোসেন (২৫), জিল্লুর রহমান (৩২), মহিউদ্দিন আহমেদ (৩৫)। আহতদের বাড়ি পুঠিয়ার মোল্লাপাড়া ও ছাতারপাড়ায় এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , পুঠিয়ার শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাফিজুল ইসলামের সমর্থকরা ছাতারপাড়া বাজারে বৃহস্পতিবার একটি নতুন অফিস খোলেন। নতুন অফিস খোলায় পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হায়াত মো. আসাদুজ্জামানের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি সংগঠিত হয়।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, ছাতারপাড়া বাজারে নতুন অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী
সূত্র:রাজ: আলো
-

রাজশাহীর ডিবি পুলিশ কর্তৃক পৃথক দুটি অভিযানে ১০২ বোতল ফেন্সিডিল-সহ গ্রেফতার: ৩
নিজস্ব প্রতিনিধি :
রাজশাহী জেলার চারঘাট থানাধীন পিরোজপুর গ্রাম হতে গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রি. বিকালে দুইজন মাদককারবারিকে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল-সহ এবং বাঘা থানাধীন আশরাফপুর গ্রাম হতে রাত ১০:৩৫ টায় একজন মাদককারবারিকে ৫২ বোতল ফেন্সিডিল-সহ গ্রেফতার করেছে রাজশাহী জেলার ডিবি পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদের নাম যথাক্রমে ১। মোঃ মিজানুর রহমান মানিক (৪৫), ২। মোসাঃ বেলী বেগম (৪০) ও ৩। মোঃ শাকিল আলী (২৩)। মোঃ মিজানুর রহমান মানিক চারঘাট থানার চন্দনশহর গ্রামের আব্দুল হাকিমের পুত্র, মোসাঃ বেলী বেগম একই থানার পিরোজপুর গ্রামের আবু বাক্কারের স্ত্রী এবং মোঃ শাকিল আলী বাঘা থানার পলাশী ফতেপুর (খানপুর নিচপাড়া) গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের পুত্র।
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, রাজশাহী জেলার ডিবি’র এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ ইনামুল ইসলাম ও ফোর্স-সহ গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রি. রাজশাহী জেলার চারঘাট থানাধীন পিরোজপুর গ্রামস্থ অভিযুক্ত মোসাঃ বেলী বেগমের বসত বাড়ির উঠানে দুইজন ব্যক্তি অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল নিজেদের হেফাজতে রেখে ক্রয়-বিক্রয়কালে বিকাল ০৩:০০ টায় রাজশাহীর ডিবি পুলিশ অভিযুক্ত মোঃ মিজানুর রহমান মানিক ও মোসাঃ বেলী বেগমদ্বয়কে অবৈধ মাদকদ্রব্য ৫০ বোতল ফেন্সিডিল-সহ গ্রেফতার করে।
পৃথক আরেকটি অভিযানে, রাজশাহী জেলার ডিবি’র এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ দাউদুজ্জামান আকাশ ও ফোর্স-সহ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রি. রাজশাহী জেলার বাঘা থানাধীন আশরাফপুর গ্রামের জনৈক আলহাজ জাহাঙ্গীর আলম, পিতা-মৃত আনছার আলীর বসত বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার সম্মুখ হতে রাত ১০:৩৫ টায় অভিযুক্ত মোঃ শাকিল আলীকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ৫২ বোতল ফেন্সিডিল-সহ গ্রেফতার করে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অপর দুইজন সহযোগী মাদকব্যবসায়ী অভিযুক্ত ১। মোঃ ইমন আলী (২৮), পিতা-গোলাম মোস্তাফা, সাং-ক্ষুদি ছয়ঘটি ও ২। মোঃ হাবিবুর রহমান (২৪), পিতা-মৃত ইউনুস মন্ডল, সাং-পলাশী ফতেপুর (খানপুর নিচপাড়া), উভয় থানা-বাঘা, জেলা-রাজশাহী ঘটনাস্থল হতে কৌশলে পালিয়ে যায়।
