Category: রাজনীতি

  • জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যারা

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যারা

    বিচারবহির্ভূত হত্যা (খুন), গুম, অমানবিক নির্যাতনের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধে কেউ অভিযুক্ত হলেই তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। একইভাবে গুরুতর দুর্নীতি, অর্থ পাচারের অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযুক্ত হলেও তিনি নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। এমনকি এসব ব্যক্তি কোনো রাজনৈতিক দলের কমিটির কোনো পদে বা সাধারণ সদস্য হিসাবেও থাকতে পারবেন না।

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে বুধবার জমা দেওয়া নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করা হয়েছে। এতে সংবিধানের ৬৬(২)(ছ) অনুচ্ছেদের অধীনে একটি বিশেষ আইন প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে।

    ওই প্রতিবেদনের শুরুতেই বলা হয়েছে, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্যরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছেন, যাতে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে যারা নিহত-আহত হয়েছেন, তাদের চরম আত্মত্যাগ বৃথা না যায়।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যা এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুম-খুনের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং জেলায় জেলায় মামলা দায়ের হয়েছে। ওইসব মামলায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ দলটির শীর্ষ থেকে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। ওইসব মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযুক্ত হলে অর্থাৎ তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া চার্জশিট আদালত গ্রহণ করলেই তারা নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। যদিও বিদ্যমান সংবিধান ও আরপিও অনুযায়ী সাজাপ্রাপ্তরা কেবল নির্বাচনে অযোগ্য হন।

    নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে জাতীয় সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করার কথা বলা হয়েছে। যদিও বিএনপি জাতীয় সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন না করার দাবি জানিয়ে আসছে। এছাড়াও জাতীয় সংসদে ৪০ শতাংশের কম ভোট পড়লে ওই আসনে পুনর্নির্বাচন করা এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথ বন্ধ করতে ‘না’ ভোটের বিধান চালু করাসহ ১৬ দফা সুপারিশ করা হয়েছে। এসব সুপারিশের মধ্যে আরও রয়েছে একই ব্যক্তির একাধিক আসনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করা, রাষ্ট্রপতি ও সংসদের নারী আসনে সরাসরি ভোটের বিধান করা।

    একই ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধান, প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদপ্রধান হতে পারবেন না। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে না পারলে নির্বাচন কমিশনকে দায়বদ্ধ ও শাস্তির আওতায় আনার বিধান করা। এছাড়াও অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা চালু এবং প্রবাসীদের ভোটার করে তাদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

    নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদারের নেতৃত্বে কমিশনের সদস্যরা বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেন। এদিন বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনব্যবস্থা ভেঙে গেছে। সেটিকে ঠিক করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যে কাজটি করার চেষ্টা করেছি, সেটি হলো নির্বাচনব্যবস্থায় যাতে একটি স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে সব অংশীজনের যেন দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নির্বাচনটা যেন অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়, ভোটারদের ভোট দেওয়ার অধিকার যাতে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে ১৫০টির মতো সুপারিশ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব সুপারিশের অন্যতম লক্ষ্য ছিল যে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, তাদের ক্ষমতায়িত করা এবং একই সঙ্গে তাদের দায়বদ্ধ করা। ইসিকে দায়বদ্ধতার বিধান আমরা যুক্ত করেছি। গণতন্ত্রায়ণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহি চাট্টিখানি কথা নয়। এটি বলা সহজ। কিন্তু এটি আমাদের করতে হবে। যদি দলগুলোর মধ্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে আমরা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা করতে পারব, সেই আশা করাও দুরূহ।

    বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গত তিনটি নির্বাচনে যারা নির্বাচনব্যবস্থাকে নির্বাসনে ফেলে দিয়েছে, সেসব নির্বাচন কমিশনার ও কর্মকর্তা বিশেষ করে ২০১৮ সালের নির্বাচনে মধ্যরাতে যে অভূতপূর্ব কাণ্ড ঘটেছে, সে ব্যাপারে একটি তদন্ত করে তাদের বিচারের আওতায় আনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। তিনি আরও বলেন, আমরা কয়েকটা আইনের খসড়া তৈরি করেছি। আরও দু-একটা তৈরি করার প্রক্রিয়ায় আছি। আমাদের একটু সময় দিতে হবে।

    সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : কমিটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে বেশ কয়েকটি সুপারিশ করেছে। সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে ঋণ-বিল খেলাপি এবং আদালত কর্তৃক ফেরারি আসামিদের প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখা; সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ)-এর অধীনে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে বিচারিক আদালত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত হলেই তাকে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করা। আরও আছেÑগুরুতর মানবাধিকার (বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, অমানবিক নির্যাতন, সংবাদিক/মানবাধিকারকর্মীর ওপর হামলা) এবং গুরুতর দুর্নীতি, অর্থ পাচারের অভিযোগে গুম কমিশন বা দুর্নীতি দমন কমিশন বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কর্তৃক অভিযুক্ত হলে তাদের সংবিধানের ৬৬৯২)(ছ) অনুচ্ছেদের অধীনে একটি বিশেষ আইন প্রণয়ন করে সংসদ-সদস্য হওয়ার অযোগ্য করা। নির্বাচনব্যবস্থায় ইভিএম ব্যবহারের বিধান বাতিল করা; নির্বাচনকালীন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় প্রতিরক্ষা বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা; নির্বাচনে ‘না’ ভোট বিজয়ী হলে সেই নির্বাচন বাতিল করা এবং পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাতিলকৃত নির্বাচনের কোনো প্রার্থীকে নতুন নির্বাচনে প্রার্থী হতে না দেওয়া; স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের পদত্যাগ না করে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ কয়েকটি সুপারিশ করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : প্রতিবেদনে সংবিধান সংশোধন করে একই ব্যক্তির সর্বোচ্চ দুইবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ সীমিত করা, দুবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অযোগ্য করা এবং একই ব্যক্তি একই সঙ্গে যাতে দলীয় প্রধান, প্রধানমন্ত্রী ও সংসদনেতা না হতে পারেন, সেই বিধান করার সুপারিশ করা হয়েছে। আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের উভয় কক্ষের সদস্য এবং স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর নির্বাচকমণ্ডলীর ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বিধান করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    এছাড়া সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে ১০০ আসন নিয়ে সংসদের উচ্চকক্ষ সৃষ্টি করা; সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হারের ভিত্তিতে (সংখ্যানুপাতিকভাবে) আসন বণ্টন করা; উচ্চকক্ষে প্রত্যেক দলের প্রাপ্ত আসনের ৫০ শতাংশ দলের সদস্যদের মধ্য থেকে এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাং আসন নির্দলীয় ভিত্তিতে নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, মানবসেবা প্রদানকারী, শ্রমজীবীদের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচিত করার বিধান করার সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদের উচ্চকক্ষের সদস্যদের বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে øাতক নির্ধারণ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    হলফনামা তথ্য গোপনে সংসদ-সদস্য পদ বাতিল : প্রার্থী কর্তৃক মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রত্যেক দল তার প্রার্থীদের জন্য প্রত্যয়নপত্রের পরিবর্তে দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বা অনুরূপ পদধারী ব্যক্তি কর্তৃক হলফনামা জমা দেওয়ার বিধান করা, যাতে মনোনীত প্রার্থীর নামের পাশাপাশি মনোনয়ন বাণিজ্য না হওয়ার এবং দলীয় প্যানেল থেকে প্রার্থী মনোনয়ন প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ থাকে। পরবর্তী নির্বাচনের আগে যে কোনো সময় নির্বাচন কমিশন নির্বাচিত ব্যক্তির হলফনামা যাচাই-বাছাই করতে এবং মিথ্যা তথ্য বা গোপন তথ্য পেলে তার নির্বাচন বাতিল করার বিধান চালু করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    নির্বাচনি আচরণবিধি : নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যানার, তোরণ ও পোস্টারের পরিবর্তে লিফলেট, ভোটার-প্রার্থী মুখোমুখি অনুষ্ঠান, পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন ও সরকারি গণমাধ্যমে প্রচারের সমসুযোগ প্রদানের বিধান করা, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ মেনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার বিধান করা এবং ১৯৯০ সালের তিন জোটের রূপরেখার মতো রাজনৈতিক দলের জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের দায়বদ্ধতা : প্রতিবেদনে নির্বাচন কমিশনকে দায়বদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অসদাচরণ বা অসামর্থ্যরে অভিযোগ উঠলে তা সংবিধানের ১১৮ ও ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে সুরাহ করার বিদ্যমান আইন কার্যকর করা; সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বা শপথ ভঙ্গ করলে সংসদীয় কমিটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করা এবং ইসির আইনি, আর্থিক ও প্রশাসনিক প্রস্তাব কোনো মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে সংসদের উচ্চকক্ষের কমিটির কাছে উপস্থাপনের বিধান করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    সংসদ-সদস্যদের সুবিধা কমানো : কমিশনের প্রতিবেদনে সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি, আবাসিক প্লট এবং সব ধরনের প্রটোকল ও ভাতা পর্যালোচনা ও সংশোধন করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া সংসদ-সদস্য আচরণ আইন প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে।#

