Category: চাকরি

  • রাবির অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসরের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক

    রাবির অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসরের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক

    স্টাফ রিপোর্টার:

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর শামসুন নাহার মোল্লার (৮৬) মৃত্যুতে উপাচার্য প্রফেসর সালেহ হাসান নকীব এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন ও উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা. ফরিদ উদ্দিন খান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তথা বাংলাদেশে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় মরহুমার অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন

    উল্লেখ্য, প্রফেসর শামসুন নাহার মোল্লা, শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোর প্রায় ৩টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তিনি বিভাগীয় সভাপতি ও দুটি হলের প্রাধ্যক্ষসহ অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেন।এবং ২০০৪ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।

    মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র রেখে গেছেন। তিনি ছিলেন বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ রাবি ইতিহাস বিভাগের মরহুম প্রফেসর কছিম উদ্দীন মোল্লার সহধর্মিণী।

    আজ শুক্রবার বাদ জুমআ রাবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মরহুমার জানাযার নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয় গোরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।#

    মহ/

  • আওয়ামী লীগের ২নেতা চেয়ারম্যান শশুরের প্রভাব খাটিয়ে ৮ কোটি টাকার ২টি প্রতিষ্ঠান দখল : বিচারের  আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এম ডি 

    আওয়ামী লীগের ২নেতা চেয়ারম্যান শশুরের প্রভাব খাটিয়ে ৮ কোটি টাকার ২টি প্রতিষ্ঠান দখল : বিচারের  আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এম ডি 

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    প্রভাব খাটিয়ে আওয়ামী লীগের ২ নেতা দখল করে নিলো প্রায় ৮ কোটি টাকার জেনারেল এগ্রোভিট ও অগ্রগামী এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ নামের ২টি প্রতিষ্ঠান। মারপিট করে বের করে দেয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্তাপনা পরিচালক নাজমুস সাকিবকে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে ভেড়ামারায় সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবি করেছেন তিনি।

    সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে জেনারেল এগ্রোভিট প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্তাপনা পরিচালক নাজমুস সাকিব বলেন, ২০১৭ সালে ভেড়ামারার মোকারিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সামাদ’র জামাতা রফিকুল ইসলাম বাবুকে সঙ্গে নিয়ে জেনারেল এগ্রোভিট লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি। প্রায় দুই বছর ব্যবসা পরিচালনার পর ২০১৯ সালে আরও একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। নাম দেন অগ্রগামী এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ। সে সময় আরেক আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা মোহাম্মদ মেহের আলীকে ব্যবসার পার্টনার নেন। তিনজনের মধ্যে চুক্তি হয় সমান অংশীদারের। তিনি ছিলেন জেনারেল এগ্রোভিট লিমিটেডের এমডি এবং অগ্রগামী এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান।

    ফিশারিজ এবং ফিশারিজ ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স বিএসসি (অনার্স) করা সাকিব আরও জানান, মেধা আর পরিশ্রম দিয়ে দ্রুত প্রতিষ্ঠান দুটোকে সাফল্যের দিকে নিয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানের সম্পদের পরিমাণ হয়ে ওঠে প্রায় ৮ কোটি টাকা। এমন অবস্থায় ওই দুই পার্টনার ষড়যন্ত্র করে তার শ্বশুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদের সরাসরি হস্তক্ষেপে ২০২৩ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে। জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠান থেকে  বের করে দেয়।

    ওই সময় ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করলেও আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে তাও বানচাল করে দেয়া হয়। আমাকে শূন্য হাতে বের করে দেয়। ভেড়ামারা থানায় এক সালিশে আমাকে নগদ ৭০ লাখ টাকা দেয়ার প্রস্তাব করা হলে আমি সেই প্রস্তাবে রাজি হইনি। তিনি বলেন, ব্যবসা ছেড়ে আসতে হলেও চুক্তি অনুযায়ী আমি ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা পাওনাদার হই। এ সময় আওয়ামী লীগের ওই গ্যাং প্রভাব খাটিয়ে আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক স্ট্যাম্প ও বিভিন্ন কাগজপত্র স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।

    এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালতে ২ পার্টনার, তার সহযোগী আব্দুস সামাদ চেয়ারম্যান ও মোকাদ্দেস হোসেন ঝন্টুকে আসামি করে একটি সিআর মামলা দায়ের করেছি। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করে বলেন, সাংবাদিকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে ন্যায়বিচার চাই।#

    মহ/

  • রাজশাহীর দুর্গাপুরে ডাক্তার ও ক্লিনিকের অবহেলায় প্রসূতি নারীর মৃত্যু

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে ডাক্তার ও ক্লিনিকের অবহেলায় প্রসূতি নারীর মৃত্যু

    দূর্গাপুর প্রতিনিধি :

    রাজশাহী দুর্গাপুরে একটি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচার কালে রোকসানা বেগম (২৮) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাতে দুর্গাপুর উপজেলা সদরে অবস্থিত ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ এ ঘটনা ঘটে।

    এদিকে ঐ ঘটনার পর রাতেই ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ক্লিনিকে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়। নিহত প্রসূতি দুর্গাপুর পৌর এলাকার দেবীপুর মোল্লা পাড়া গ্রামের আবু হানিফের স্ত্রী।

    নিহতের স্বজনরা জানান, গত রোববার রাত ৮টার দিকে প্রসূতি রোকসানা বেগমকে উপজেলার সদরে ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করতে নিয়ে আসা হয়। এরপর রোকসানাকে সিজার করার জন্য অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। থেয়েটারে নেওয়ার পরে তাকে ইনজেকশন দেওয়া হয়। এসময় বাহিরে অপেক্ষা করেন স্বজনরা। কিছুক্ষন পরে হাসপাতালে জরুরী রোগী এসেছে বলে অপারেশন থিয়েটার থেকে বের হয়ে চলে যায় কর্তব্যরত চিকিৎসক মিল্টন খন্দকার।

    এসময় প্রসূতীর স্বজনদের সন্দেহ হয়। মিল্টন খন্দকার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সএ আবাসিক মেডিকেল অফিসার। তিনি ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ নিয়মিত অস্ত্রোপচার ও রোগী দেখেন। এরপর সেখানকার নার্স ও ক্লিনিক পরিচালক আলতাফ হোসেন রোগীর অবস্থা খারপ বলে তড়িঘড়ি করে রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে বের করে দেন। পরে প্রসূতির নাকের কাছে হাত নিয়ে দেখেন শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ। এরপর সেই অবস্থায় প্রসূতি রোকসানাকে আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক জানায় প্রসূতি রোকসানা অনেক আগেই মারা গেছেন। তবে সিজার অপারেশনের যে সকল প্রস্ততি তা কোন চিকিৎসক নিয়েছিলো তা শিকার করেননি কেও। এরই মধ্যে ক্লিনিক ছেড়ে পালিয়ে যায় নার্স ও মালিক পক্ষ। এখন পর্যন্ত ওই ক্লিনিক তালা বদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়।

    নিহতের স্বামী আবু হানিফ বলেন, ‘চিকিৎসক ভুল ইনজেকশন অথবা ভুল স্থানে ইনজেকশন দিয়ে অপারেশন থিয়েটারেই আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলেছে। আমার স্ত্রী স্বাভাবিক ও সুস্থ ছিলো। আমি এর বিচার চাই।

    এবিষয়ে ‘মা ও শিশু ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলতাফ হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    এবিষয়ে দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, প্রসূতির মৃত্যুর খবর পেয়েছি। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এবিষয়ে,ডা মিল্টন খন্নকার বলেন, আমি অপারেশন করতে ক্লিনিকে গিয়েছিলাম। রোগীর কাছে গিয়ে দেখি রোগীর অপারেশন করার প্রাথমিক যে প্রস্তুতি তা চলছে। এমনকি ক্লিনিকের অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার ক্লিনিকের বাহিরেই ছিলেন। তবে মনে হচ্ছিল রোগীর শ্বাসকষ্টে হচ্ছে। এতে আমি রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে চলে আসি।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, আমাকে কর্তৃপক্ষ বা রোগীর স্বজনরা কেউ এ বিষয়ে জানায়নি। তবে আমি শুনেছি মা ও শিশু ক্লিনিকে একজন সিজারের রোগী মারা গিয়েছে।

    এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন বলেন, আমার এ বিষয়ে জানা নেই। তবে আমি খোঁজ খবর নিয়ে জানবো। এমনকি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহীতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য! সর. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা: নিরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ! 

