Category: অপরাধ

  • দুর্গাপুরে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক

    দুর্গাপুরে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক

    দুর্গাপুর(রাজশাহী) প্রতিনিধি:

     

    রাজশাহীর দুর্গাপুরে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    জানা গেছে, স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে । এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগী ওই সাংবাদিকের নাম রাজু আহমেদ। তিনি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার দুর্গাপুর উপজেলা প্রতিনিধি।

    সোমবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার দাওকান্দি বাজারে এ ঘটনা ঘঠে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বড় ভাই ।

    এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দুর্গাপুর প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমাজ এর নেতৃবৃন্দ।

    সাংবাদিক নেতারা বলছেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা দান স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর আঘাত। পেশাগত দায়িত্ব পালনে এমন সন্ত্রাসী হামলায় উদ্বিগ্ন তারা। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি তাদের।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দাওকান্দি বাজারে ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আঞ্চলিক বিএনপির অফিস উদ্বোধন করা হবে এবং সেখানে দু’পক্ষের সংঘর্ষের আসংখা রয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সাংবাদিক রাজু আহমেদ ও ঘটনার বক্তব্য মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করছিলেন। এ সময় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য খায়রুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ১০-১৫ জন দুর্বৃত্ত অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে নেয় ও শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করে ও রাজু আহমেদ’কে এলোপাতাড়ি মারধোর করে।

    হামলার শিকার সাংবাদিক রাজু আহমেদ জানান, বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে খায়রুল মেম্বারের অনুসারীরা আমার উপর অর্তকিত হামলা চালায়। বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেবেন বলে জানান তিনি।

    অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য খায়রুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ও তার কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুরুল হুদা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই তবে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • সংবাদ প্রকাশের জেরে বাঘায় সাংবাদিকের উপর মাদক কারবারি’র হামলা

    সংবাদ প্রকাশের জেরে বাঘায় সাংবাদিকের উপর মাদক কারবারি’র হামলা

    নিজস্ব প্রতিনিধি:

    রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় সংবাদ প্রকাশের জেরে পূর্ব শত্রুতা থেকে সাংবাদিক আবুল হাসেম ও তাঁর পিতার উপর সন্ত্রাসী হামলা করা হয়েছে।

    সাংবাদিক আবুল হাসেম জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকায় বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের একজন গর্বিত সদস্য। হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাব।

    ২০ অক্টোবর (রোববার) বেলা ৩:৪৫ ঘটিকায় সাংবাদিক আবুল হাসেমের নিজ বাসায়, বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়ায় হামলার ঘটনা ঘটে।

    ঘটনা ও এজাহার সুত্রে জানা যায়, পাকুড়িয়া এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি শুকুর আলীর ছেলে সুমন আলীর নেতৃত্বে আজাহার আলী, সুজন আলীসহ মাদক ব্যবসায়ীরা সাংবাদিক হাসেমের পরিবারের উপর হামলা চালায়। হামলায় গুরুতর আহত হয় সাংবাদিক হাসেম ও তাঁর পিতা। হামলায় হাসেমের মাথায় ৫ টি ও তার পিতার মাথায় ১২ টি সিলাই পড়ে। বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। এঘটনায় বাঘা থানায় এজাহার দায়ের করাও হয়েছে।

    স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, মাদক কারবারিরা এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তুচ্ছ ঘটনায় তাঁরা যাকে তাকে মারধর করেন। প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করেন। ঘটনায় প্রথমে কথা কাটাকাটি পর্যায়ে থাকলেও পরে হাসুয়া, হাতুড়িসহ অস্ত্রসজ্জিত মাদক কারবারিরা আবারও হামলা চালায়। হামলায় সাংবাদিক হাসেমের পিতার মাথায় হাসুয়া দিয়ে আঘাত করেন। এরপর সাংবাদিক হাসেম বাধা দিতে গেলে তাঁকেও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয়।

    জানতে চাইলে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সিদ্দিক বলেন, আমি তৎক্ষনাৎ ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেছি। এজাহার দায়ের হয়েছে, তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।# মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • মহিলা অধিদপ্তরে চাকুরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, প্রতারকের পক্ষে হুমকি