ফেন্সিডিল উদ্ধারের এ ঘটনায় রাজশাহী জেলার চারঘাট ও বাঘা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এ দুইটি মামলা রুজু হয়েছে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী
-

রাজশাহীর দুর্গাপুরে ডাক্তার ও ক্লিনিকের অবহেলায় প্রসূতি নারীর মৃত্যু
দূর্গাপুর প্রতিনিধি :
রাজশাহী দুর্গাপুরে একটি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচার কালে রোকসানা বেগম (২৮) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাতে দুর্গাপুর উপজেলা সদরে অবস্থিত ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে ঐ ঘটনার পর রাতেই ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ক্লিনিকে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়। নিহত প্রসূতি দুর্গাপুর পৌর এলাকার দেবীপুর মোল্লা পাড়া গ্রামের আবু হানিফের স্ত্রী।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত রোববার রাত ৮টার দিকে প্রসূতি রোকসানা বেগমকে উপজেলার সদরে ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করতে নিয়ে আসা হয়। এরপর রোকসানাকে সিজার করার জন্য অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। থেয়েটারে নেওয়ার পরে তাকে ইনজেকশন দেওয়া হয়। এসময় বাহিরে অপেক্ষা করেন স্বজনরা। কিছুক্ষন পরে হাসপাতালে জরুরী রোগী এসেছে বলে অপারেশন থিয়েটার থেকে বের হয়ে চলে যায় কর্তব্যরত চিকিৎসক মিল্টন খন্দকার।
এসময় প্রসূতীর স্বজনদের সন্দেহ হয়। মিল্টন খন্দকার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সএ আবাসিক মেডিকেল অফিসার। তিনি ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ নিয়মিত অস্ত্রোপচার ও রোগী দেখেন। এরপর সেখানকার নার্স ও ক্লিনিক পরিচালক আলতাফ হোসেন রোগীর অবস্থা খারপ বলে তড়িঘড়ি করে রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে বের করে দেন। পরে প্রসূতির নাকের কাছে হাত নিয়ে দেখেন শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ। এরপর সেই অবস্থায় প্রসূতি রোকসানাকে আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক জানায় প্রসূতি রোকসানা অনেক আগেই মারা গেছেন। তবে সিজার অপারেশনের যে সকল প্রস্ততি তা কোন চিকিৎসক নিয়েছিলো তা শিকার করেননি কেও। এরই মধ্যে ক্লিনিক ছেড়ে পালিয়ে যায় নার্স ও মালিক পক্ষ। এখন পর্যন্ত ওই ক্লিনিক তালা বদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়।
নিহতের স্বামী আবু হানিফ বলেন, ‘চিকিৎসক ভুল ইনজেকশন অথবা ভুল স্থানে ইনজেকশন দিয়ে অপারেশন থিয়েটারেই আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলেছে। আমার স্ত্রী স্বাভাবিক ও সুস্থ ছিলো। আমি এর বিচার চাই।
এবিষয়ে ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলতাফ হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এবিষয়ে দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, প্রসূতির মৃত্যুর খবর পেয়েছি। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে,ডা মিল্টন খন্নকার বলেন, আমি অপারেশন করতে ক্লিনিকে গিয়েছিলাম। রোগীর কাছে গিয়ে দেখি রোগীর অপারেশন করার প্রাথমিক যে প্রস্তুতি তা চলছে। এমনকি ক্লিনিকের অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার ক্লিনিকের বাহিরেই ছিলেন। তবে মনে হচ্ছিল রোগীর শ্বাসকষ্টে হচ্ছে। এতে আমি রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে চলে আসি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, আমাকে কর্তৃপক্ষ বা রোগীর স্বজনরা কেউ এ বিষয়ে জানায়নি। তবে আমি শুনেছি মা ও শিশু ক্লিনিকে একজন সিজারের রোগী মারা গিয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন বলেন, আমার এ বিষয়ে জানা নেই। তবে আমি খোঁজ খবর নিয়ে জানবো। এমনকি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী
-

দুর্গাপুরে জমি নিয়ে বিরোধে আহত ৩ গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় জমিতে গাছ রোপণ করতে গিয়ে জমির মালিক পক্ষ হামলার শিকার হয়। এতে জমির মালিক স্বামী আক্তার আলী (৫২), স্ত্রী রুমাহান খাতুন (৫০) এবং সন্তান আতাউর (২৪) আহত হয়েছেন। পরে, স্থানীয় সহযোগিতায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্বামী স্ত্রী চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় উপজেলার বখতিয়ারপুর গ্রামের লক্ষণখলশী মৌজায় মালিক পক্ষের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে আকতার আলী স্ত্রী সন্তান ও একজন কাজের লোক নিয়ে মাঠে মেহগণি গাছের চারা রোপণ করতে যান। সেসময় মৃত জয়নাল আবেদীনের সন্তান রাব্বানী ও রানা, বেলাল হোসেনর সন্তান আমিনুল ইসলাম, মৃত আবদুল মালেকের সন্তান রাজু, মৃত আবদুর রহমানের সন্তান মাসুদ রানা, ওই এলাকার সুমন ও সুমনের স্ত্রী কাজল রেখা, মৃত শাকেরের স্ত্রী মরিয়ম বেগমসহ প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আসে। জমির কথা তুলেই হামলা করে।
ভুক্তভোগী আকতার আলী বলেন, জমি আব্দুল খালেকের কাছ থেকে ১৩ বছর আগে জমি কিনি। বিক্রি কবলা দলিল অনুযায়ী জমি আমাদের। ১৩ বছর পর গত ৫ আগস্টের পর তাঁরা তাঁদের জমি বলে দাবি করে আসছিল। গত নভেম্বর মাসে তাঁরা জোর করে আমাদের জমির ফসলও জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এর আগে ২০১৪ সালে তাঁরা জমির মালিকানা দাবি করে মামলা করেছিল। পরে জানা যায়, তথাকথিত সোলেনামা অনুযায়ী জমির মালিকানা দাবি করলেও তারা আদালতের কোন চুড়ান্ত রায় নিতে পারেনাই।
বিগত সরকার পতনের পরে এরা পুনরায় অদৃশ্য ক্ষমতা বলে সেই জমি তাঁদের দাবি করে আমাদের ওপর হামলা করে। এতে আমি আমার স্ত্রী ও সন্তান আহত হই। সন্তান আতাউর প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে। আর আমি ও আমার স্ত্রী ভর্তি আছি।
অভিযুক্ত রাব্বানী বলেন, ওয়ারিশমূলে জমিটির মালিক আমরা। আমাদের জমি আমাদের দখলে রাখতে যা যা করা প্রয়োজন তাই তাই করব, দেখি কে কি করতে পারে।#মহ/
-

মামলা বাজ আলমগীর বাদশার মামলার আতঙ্কে এলাকাবাসী
রংপুর জেলা প্রতিনিধি:
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ইটভাটা মালিক আলমগীর বাদশা এলাকায় দাপট ও প্রভাব বিস্তারে হয়রানিসহ দমন পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে মামলাকে বেছেনিয়েছেন । তিনি এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির নামে একের পর এক মামলা রুজু করে ইতোমধ্য আলোচনার ঝড় তুলেছেন। নানা অজুহাতে বিভিন্ন ব্যাক্তির নামে পর্যায়ক্রমে মামলা দায়ের অব্যহত রয়েছে।
ইতোমধ্য থানা, কোর্ট কাচারীতে প্রায় ২০টি নিয়মিত ও প্রচিকিউশন মামলায় প্রায় শতাধিক ব্যক্তিতে হয়রানিতে ফেলেছেন তিনি। ফলে ভীত সন্ত্রস্থ ও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। এ পরিস্থিতি থেকে অব্যহতি পেতে অনেকে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