    রাজশাহীতে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য! সর. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং ব্যবসা: নিরব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ! 

    স্টাফ রিপোর্টার:

    শিক্ষানগরী রাজশাহীতে শিক্ষাকে সেবা থেকে ব্যবসায় পরিনত করে চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সরকারী স্কুল-কলেজের শিক্ষকরাও এখন এই কোচিং বাণিজ্যে নিয়োজিত।

    নগরীর বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে কোচিং সেন্টার চলছে, তারমধ্য সবচেয়ে বেশি কোচিং সেন্টার চলছে কাদিরগঞ্জ এলাকায়।

    রাজশাহী সরকারী মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকায় বেশি কোচিং সেন্টার দেখা যায়। ৩/৪ তালা বাসা ভাড়া নিয়ে একই বিল্ডিং-এ প্রতিটা ফ্লোরে আলাদা আলাদা নামের কোচিং দেখা যায়।

    বছরের শুরুতে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তির প্রতিযোগিতায় আকর্ষনীয় প্রচারপ্রত্র নিয়ে কোচিং সেন্টারগুলো জোরদার প্রচার প্রচারনা শুরু করেছে।

    এই প্রতিযোগিতায় সরকারী স্কুলের শিক্ষকরাও থেমে নাই। হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও কোচিং বাণিজ্যকে বৈধ মনে করেন।

    আর এর পিছনে মুল সমস্যা হলো আইন বাস্তবায়নকারী সংস্থার উদাসীনতা আর অবহেলা।

    হেলেনাবাদ সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের কোচিং “বাংলা বাতিঘর” চাকচিক্য গ্লোসি পেপারে প্রচারপত্র ছাপিয়ে ১ নভেম্বর থেকে ভর্তি শুরু করেছে।

    ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত তিনি নিজেই ব্যাচ করে পড়ান। প্রচার পত্রে তার কোচিংএর ব্যাচ সংখ্যা ২১ টা। প্রতি ব্যাচে জনপ্রতি শিক্ষার্থীর কাছে কোর্স ফি ৮ /৯ হাজার টাকা।

    অবৈধভাবে কোচিং সেন্টার চালানোর বিষয় নিয়ে শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্বীকার করেন তিনি অন্যায় করছেন।

    সেই সাথে তিনি বলেন “সরকারী হাসপাতালে চাকরী করে ডাক্তাররা যদি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রুগী দেখতে পারে তাহলে আমরা কেনো পারবো না, আমরা তো চুরি করছি না”।

    বাংলা বাতিঘরের কোন ট্রেড লাইসেন্স আছে কি জানতে চাইলে তিনি জানান তার কোচিং এর কোন ট্রেড লাইসেন্স নাই।

    একই এলাকায় “বাংলা মন্জুষা” নামের কোচিং সেন্টার চালাচ্ছেন রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক দীলিপ কুমার।

    দীলিপ কুমার মাধ্যমিকের শিক্ষক তিনিও তার কোচিং সেন্টারে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী পড়ান।

    তার কোচিং সেন্টারের স্টাফদের দেয়া তথ্য মতে ব্যাচ সংখ্যা ১২ টা প্রতি ব্যাচে ৫০/৬০ জনের বেশি শিক্ষার্থী পড়ান। তিনি নিজেই ক্লাশ নেন স্টাফরা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাজ গুলো করে।

    কোচিং সেন্টার চালানোর বিষয় নিয়ে তার সাথে মুঠোফনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে চায়ের দাওয়াত দেন তার কোচিং সেন্টারে।

    অবৈধভাবে কোচিং সেন্টারের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি কোচিং সেন্টার চালাতে পারেননা বললেও পরে বলে কিছু ক্ষেত্রে কোচিং করার অনুমতি আছে তবে কোন ক্ষেত্রে কোচিংএর অনুমতি আছে সেটা তিনি জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