    মহিলা অধিদপ্তরে চাকুরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, প্রতারকের পক্ষে হুমকি

    নিজস্ব প্রতিনিধি:

    রাজশাহী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে কর্মরত গার্ড জুলহাস উদ্দিনের বিরুদ্ধে চাকুরী দেওয়া ও ব্যবসায়ীক কাজে ২৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।

    মামলা নিষ্পত্তি ও আড়াই লাখ টাকা নিয়ে সমঝোতা করা প্রস্তাব দেন উক্ত দপ্তরের প্রেষণে থাকা পুলিশ পরিদর্শক রেজাউস সাদিক। অন্যথায় দেখে নিবেন বলে ভুক্তভোগী সুইটকে হুমকি প্রদান করেন।এছাড়া দপ্তরের কোয়াটারে থাকা গার্ড জুলহাসে নিকট যেতেও নিষেধ করেন তিনি।

    আদালতে দায়ের করা মামলা সুত্রে জানা যায়, নগরীর দাশপুকুর এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে সুইট উদ্দিন বাদী হয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মরত নওগাঁর রানীনগর খাজুরিয়াপাড়া এলাকার মৃত আক্কেল উদ্দিন খানের ছেলে জুলহাস উদ্দিন খানের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেন।

    ব্যবসায়ীক কাজে চেকের বিনিময়ে ১৭ লাখ টাকা ও চাকুরী দেওয়ার নামে ৬ লাখ টাকা নেয় জুলহাস। ভুক্তভোগী সুইট উদ্দিন মামলা করার পর একের পর এক হুমকির মুখে পড়েছেন। টাকা ফেরত দিবে মর্মে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন।

    সর্বশেষ ২০ অক্টোবর বেলা ১১ টায় জুলহাসের স্ত্রী সুইটকে পুলিশ পরিদর্শক রেজাউস সাদিকের নিকট নিয়ে গেলে তিনি বিষয়টি আড়াই লাখ টাকা নিয়ে নিষ্পত্তি করার প্রস্তাব দেন। প্রস্তাব না মানায় তিনি মামলায় ফাসিয়ে দেওয়াসহ অফিসের আশেপাশে আসতে নিষেধ করেন। এমনকি টাকা দিবে না মর্মে সাফ জানিয়ে দেন। আদালতে মামলা করে লাভ হবে না বলেও তিনি উল্লেখ্য করেন।

    ভুক্তভোগী সুইট বলেন, আমি আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। আদালত যা রায় দিবে তা মেনে নিবো। পাওনা টাকার ডকুমেন্টস আছে আমার কাছে। এরপরও বিভিন্ন লোক মারফত পরিদর্শক রেজাউস সাদিক আমাকে ডেকে পাঠান। বাধ্য হয়ে তাঁর নিকট গেলে তিনি আড়াই লাখ টাকা নিয়ে সমঝোতা করার জন্য বলেন। অন্যথায় দেখে নিবেন তিনি।

    সুইট আরও বলেন, এর আগেও সহকারী পরিচালক মাহবুবা সুলতানার সঙ্গেও এবিষয়ে কথা বলা হয়েছে। তিনি সেসময় বলেন অনেক টাকা ঋণগ্রস্ত জুলহাস। বহু পাওয়াদার আসে অফিসে। বিষয়টি আপনারা আইনগতভাবে দেখেন।

    এসব বিষয়ে জানতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রেষণে থাকা পুলিশ পরিদর্শক রেজাউস সাদিক বলেন, আমি কাউকে হুমকি দেয়নি। শুধু ডেকে কথা বলে বিষয়টি জেনেছি। যেহেতু আদালতে মামলা চলছে সেহেতু মামলার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি পরামর্শ দিয়েছি।

    কথা বললে উক্ত দপ্তরের উপ পরিচালক(ম্যাজিস্ট্রেট)ফাবলিহা আনবার বলেন, আমি এখন ব্যস্ত আছি। পরে ফোন দেন।

    জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) সরকার অসীম কুমার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নাই। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • ছাত্রলীগ কর্মীর হাতে জামায়াত নেতা খুন