একাধিক অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার থিরারপাড়া গ্রামের মৃত আজগার আলীর ছেলে ইটভাটা ব্যবসায়ী আলমগীর বাদশা এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে কিছু বখাটেদের সঙ্গে নিয়ে তার নিজ এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা অব্যহত রেখেছে। এ ক্ষেত্রে যারাই বাধা হচ্ছেন তাদের দমনের জন্য একের পর এক মামলা দিচ্ছেন।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী আলমগীর বাদশা বিগত ২০২০ সনের সেপ্টেম্বরে থিরারপাড়া গ্রামের মৃত আফজাল হোসেনের ছেলেরা সেলিমনমিয়াসহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে রংপুরের বিজ্ঞ কগনিজেন্সবা আমলি আদালতে একটা মামলা করে। যার সিআর নং-৩৭৯/২২। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। চলতি ২০২৪ সনের ২৫ আগষ্ট জাফরপাড়া গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামসহ ৭ জনকে আসামীকরে পীরগঞ্জ থানায় একটা মামলা করে। যার নং-২০/২৭৮।
চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর থিরারপাড়া গ্রামের মৃতআফজাল হোসেনের ছেলে আজিজ মিয়াসহ ৯ জনকে আসামী করে রংপুরের বিজ্ঞ কগনিজেন্স আদালতে একটা মামলা করে। যার সিআর নং-৬৬৩/২৪ । চলতি বছরের ২০ এপ্রিল থিরারপাড়া গ্রামের ইসলাম মিয়ার ছেলে জুয়েলমিয়াসহ ৪ জনকে আসামী করে পীরগঞ্জ থানায় মামলা করে। যার নং-১৭/১২৮।
এ ছাড়া আলমগীর হোসেন বিগত ২০২৩ সনের ১১ জুন থিরারপাড়া গ্রামের ইয়াজ উদ্দিনের ছেলে ইসলাম মিয়াসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করে পীরগঞ্জ থানায় জিডি করেন। যার নং-৮৫৯ । চলতি বছরের ৩০ মার্চ খেতাবেরপাড়া গ্রামের লোকমান মিয়ার ছেলে আয়নাল হকসহ ৪ জনকে অভিযুক্ত করে পীরগঞ্জ থানায় জিডি করেন। যার নং- ২৫২২। উপরোক্ত মামলা ছাড়াও আলমগীর বাদশা আরও অনেকের বিরুদ্ধে থানায় ও আদালতে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
সম্প্রতি অপহরণ ও ছিনতাইয়ের মামলায় আলমগীর বাদশাসহ তার ২ ম্যানেজার সুমন ও মন্টুএবং ছেলে ফারহান সহ ২১ দিন জেলহাজতে থাকে। এই ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করায় মাইটিভির মাহমুদুল হাসান ও এশিয়ানটিভির মিনহাজুল ইসলামসহ ১৩ জনকে আসামী করে রংপুর আদালতে ডাকাতি মামলার অভিযোগ দাখিল করেন আলমগীর বাদশা। যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
এদিকে ১৯ ডিসেম্বর আলমগীর বাদশার ভাই শহিদুল ইসলাম রংপুরের পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে উল্লেখিত মামলা গুলির সুষ্ট তদন্ত এবং আলমগীর বাদশা যেন আর কোন মিথ্যা ও হয়রানি মুলক মামলা করতে না পারে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহনের অনুরোধ জানান।
বিশিষ্ট ডিস ব্যবসায়ি শামিম মিয়া জানান, প্রায় ২০টি মামলার বাদী আলমগীর বাদশা, প্রায় সবগুলো মামলার স্বাক্ষীরা একই ব্যক্তি, মিথ্যা মামলায় ইতোমধ্য শতাধিক ব্যক্তিকে ফাঁসিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে আলমগীর বাদশা জানান, ব্যবসায়িক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এলাকায়শ ক্রতা আরাম্ভ হয়। ব্যবসা, জমি ও অর্থ সংক্রান্তঘটনার জের ধরে বিভিন্ন সময়ে মামলা রুজু করেছি। আমি মিথ্যা মামলা করিনি বরং নিজেই মিথ্যা মামলায় ২১দিন জেলহাজত খেটেছি।# মহ/ -

রাজশাহীতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য! সর. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা: নিরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ!