    তিনি বলেন আমি মাধ্যমিকের শিক্ষক আমার কোচিং-এ উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পড়ানো হয়। তবে তার সাদা কাগজের প্রচারপত্রে নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়ে তথ্য দেয়া আছে, এবং তিনি স্কুলের মাধ্যমিকের শিক্ষক।

    স্কুল সুত্রে জানা যায় দিলীপ কুমার পড়াশোনা করেছে সংস্কৃতি বিষয়ে, স্কুলে নিয়োগ নেন হিন্দু ধর্ম শিক্ষক হিসেবে পরবর্তীতে সংস্কৃতিতে বাংলা ৩০০ নম্বরের বিষয় থাকায় তাকে বাংলার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন।

    তার চাকরি সম্প্রতি সময়ে সরকারী হয়েছে তবে তিনি সরকারী ভাবে এখনও বেতন পান না, স্কুল থেকে কিছু সম্মানি পান ।

    তবে কোচিং বাণিজ্য করেই তিনি গড়ে তুলেছেন দুইটা বাড়ি। একটায় বসবাস করে আরেকটি কয়েকজন শিক্ষক মিলে যৌথ মালিকানায় নির্মানাধীন।

    জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার ভাই একই প্রতিষ্ঠানের রসায়নের প্রভাষক ইন্দ্রজিৎ সরকার জড়িত। (যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে)

    স্ত্রীর নামে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স করে নিজেই কোচিং পরিচালনা করেন দীলিপ কুমার। কোচিং বাণিজ্যের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের পর থেকে দীলিপ কুমার বিভিন্ন মহলে তদবির করেন যেন তার নামে সংবাদ প্রকাশ না করা হয়।

    কোচিং বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জানান ” সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য করার বিধান নাই ” তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কোচিং করে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন কোন শিক্ষক কোচিং করে সেটা আমার জানা নাই তবে আমি জানলে তাকে সতর্ক করে দিবো “।

    সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার করতে পারবে কি না জানতে চাইলে আঞ্চলিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড.শরমিন ফেরদৌস বলেন “না পারবে না, কোন শিক্ষক কোচিং করতে পারবে না বিধানে নেই “।

    শহরের মধ্যেই কোচিং সেন্টার চালাচ্ছে আপনারা কেনো সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেন না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ” আমদের কাছে সঠিক কোন তথ্য নাই কোন শিক্ষক কোচিং সেন্টার চালাচ্ছে, তাই আমরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারিনা।

    কেউ যদি অভিযোগ করে তাহলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • জিম্মি রুপালি ব্যাংকের শাখা, ডাকাতদের ২ দাবি

    জিম্মি রুপালি ব্যাংকের শাখা, ডাকাতদের ২ দাবি

    ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে রূপালী ব্যাংকের জিনজিরা শাখা জিম্মি করা ডাকাতরা ২ দাবি জানিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জের কালীগঞ্জ পাকাপুল এলাকার ব্যাংকের ওই শাখার ম্যানেজার শেখর মন্ডল।

    তিনি বলেন, ঘটনার সময় আমি ব্যাংকের বাইরে ছিলাম। তাদের সঙ্গে আমরা নেগোসিয়েট করছি। তারা আটকা পড়ার পর নিরাপদ প্রস্থান ও ১৫ লাখ টাকা দাবি করছেন।

    শেখর মন্ডল বলেন, ব্যাংকের ভেতরে ৩ জন ডাকাত অস্ত্রসহ ঢুকেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

     

    এদিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, ব্যাংকের ওই শাখায় বেশ কিছু মানুষকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাইরে থেকে তাদের ঘিরে রেখেছে। জিম্মিদের উদ্ধারে যেকোনো সময় অভিযান চালানো হতে পারে।

    এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে ডাকাতরা ব্যাংকে ঢোকেন। এ সময় পাশের মসজিদের মাইক থেকে ডাকাত পড়ার কথা জানানো হলে আশপাশের কয়েকশ লোক ব্যাংকের ওই শাখাটি ঘেরাও করেন। এর মধ্যে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাব এসে উপস্থিত হয়। ব্যাংকের গেটের ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে রাখা হয়েছে। ভেতর থেকে একটি গুলির আওয়াজও পাওয়া গেছে।# মহ/দৈনিক বাংলার তরী