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

    সূত্র :যুগান্তর

  • রাজশাহীর পুঠিয়ায় যুবলীগ নেতা সেলিম গ্রেফতার

    রাজশাহীর পুঠিয়ায় যুবলীগ নেতা সেলিম গ্রেফতার

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর পুঠিয়ার সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি সেলিম (৪৫) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (৮ জানুয়ারী) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে পুঠিয়া সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    থানা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পালোপাড়া গ্রামের মৃত, বেলায়েত হোসেনের ছেলে, সেলিম হোসেনের বিরুদ্ধে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে মানুষের জানমালের ক্ষতি ও তার বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার অপরাধে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত সেলিম অত্র থানায় দায়েরকৃত নাশকতার মামলার আসামি। তাই তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।#

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • পুঠিয়ায় দলীয় অফিস উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ১০

    পুঠিয়ায় দলীয় অফিস উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ১০

    নিউজ ডেস্ক:

    রাজশাহীর পঠিয়ায় দলীয় অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের ছাতারপাড়ায় বিএনপির নতুন অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হায়াত মো. আসাদুজ্জামান এর সমর্থকের সাথে শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাফিজুল ইসলাম এর সমর্থকের সংঘর্ষ হয়।

    সংঘর্ষে আহতরা হলেন হায়াত গ্রুপের ইন্তাজ আলী (৫০), মো. মিঠু (৪০), কালা চাঁদ (৫১), মো. রেজাউল ইসলাম (৪৮), ডাবলু সরকার (৪০), আজহার আলী (৫৫) এবং হাফিজুল গ্রুপের মো. রবিন (৩০), সোহাগ আলী (২৬), রাজু হোসেন (২৫), জিল্লুর রহমান (৩২), মহিউদ্দিন আহমেদ (৩৫)। আহতদের বাড়ি পুঠিয়ার মোল্লাপাড়া ও ছাতারপাড়ায় এলাকায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , পুঠিয়ার শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাফিজুল ইসলামের সমর্থকরা ছাতারপাড়া বাজারে বৃহস্পতিবার একটি নতুন অফিস খোলেন। নতুন অফিস খোলায় পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হায়াত মো. আসাদুজ্জামানের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর‌্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি সংগঠিত হয়।

    পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, ছাতারপাড়া বাজারে নতুন অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

    সূত্র:রাজ: আলো

  • জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ

    জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ

    জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) এর ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং ১০ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ ঘোষণা করা হয়েছে।

    নতুন কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মুভি বাংলা টেলিভিশন ও সময়ের আলো পত্রিকার বিশিষ্ট সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ। তিনি মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হিসেবে বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

    রোববার সকালে পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    নব নির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ সোহাগ জিসাসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবুল হাসেম রানা ও তার যোগ্য উত্তরসূরী নব নির্বাচিত সভাপতি গোল নাহার ইভা এবং সাধারণ সম্পাদক সাবেক ফুটবলার খ. ম. জাহাঙ্গীর আলমকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন জিয়ার আদর্শে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে ৩১ দফার বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকবো।# মহ/

  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেতা হাসিবের কম্বল বিতরণ

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেতা হাসিবের কম্বল বিতরণ

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও আশেপাশের এলাকার প্রান্তিক পর্যায়ের শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন রাবি শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এক নেতা।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ২টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, তালাইমারি ও শিরোইল স্টেশন এলাকায় অসহায় এবং গরিব মানুষের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করা হয়। এ ছাড়াও ফুটপাতে থাকা ভবঘুরে-অসহায় শীতার্ত মানুষকেও কম্বল দেওয়া হয়।