    ছাত্রলীগ কর্মীর হাতে জামায়াত নেতা খুন

    শরীয়তপুর জেলায় ডামুড্যা থানার সিড্যা ইউনিয়নে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে, প্রতিপক্ষ নাতির হামলায় সিরাজুল ইসলাম মাঝি (৫৫)নামে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যু হয়েছে।

    এ ঘটনায় অভিযুক্ত শরীফ মাঝী (২০)পলাতক রয়েছে।
    পলাতক শরীফ মাঝি ছাত্রলীগের কর্মী সমর্থক বলে জানাগেছে।

    পক্ষান্তরে নিহত সিরাজ মাঝি জামায়াতের কর্মী হওয়ার কারনে, জবরদস্তি করে সালিসি সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছিল বলে নিহত সিরাজ মাঝির পরিবার জানিয়েছেন।

    আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকালে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার সিড্যা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে এঘটনা ঘটে।

    নিহতের পরিবার সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের জমি সিড্যা চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল হাদী জিল্লু সহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা এসে জাহাঙ্গীর মাঝিকে একতরফা সিদ্ধান্তে জায়গা দখল করে দিয়ে যান।তারই ধারাবাহিকতায় জাহাঙ্গীর মাঝি তাদের যোগসাজসে আমাদের জমি দখল করে নেয়।
    এরপর গত একমাস আগে পুনরায় সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে আমাদের জায়গার সঠিক পরিমাপ করা হয় এবং আমাদের জায়গা সঠিকভাবে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য সালিশ বর্গ সিদ্ধান্ত নেয়।পূর্বের বেড়া সরিয়ে দিয়ে আমাদের জায়গা অবমুক্ত করে দেয়ার জন্য জাহাঙ্গীর মাঝিকে নির্দেশ প্রদান করে স্থানীয় সালিশ বর্গ।

    আজ ১৬ই অক্টোবর ২০২৪ সকাল ৯ ঘটিকার সময় নিহত সিরাজ মাঝি ও তার স্ত্রী উক্ত বেড়া অপসারণের জন্য দুইজন বদলা নিয়ে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হলে, সিরাজ মাঝি ও তার স্ত্রীকে বাধা দেয় শরীফ মাঝি, বাধা উপেক্ষা করলে সিরাজ মাঝি ও তার স্ত্রীকে লোহার কাওয়াল দিয়ে বেধড়ক আঘাত করে জাহাঙ্গীর মাঝির ছেলে শরীফ মাঝি(২০)। আঘাতের প্রেক্ষিতে সিরাজ মাঝি ঘটনাস্থলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

    এসময় দুইজনই আহত হয়। আহত অবস্থায় স্বজন ও স্থানীয়রা শরিফুল মাঝিকে ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও সিরাজুল ইসলাম মাঝিকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেলেক্সে নিয়ে যায়।

    ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সাইদুল আরমান সিরাজুল ইসলাম মাঝিকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, ভাতিজা শরীফ মাঝির সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সিরাজুল মাঝি নামে একজন নিহত হয়েছেন। কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    নিহত সিরাজুল ইসলাম মাঝি সিড্যা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সম্পাদক । তিনি একই এলাকার মৃত নুরবক্স মাঝির ছেলে।#মহ /দৈনিক বাংলার তরী

  • কথায় কথায় বিএনপি কর্মীদের মামলার হুমকি দেন পিএস আফসার

    কথায় কথায় বিএনপি কর্মীদের মামলার হুমকি দেন পিএস আফসার

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    বিগত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ  সরকার পতনের পর নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জনগণ আওয়ামী লীগের অত্যাচারী  সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ আলীর রাহুমুক্ত হয়।

    টানা ১৭ বছর ধরে হাতিয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের লাগাতার হয়রানি, মামলা, হামলা, ছাড়াও হাতিয়ার নৌপথসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক চাঁদাবাজী করে হাতিয়েছিলেন কোটি কোটি টাকা। কিন্ত সেই অত্যাচারী মোহাম্মদ আলী আটক হবার পর হাতিয়ার  নতুন অভিশাপ হিসেবে মোহাম্মদ আলীর শূন্যস্থান পূরণ করার অপচেষ্টা চালিয়ে চলছেন আবুল হায়াত আফসার।