    সূত্র:Rtv

  • বাঘায় ইউএনও তরিকুল ইসলামের পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন। 

    বাঘায় ইউএনও তরিকুল ইসলামের পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন। 

    বাঘা প্রতিনিধি :

     

    রাজশাহীর বাঘায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মো. তরিকুল ইসলাম এর পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাধারণ জনগণ। মঙ্গলবার ( ২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে। 

    মানববন্ধনে একাধিক বক্তা বলেন আন্দোলনের সময় ছাত্রদের ওপর নির্মম হামলা চালানো হলেও বাঘায় ইউএনও মো: তরিকুল ইসলামের দূরদর্শী পদক্ষেপে কোনো ধরনের সহিংসতা হয়নি। তার মত এমন সৎ, নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা কমই পেয়েছি আমরা।

    জানা যায়, গত ১৭ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মুহাম্মাদ ইব্রাহীমের  স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে মো: তরিকুল ইসলাম কে পদন্নোতি করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে চাঁপাইনবয়াবগঞ্জ বদলির আদেশ জারি করা হয়।

    এর আগে তিনি তার কর্মজীবনে বর্তমানে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ১৩/ ১২ /২০২৩ সালে যোগদান করে সাড়ে ১০ মাস দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও পটুয়াখালী ডিসি অফিস,  বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহী আরডিসি, সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পাবনা শাজাদপুর নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে এসেছেন।

    সেবা প্রদানে করেননি কখনো কার্পণ্যতা। কর্মজীবনে যেখানেই দায়িত্ব পালন করেন সেখানেই হাস্যজ্জল মুখে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সমাজিক সংগঠনের সাথে সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা পালন করে চলেছেন তিনি।

    রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাঘা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল রহমানের পরিচালনায় মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাঘা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান জুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম স্বপন,উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ হিটলার মন্ডল, চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ রেজাউল করিম, চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সােয়ম শিকদার, খন্দকার সুপার মার্কেটের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সেন্টু, জেলা ছাত্রদলের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আশিক ইকবাল হিমেল, সাবেক ছাত্রদল নেতা তানভীর আহমেদ পিয়াস, যুবদল নেতা হাসিবুল, শরিফুল ইসলাম, রনি আহমেদ, হাফিজুল ইসলাম, ছাত্রনেতা জীবন, ফয়সাল, স্বাধীন, আরিফ হোসেন তরিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ, বাউসা ইউনিয়ন যুবদল নেতা  শিমুল মনিগ্রাম ইউনিয়ন যুবদল নেতা রুবেল আহমেদ বাউসা ইউনিয়ন যুবদল নেতা নুরুজ্জামান বাঘা পৌর ছাত্রনেতা আলামিন সহ প্রমুখ।

    সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার অফিস সাধারণ মানুষের জন্য সার্বক্ষণিক খোলা থাকে এটা দেখার সৌভাগ্য কমই হয়। তাছাড়া তার মার্জিত ব্যবহার দিয়ে সার্বক্ষণিক উপজেলার মানুষের সেবা করেছেন। তার ব্যবহার ও কর্মের কারণেই উপজেলাবাসী তাকে এতোটা ভালোবাসে। তার মত এমন সৎ, নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা কমই পেয়েছি। আমাদের একটাই দাবি, বাঘার অসমাপ্ত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ করতে তাকে আরো কিছু দিন এই উপজেলা তেই রাখা হোক।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাগীর পুলিশ সুপারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

    রাজশাগীর পুলিশ সুপারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

    নিজস্ব প্রতিনিধি :

     

    সনাতন ধর্মাবলম্বীগণের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে গতকাল ১২ অক্টোবর রাজশাহীর পুলিশ সুপার জনাব মো: আনিসুজ্জামান মহোদয় জেলার চারঘাট, বাঘা ও পুঠিয়ার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জগণ ও ওসি (ডিবি) জনাব মো: রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

    সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মো: আনিসুজ্জামান পূজামণ্ডপের সভাপতি ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ও আগত পূজা অর্চনাকারীদের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন।