    কম্বল বিতরণকারী নেতা হচ্ছেন মো. হাসিবুল হাসান। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া সাইবার ফোর্সের সাধারণ সম্পাদক ও শাখা ছাত্রদলের নেতা। এসময় তার সাথে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।

    এবিষয়ে হাসিবুল হাসান বলেন, রাজশাহী শহরে শীত নামার পরে ঘুরাঘুরি করতে গিয়ে এসব দারিদ্র অসহায় মানুষ জন আমার চোখে পড়ে। আমি এদের কষ্ট টা অনুভব করতে পেরে তখনই পরিকল্পনা করেছিলাম এই শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে কষ্ট করে রাত্রি যাপন করা ব্যাক্তিদের জন্য কিছু একটা করবো। আমার সাধ্য মতো যতোটুকু সম্ভব ততটুকু নিয়েই আমি আজ আমার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করি।

    কম্বল বিতরণের সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল ও জিয়া সাইবার ফোর্সের কয়েকজন নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।# মহ/

  • নওপাড়াতে কৃষক দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    নওপাড়াতে কৃষক দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলা নওপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের উদ্যোগে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬শে ডিসেম্বর।

    উক্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ১ নং নওপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের আহবায়ক মোঃ রুহুল আমিন, পরিচালনায় মোঃ ইসলাম মন্ডল, সদস্য সচিব, সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ শহিদুল ইসলাম।

    উক্ত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা কৃষক দলের আহবায়ক জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম সমাপ্ত, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মোঃ আকুল হোসেন মিঠু,ঢাকা আদাবর থানা কৃষক দলের সভাপতি মোঃ সিরাজুল করিম সনু, থানা কৃষক দলের আহবায়ক আঃ হান্নান, থানা কৃষক দলের সদস্য সচিব এ কে এম মোহাইমেনুন হক রেন্টু, সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ সাইদুর রহমান মন্টু,থানা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক মোঃ জোবায়েদ হোসেন সহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ।

    বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন,আমরা বিশ্বাস করি, কৃষকের উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ ধরে তারেক রহমান ইতোমধ্যেই কৃষকদের উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করতে কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সার, বীজ এবং কৃষি উপকরণের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে কৃষকদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
    তারা আরও বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করা হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় শুরু করা হবে, যাতে কৃষকরা সেচের পানির সুবিধা পান। কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করে কৃষি পণ্য সংরক্ষণ এবং রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

    মহিলা কৃষকদের উন্নয়নেও গুরুত্ব দিয়ে তারা বলেন, ‘মহিলা কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি, কৃষকদের জন্য কৃষিশিক্ষার প্রসারে কাজ করবে বিএনপি।’ জিনিসপত্রের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষকের ঘরে হাসি ফুটবে, আর সেই হাসিই হবে দেশের উন্নয়নের চাবিকাঠি।# মহ/

  • খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার তারিখ চূড়ান্ত

    খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার তারিখ চূড়ান্ত

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ও যাত্রার তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের লন্ডন যাচ্ছেন তিনি।

    বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে রওনা হবেন বেগম খালেদা জিয়া । তার সফরসঙ্গী হিসেবে যাবেন ১৬ সদস্যের টিম।

    জানা গেছে তার সফরসঙ্গী হবেন- বেগম জিয়ার প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান, বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ডা. মো. এনামুল হক চৌধুরী, তাবিদ মোহাম্মদ আওয়াল, ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিক, মো. শাহাবুদ্দীন তালুকদার, নুরুদ্দীন আহমাদ, মো. জাকির ইকবাল, মোহাম্মদ আল মামুন, শরিফা করিম স্বর্ণা, চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এবিএম আব্দুস সাত্তার, মো. মাসুদুর রহমান, এসএম পারভেজ, ফাতেমা বেগম এবং রুপা শিকদার।# মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহী মহানগর বিজেপির কমিটি অনুমোদন