    এই আফসার হাতিয়ার সাবেক স্বনামধন্য বিএনপির সাংসদ প্রকৌশলী ফজলুল আজিমের ব্যবসায়ীক পিএস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খোদ বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের অভিযোগ ধুরন্ধর আফসার হাতিয়ার নৌপথে ফের মোহাম্মদ আলীর মতো চাঁদাবাজি করে জনসাধারণ কে জিম্মি করার  অপতৎপরতা শুরু করেছেন।

    এছাড়া চেষ্টা করছেন হাতিয়ায় বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের কোনঠাসা করার। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকটা প্রকাশ্যেই বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানিমূলক ও বিতর্কিত সাইবার সিকিউরিটি আইনে মামলা দেয়ার হুমকিও দিচ্ছেন পিএস আফসার।

    বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, পিএস আফসার একসময় বিএনপির স্বনামধন্য সাবেক এমপি ফজলুল আজিমের বিরুদ্ধেও অপতৎপরতা ও অপপ্রচার  চালিয়েছিলেন, বিগত ১৭ বছরে তার কোন সাড়াশব্দ না থাকলেও হুট করে উড়ে এসে জুড়ে বসে হাতিয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের কোনঠাসা করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন আফসার।

    শুধু তাই নয় অত্যাচারী মোহাম্মদ আলীর সম্রাজ্যও ফিরিয়ে আনতে অপতৎপরতা শুরু করেছেন তিনি৷ আফসারের এমন সব অপতৎপরতার  ব্যাপারে হাতিয়ার সাধারণ বিএনপি নেতাকর্মীরা বিএনপির সাবেক সাংসদ প্রকৌশলী ফজলুল আজিমসহ বিএনপির হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

    ধুরন্ধর আবুল হায়াত আফসারের নানান অপকর্ম ও অপতৎপরতা নিয়ে আসছে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।  চোখ রাখুন পত্রিকার পাতায়…।# মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • দুর্গাপুর উপজেলার পালশা গ্রামে বাঁশ ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি

    দুর্গাপুর উপজেলার পালশা গ্রামে বাঁশ ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি

    দুর্গাপুর প্রতিনিধি:

    রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলার পালশা গ্রামের মুনসুর রহমান (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে চাঁদা না দেওয়ায় মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    ভুক্তভোগী বর্তমানে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তিনি জানান জমি জমার সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে এলাকার প্রভাবশালী নরুল ইসলাম নরু (৪২) ভুক্তভোগীর কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।

    তিনি তা দিতে অস্বীকার করলে গত (৪.১০.২৪)ইং শুক্রবার তাকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নরুর নেতৃত্বে হিটলার, আমজাদ,নিয়ামত তাদের দল-বল নিয়ে তুলে নিয়ে যায় এবং পালশা নতুন হাটে সোহেলের অফিসের সামনে মারধর করে তার কাছে থাকা ব্যবসার ৫৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

    পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে এবং তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

    বিষয় টি দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত সাব ইন্সপেক্টর অবগত আছেন। তিনি জানান বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • অগ্রযাত্রা’র সাংবাদিকদের তৎপরতা ও র‍্যাবের সাড়াশি অভিযানে অপহৃত শিশু তুষারকে দূর্গম এলাকা থেকে উদ্ধার

    অগ্রযাত্রা’র সাংবাদিকদের তৎপরতা ও র‍্যাবের সাড়াশি অভিযানে অপহৃত শিশু তুষারকে দূর্গম এলাকা থেকে উদ্ধার

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    অনুসন্ধানমূলক জাতীয় পত্রিকা অগ্রযাত্রা’র তৎপরতায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে অপহরণ হওয়া শিশু তুষার(৯) কে বরিশালের পিরোজপুর থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-২ ও র‍্যাব-৮ এর যৌথ আভিযানিক দল।

    উল্লেখ্য,  অপহৃত তুষারের  মা বিলকিস বেগমের সাথে বাদল (৩০+) নামে অজ্ঞাত এক তরুণের ফোনে পরিচয় হয়, পরিচয়ের সূত্র ধরে  তুষার কে নিয়ে তার মা বিলকিস ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫ টায় সদরঘাটের সোয়ারীঘাট এলাকায় যুবক বাধনের সাথে দেখা করতে গেলে, বাদল বিলকিস বেগমের ছেলে শিশু তুষারকে চিপস কিনে দেয়ার কথা বলে নিয়ে সরে যায়। এরপর থেকে ফোনে ২ লক্ষ টাকা দাবি করতে থাকে বাধন।