    পক্ষান্তরে সভাপতি ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দও সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয়কে তাঁর আন্তরিকতা ও পূজামণ্ডপে নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    উল্লেখ্য, রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) জনাব আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব মো: খায়রুল আলম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জনাব মো: রফিকুল আলম একযোগে জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে রাতভর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে পরিদর্শন করে দায়িত্বরত পুলিশ, আনসার ও পূজামণ্ডপের স্বেচ্ছাসেবক টিমকে সজাগ রাখেন।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী 

  • ৯০ শতাংশের বেশি জনপ্রতিনিধি আত্ম গোপনে,ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সেবা

    ৯০ শতাংশের বেশি জনপ্রতিনিধি আত্ম গোপনে,ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সেবা

    স্টাফ রিপোর্টার

    হাসিনা সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে গেছেন রাজশাহী জেলার জনপ্রতিনিধিরা। ৯০ শতাংশেরও বেশি জনপ্রতিনিধি ফেরেননি কর্মস্থলে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সেবা কার্যক্রম।

    প্রশাসন বলছে,নিরাপত্তা কার্যক্রম যেহেতু শুরু হয়েছে,খুব শিগগির তারা কর্মস্থলে ফিরে আসবেন। যদি তারা না আসেন সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র ও কাউন্সিলররা আত্মগোপনে চলে গেছেন। গত সাতদিন ধরে তারা সবাই পলাতক থাকায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কার্যক্রম।

    নগরীর সাহেব বাজার এলাকার বাসিন্দা মঞ্জুর হোসেন বলেন, ‘ছেলের ভর্তির জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ দরকার। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় বন্ধ। আজও বন্ধ পেলাম।

    নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রায়হান আলী বলেন, ‘জরুরিভিত্তিতে একটি নাগরিক সনদ দরকার। কিন্তু কাউন্সিলর অফিসে গিয়ে দেখি তালাবদ্ধ। বুঝতে পারছি না এখন কী করবো?

    একই অবস্থা গোদাগাড়ী,তানোর,পুঠিয়া,দুর্গাপুর,পবা, মোহনপুর,বাঘা,চারঘাট ও বাঘমারা উপজেলা ও পৌরসভার।

    এসব উপজেলা ও পৌরসভার মেয়র-চেয়ারম্যানদের বেশিরভাগই আত্মগোপনে আছেন। ফলে এসব এলাকারও কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। জেলার বেশিরভাগ ইউনিয়ন চেয়ারম্যানও এখন আত্মগোপনে। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ফিরে আসছেন তারা।

    রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান বলেন,দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সিটি করপোরেশনের মেয়র-কাউন্সিলরসহ জেলার জন প্রতিনিধিদের অনেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। এতে মারাত্মকভাবে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন নাগরিকরা। সেনাবাহিনী কিংবা প্রশাসনের উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘সবাই না,কেউ কেউ আছেনি। আজই প্রথম অফিস শুরু হলো। আমরা খবর নিচ্ছি। যদি এরকম হয় তারাতো স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তাদের বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে আমরা সেখানে লিখবো।

    রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ডা. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন,জনপ্রতিনধিদের একটি বড় অংশ এখনো অফিসে আসেননি। তারা না থাকলেও একজন করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা আছেন। তারাও ফাইল নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

    মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসে ই-নামজারি সহ অন্যান্য সেবা প্রদান

    প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ও ভূমি সেবা প্রাপ্তিতে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে ভূমি মন্ত্রণালয় যেসব ডিজিটাল সেবা দিয়েছে এই লক্ষে অনলাইন ভূমি সেবা ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা জনসাধারণ।

    দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করে দেখা গেছে, নামজারি সহ বিবিধ মামলা, ভূমি উন্নয়ন কর, অর্পিত সম্পত্তি লীজ, মানি আদায়, সরকারি খাস জমি উদ্ধার ইত্যাদি কাজে পূর্বের তুলনায় দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড অনেক গতিশীল। বছর দু’য়েক আগে দাউদকান্দি উপজেলায় একটি নামজারি মামলা নিষ্পত্তিতে ৪৫-৬০ দিন সময় অতিবাহিত হতো, বর্তমানে মাত্র ১০-১৫ দিনে এ কার্যক্রম সম্পাদন হচ্ছে।

    প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক সেবা প্রার্থী ই-নামজারি সহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণে এ ভূমি অফিসে আসেন। হয়রানি ছাড়া সেবা পেয়ে তারা অনেক খুশি ও সন্তুষ্ট। সেবা নিতে আসা দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের সালাউদ্দিন মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ই-নামজারি করতে পেরে আবেগ আপ্লুত হয়ে জানান, অনলাইনে নামজারি আবেদন করেন। এরপর মোবাইলে আসা এসএমএস অনুযায়ী শুনানিতে উপস্থিত হয়ে তার ই-নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে যায়। অতীতের হয়রানির ঘটনা এখন ইতিহাস।

    ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দাউদকান্দি উপজেলায় বিগত ৩০ দিনে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির গড় সময়সীমা ১০ দিন যা কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্ন।

    প্রাপ্ত তথ্যচিত্র অনুযায়ী কুমিল্লা জেলায় গড় নিষ্পত্তি দিনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিস। তথ্য অনুযায়ী দাউদকান্দি উপজেলায় গড় নিষ্পত্তি সময় ১০ দিন, যা কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে শীর্ষে । ই-নামজারি সেবা সহজীকরণে ও জনগণকে স্বল্পতম সময়ে এ সেবা দিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন দাউদকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জিয়াউর রহমান।

    তিনি জানান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের দিক-নির্দেশনার আলোকে আমরা আইনানুগভাবে নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে মানুষকে দ্রুততম সময়ে ভূমি সেবা ও ভূমি বিষয়ক পরামর্শ প্রদানে বদ্ধপরিকর। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক সরাসরি শুনানি গ্রহণ, ইউনিয়ন ও উপজেলায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট অফিসারদের তৎপরতার ফলে দালাল তথা তৃতীয় পক্ষের দৌরাত্ম্য কমেছে। দাউদকান্দিও মানুষ এখন অনলাইন/স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার সুফল পাচ্ছে।

    এই কর্মকর্তা আরো বলেন, বর্তমান কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক ই-নামজারি সেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। যখন আমি এ উপজেলার দায়িত্ব গ্রহন করি তখন গড় নিষ্পত্তি সময় ছিল ৪৫ থেকে ৬০ দিন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, কানুনগো, অফিস সহকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ সেবা বর্তমানে ১০ দিনে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও স্বল্প সময়ে এ সেবা দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনাকে বাস্তবায়ন করে এখন আমরা স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার দিকে আগাচ্ছি। স্মার্ট ভূমি সেবা বাস্তবায়নের লক্ষে জণগনকে শতভাগ দ্রুততার সাথে এবং সহজে সেবা প্রদানে আমরা বদ্ধপরিকর। এক্ষেত্রে দাউদকান্দি উপজেলা ভূমি অফিসের সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসংশনীয়।

  • ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি, ৩ জনকে বরখাস্ত

    গাজীপুরের জয়দেবপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসক এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

    তদন্ত কমিটি ও বরখাস্তের বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর জংশনের স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া।

    বরখাস্তরা হলেন- আপ ঘুন্টি স্টেশন মাস্টার মো. হাসেম, পয়েন্টস ম্যান সাদ্দাম হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।

    রেলওয়ের পক্ষ থেকে সিওপিএস মো. শহীদুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্যের আঞ্চলিক তদন্ত কমিটি এবং রেলেওয়ের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী (সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন) সৌমিক শাওন কবিরকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে জয়দেবপুর স্টেশন মাস্টার হানিফ মিয়া জানান, টাঙ্গাইল কমিউটার ও মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। সিগন্যাল ম্যানের ভুলের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

    তবে কমিউটার ট্রেনটিতে তেমন যাত্রী ছিল না বললেই চলে। এ কারণে হতাহতের সংখ্যা কম হয়েছে। কমিউটার ট্রেনের লোকো মাস্টারসহ (ট্রেনের চালক) চারজন আহত হয়েছেন।

    এদিকে শুক্রবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ওই ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে টাঙ্গাইল কমিউটারের তিনটি বগি দুমড়েমুচড়ে যায়।

    এছাড়াও দুটি ট্রেনের ৮টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এরপর থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এলে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়। কাজ চলমান থাকলেও দুপুর থেকে অন্য লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু করে।