    রাজশাহী মহানগর বিজেপির কমিটি অনুমোদন

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছেন বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। গত শনিবার রাতে এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয় সরদার জুয়েলকে, সদস্য সচিব করা হয় আসাদুজ্জামান নুর আসাদ। 

    দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহীতে বিজেপির কর্মকাণ্ড ছিলো না। তবে, সম্প্রতি সময় রাজশাহীতে সরদার জুয়েল ও আসাদের নেতৃত্বে প্রায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করতে দেখা যাচ্ছিল। বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থের নির্দেশনায় তারা রাজশাহীতে নানান কর্মসূচি পালন করে আসছিল। সেই সঙ্গে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে আসার জন্য কর্মি সংগ্রহের মতো কাজগুলো করছিল। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি রাজশাহী মহানগর আহ্বায়ক কমিটির নেতৃত্বে আসলেন সরদার জুয়েল ও আসাদ। সরদার জুয়েলকে আহ্বায়ক ও আসাদুজ্জামান নুর আসাদকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

    এর আগে বুধবার রাজধানীর বারিধারাস্থ দলীয় কার্যালয়ে বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ রাজশাহী মহানগর বিজেপির নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন। ওই সময় তিনি রাজশাহীর নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করে। মহানগর বিজেপির নেতাকর্মীরা রাজশাহীতে একটি শক্তিশালী সংগঠন উপহার দেওয়ার আশা ব্যক্ত করেন।

    রাজশাহী মহানগর বিজেপির আহ্বায়ক সরদার জুয়েল জানান, ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থকে তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে সকলেই ভালোবাসেন। উনার রাজনৈতিক দুরদর্শিতার প্রশংসা করেন, জনগণ একজন আদর্শবান রাজনৈতিক নেতা খোঁজে। জনগণের নায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যারিস্টার পার্থকে  সারাদেশের আনাচে কানাচে নিয়ে যেতে চাই তারই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীতে একটি শক্তিশালী সংগঠন উপহার দেওয়ার মাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠিত পাবে। আগামীতে রাজশাহীতে বিজেপির জনজোয়ার তৈরি হবে বলেও জানান সরদার জুয়েল।

    মহানগর বিজেপির সদস্য সচিব আসাদ জানান, মানুষ পার্থ সাহেবকে অত্যন্ত বেশি ভালোবাসে। দলের চেয়ারম্যানের আলাদা একটি ইমেজ তৈরি হয়েছে। আগামীতে আস্থার প্রতীক তৈরি হয়েছে।

    ৩১ সদস্য বিশিষ্ট রাজশাহী মহানগর বিজেপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির অন্যান্য দায়িত্বে যারা আছে, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান আরিফ, যুগ্ম আহ্বায়ক রওশন উজ্জামান খান, তাজ মোহাম্মদ, সোহাগ হোসেন, মাওলানা মফিদুল ইসলাম সিরাজী, শাহিন হোসেন জনি, আশরাফুল আলম পলাশ, মেহেদি হাসান নয়ন, বাকী চিশতি, ইয়াসিন আলী, তানভীর রহমান শিমুল।

    সদস্যরা হলেন, রয়েল হাসান, ফেরদৌস কমল, রাজন ইসলাম, মনির হোমেন, ফারুক হোসেন, সুমন আলী, সাকিবুল ইসলাম, রাজিব হোসেন, সাকুয়ার হোসেন মিম, নাজমুল হোসেন, রায়হান আলী, মাসুদ রানা, মোহন আলী, জীবন হোসেন, নাহিদ উদ্দিন, ইবনে খাবতাব, বাপ্পি ইসলাম, শাহরিয়ার আলী।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • এ্যাড: সাইফুল ইসলাম হত্যার বিচারের দাবিতে রাজশাহীতে এলডিপির মানববন্ধন

    এ্যাড: সাইফুল ইসলাম হত্যার বিচারের দাবিতে রাজশাহীতে এলডিপির মানববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    এ্যাড: সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটি।