স্টাফ রিপোর্টার:
শিক্ষানগরী রাজশাহীতে শিক্ষাকে সেবা থেকে ব্যবসায় পরিনত করে চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সরকারী স্কুল-কলেজের শিক্ষকরাও এখন এই কোচিং বাণিজ্যে নিয়োজিত।
নগরীর বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে কোচিং সেন্টার চলছে, তারমধ্য সবচেয়ে বেশি কোচিং সেন্টার চলছে কাদিরগঞ্জ এলাকায়।
রাজশাহী সরকারী মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকায় বেশি কোচিং সেন্টার দেখা যায়। ৩/৪ তালা বাসা ভাড়া নিয়ে একই বিল্ডিং-এ প্রতিটা ফ্লোরে আলাদা আলাদা নামের কোচিং দেখা যায়।
বছরের শুরুতে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তির প্রতিযোগিতায় আকর্ষনীয় প্রচারপ্রত্র নিয়ে কোচিং সেন্টারগুলো জোরদার প্রচার প্রচারনা শুরু করেছে।
এই প্রতিযোগিতায় সরকারী স্কুলের শিক্ষকরাও থেমে নাই। হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও কোচিং বাণিজ্যকে বৈধ মনে করেন।
আর এর পিছনে মুল সমস্যা হলো আইন বাস্তবায়নকারী সংস্থার উদাসীনতা আর অবহেলা।
হেলেনাবাদ সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের কোচিং “বাংলা বাতিঘর” চাকচিক্য গ্লোসি পেপারে প্রচারপত্র ছাপিয়ে ১ নভেম্বর থেকে ভর্তি শুরু করেছে।
৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত তিনি নিজেই ব্যাচ করে পড়ান। প্রচার পত্রে তার কোচিংএর ব্যাচ সংখ্যা ২১ টা। প্রতি ব্যাচে জনপ্রতি শিক্ষার্থীর কাছে কোর্স ফি ৮ /৯ হাজার টাকা।
অবৈধভাবে কোচিং সেন্টার চালানোর বিষয় নিয়ে শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্বীকার করেন তিনি অন্যায় করছেন।
সেই সাথে তিনি বলেন “সরকারী হাসপাতালে চাকরী করে ডাক্তাররা যদি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রুগী দেখতে পারে তাহলে আমরা কেনো পারবো না, আমরা তো চুরি করছি না”।
বাংলা বাতিঘরের কোন ট্রেড লাইসেন্স আছে কি জানতে চাইলে তিনি জানান তার কোচিং এর কোন ট্রেড লাইসেন্স নাই।
একই এলাকায় “বাংলা মন্জুষা” নামের কোচিং সেন্টার চালাচ্ছেন রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক দীলিপ কুমার।
দীলিপ কুমার মাধ্যমিকের শিক্ষক তিনিও তার কোচিং সেন্টারে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী পড়ান।
তার কোচিং সেন্টারের স্টাফদের দেয়া তথ্য মতে ব্যাচ সংখ্যা ১২ টা প্রতি ব্যাচে ৫০/৬০ জনের বেশি শিক্ষার্থী পড়ান। তিনি নিজেই ক্লাশ নেন স্টাফরা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাজ গুলো করে।
কোচিং সেন্টার চালানোর বিষয় নিয়ে তার সাথে মুঠোফনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে চায়ের দাওয়াত দেন তার কোচিং সেন্টারে।
অবৈধভাবে কোচিং সেন্টারের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি কোচিং সেন্টার চালাতে পারেননা বললেও পরে বলে কিছু ক্ষেত্রে কোচিং করার অনুমতি আছে তবে কোন ক্ষেত্রে কোচিংএর অনুমতি আছে সেটা তিনি জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন আমি মাধ্যমিকের শিক্ষক আমার কোচিং-এ উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পড়ানো হয়। তবে তার সাদা কাগজের প্রচারপত্রে নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়ে তথ্য দেয়া আছে, এবং তিনি স্কুলের মাধ্যমিকের শিক্ষক।
স্কুল সুত্রে জানা যায় দিলীপ কুমার পড়াশোনা করেছে সংস্কৃতি বিষয়ে, স্কুলে নিয়োগ নেন হিন্দু ধর্ম শিক্ষক হিসেবে পরবর্তীতে সংস্কৃতিতে বাংলা ৩০০ নম্বরের বিষয় থাকায় তাকে বাংলার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন।
তার চাকরি সম্প্রতি সময়ে সরকারী হয়েছে তবে তিনি সরকারী ভাবে এখনও বেতন পান না, স্কুল থেকে কিছু সম্মানি পান ।