    ভুক্তভোগী তুষারের মা বিলকিস বেগম বাদী হয়ে এ ঘটনায় ঘটনাস্থলের দায়িত্বপূর্ণ কোতয়ালী থানায় প্রথমে সাধারণ ডায়েরি এবং পরবর্তীতে মামলা রুজু করেন। ওদিকে অপহরণকারী বাধন  অনবরত মুক্তিপণের টাকার জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছিলো শিশু তুষারের পরিবারকে।

    এমতাবস্থায় গত ৪ আগস্ট ভুক্তভোগী তুষারের মা অগ্রযাত্রা পত্রিকার সম্পাদক মেহেদী হাসান কে জানালে তিনি দ্রুত যাবতীয় তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে রিপোর্ট আকারে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবগত করলে র‍্যাব-২ এর একটি আভিযানিক দল বরিশালে র‍্যাব-৮ এর সহযোগিতা নিয়ে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার দূর্গম হোগলাপাতিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে অপহরণের শিকার শিশু তুষার কে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।

    এসময় র‍্যাবের উপস্থিতি  টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়। তবে তাদের পরিকল্পনা ছিলো মুক্তিপণ না পেলে শিশু তুষারকে মেরে ফেলা। ইতোমধ্যে অপহৃত শিশু তুষারকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে এসেছে র‍্যাব।#মহ/দৈনিক বাংলার তরী

  • বাগমারা’য় স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার

    বাগমারা’য় স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার

    বাগমারা প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর বাগমারায় পুকুর থেকে সবুজ নামক এক স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সবুজ স্থানীয় মাধনগর হাইস্কুলের ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিকেল চার’টায় কাস্ট নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের পুকুর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

    বাগমারা উপজেলার নরদাশ ইউনিয়ন মাধনগর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের একমাত্র ছেলে নিহত ইয়ামিন ইসলাম সবুজ (১৬)।
    স্থানীয়দের ভাষ্য, পার্শ্ববর্তী কাস্টো নাংলা গ্রামের আকরাম হোসেনের নমব শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ের সাথে সবুজের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

    কাস্ট নাংলা গ্রামের ইব্রাহিম হোসেন বলেন, এর পূর্বে সবুজ কে মেরে আহত করে আকরাম ও তার লোকজন। মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙ্গে ফেলে।সবুজের শিক্ষক হুরমতুল্লা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।

    সবুজের পিতা-মাতা ছেলের হত্যাকারীদের ফাঁশি দাবী করেন। তাঁরা কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, রাত নয়’টার দিকে মোবাইল ফোনে সবুজকে ডেকে নেয়। তারপর থেকে নিখোঁজ ছিল সবুজ।অভিযুক্ত আকরাম হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।

    খুনের ঘটনা ঘটে কাস্ট নাংলা গ্রামে আকরামের শ্বশুর বাড়ি সামনে। স্থানীয় সূত্র জানায়, চার থেকে পাঁচজন খুনের সাথে জড়িত থাকতে পারে। পুকুর পাড়ে একটি লোহার রড় ও চিকন চেন দেখতে পাওয়া গেছে। নিহতের মুখের ডান দিকে জখমের চিহ্ন রয়েছে । নিহত সবুজের পিতা আবাদুর রাজ্জাক ও মা বার বার মূর্ছা যাচ্ছিলেন।

    নরদাশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।
    বাগমারা থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

    বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ এই প্রতিবেদককে জানান, ময়নাতদন্তের আগে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে স্থানীয়দের কাছে শুনে এটি হত্যাকান্ড বলে প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • রাজশাহী মহানগর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু গ্রেপ্তার

    রাজশাহী মহানগর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু গ্রেপ্তার

    স্টাফ রিপোর্টার :

    ছাত্র জনতার উপর হামলা ও হত্যা মামলায় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫ এর সদস্যরা।

    র‍্যাব-৫ অধিনায়ক লে. কর্নেল ফিরোজ কবীর জানান, শুক্রবার রাতে র‍্যাবের একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে নওগাঁ থেকে ডাবলু সরকারকে গ্রেফতার করে। তিনি জানান, তার নামে ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গনঅভ্যুথানে নিহত শিক্ষার্থী আবু রায়হান ও সাকিব আনজুম হত্যাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।

    এছাড়া রাতে তাকে নওগাঁ অথবা জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্পে রাখা হবে। সেখানে যদি তার নামে কোন মামলা থাকে সে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। না থাকলে রাজশাহীর মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হবে।#মহ/ দৈনিক বাংলার তরী

  • দূর্গাপুরে হত্যাচেষ্টা ও নাশকতা মামলায় আ.লীগের সভাপতি গ্রেফতার

    দূর্গাপুরে হত্যাচেষ্টা ও নাশকতা মামলায় আ.লীগের সভাপতি গ্রেফতার

    রাজশাহীর (দূর্গাপুর) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর দূর্গাপুরে হত্যাচেষ্টা ও নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি আইনুদ্দিন (৫৫)কে গ্রেফতার করেছে দূর্গাপুর থানা পুলিশ।

    সে দূর্গাপুর পৌর এলাকার ৬ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি বহরমপুর গ্রামের মৃতঃ দাইমুদ্দিনের ছেলে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার ২ (অক্টোবর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    সূত্র মতে, গত ৩(সেপ্টেম্বর) হত্যাচেষ্টা ও নাশকতা চালানোর অভিযোগে থানায় মামলটি দায়ের করেন দূর্গাপুর উপজেলার চক-জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের শাহাদত হোসেন।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আগের দিন অর্থাৎ গত ৪ আগস্ট রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলা মেডিকেল মোড়ে আসামীরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রকাশ্যে দিবালোকে বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে। তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সহযোগিতাকারীদের হত্যার উদ্দেশ্যে ব্যাপক নাশকতা চালায়।

    প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের সময় ভোটকেন্দ্র দখল, হাটের টেন্ডার বাজি ও খাস পুকুর দখল করে কোটি টাকার বনে গিয়েছেন আইনুদ্দিন । আওয়ামী লীগের আমলে সে অন্যায় অত্যাচার, মারপিট, জুলুম নির্যাতন চালিয়েছেন এবং নিজে বানিয়েছেন টর্চার সেল।

    তার নির্যাতন ও জুলুমের শিকার হয়েছেন, দূর্গাপুর উপজেলার নানান শ্রেণীর ও পেশার মানুষ এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বহরমপুর গ্রামের মৃতঃ আকবরের ছেলে রহিদুল, বদরুদ্দিন ওরফে বুদের ছেলে শাহজাহান, মৃতঃ আব্দুস সাত্তারের ছেলে উজ্জল, আজিমুদ্দিনের ছেলে শরিফুল ইসলাম, আওয়াল, মঙ্গলের ছেলে নাজমুল। তার চাচাতো ভাই এনামুল শেখ’কে দুই বছর পূর্বে দূর্গাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে ইমারজেন্সি বিভাগে মাথায় শিলায় চলাকালীন সময়েও মারপিট করে। মেডিকেল গেটের বাইরে বসে থাকা তার চাচীকেও মারপিট করে জখম করেন।

    তার হাত থেকে রক্ষা পায়নি তার নিজের ভাই চয়েন উদ্দিন। সে বিএনপি করার কারণে তৎকালীন সরকারের সময় তার ভাই আইনুদ্দিন তাকে ধরে নিয়ে এসে মাদ্রাসার মাঠে হাত পা রশি দিয়ে বেঁধে মারপিট করে নির্যাতন করেন। এমনকি থানার মধ্যে গোল ঘরে বসেও সাধারণ মানুষকে লাথি, মারপিট করতেন। তিনি আওয়ামী লীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী হওয়ার কারণে তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতো না।

    এ ব্যাপারে দূর্গাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দূর্গাপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা আইনুদ্দিনকে আটক করা হয় এবং বৃহস্পতিবার দুপুরে আটকৃতকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।# মহ/ দৈনিক বাংলার তরী