    রোববার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় নগরীর জিরোপয়েন্টে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এসময় এ্যাড: সাইফুল হত্যার বিচার চেয়ে আন্দোলনকারীরা বলেন, হিন্দু- মুসলিম আমরা সকলে ভাই ভাই। কিন্তু ভারতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ‘ইসকন’ সদস্যরা এক অজানা শক্তির মদদে এ দেশে দাঙ্গা সৃষ্টি করার কৌশল করছে। তবে সেই দুষ্কৃতিকারীদের বলতে চাই, এদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়। এখানকার হিন্দু-মুসলিম ভাইদের মাঝে কোনো রকম বিভেদ কিংবা দাঙ্গা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হলে তাদের দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়া হবে। তারা বলেন, বেশকিছুদিন আগে এ্যাড: সাইফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে যারা হত্যা করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। কারন পরবর্তীতে বাংলাদেশে যেনো এমন কাজ করার আগে দুষ্কৃতিকারীরা শতবার ভাবে। এ্যাড: সাইফুল ইসলাম হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করা না হলে আগামীতে কঠোর আন্দোলন করার ঘোষণাও দেন আন্দোলনকারীরা। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শফিউল আজম (জুয়েল) রাজশাহী মহানগরের সহ- সভাপতি গোলাম আজম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মো: ওয়াহিদুজ্জামান (ডাবলু), দপ্তর সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম সুইট, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তহিদুজ্জামান তুষার সহ অন্যন্যরা ।#মহ / দৈনিক বাংলার তরী

  • পীরগঞ্জে উপদেষ্টা নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

    পীরগঞ্জে উপদেষ্টা নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

    রংপুর জেলা প্রতিনিধি:

    উত্তরাঞ্চল থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা নিয়োগের দাবিতে পীরগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শহীদ আবু সাঈদের পরিবার ও ছাত্র-জনতা। ১৪ নভেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১ ঘটিকা পর্যন্ত ঘণ্টা ব্যাপি এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মহাসড়ক অবরোধ করে এ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

    উত্তরবঙ্গ তথা পীরগঞ্জ থেকে দুইজনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান। এবং তারা আরো বলেন দাবি আদায় না হলে ঢাকার সঙ্গে উত্তরের ১৬ জেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে রেলপথ ও সড়ক অবরোধসহ রংপুর বিভাগ অচল করার মতো কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

    আন্দোলনকারীরা এ সময় বলেন শহীদ আবু সাঈদের জন্মভূমি পীরগঞ্জ থেকে দুজন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়ার দাবি তোলেন এবং তারা হলেন পীরগঞ্জের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসর প্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং শহীদ আবু সাঈদের ভাই মোহাম্মদ রুহুল আমিন ।

    এ সময় তারা আরো বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন দাবিগুলো হলো—সুষম উন্নয়ন অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি প্রণয়নে উত্তরবঙ্গের দুই বিভাগ থেকে কমপক্ষে দুজন করে চারজন উপদেষ্টা নিয়োগ করতে হবে, সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আমলা ও কর্মকর্তা নিয়োগে আঞ্চলিক বৈষম্য করা যাবে না; সেই সঙ্গে প্রত্যেক উপদেষ্টাকে কার্যক্রমের অগ্রগতি সাপ্তাহিকভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে, নীতি প্রণয়নে উত্তরবঙ্গের বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতাদের পরামর্শ নিতে হবে।

    বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আবু সাঈদের বড় ভাই রুহুল আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাসুম বিল্লাহ, কারমাইকেল কলেজের ছাত্র মেহেদী হাসান, রাকিব মিয়া, রংপুর সরকারি কলেজের ছাত্র রাজেদুল, নুর আলম,পারভেজ, মুজাহিদ, সিয়াম, নাহিদ প্রমুখ।

    আবু সাঈদের বড় ভাই রুহুল আমিন বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে ১৩ জন চট্টগ্রাম বিভাগের হলেও উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলা থেকে একজনকেও নেওয়া হয়নি। এটা রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের সঙ্গে বৈষম্য হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার এভাবে চললে আঞ্চলিক বৈষম্য আরও বাড়বে। তাই আমরা চাই অতি দ্রুত রংপুরসহ উত্তরাঞ্চল থেকে উপদেষ্টা নেওয়া হোক। এবং তিনি আরো বলেন আমার ছোট ভাই আবু সাঈদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে বৈষম্য হতে দেওয়া হবে না।

    বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। মুহূর্তেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। শেষে বিশাল বিক্ষোভ মিছিলটি পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয় ।#মহ/ দৈনিক বাংলার তরী