তবে কোচিং বাণিজ্য করেই তিনি গড়ে তুলেছেন দুইটা বাড়ি। একটায় বসবাস করে আরেকটি কয়েকজন শিক্ষক মিলে যৌথ মালিকানায় নির্মানাধীন।
জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার ভাই একই প্রতিষ্ঠানের রসায়নের প্রভাষক ইন্দ্রজিৎ সরকার জড়িত। (যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে)
স্ত্রীর নামে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স করে নিজেই কোচিং পরিচালনা করেন দীলিপ কুমার। কোচিং বাণিজ্যের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের পর থেকে দীলিপ কুমার বিভিন্ন মহলে তদবির করেন যেন তার নামে সংবাদ প্রকাশ না করা হয়।
কোচিং বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জানান ” সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য করার বিধান নাই ” তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কোচিং করে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন কোন শিক্ষক কোচিং করে সেটা আমার জানা নাই তবে আমি জানলে তাকে সতর্ক করে দিবো “।
সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার করতে পারবে কি না জানতে চাইলে আঞ্চলিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড.শরমিন ফেরদৌস বলেন “না পারবে না, কোন শিক্ষক কোচিং করতে পারবে না বিধানে নেই “।
শহরের মধ্যেই কোচিং সেন্টার চালাচ্ছে আপনারা কেনো সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেন না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ” আমদের কাছে সঠিক কোন তথ্য নাই কোন শিক্ষক কোচিং সেন্টার চালাচ্ছে, তাই আমরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারিনা।
কেউ যদি অভিযোগ করে তাহলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী
-

তানোরে আদালতের ১৪৪ ধারা অমান্য করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ
তানোর প্রতিনিধি :
রাজশাহীর তানোর উপজেলায় ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করে বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে রাতের আঁধারে জোরপূর্বক বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে পালপাড়া মহল্লার আহসান হাবিব বাবুলের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে গোল্লাপাড়া মহল্লার বিশ্বনাথ চন্দ্র সাহা অভিযোগ করে বলেন, আহসান হাবীব বাবুল স্থানীয় বাহিনীসহ বহিরাগত ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে আদালতের ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাতের অন্ধকারে বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন তানোর পৌরসভার জেল নম্বর ১৪৪, মৌজা তানোর, আরএস খতিয়ান নম্বর ৩৩৭ এবং প্রস্তাবিত খতিয়ান নম্বর ১৬৫৯-এর ৯৩ শতক জমির মূল মালিক নারায়ন চন্দ্র দাস। তিনি এই জমি ১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল শ্রীমতি হারানী রানী দাসের কাছে বিক্রি করেন।
পরবর্তীতে ওয়ারিশ সূত্রে জমি চলে যায় তাদের একমাত্র সন্তান নিমাই কান্ত দাসের কাছে। নিমাই কান্ত দাসের কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করেন তিনি। এখন আমি জমিতে গেলে আহসান হাবিব বাবুল ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন এবং ৬ ডিসেম্বর জমি জবরদখল করে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটা শুরু করেন। এই সময় আমার বর্গাদার আবুল কালাম নিষেধ করতে গেলে, প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে তাকে মারধর করে।
