April 21, 2026, 1:46 am
শিরোনামঃ
দূর্গাপুরে ৬ বছর ধরে নিখোঁজ সাংবাদিক পিতা, মাওলানা আতাউর রহমান আক্তার বাগমারায় আদালতের আদেশ অমান্য করে অবৈধভাব ডিলার নিয়োগ পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাসিক প্রশাসক রাজশাহীর শীর্ষ সংবাদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচারের নিন্দা, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের দুর্গাপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পৌরসভার ৩০৮৫ পরিবার পেল বিনামূল্যে চাল রাসিকের ২২ নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া, আলোচনায় অমিত ঘোষ বিকি সাংবাদিকদের মহান দায়িত্ব বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করা- মিলন এমপি কালীগঞ্জে সৈয়দ জাহের শাহ্’র (রা.) ওফাত দিবস উপলক্ষে ইফতার মাহফিল সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ফুলপুরে শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর রাঁখি বাতি উৎসব পালিত 

Reporter Name

ফুলপুর প্রতিনিধি :

শনিবার (৯নভেম্বর) সন্ধ্যায় ফুলপুর উপজেলার অষ্ঠমীখলা মন্দিরের শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির কর্তৃক আয়োজনে হাজারো ভক্তের প্রদীপ, ধুপ, ফল, ফুল সামনে নিয়ে একাগ্রচিত্তে লোকনাথের আরাধনায় নিমগ্ন হয়ে উঠেন।

এ বিষয়ে লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দিরের সেবাইত ও পাঠক শ্রী রাম কৃষ্ণ পন্ডিত জানান, এই ব্রতের আগের দিন সংযম করতে হয়। তারপর উপবাস থেকে সন্ধ্যায় আগে ধুপ, প্রদীপ ইত্যাদি নিয়ে বসতে হয় আরাধনায়। আরাধনায় বসে প্রদীপ জ্বলানোর সাথে সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিতে হয়। সংযম, মনোব্রত ও মনটাকে একাত্মচিত্তে লোকনাথকে ডাকতে হয়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন শেষ হলে পূর্ব পুরুষদের উদ্দেশ্য করে নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়। এরপর মন্দির থেকে  অভিষান্য প্রসাদ দেয়া হয়ে থাকে। যা খেয়ে উপবাস ভাঙ্গে ভক্তরা

এই ব্রত কীভাবে আসলো তার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ১৮৯০ সালের আগে নারায়ণগঞ্জের বারদীর ঘটনা। লোকনাথ বাবা খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতেন। একদিন ভোর বারদী আশ্রমের আশপাশ দিয়ে লোকনাথ হাঁটাচলা করছিলেন, তখন দেখেন লাল পের পরা এক নারী মন্দিরের সীমানা অতিক্রম করছেন। যেই মন্দির অতিক্রম করেন ওই নারী, তখন লোকনাথ বললেন, ‌‘আমি তো এখানে আছি’। তখন তিনি দেখলেন শীতলী মা যাচ্ছেন। তখন লোকনাথ বহ্মচারী একটা অশুভ সংকেত পান ।

তখন গুটি বসন্তের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিলো। প্রচলিত সংস্কার অনুসারে লোকনাথ বললেন, ‘আপনি মন্দিরে যেতে পারবেন না, মন্দির আশ্রম এলাকার পাশ দিয়ে যান’। সেই পাশ দিয়ে বা নিম্নাঞ্চল দিয়ে বেরিয়ে যান শীতলী দেবী। নিম্নাঞ্চলে বাস করতো কিছু জেলে পরিবার, তারা বসন্তে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ওই তখন প্রমাণ হয়, সাধনায় সিদ্ধিলাভ করলে দেবদেবতারা সাধকদের কথা মানে।

আরাধনায় বসে প্রদীপ জ্বলানোর সাথে সাথে কথা বলা বন্ধ রাখতে হয় তখন আশ্রমের লোকজন বললেন, আপনি যখন থাকবেন না তখন আমাদের কী হবে? তখন লোকনাথ বললেন, ‘১৫ কার্তিকের পরের শনি ও মঙ্গলবার সন্ধা আরতির সময় লোকনাথ বহ্মচারীর মন্দির বা আশ্রমে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করতে বলেন তিনি’। সেই ব্রতের কেউ নাম দিলেন রাঁখের বাতি উপবাস, কেউ বলে গোসাইয়ের উপবাস, কেউ বলে কার্তিক ব্রত। এই তিন নামে আখ্যায়িত। লোকনাথ সম্প্রদায় এটাকে গোসাইয়ের উপবাস হিসেবে মানে। গোসাইয়ের নামে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়।

প্রদীপ জ্বলা শেষ হলে প্রসাদ হিসেবে মন্দির থেকে একজ্বালে রান্না করা অভিষান্য দেয়া হয়।

এই ব্রত আগে বারদীতে হতো। এখান থেকে আশেপাশে মন্দির ও আশ্রম গুলোতে ছড়িয়ে পরে। বারদী থেকেই এটা প্রচার হয়েছে।এরপর থেকে সারা বিশ্বের  লোকনাথের মন্দির ও আশ্রমগুলোতে এই ব্রত হচ্ছে। অনেকে বাসা-ই এই ব্রত করছে বলেও বলেন তিনি।#মহ/দৈনিক বাংলার তরী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেজ লাইক করুন