এ বিষয়ে আহসান হাবিব বাবুল বলেন, আমি এই জমির মূল খতিয়ানের যারা মালিক পর্যায়ক্রমে ১৯৮৪ সালে গোবিন্দ দাসের কাছে ১১ শতাংশ, ১৯৮৯ সালে বিভুতি ভূষণের কাছে ৬.৫ শতাংশ এবং রঘুনাথ দাসের কাছে ১৯৯০ সালে ৭ শতাংশ মোট ২৪.৫ শতাংশ জমি কিনি। আমি জমিটি ১৯৯৩ সালে খারিজ করি। আমি এই যায়গায় ৪০ বছর যাবৎ বসবাস করছি। এখানে ১৯৮৪ সাল থেকে আমার একটা শ-মিল ছিলো। তিনি আরও বলেন বিশ্বনাথ সাহা নিমায়ের কাছ থেকে একটা জাল দলিল করে আমার জায়গা দখলের চেষ্টা করছে। তা না হলে এতদিন সে কোথায় ছিলো। আমি আদালতে আপিল করে ১৪৪ ধারা বাতিল করেছি। এখন আর কোন নিষেধাঙ্গা নেই।এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মিজানুর রহমান মিজান বলেন, আসলে উভয়পক্ষই কাগজ দেখায় এটা নিয়ে কোর্টে মামলা চলমান রয়েছে। আমরা উভয়পক্ষেকে কোর্ট যে নির্দেশনা দিয়েছে সেটি মেনে কাজ করতে বলেছি।# মহ/দৈনিক বাংলার তরী
-

জিম্মি রুপালি ব্যাংকের শাখা, ডাকাতদের ২ দাবি
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে রূপালী ব্যাংকের জিনজিরা শাখা জিম্মি করা ডাকাতরা ২ দাবি জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জের কালীগঞ্জ পাকাপুল এলাকার ব্যাংকের ওই শাখার ম্যানেজার শেখর মন্ডল।
তিনি বলেন, ঘটনার সময় আমি ব্যাংকের বাইরে ছিলাম। তাদের সঙ্গে আমরা নেগোসিয়েট করছি। তারা আটকা পড়ার পর নিরাপদ প্রস্থান ও ১৫ লাখ টাকা দাবি করছেন।
শেখর মন্ডল বলেন, ব্যাংকের ভেতরে ৩ জন ডাকাত অস্ত্রসহ ঢুকেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।
এদিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, ব্যাংকের ওই শাখায় বেশ কিছু মানুষকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাইরে থেকে তাদের ঘিরে রেখেছে। জিম্মিদের উদ্ধারে যেকোনো সময় অভিযান চালানো হতে পারে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে ডাকাতরা ব্যাংকে ঢোকেন। এ সময় পাশের মসজিদের মাইক থেকে ডাকাত পড়ার কথা জানানো হলে আশপাশের কয়েকশ লোক ব্যাংকের ওই শাখাটি ঘেরাও করেন। এর মধ্যে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র্যাব এসে উপস্থিত হয়। ব্যাংকের গেটের ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে রাখা হয়েছে। ভেতর থেকে একটি গুলির আওয়াজও পাওয়া গেছে।# মহ/দৈনিক বাংলার তরী
সূত্র:Rtv
-

প্রকাশ্যে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে : হত্যা
শরিয়তপুর প্রতিনিধি :
ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের চরভয়রা গ্রামে প্রকাশ্যে পিটিয়ে এক বৃদ্ধকে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২১শে নভেম্বর সকাল ৭ টার দিকে পূর্ব ডামুড্যার চরভয়রা সম্ভুকাঠি বাজারের পুর্ব পাশের গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম নজরুল ইসলাম ওরফে (নজু মোল্লা)(৭০) নামে পরিচিত।পেশায় তিনি একজন কৃষক।
নিহতের পরিবার জানান, নজু মোল্লার ছোট মেয়ের জামাই ও তার চাচাতো ভাই ভাবীদের মাঝে পূর্ব থেকেই স্বর্নের চেইন নিয়ে ঝগরাজাটি চলছিলো। নজু মোল্লার মেয়ে জাইমাইয়ের চাচাতো ভাইদের সাথে বৃহস্পতিবার সকালে পুনরায় আবারও এ বিষয় নিয়ে তর্কাতর্কি হয় ।তরকাতরকির এক পর্যায় পিছন থেকে নিজাম সরদার,বিল্লাল সরদার ,সালামত সরদার এরা সবাই মিলে এস এস পাইপ দিয়ে নজু মোল্লাকে উপর্যুপরি আগাত করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান।পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ডামুড্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে(হাসপালে) নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
ডামুড্যা থানার ওসি হাফিজুর রহমান মানিক সাংবাদিকদেরকে বলেন ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করা হয় এবং লাশ কে ময়না তদন্ত করার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী